২০২৬ সালের প্রথম সূর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণ: জানুন তারিখ, সময় এবং দৃশ্যমানতার সম্পূর্ণ তথ্য

২০২৬ সালে মহাকাশপ্রেমীদের জন্য অপেক্ষা করছে চারটি রোমাঞ্চকর জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনা। এই বছরে দুটি সূর্যগ্রহণ এবং দুটি চন্দ্রগ্রহণ সংঘটিত হবে। প্রথম সূর্যগ্রহণটি ঘটবে ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে, যা একটি বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ…

Avatar

 

২০২৬ সালে মহাকাশপ্রেমীদের জন্য অপেক্ষা করছে চারটি রোমাঞ্চকর জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনা। এই বছরে দুটি সূর্যগ্রহণ এবং দুটি চন্দ্রগ্রহণ সংঘটিত হবে। প্রথম সূর্যগ্রহণটি ঘটবে ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে, যা একটি বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ হবে এবং শুধুমাত্র অ্যান্টার্কটিকা অঞ্চলে দৃশ্যমান হবে। ভারত, বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার জন্য বিশেষ উত্তেজনার বিষয় হলো ৩ মার্চ ২০২৬ তারিখে ঘটতে চলা প্রথম চন্দ্রগ্রহণ, যা একটি সম্পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ হবে এবং এই অঞ্চল থেকে স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হবে।

২০২৬ সালের প্রথম সূর্যগ্রহণ: বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ

২০২৬ সালের প্রথম সূর্যগ্রহণটি হবে একটি বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ, যা ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ মঙ্গলবারে সংঘটিত হবে। নাসার তথ্য অনুযায়ী, এই গ্রহণের সর্বোচ্চ বিন্দু হবে UTC সময় ১২:১১:৫৪ মিনিটে। একটি বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ ঘটে যখন চাঁদ পৃথিবী এবং সূর্যের মাঝখানে অবস্থান করে, কিন্তু চাঁদের আপাত ব্যাস সূর্যের চেয়ে ছোট হওয়ায় সূর্যকে সম্পূর্ণভাবে ঢেকে ফেলতে পারে না, ফলে সূর্যের চারপাশে একটি উজ্জ্বল বলয় বা রিং দৃশ্যমান হয়।

দৃশ্যমানতা এবং অবস্থান

এই বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণের বলয়গ্রাস পর্যায় শুধুমাত্র অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশে দৃশ্যমান হবে। অ্যান্টার্কটিকার কনকর্ডিয়া স্টেশনে বলয়গ্রাস পর্যায়ের স্থায়িত্ব হবে প্রায় ২ মিনিট ৫ সেকেন্ড। আংশিক সূর্যগ্রহণ হিসেবে এটি দক্ষিণ আর্জেন্টিনা এবং চিলির একেবারে দক্ষিণ প্রান্তে, সেইসাথে দক্ষিণ আফ্রিকা, মোজাম্বিক এবং মাদাগাস্কারসহ দক্ষিণ আফ্রিকার বৃহৎ অংশে দৃশ্যমান হবে।

২০২৫ সালে ভারতে সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে না, কিন্তু বিশ্বের অন্যান্য দেশে হবে দৃশ্যমান

ভারত ও বাংলাদেশে দৃশ্যমানতা

দুর্ভাগ্যবশত, ভারত, বাংলাদেশ এবং দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য অঞ্চল থেকে এই সূর্যগ্রহণ দৃশ্যমান হবে না। TheSkyLive-এর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর সূর্যগ্রহণ একেবারেই দেখা যাবে না। একইভাবে ভারতের নয়াদিল্লি সহ দেশের কোনো অঞ্চল থেকেই এই গ্রহণ পর্যবেক্ষণযোগ্য হবে না।

২০২৬ সালের প্রথম চন্দ্রগ্রহণ: সম্পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ

২০২৬ সালের প্রথম চন্দ্রগ্রহণ এবং দক্ষিণ এশিয়ার জন্য সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনা হবে ৩ মার্চ ২০২৬ তারিখ মঙ্গলবারে সংঘটিত সম্পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ। এই চন্দ্রগ্রহণটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ কারণ এটি এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল, উত্তর আমেরিকা এবং দক্ষিণ আমেরিকা থেকে দৃশ্যমান হবে।

