Acliz Plus: গর্ভাবস্থায় বমি বমি ভাব, মোশন সিকনেস এবং ভার্টিগো নিরাময়ের কার্যকর সমাধান

Acliz Plus Uses, Dosage & Side Effects: এক্লিজ প্লাস একটি সমন্বিত ঔষধ যা বমি বমি ভাব, বমি, মাথা ঘোরা, মোশন সিকনেস এবং ভার্টিগো প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয় । বাংলাদেশের…

Debolina Roy

 

Acliz Plus Uses, Dosage & Side Effects: এক্লিজ প্লাস একটি সমন্বিত ঔষধ যা বমি বমি ভাব, বমি, মাথা ঘোরা, মোশন সিকনেস এবং ভার্টিগো প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয় । বাংলাদেশের শীর্ষ ১০ ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানির একটি অ্যারিস্টোফার্মা লিমিটেড ১৯৮৬ সাল থেকে মানসম্পন্ন ঔষধ তৈরি করে আসছে এবং এক্লিজ প্লাস তাদের অন্যতম জনপ্রিয় পণ্য । প্রতিটি ফিল্ম কোটেড ট্যাবলেটে মেক্লিজিন হাইড্রোক্লোরাইড ২৫ মিলিগ্রাম এবং পাইরিডক্সিন হাইড্রোক্লোরাইড ৫০ মিলিগ্রাম রয়েছে, যা একসাথে কাজ করে শরীরের ভারসাম্য এবং পাচনতন্ত্রকে স্থিতিশীল রাখে ।

এক্লিজ প্লাসের উপাদান এবং কার্যপ্রণালী

মেক্লিজিন হাইড্রোক্লোরাইড এর ভূমিকা

মেক্লিজিন একটি অ্যান্টিহিস্টামিন জাতীয় ঔষধ যার অ্যান্টিইমেটিক, অ্যান্টিকোলিনার্জিক এবং অ্যান্টিহিস্টামিনিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে । এটি ল্যাবিরিনথিন অ্যাপারেটাসের সংবেদনশীলতা হ্রাস করে এবং মধ্যকর্ণের ভেস্টিবুলার-সেরিবেলার পথে সংকেত সংক্রমণ বন্ধ করে দেয় । মেক্লিজিন হিস্টামিনের বিরুদ্ধে ভ্যাসোপ্রেসর প্রতিক্রিয়া ব্লক করে এবং অ্যাসিটিলকোলিনের বিরুদ্ধে সামান্য ব্লকিং কার্যকলাপ করে । এই প্রক্রিয়া কেমোরিসেপ্টর ট্রিগার জোন, পেরিফেরাল স্নায়ু পথ এবং কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের অন্যান্য কেন্দ্র থেকে বমি কেন্দ্রে যাওয়া স্নায়ু সংকেত নিয়ন্ত্রণ করে ।

পাইরিডক্সিন হাইড্রোক্লোরাইডের গুরুত্ব

পাইরিডক্সিন হাইড্রোক্লোরাইড যা ভিটামিন বি৬ নামে পরিচিত, একটি জলে দ্রবণীয় ভিটামিন যা কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন এবং চর্বির বিপাকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে । এটি হিমোগ্লোবিন গঠন এবং কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে GABA সংশ্লেষণে অপরিহার্য । গবেষণায় দেখা গেছে যে পাইরিডক্সিন একা বা সমন্বয়ে ব্যবহার করলে এর অ্যান্টিইমেটিক বৈশিষ্ট্যের কারণে বমি বমি ভাব এবং বমি প্রতিরোধে সহায়তা করে । চিকিৎসা গবেষণা অনুযায়ী, পাইরিডক্সিন হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার বমি বমি ভাব উন্নত করে । প্রতিদিন ৫০ থেকে ২০০ মিলিগ্রাম ডোজে পাইরিডক্সিন হাইড্রোক্লোরাইড নিরাপদ এবং কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে ।

