জয়েন করুন

আগারগাঁও বৈশাখী মেলা কবে থেকে শুরু? তারিখ, সময়, টিকিট, আকর্ষণ ও যাওয়ার আগে জরুরি সব তথ্য

Agargaon Boishakhi Mela Start Date: সোজা কথায় উত্তরটা আগে জেনে নিন—আগারগাঁওয়ের এসএমই বৈশাখী মেলা ১৪৩৩ শুরু হয়েছে ১২ এপ্রিল ২০২৬ থেকে, এবং এটি চলবে ১৮ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত। মেলার ভেন্যু…

Updated Now: April 14, 2026 10:06 PM
বিজ্ঞাপন

Agargaon Boishakhi Mela Start Date: সোজা কথায় উত্তরটা আগে জেনে নিন—আগারগাঁওয়ের এসএমই বৈশাখী মেলা ১৪৩৩ শুরু হয়েছে ১২ এপ্রিল ২০২৬ থেকে, এবং এটি চলবে ১৮ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত। মেলার ভেন্যু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র, আগারগাঁও। বেশ কয়েকটি নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম একই তারিখ, ভেন্যু এবং সময়সূচি জানিয়েছে।

অনেকেই সার্চে শুধু একটা প্রশ্নই করেন—“আগারগাঁও বৈশাখী মেলা কবে থেকে শুরু?” কিন্তু বাস্তবে এর সঙ্গে আরও কয়েকটা প্রশ্ন জুড়ে থাকে: প্রতিদিন কখন খোলা, পহেলা বৈশাখে আলাদা আয়োজন আছে কি না, টিকিট কত, কী কী স্টল থাকবে, পরিবার নিয়ে যাওয়া ঠিক হবে কি না, আর ভিড় এড়াতে কখন যাওয়া ভালো। এই লেখায় তাই শুধু খবর নয়, আপনার জন্য থাকবে একটি ব্যবহারযোগ্য Guide (গাইড)

বিশেষ করে যারা উৎসবের দিন শুধু ঘুরতে নয়, একটু পরিকল্পনা করে যেতে চান, তাদের জন্য এই গাইড বেশি কাজে লাগবে। আর বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা বা উদযাপনের ভাবনাও যদি খুঁজে থাকেন, তাহলে Think Bengal-এর Best Bengali New Year Wishes (বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা) এবং New Year Celebration Ideas (নতুন বছর উদযাপনের আইডিয়া) লেখাগুলিও কাজে লাগতে পারে।

আগারগাঁও বৈশাখী মেলা কবে থেকে শুরু — এক লাইনে পরিষ্কার উত্তর

আগারগাঁও বৈশাখী মেলা ২০২৬ শুরু হয়েছে ১২ এপ্রিল, রোববার বিকেল থেকে এবং চলবে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত। প্রতিদিন সাধারণত সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত মেলা খোলা থাকবে। তবে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ১৪ এপ্রিলের দিন সকাল ৮টা থেকেই বর্ষবরণ অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা জানানো হয়েছে।

মেলাটি কোথায় হচ্ছে?

মেলার স্থান বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র, যা ঢাকার আগারগাঁও এলাকায় অবস্থিত। সংবাদ প্রতিবেদনগুলোতে এটিকেই মেলার নির্দিষ্ট ভেন্যু হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

যারা জায়গাটা একেবারে চেনেন না, তাদের জন্য সহজ করে বললে—আগারগাঁও ঢাকার এমন একটি পরিচিত এলাকা, যেখানে বড় মাপের মেলা, সম্মেলন, প্রদর্শনী বা বাণিজ্যিক অনুষ্ঠান প্রায়ই হয়। ফলে পরিবার, বন্ধু বা আত্মীয়দের সঙ্গে যাওয়ার জন্য এই ভেন্যু অনেকের কাছেই পরিচিত ও সুবিধাজনক।

এই বৈশাখী মেলাটি আসলে কী ধরনের?