চন্দ্রগ্রহণের সময়সূচী

Timeanddate.com এর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের ঢাকা অঞ্চল থেকে এই চন্দ্রগ্রহণ আংশিক হিসেবে দৃশ্যমান হবে। গ্রহণ শুরু হবে সন্ধ্যা ৬:০২ মিনিটে এবং সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছাবে সন্ধ্যা ৬:০৯ মিনিটে। গ্রহণ শেষ হবে রাত ৮:২৩ মিনিটে। সম্পূর্ণ গ্রহণের মোট স্থায়িত্ব হবে প্রায় ২ ঘণ্টা ২১ মিনিট।

ভারত থেকে দৃশ্যমানতা

ভারত থেকে এই চন্দ্রগ্রহণ বিশেষভাবে দৃশ্যমান হবে, তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় লক্ষ্য করার মতো যে চাঁদ উদয়ের সময় গ্রহণ ইতিমধ্যে শুরু হয়ে যাবে। নয়াদিল্লি থেকে পর্যবেক্ষকরা গ্রহণের শেষ পর্যায় থেকে দেখতে পারবেন। থাই স্কাই লাইভ-এর তথ্যমতে, ভারতীয় দর্শকরা আংশিক গ্রহণের শেষ অংশ (U4) থেকে শুরু করে সম্পূর্ণ সমাপ্তি পর্যন্ত দেখতে পারবেন।

চন্দ্রগ্রহণের পর্যায়সমূহ

একটি সম্পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ বিভিন্ন পর্যায়ে ঘটে। প্রথমে উপচ্ছায়া স্পর্শ (P1) দিয়ে শুরু হয়, যা গ্রহণের সূচনা চিহ্নিত করে। এরপর আসে প্রথম পূর্ণচ্ছায়া স্পর্শ (U1), যা আংশিক গ্রহণের শুরু। দ্বিতীয় পূর্ণচ্ছায়া স্পর্শ (U2) সম্পূর্ণ গ্রহণের শুরু চিহ্নিত করে। সর্বোচ্চ গ্রহণ (GE) হলো যখন চাঁদ পৃথিবীর ছায়ার কেন্দ্রের সবচেয়ে কাছাকাছি থাকে। তৃতীয় পূর্ণচ্ছায়া স্পর্শ (U3) সম্পূর্ণ গ্রহণের সমাপ্তি ঘটায়। চতুর্থ পূর্ণচ্ছায়া স্পর্শ (U4) আংশিক গ্রহণের শেষ নির্দেশ করে এবং সবশেষে উপচ্ছায়া বিচ্ছেদ (P4) সম্পূর্ণ গ্রহণের সমাপ্তি ঘটায়।

সিদ্ধান্ত গ্রহণের ৬টি কার্যকর উপায় – জীবনে নিন সেরা সিদ্ধান্ত

গ্রহণের বৈজ্ঞানিক তাৎপর্য

চন্দ্রগ্রহণ ঘটে যখন পৃথিবী সূর্য এবং চাঁদের মাঝখানে অবস্থান করে এবং পৃথিবীর ছায়া চাঁদের উপর পড়ে। ২০২৬ সালের মার্চ মাসের এই সম্পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণের পূর্ণচ্ছায়া মাত্রা (Umbral Magnitude) হবে ১.১৫২৬, যা নির্দেশ করে যে চাঁদ পৃথিবীর পূর্ণচ্ছায়ায় গভীরভাবে প্রবেশ করবে। এই চন্দ্রগ্রহণ Saros 133 সিরিজের অন্তর্গত, যা জ্যোতির্বৈজ্ঞানিকভাবে প্রতি ১৮ বছর ১১ দিন পর পুনরাবৃত্তি হওয়া গ্রহণের একটি ধারা।

চাঁদের লাল রং

সম্পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদ সম্পূর্ণ অন্ধকার হয়ে যায় না, বরং একটি লালচে বা তাম্রবর্ণ ধারণ করে। এই ঘটনা ঘটে কারণ পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল সূর্যের আলোকে প্রতিসরণ করে এবং নীল আলোক ছড়িয়ে দেয়, যখন লাল আলোক চাঁদের পৃষ্ঠে পৌঁছায়। এই কারণেই সম্পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণকে কখনো কখনো “রক্তচন্দ্র” (Blood Moon) বলা হয়।