এক্লিজ প্লাসের ব্যবহার ও নির্দেশনা

প্রধান ব্যবহারসমূহ

Acliz Plus বিভিন্ন ধরনের সমস্যার প্রতিরোধ এবং চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয় । গর্ভাবস্থায় সকালের বমি বমি ভাব ও বমির জন্য এটি একটি নিরাপদ এবং কার্যকর চিকিৎসা পদ্ধতি হিসেবে স্বীকৃত । বিশ্বব্যাপী গবেষণায় দেখা গেছে যে গর্ভবতী মহিলাদের মধ্যে ৬৫.৫% বমি বমি ভাব এবং বমির সমস্যায় ভোগেন, যা তাদের সামাজিক সম্পর্ক এবং কাজের কার্যকলাপে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে । মোশন সিকনেস যা নৌকা, গাড়ি, ট্রেন বা বিমানে ভ্রমণের সময় অসুস্থতা সৃষ্টি করে তার প্রতিরোধে এক্লিজ প্লাস অত্যন্ত কার্যকর ।

ভেস্টিবুলার সিস্টেমের রোগের সাথে সম্পর্কিত ভার্টিগো এবং মাথা ঘোরার চিকিৎসায় এই ঔষধ ব্যবহার করা হয় । রেডিয়েশন সিকনেস, ওষুধ-প্ররোচিত বমি বমি ভাব এবং মৌখিক গর্ভনিরোধক বা ইস্ট্রোজেন প্রস্তুতির কারণে সৃষ্ট বমি প্রতিরোধেও এক্লিজ প্লাস নির্ধারিত হয় ।

সঠিক মাত্রা ও সেবনবিধি

বিভিন্ন অবস্থার জন্য এক্লিজ প্লাসের মাত্রা ভিন্ন হয়ে থাকে । বমি বমি ভাব এবং বমির ক্ষেত্রে দৈনিক ১-২ বার একটি করে ট্যাবলেট সেবন করতে হয় । গর্ভাবস্থায় সকালের অসুস্থতার জন্যও একই মাত্রা প্রযোজ্য । মোশন সিকনেস প্রতিরোধের জন্য যাত্রার এক ঘণ্টা আগে ১-২টি ট্যাবলেট সেবন করতে হয় এবং প্রয়োজনে যাত্রার সময়কালের জন্য প্রতি ২৪ ঘণ্টা পর পর পুনরাবৃত্তি করা যায় ।

ভার্টিগো চিকিৎসার ক্ষেত্রে দৈনিক ২ বার একটি করে ট্যাবলেট বা চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সেবন করতে হয় । ল্যাবিরিনথাইন এবং ভেস্টিবুলার ব্যাধিগুলির জন্য সর্বোত্তম ডোজ সাধারণত ক্লিনিকাল প্রতিক্রিয়ার উপর নির্ভর করে প্রতিদিন ২৫ থেকে ১০০ মিলিগ্রাম মেক্লিজিন হাইড্রোক্লোরাইড বিভক্ত মাত্রায় । রেডিয়েশন চিকিৎসার ২ থেকে ১২ ঘণ্টা আগে ৫০ মিলিগ্রাম মেক্লিজিন হাইড্রোক্লোরাইড প্রয়োগ করা হয় । খাবারের সাথে বা খাবার ছাড়া এক্লিজ প্লাস সেবন করা যায়, তবে নির্দিষ্ট সময়ে নেওয়া ভালো ।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এবং সতর্কতা

সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

Acliz Plus কিছু সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে যা ব্যবহারকারীদের জানা উচিত । তন্দ্রা এই ঔষধের সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, যা গাড়ি চালানো বা যন্ত্রপাতি পরিচালনার ক্ষমতা হ্রাস করতে পারে । মুখ শুকিয়ে যাওয়া আরেকটি সাধারণ সমস্যা যা অনেক রোগী অনুভব করেন । বিরল ক্ষেত্রে প্রস্রাব ধারণ, ঝাপসা দৃষ্টি, মাথাব্যথা এবং ক্লান্তির সমস্যা দেখা দিতে পারে ।

শ্বাসনালীর নিঃসরণ ঘন হওয়া এবং এলার্জিক প্রতিক্রিয়া কিছু ব্যবহারকারীর মধ্যে লক্ষ্য করা যায় । দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ মাত্রায় পাইরিডক্সিন হাইড্রোক্লোরাইড সেবনে সেন্সরি নিউরোপ্যাথি রিপোর্ট করা হয়েছে । বেশিরভাগ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হালকা এবং সাময়িক হয়ে থাকে ।