এটি শুধু বিনোদনের মেলা নয়। এটি মূলত SME (ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ) উদ্যোক্তাদের পণ্য, সংস্কৃতি, খাবার, লোকজ ঐতিহ্য এবং উৎসবের আমেজকে একসঙ্গে সামনে আনার আয়োজন। সংবাদসূত্র অনুযায়ী, মেলায় ১৫০টিরও বেশি স্টল এবং অন্য এক প্রতিবেদনে ৩০০টির বেশি স্টল থাকার কথা বলা হয়েছে—এখানে বোঝা যায়, স্টল-সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদনে কিছু তারতম্য আছে। তাই নিরাপদভাবে বলা ভালো, এখানে বড় পরিসরের বহু স্টল থাকছে এবং পণ্যের বৈচিত্র্যও যথেষ্ট বিস্তৃত।

এই মেলার বড় শক্তি হলো—এখানে শুধু কেনাকাটা নয়, বরং বৈশাখী সংস্কৃতির অনুভবও আছে। অর্থাৎ, আপনি চাইলে একদিকে দেশি পণ্য দেখতে পারবেন, অন্যদিকে খাবার, লোকজ পরিবেশনা, বাউলগান, ঢাকঢোল, এমনকি শিশুদের জন্য আলাদা বিনোদনও পেতে পারেন।

মেলায় কী কী পাওয়া যাবে?

দেশি পণ্য ও হস্তশিল্প

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মেলায় থাকবে হস্ত ও কারুশিল্প পণ্য, পাটজাত সামগ্রী, তৈরি পোশাক, ফ্যাশন-সামগ্রী, কৃষি-প্রক্রিয়াজাত পণ্য, ঐতিহ্যবাহী পণ্য, কৃত্রিম গয়না, চামড়াজাত সামগ্রী, সুগন্ধি ও লাইফস্টাইল পণ্য। অর্থাৎ, যারা বৈশাখ উপলক্ষে একটু আলাদা কিছু কিনতে চান, তাদের জন্য এখানে বিকল্পের অভাব হওয়ার কথা নয়।

খাবারের আয়োজন

বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখানে খাবারেরও বড় আয়োজন রয়েছে। দেশি পিঠাপুলি থেকে শুরু করে প্রস্তুত খাবার, স্ট্রিট ফুড এবং বিভিন্ন জেলার স্বাদ—সব মিলিয়ে খাবারপ্রেমীদের জন্যও এটি আকর্ষণীয় হতে পারে। বিশেষভাবে Taste Of Bangladesh (বাংলাদেশের স্বাদ) ধরনের একটি কর্নারের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

মণিপুরি নৃত্য, গম্ভীরা, বাউলগান, ঢাকঢোল, নাচ-গান, লাইভ পরিবেশনা—এসবই এই মেলার বিশেষ আকর্ষণ। ১৪ এপ্রিল অর্থাৎ পহেলা বৈশাখে আলাদা অনুষ্ঠানসূচির কথাও উল্লেখ আছে। তাই যে কেউ যদি “মেলা” মানেই শুধু কেনাকাটা ভাবেন, তার ধারণা বদলাতে পারে। এখানে সাংস্কৃতিক অংশও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ।

শিশু ও পরিবারের জন্য আকর্ষণ

নাগরদোলা, কিডস জোন, ফেস পেইন্টিং, পাপেট শো, বেলুন শুটিং, রণপা, বায়োস্কোপ, টিয়া পাখির খেলা—এই ধরনের আয়োজনের উল্লেখ আছে। ফলে পরিবার নিয়ে গেলে ছোটদেরও আলাদা করে ব্যস্ত রাখা যাবে। তবে শিশুদের নিয়ে গেলে ভিড়ের দিনে একটু বেশি সতর্ক থাকা ভালো।

মেলার সময়সূচি কেমন?