২০২৬ সালের অন্যান্য গ্রহণ

২০২৬ সালে প্রথম দুটি গ্রহণের পর আরও দুটি গ্রহণ সংঘটিত হবে। ১২ আগস্ট ২০২৬ তারিখে একটি সম্পূর্ণ সূর্যগ্রহণ ঘটবে, যা আর্কটিক মহাসাগর, গ্রিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, আটলান্টিক মহাসাগর, উত্তর স্পেন এবং উত্তর-পূর্ব পর্তুগালের একেবারে প্রান্ত দিয়ে অতিক্রম করবে। স্পেসডটকম-এর তথ্য অনুসারে, আইসল্যান্ডের পশ্চিম উপকূলে এই সূর্যগ্রহণের সর্বোচ্চ স্থায়িত্ব হবে ২ মিনিট ১৮ সেকেন্ড। বছরের চতুর্থ এবং শেষ গ্রহণ হবে ২৭-২৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখে একটি আংশিক চন্দ্রগ্রহণ, যা আমেরিকা, ইউরোপ, আফ্রিকা এবং পশ্চিম এশিয়া থেকে দৃশ্যমান হবে।

গ্রহণ পর্যবেক্ষণের সতর্কতা

সূর্যগ্রহণ পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কখনোই খালি চোখে সরাসরি সূর্যের দিকে তাকানো উচিত নয়, এমনকি আংশিক বা বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণের সময়ও নয়। বিশেষ সোলার ফিল্টার বা গ্রহণ পর্যবেক্ষণের জন্য বিশেষভাবে তৈরি চশমা ব্যবহার করা আবশ্যক। অন্যদিকে, চন্দ্রগ্রহণ পর্যবেক্ষণ সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং খালি চোখেই দেখা যায়, কারণ এতে সূর্যের সরাসরি আলো চোখে পড়ে না।

সাংস্কৃতিক এবং জ্যোতিষশাস্ত্রীয় তাৎপর্য

ভারতীয় উপমহাদেশে গ্রহণের বিশেষ সাংস্কৃতিক এবং ধর্মীয় তাৎপর্য রয়েছে। ৩ মার্চ ২০২৬ তারিখে সম্পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য কারণ এটি হোলি উৎসবের দিনে সংঘটিত হবে। ঐতিহ্যগতভাবে, গ্রহণের সময় সূতক কাল পালন করা হয়, যা গ্রহণ শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে থেকে গ্রহণ শেষ হওয়া পর্যন্ত চলে। এই সময়ে বিশেষ কিছু আচার-অনুষ্ঠান এবং পূজা-পার্বণ পালন করা হয়।

গ্রহণ দেখার জন্য প্রস্তুতি

৩ মার্চ ২০২৬ তারিখের চন্দ্রগ্রহণ পর্যবেক্ষণের জন্য কিছু প্রস্তুতি নিলে অভিজ্ঞতা আরও সমৃদ্ধ হবে। একটি স্পষ্ট দিগন্ত খুঁজে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে পূর্ব দিকে, যেখান থেকে চাঁদ উদয় হবে। বাইনোকুলার বা ছোট টেলিস্কোপ ব্যবহার করে গ্রহণের বিভিন্ন পর্যায়ের সূক্ষ্ম বিবরণ দেখা যাবে। ফটোগ্রাফিতে আগ্রহীরা একটি ট্রাইপড সহ ক্যামেরা ব্যবহার করে গ্রহণের বিভিন্ন পর্যায়ের ছবি তুলতে পারেন। দীর্ঘ এক্সপোজার এবং বিভিন্ন ISO সেটিংস পরীক্ষা করে দেখা যেতে পারে।

বৈশ্বিক দৃশ্যমানতার তথ্য

Britannica এবং NASA-এর তথ্য অনুযায়ী, ৩ মার্চ ২০২৬ এর সম্পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ পৃথিবীর বিস্তৃত অঞ্চল জুড়ে দৃশ্যমান হবে। পূর্ব ইউরোপের কিছু অংশ, সম্পূর্ণ এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ, উত্তর আমেরিকা এবং দক্ষিণ আমেরিকা থেকে এই গ্রহণ দেখা যাবে। উত্তর-পূর্ব এশিয়া, উত্তর-পশ্চিম উত্তর আমেরিকা এবং মধ্য প্রশান্ত মহাসাগরের উপর গ্রহণটি সম্পূর্ণরূপে দৃশ্যমান হবে।

