Bangladesh Election 2026 Results: তারেক রহমানের বিএনপির ঐতিহাসিক বিজয়, দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন

Bangladesh Election 2026 Results: বাংলাদেশের ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে ঐতিহাসিক বিজয় লাভ করেছে । ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে তারেক…

Avatar

 

Bangladesh Election 2026 Results: বাংলাদেশের ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে ঐতিহাসিক বিজয় লাভ করেছে । ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি জোট ৩০০ আসনের সংসদে ২০৯টি আসন জয় করে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে । এটি ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর প্রথম জাতীয় নির্বাচন এবং ১৭ বছরের মধ্যে প্রথম সত্যিকারের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোট হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে ।

নির্বাচনের ফলাফল: দলওয়ারি আসন বিতরণ

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক তথ্য এবং স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ২০৯টি আসন জিতে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করেছে । প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামপন্থী দল জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোট মাত্র ৬৮টি আসন লাভ করে পরাজয় স্বীকার করেছে । জামায়াতের নেতা শফিকুর রহমান পরাজয় মেনে নিয়ে বলেছেন যে তারা “বিরোধিতার রাজনীতি” না করে “ইতিবাচক রাজনীতি” করবেন ।

ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি), যা ২০২৪ সালে শেখ হাসিনা অপসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী তরুণ কর্মীদের নিয়ে গঠিত এবং জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের অংশ ছিল, তারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ৩০টি আসনের মধ্যে মাত্র ৫টি আসন জিতেছে । বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, কুমিল্লা-৪ আসন থেকে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ ১ লাখ ৪৬ হাজার ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন, যেখানে তিনি ১,৭২,০০০ ভোট পেয়েছেন ।

প্রধান নেতাদের বিজয়

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান দুটি আসন থেকে বিজয়ী হয়েছেন – ঢাকা-১৭ এবং বগুড়া-৬ । বগুড়া-৬ আসনে তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ১,৭০,৫৪৪ ভোট পেয়েছেন, যেখানে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর আবিদুর রহমান সোহেল ৭৯,০৮৯ ভোট পেয়েছেন । ১৭ বছরের স্বেচ্ছা-নির্বাসন শেষে দেশে ফিরে তারেক রহমান এই নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করেছেন এবং পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে ।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন । তিনি ২,৩৮,৮৩৬ ভোট পেয়েছেন, যেখানে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী দেলোয়ার হোসেন ১,৪১,০১৭ ভোট পেয়েছেন । এই আসনে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৭৫.৭ শতাংশ, যা সারাদেশের মধ্যে অন্যতম সর্বোচ্চ ।

আসনভিত্তিক বিজয়ীদের বিস্তারিত তালিকা

আসন নং ১ : পঞ্চগড়-১ : মুহাম্মদ নওশাদ জমির (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২ : পঞ্চগড়-২ : ফরহাদ হোসেন আজাদ (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ৩ : ঠাকুরগাঁও-১ : মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ৪ : ঠাকুরগাঁও-২ : ডা. আব্দুস সালাম (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ৫ : ঠাকুরগাঁও-৩ : জাহিদুর রহমান জাহিদ (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ৬ : দিনাজপুর-১ : মঞ্জুরুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ৭ : দিনাজপুর-২ : সাদিক রিয়াজ চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ৮ : দিনাজপুর-৩ : সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ৯ : দিনাজপুর-৪ : আখতারুজ্জামান মিয়া (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১০ : দিনাজপুর-৫ : এ, জেড, এম, রেজওয়ানুল হক (স্বতন্ত্র-তালা)

আসন নং ১১ : দিনাজপুর-৬ : ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১২ : নীলফামারী-১ : অধ্যক্ষ মাওলানা মো. আব্দুস সাত্তার (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ১৩ : নীলফামারী-২ : আল ফারুক আব্দুল লতিফ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ১৪ : নীলফামারী-৩ : মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ১৫ : নীলফামারী-৪ : হাফেজ আব্দুল মুনতাকিম (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ১৬ : লালমনিরহাট-১ : ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধান (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৭ : লালমনিরহাট-২ : রোকন উদ্দিন বাবুল (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৮ : লালমনিরহাট-৩ : আসাদুল হাবিব দুলু (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৯ : রংপুর-১ : রায়হান সিরাজী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ২০ : রংপুর-২ : এটিএম আজাহারুল ইসলাম (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ২১ : রংপুর-৩ : মাহবুবুর রহমান বেলাল (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ২২ : রংপুর-৪ : আখতার হোসেন (এনসিপি-শাপলা কলি)