সবচেয়ে ব্যবহারযোগ্য তথ্যগুলোর একটি হলো সময়সূচি। সাধারণ দিনে মেলা সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চলবে। কিন্তু পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ১৪ এপ্রিল সকাল ৮টা থেকেই অনুষ্ঠান শুরুর কথা জানানো হয়েছে। কাজেই যদি আপনি বর্ষবরণের মূল আবহ ধরতে চান, তাহলে ১৪ এপ্রিল সকালে যাওয়া বেশি ভালো হতে পারে।

আবার যদি আপনি একটু কম ভিড়ে ঘুরতে চান, তাহলে দুপুরের একদম মাঝামাঝি না গিয়ে সকাল-বেলার পরের সময় বা বিকেলের আগের অংশ বেছে নেওয়া বাস্তবসম্মত হতে পারে। যদিও ভিড়ের প্রকৃতি দিনভেদে বদলায়, তবু পহেলা বৈশাখের দিন স্বাভাবিকভাবেই তুলনায় বেশি জমজমাট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

টিকিটের দাম কত?

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মেলায় প্রবেশের জন্য দুই ধরনের টিকিট রাখা হয়েছে:

  • সাধারণ টিকিট — ৩০ টাকা
  • Express Pass (এক্সপ্রেস পাস) — ২০০ টাকা, যা ৭ দিনের জন্য প্রযোজ্য এবং কিছু প্রতিবেদনে পার্কিং-ফ্রি সুবিধার কথাও বলা হয়েছে

এখানে মনে রাখার মতো বিষয় হলো, Express Pass (দ্রুত প্রবেশ পাস) মূলত তাদের জন্য সুবিধাজনক, যারা বারবার যেতে পারেন বা ভিড় এড়িয়ে দ্রুত ঢুকতে চান। একদিনের জন্য গেলে সাধারণ টিকিটই যথেষ্ট হতে পারে।

পহেলা বৈশাখের দিন গেলে কী বিশেষ পাবেন?

পহেলা বৈশাখের দিন সাধারণ মেলার তুলনায় অন্যরকম আমেজ পাওয়া যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কারণ এই দিনেই বর্ষবরণ কেন্দ্রিক মূল উৎসবের আবহ সবচেয়ে ঘন থাকে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ১৪ এপ্রিলের জন্য আলাদা পরিবেশনা এবং সকাল ৮টা থেকে বর্ষবরণ আয়োজনের কথা বলা হয়েছে।

যদি আপনি ছবি তুলতে পছন্দ করেন, লোকজ রং, ঐতিহ্যবাহী পোশাক, ঢাকের শব্দ, বৈশাখী সাজ, খাবারের স্টল, আর সাংস্কৃতিক মঞ্চ—সব মিলিয়ে দিনটি বেশি প্রাণবন্ত লাগতে পারে। তবে সেই কারণেই ভিড়ও তুলনামূলক বেশি হবে, এটা ধরে নেওয়াই ভালো।

কে কে এই মেলায় গেলে সবচেয়ে বেশি উপভোগ করবেন?

পরিবার

পরিবার নিয়ে একসঙ্গে সময় কাটানোর জন্য মেলাটি ভালো অপশন হতে পারে। কারণ এখানে কেনাকাটা, খাওয়াদাওয়া, ছবি তোলা আর বাচ্চাদের বিনোদন—সবই এক জায়গায় মিলছে।

যুবক-যুবতী ও বন্ধুদের দল

বৈশাখী পোশাক পরে ছবি তোলা, লোকজ পরিবেশনা দেখা, স্ট্রিট ফুড খাওয়া—এসবের জন্যও এটি আকর্ষণীয়। বিশেষ করে উৎসবমুখর পরিবেশ যাদের ভালো লাগে, তাদের জন্য এই মেলা বেশ জমে উঠতে পারে।

দেশি পণ্যে আগ্রহী ক্রেতা

যারা ছোট উদ্যোক্তার পণ্য, হস্তশিল্প, পাটজাত জিনিস, বা স্থানীয় স্বাদের খাবার খুঁজে থাকেন, তাদের জন্য এটি সাধারণ মার্কেটের চেয়ে বেশি বৈচিত্র্যপূর্ণ অভিজ্ঞতা হতে পারে।

যাওয়ার আগে কোন বিষয়গুলো মাথায় রাখবেন?