প্রযুক্তি ও আধুনিক পর্যবেক্ষণ

আধুনিক প্রযুক্তির যুগে গ্রহণ পর্যবেক্ষণ আরও সহজ এবং সুবিধাজনক হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন এবং ওয়েবসাইট রিয়েল-টাইম গ্রহণের তথ্য, সময়সূচী এবং দৃশ্যমানতা মানচিত্র প্রদান করে। থাই স্কাই লাইভ, টাইম অ্যান্ড ডেট এবং ন্যাসা-র মতো প্রতিষ্ঠান ইন্টারঅ্যাক্টিভ মানচিত্র এবং অ্যানিমেশন প্রদান করে যা ব্যবহারকারীদের তাদের নির্দিষ্ট অবস্থান থেকে গ্রহণের সঠিক সময় এবং দৃশ্যমানতা জানতে সাহায্য করে।

২০২৬ সাল: গ্রহণের বছর

২০২৬ সালকে গ্রহণ পর্যবেক্ষকদের জন্য একটি বিশেষ বছর হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে কারণ এতে দুটি সম্পূর্ণ সূর্যগ্রহণ এবং একটি সম্পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ সহ চারটি গ্রহণ ঘটবে। বিশেষত, আগস্ট মাসের সম্পূর্ণ সূর্যগ্রহণ ইউরোপের কিছু অংশ থেকে দৃশ্যমান হবে, যা সেই অঞ্চলের জন্য একটি দুর্লভ সুযোগ। EclipseWise-এর তথ্য অনুযায়ী, এই সূর্যগ্রহণের পথ আইসল্যান্ডের মধ্য দিয়ে যাবে, যেখানে হাজার হাজার পর্যটক এই দুর্লভ দৃশ্য দেখতে সমবেত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

শিক্ষামূলক গুরুত্ব

গ্রহণ শিক্ষার্থী এবং জ্যোতির্বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহীদের জন্য চমৎকার শেখার সুযোগ প্রদান করে। এটি সৌরজগতের গতিবিদ্যা, কক্ষপথের মেকানিক্স এবং পৃথিবী-চাঁদ-সূর্যের আন্তঃসম্পর্ক বোঝার একটি হাতে-কলমে সুযোগ। স্কুল এবং কলেজগুলো গ্রহণের সময় বিশেষ পর্যবেক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করে, যেখানে শিক্ষার্থীরা নিরাপদভাবে এই জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনা পর্যবেক্ষণ করতে এবং এর পিছনের বিজ্ঞান বুঝতে পারে।

২০২৬ সালের প্রথম সূর্যগ্রহণ এবং চন্দ্রগ্রহণ জ্যোতির্বিজ্ঞান প্রেমীদের জন্য অসাধারণ সুযোগ নিয়ে আসছে। যদিও ১৭ ফেব্রুয়ারির বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ ভারত ও বাংলাদেশ থেকে দৃশ্যমান হবে না, ৩ মার্চের সম্পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ এই অঞ্চলের জন্য একটি বিশেষ মহাকাশীয় প্রদর্শনী হবে। এই গ্রহণ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে আমরা শুধুমাত্র একটি সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্যই উপভোগ করব না, বরং আমাদের সৌরজগতের জটিল এবং নিখুঁত গতিবিদ্যা সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি অর্জন করব। প্রযুক্তির অগ্রগতি এবং বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের বিকাশের সাথে সাথে, গ্রহণ পর্যবেক্ষণ আরও সহজলভ্য এবং শিক্ষামূলক হয়ে উঠেছে। ২০২৬ সালের এই মহাকাশীয় ঘটনাগুলো পর্যবেক্ষণের জন্য প্রস্তুত হন এবং মহাবিশ্বের এই অপূর্ব নৃত্য উপভোগ করুন।

About Author
Avatar

আমাদের স্টাফ রিপোর্টারগণ সর্বদা নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যাচ্ছেন যাতে আপনি বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের সর্বশেষ ও গুরুত্বপূর্ণ খবর পেতে পারেন। তাঁদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও প্রতিশ্রুতি আমাদের ওয়েবসাইটকে একটি বিশ্বস্ত তথ্যের উৎস হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।তারা নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ রিপোর্টিংয়ে বিশ্বাসী, দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক প্রতিবেদন তৈরিতে সক্ষম

আরও পড়ুন