সতর্কতা এবং contraindication

যারা মেক্লিজিন বা পাইরিডক্সিনের প্রতি অতিসংবেদনশীলতা প্রদর্শন করেছেন তাদের জন্য এক্লিজ প্লাস প্রতিনির্দেশিত । অ্যাজমা, ব্রঙ্কাইটিস, এমফিসেমা, প্রোস্টেট বড় হওয়া, গ্লুকোমা বা মূত্রনালীর বাধাযুক্ত রোগীদের সতর্কতার সাথে এই ঔষধ ব্যবহার করা উচিত । গর্ভাবস্থায় মেক্লিজিন ব্যবহারে জন্মগত ত্রুটি বা অস্বাভাবিকতার কোনো ঝুঁকি নেই বলে প্রমাণিত হয়েছে । একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে মেক্লোজিন ব্যবহারের পরে প্রসবের ফলাফল প্রত্যাশিত থেকে ভাল ছিল ।

স্তন্যদানকালে এক্লিজ প্লাস ব্যবহার সম্পর্কে সতর্ক থাকা উচিত কারণ এটি বুকের দুধে নিঃসৃত হয় কিনা তা নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি । CNS ডিপ্রেসেন্ট, নিউরোলেপটিক্স, অ্যান্টিকোলিনার্জিক্স এবং অ্যালকোহলের সাথে এক্লিজ প্লাসের সংযোজক প্রভাব রয়েছে । প্রোস্টেট হাইপারট্রফি, মূত্রাশয়ের ঘাড়ের বাধা, সংকীর্ণ কোণ গ্লুকোমা এবং পাইলোরিক স্টেনোসিসযুক্ত রোগীদের বিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে ।

বৈশ্বিক অ্যান্টিইমেটিক বাজার এবং ব্যবহার প্রবণতা

অ্যান্টিইমেটিক ওষুধের বৈশ্বিক বাজার উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি অনুভব করছে । ২০২২ সালে এই বাজারের মূল্য ছিল ৩.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ২০২৩ থেকে ২০৩২ সাল পর্যন্ত ৫.৯% CAGR হারে বৃদ্ধি পাবে বলে অনুমান করা হচ্ছে । বাজারটি ২০৩২ সালের মধ্যে ৫.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছানোর প্রত্যাশা করা হচ্ছে । আরেকটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, অ্যান্টিইমেটিক ড্রাগস মার্কেট ২০২৬ সালে ৭.০১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে ২০৩২ সালের মধ্যে ১১.৭৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছাবে, যা ৯% CAGR হারে বৃদ্ধি নির্দেশ করে ।

ক্যান্সার এবং গ্যাস্ট্রোএন্টেরাইটিস সহ বমি বমি ভাব এবং বমি সৃষ্টিকারী রোগের বৃদ্ধির কারণে অ্যান্টিইমেটিক ওষুধের চাহিদা বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে । অনকোলজি, সার্জিক্যাল এবং রেডিয়েশন সেটিংসে সাপোর্টিভ কেয়ার পাথওয়ের চাহিদা বৃদ্ধি বাজার বৃদ্ধির মূল চালক । রিটেইল ফার্মেসি সেগমেন্ট ২০২২ সালে প্রায় ৪১% বাজার শেয়ার নিয়ে বাজারে আধিপত্য বিস্তার করেছিল ।

গর্ভাবস্থায় বমি বমি ভাবের পরিসংখ্যান

গর্ভাবস্থায় বমি বমি ভাব এবং বমি একটি অত্যন্ত সাধারণ সমস্যা যা বেশিরভাগ গর্ভবতী মহিলাদের প্রভাবিত করে । একটি সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে যে গর্ভবতী মহিলাদের মধ্যে সামগ্রিকভাবে ৬৫.৫% বমি বমি ভাব এবং বমির সম্মুখীন হন । এই ১৫২ জন মহিলার মধ্যে ৪১.৪% শুধুমাত্র বমি বমি ভাব, ৩.৯% শুধুমাত্র বমি এবং ৫৪.৬% উভয়ই অনুভব করেছেন । লক্ষণগুলি সাধারণত ৭.২ সপ্তাহে শুরু হয় এবং ১০.২ সপ্তাহ স্থায়ী হয়, এবং ৩২.২% ক্ষেত্রে সাক্ষাৎকারের সময়ও অব্যাহত থাকে ।