১) ভিড়ের দিন বুঝে সময় বেছে নিন

১৪ এপ্রিল এবং ছুটির দিনে ভিড় বেশি হতে পারে। ছোট বাচ্চা বা বয়স্ক মানুষ সঙ্গে থাকলে একটু আগে যাওয়াই ভালো।

২) টিকিট ক্যাটাগরি আগে বুঝে নিন

একদিনের ভিজিট নাকি একাধিক দিন—সেই অনুযায়ী টিকিট নিলে খরচ বাঁচবে।

৩) খাবারের স্টল দেখেই কিনুন

মেলায় খাবারের আকর্ষণ বেশি থাকে, কিন্তু খুব ভিড়ের সময়ে না দেখে-শুনে কিছু কিনলে অস্বস্তি হতে পারে। যাদের পেট সংবেদনশীল, তাদের একটু সাবধানে খাওয়া ভালো।

৪) শিশুদের হাতছাড়া হতে দেবেন না

নাগরদোলা, ফেস পেইন্টিং, কিডস জোন—এসব থাকলে বাচ্চারা দ্রুত উত্তেজিত হয়ে পড়তে পারে। তাই আগে থেকেই মিলন-বিন্দু ঠিক করে রাখা ভালো।

৫) পেমেন্টে বিকল্প রাখুন

সব স্টলে একই ধরনের ডিজিটাল পেমেন্ট নাও থাকতে পারে। তাই সম্ভব হলে নগদ ও ডিজিটাল—দুটোই প্রস্তুত রাখুন।

এই মেলাকে ঘিরে কেন এত আগ্রহ?

বৈশাখ মানেই শুধু ক্যালেন্ডারের নতুন পাতা নয়; এটি বাঙালির সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং আবেগের জায়গা। আগারগাঁওয়ের এই মেলার আকর্ষণ এখানেই—এটি ব্যবসা, উৎসব, লোকজ ঐতিহ্য, পরিবারকেন্দ্রিক বিনোদন এবং সাংস্কৃতিক উপস্থাপনাকে একসঙ্গে ধরতে চেয়েছে। সংবাদমাধ্যমগুলোর বিবরণ থেকেও বোঝা যায়, এটি কেবল স্টল-ভিত্তিক বাজার নয়; বরং একটি পূর্ণাঙ্গ উৎসব-অভিজ্ঞতা হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।

আরেকটি বড় কারণ হলো, এখানে SME (ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ) উদ্যোক্তাদের উপস্থিতি। ফলে বড় ব্র্যান্ডের বাইরে দেশি উদ্যোক্তাদের পণ্য চোখে পড়ার সুযোগ থাকে। যারা “লোকাল কিনুন” মানসিকতায় বিশ্বাস করেন, তাদের কাছেও এটি আলাদা আকর্ষণ তৈরি করে।

সংক্ষিপ্ত তথ্য এক নজরে

  • মেলার নাম: এসএমই বৈশাখী মেলা ১৪৩৩
  • শুরুর তারিখ: ১২ এপ্রিল ২০২৬
  • শেষ তারিখ: ১৮ এপ্রিল ২০২৬
  • স্থান: বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র, আগারগাঁও
  • সাধারণ সময়: সকাল ১০টা – সন্ধ্যা ৭টা
  • পহেলা বৈশাখের বিশেষ শুরু: সকাল ৮টা থেকে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান
  • সাধারণ টিকিট: ৩০ টাকা
  • এক্সপ্রেস পাস: ২০০ টাকা

উপরের তথ্যগুলি একাধিক সাম্প্রতিক সংবাদপ্রতিবেদনের মিলিত ভিত্তিতে সাজানো হয়েছে। :contentReference[oaicite:14]{index=14}

Frequently Asked Questions (সাধারণ জিজ্ঞাসা)

আগারগাঁও বৈশাখী মেলা কবে থেকে শুরু হয়েছে?

আগারগাঁওয়ের এসএমই বৈশাখী মেলা ২০২৬ শুরু হয়েছে ১২ এপ্রিল থেকে। এটি সাত দিনের আয়োজন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে এবং চলবে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত। সাম্প্রতিক একাধিক সংবাদপ্রতিবেদন এই তারিখ নিশ্চিত করেছে।

মেলাটি কোথায় হচ্ছে?

মেলাটি হচ্ছে ঢাকার আগারগাঁও এলাকায় অবস্থিত বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র-এ। এটি বড় ইভেন্ট আয়োজনের জন্য পরিচিত একটি ভেন্যু, তাই যাতায়াত ও চেনা-জানার দিক থেকেও অনেকের কাছে সুবিধাজনক।

মেলা প্রতিদিন কতক্ষণ খোলা থাকে?

সাধারণভাবে মেলা সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা থাকে। তবে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ১৪ এপ্রিল সকাল ৮টা থেকেই বর্ষবরণ অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা জানানো হয়েছে। তাই ওই দিনে একটু আগে গেলে বেশি কিছু দেখা যেতে পারে।

টিকিটের দাম কত?

সাধারণ টিকিটের মূল্য ৩০ টাকা। এছাড়া Express Pass বা দ্রুত প্রবেশের জন্য ২০০ টাকা দামের একটি পাসের কথাও জানানো হয়েছে, যা কিছু প্রতিবেদনে ৭ দিনের জন্য প্রযোজ্য বলে উল্লেখ আছে। যারা একাধিক দিন যেতে চান, তাদের জন্য এটি সুবিধাজনক হতে পারে।

মেলায় কী কী আকর্ষণ রয়েছে?

মেলায় দেশি হস্তশিল্প, পাটজাত পণ্য, পোশাক, ফ্যাশন সামগ্রী, খাবার, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বাউলগান, ঢাকঢোল, নাগরদোলা, কিডস জোন এবং বিভিন্ন লোকজ আয়োজনের উল্লেখ রয়েছে। অর্থাৎ, এটি শুধু কেনাকাটার জায়গা নয়; পরিবার নিয়ে কয়েক ঘণ্টা কাটানোর মতো একটি উৎসবমুখর আয়োজনও বটে।

পহেলা বৈশাখের দিন যাওয়া কি ভালো হবে?

আপনি যদি উৎসবের মূল আবহ, লোকজ সাজ, বর্ষবরণ পরিবেশ এবং সাংস্কৃতিক উচ্ছ্বাস অনুভব করতে চান, তাহলে পহেলা বৈশাখের দিন যাওয়া ভালো হতে পারে। তবে এই দিন ভিড়ও স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকার সম্ভাবনা থাকে। ছোট বাচ্চা বা বয়স্ক মানুষ সঙ্গে থাকলে সময় বেছে যাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।

শেষ কথা

আবারও এক লাইনে বললে—আগারগাঁও বৈশাখী মেলা শুরু হয়েছে ১২ এপ্রিল ২০২৬ থেকে, এবং এটি ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে। যদি আপনি শুধু “তারিখ” জানতে এসে থাকেন, উত্তর পেয়ে গেলেন। কিন্তু যদি “যাব কি না” সেটা ভাবেন, তাহলে বলা যায়—দেশি পণ্য, খাবার, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং বৈশাখী আবহ মিলিয়ে এটি নিঃসন্দেহে একটি আকর্ষণীয় আয়োজন। তবে যাওয়ার আগে সময়, ভিড়, টিকিট, সঙ্গে কারা থাকবেন—এই ছোট ছোট বিষয়গুলো মাথায় রাখলে অভিজ্ঞতা অনেক ভালো হবে।

আরও পড়ুন

মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে Fuel Pass যাচাই: ঝামেলা কম, দেখুন পুরো গাইড বাংলাদেশের Fuel Card কিভাবে করবেন? রেজিস্ট্রেশন থেকে ব্যবহার—সব একসাথে বাংলাদেশে এইচএসসি রুটিন ২০২৬: নির্দেশনা ও প্রস্তুতি গ্যাসের দামে আবার ধাক্কা? বাংলাদেশে ১২ কেজি LPG সিলিন্ডারের আপডেট ছুটির দিনে শপিংয়ের প্ল্যান? জেনে নিন uttara square shopping mall-এর খোলার সময়সূচি!