সামগ্রিকভাবে, সাক্ষাৎকার নেওয়া ৫০% এরও বেশি মহিলা সামাজিক সম্পর্ক এবং কাজের কার্যকলাপে গর্ভাবস্থায় বমি বমি ভাব এবং বমির নেতিবাচক প্রভাব অনুভব করেছেন । এই উচ্চ প্রাদুর্ভাব গর্ভবতী মহিলাদের জীবনযাত্রার মান নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করতে সক্ষম । তাই গর্ভাবস্থায় স্ক্রীনিং পদ্ধতি প্রদান করা উচিত এবং বমি বমি ভাব ও বমির প্রভাব মোকাবেলায় ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন ।

ভার্টিগো রোগীদের প্রোফাইল এবং চিকিৎসা ফলাফল

ভার্টিগো একটি সাধারণ ভেস্টিবুলার সমস্যা যা বিশেষত ৫০ বছরের বেশি বয়সী জনসংখ্যাকে প্রভাবিত করে । একটি সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে যে ১৯৫ জন ভার্টিগো রোগীর মধ্যে ১৯৩ জন ভেস্টিবুলার রিহ্যাবিলিটেশন চিকিৎসায় ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন এবং ৫৮% রোগীর ভার্টিগো মাত্র একটি সেশনের পরে উন্নতি হয়েছে । মহিলারা পুরুষদের তুলনায় বেশি প্রভাবিত হয়, যেখানে BPPV প্রধান কারণ এবং টিনিটাস, বিষণ্নতা এবং উদ্বেগের মতো সম্পর্কিত লক্ষণগুলি দেখা যায় । বেশিরভাগ রোগী প্রথম ভেস্টিবুলার রিহ্যাবিলিটেশন সেশনের পরে উন্নতি লাভ করেছেন ।

মোশন সিকনেস প্রতিরোধ এবং চিকিৎসা

মোশন সিকনেস প্রতিরোধের জন্য বিভিন্ন অ্যান্টিহিস্টামিন ঔষধ ব্যবহার করা হয় । মেক্লিজিন মোশন সিকনেসের জন্য কার্যকর চিকিৎসা হিসেবে স্বীকৃত । প্রাপ্তবয়স্ক এবং ১২ বছরের বেশি বয়সী শিশুদের জন্য ভ্রমণের দুই ঘণ্টা আগে ২৫-৫০ মিলিগ্রাম মেক্লিজিন সুপারিশ করা হয় । ঔষধটি মুখে সেবন করা হয় এবং এর প্রভাব ২ ঘণ্টা পরে শুরু হয় এবং ৮-২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হয় ।

অ্যারিস্টোফার্মা লিমিটেড – নির্মাতার পরিচয়

অ্যারিস্টোফার্মা লিমিটেড বাংলাদেশের শীর্ষ ১০ ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানির মধ্যে একটি, যা ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল । কোম্পানিটি তার যাত্রা শুরু করেছিল দেশবাসীকে সাশ্রয়ী মূল্যে মানসম্পন্ন ঔষধ সরবরাহের সৎ প্রতিশ্রুতি নিয়ে । ঢাকার কেন্দ্র থেকে ১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে শামপুর-কদমতলী শিল্প এলাকায় অবস্থিত তাদের অত্যাধুনিক উৎপাদন কারখানা অত্যন্ত পরিশীলিত এবং উন্নত সুবিধা দিয়ে সজ্জিত । অ্যারিস্টোফার্মা ২০০২ সালে স্টেরাইল অফথালমিক পণ্য তৈরি শুরু করে এবং বর্তমানে বাংলাদেশে চক্ষু বাজারে এক নম্বর অবস্থান বজায় রেখেছে ।

২০১০ সালে কোম্পানিটি তার প্ল্যান্ট সম্প্রসারণ করে এবং ইনহেলার, লায়োফিলাইজড ইনজেকশন, প্রি-ফিল্ড সিরিঞ্জ, সাপোজিটরি, ইনসুলিন এবং অন্যান্য বায়োটেক পণ্য উৎপাদন শুরু করে । অ্যারিস্টোফার্মা তার পণ্য ৫টি মহাদেশে বিস্তৃত ২৫টিরও বেশি দেশে রপ্তানি করে । কোম্পানিটি ISO 9001:2008 সার্টিফাইড এবং প্রতিটি অপারেশনে cGMP এবং cGLP অনুসরণ করে পণ্যের মান বজায় রাখে । ২০২৫ সালের তথ্য অনুযায়ী, অ্যারিস্টোফার্মার বার্ষিক আয় ৩৫৯.২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ৭৪৬ জন কর্মচারী রয়েছে ।

সংরক্ষণ এবং ব্যবহারের টিপস

Acliz Plus ট্যাবলেটগুলি শীতল এবং শুষ্ক স্থানে সংরক্ষণ করা উচিত, সরাসরি সূর্যালোক থেকে দূরে রাখতে হবে। ট্যাবলেটটি পুরোপুরি গিলে ফেলতে হবে, চিবানো, গুঁড়ো করা বা ভাঙা উচিত নয়। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ডোজ এবং সময়কাল মেনে ঔষধ সেবন করা উচিত। ঔষধ সেবনের পর তন্দ্রা অনুভব হলে গাড়ি চালানো বা যন্ত্রপাতি পরিচালনা থেকে বিরত থাকতে হবে। অন্যান্য ঔষধ বা গর্ভাবস্থার ক্ষেত্রে ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করা জরুরি।

বৈশিষ্ট্য বিস্তারিত
উপাদান মেক্লিজিন হাইড্রোক্লোরাইড ২৫ মিলিগ্রাম + পাইরিডক্সিন হাইড্রোক্লোরাইড ৫০ মিলিগ্রাম
নির্মাতা অ্যারিস্টোফার্মা লিমিটেড
প্রধান ব্যবহার বমি বমি ভাব, বমি, মোশন সিকনেস, ভার্টিগো
প্রভাব শুরু ২ ঘণ্টা
প্রভাব স্থায়িত্ব ৮-২৪ ঘণ্টা
গর্ভাবস্থায় নিরাপত্তা নিরাপদ (গবেষণা প্রমাণিত)
সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া তন্দ্রা, মুখ শুকিয়ে যাওয়া

Acliz Plus বমি বমি ভাব, বমি, মোশন সিকনেস এবং ভার্টিগো প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় একটি নির্ভরযোগ্য এবং কার্যকর ঔষধ যা মেক্লিজিন এবং পাইরিডক্সিনের সমন্বয়ে তৈরি। বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি অ্যারিস্টোফার্মা লিমিটেড কর্তৃক উৎপাদিত এই ঔষধটি আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনে তৈরি এবং দেশে-বিদেশে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। গবেষণায় প্রমাণিত যে এটি গর্ভাবস্থায় ব্যবহারের জন্য নিরাপদ এবং ৬৫.৫% গর্ভবতী মহিলা যারা বমি বমি ভাবে ভোগেন তাদের জন্য একটি কার্যকর সমাধান। মোশন সিকনেস এবং ভার্টিগোতে আক্রান্ত রোগীদের জীবনমান উন্নত করতে এক্লিজ প্লাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক মাত্রায় এবং সতর্কতার সাথে ঔষধ ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরি।

About Author
Debolina Roy

দেবলীনা রায় একজন চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্য বিষয়ক লেখক, যিনি স্বাস্থ্য সচেতনতা এবং চিকিৎসা বিজ্ঞান সম্পর্কে পাঠকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য নিবেদিত। ডাক্তারি নিয়ে পড়াশোনা করা দেবলীনা তার লেখায় চিকিৎসা বিষয়ক জটিল তথ্যগুলি সহজ ভাষায় উপস্থাপন করেন, যা সাধারণ পাঠকদের জন্য সহজবোধ্য এবং উপকারী। স্বাস্থ্য, পুষ্টি, এবং রোগ প্রতিরোধের বিষয়ে তার গভীর জ্ঞান এবং প্রাঞ্জল লেখনী পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। দেবলীনা রায়ের লক্ষ্য হল সঠিক ও তথ্যনির্ভর স্বাস্থ্যবিধি প্রচার করা এবং মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা।

আরও পড়ুন