আসন নং ২৩ : রংপুর-৫ : অধ্যাপক গোলাম রব্বানী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ২৪ : রংপুর-৬ : নুরুল আমিন (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ২৫ : কুড়িগ্রাম-১ : আনোয়ারুল ইসলাম (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ২৬ : কুড়িগ্রাম-২ : ড. আতিক মুজাহিদ (এনসিপি-শাপলা কলি)

আসন নং ২৭ : কুড়িগ্রাম-৩ : ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ২৮ : কুড়িগ্রাম-৪ : মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ২৯ : গাইবান্ধার-১ : মাজেদুর রহমান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ৩০ : গাইবান্ধার-২ : আব্দুল করিম (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ৩১ : গাইবান্ধার-৩ : নজরুল ইসলাম (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ৩২ : গাইবান্ধার-৪ : শামীম কায়সার (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ৩৩ : গাইবান্ধার-৫ : আব্দুল ওয়ারেছ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ৩৪ : জয়পুরহাট-১ : ফজলুর রহমান সাঈদ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ৩৫ : জয়পুরহাট-২ : আব্দুল বারী (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ৩৬ : বগুড়া-১ : কাজী রফিকুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ৩৭ : বগুড়া-২ : মীর শাহে আলম (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ৩৮ : বগুড়া-৩ : আব্দুল মোহিত তালুকদার (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ৩৯ : বগুড়া-৪ : মো. মোশারফ হোসেন (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ৪০ : বগুড়া-৫ : গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ৪১ :বগুড়া-৬ : তারেক রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ৪২ : বগুড়া-৭ : মোরশেদ মিলটন (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ৪৩ : চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ : মো. কেরামত আলী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ৪৪ : চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ : মু. মিজানুর রহমান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ৪৫ : চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ নরুল ইসলাম বুলবুল (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ৪৬ : নওগাঁ-১ : মো. মোস্তাফিজুর রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ৪৭ : নওগাঁ-২ : ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ৪৮ : নওগাঁ-৩ : মো. ফজলে হুদা (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ৪৯ : নওগাঁ-৪ : ডা. ইকরামুল বারী টিপু (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ৫০ : নওগাঁ-৫ : জাহিদুল ইসলাম ধলু (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ৫১ : নওগাঁ-৬ : শেখ মো. রেজাউল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ৫২ : রাজশাহী-১ : অধ্যাপক মুজিবুর রহমান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ৫৩ : রাজশাহী-২ : মিজানুর রহমান মিনু (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ৫৪ : রাজশাহী-৩ : অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ৫৫ : রাজশাহী-৪ : আব্দুল বারী সরদার (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ৫৬ : রাজশাহী-৫ : অধ্যাপক নজরুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ৫৭ : রাজশাহী-৬ : আবু সাঈদ (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ৫৮ : নাটোর-১ : ফারজানা শারমীন (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ৫৯ : নাটোর-২ : এম. রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ৬০ : নাটোর-৩ : মো. আনোয়ারুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ৬১ : নাটোর-৪ : অ্যাড. এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ৬২ : সিরাজগঞ্জ-১ : সেলিম রেজা (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ৬৩ : সিরাজগঞ্জ-২ : ইকবাল হাসান মাহ্‌মুদ (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ৬৪ : সিরাজগঞ্জ-৩ : আইনুল হক (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ৬৫ : সিরাজগঞ্জ-৪ : রফিকুল ইসলাম খান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ৬৬ : সিরাজগঞ্জ-৫ : আমিরুল ইসলাম খান আলীম (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ৬৭ : সিরাজগঞ্জ-৬ : এম এ মুহিত (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ৬৮ : পাবনা-১ : নাজিবুর রহমান মোমেন (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ৬৯ : পাবনা-২ : এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ৭০ : পাবনা-৩ : মাওলানা আলী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ৭১ : পাবনা-৪ : আবু তালেব মন্ডল (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ৭২ : পাবনা-৫ : শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ৭৩ : মেহেরপুর-১ : মো. তাজউদ্দীন খান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ৭৪ : মেহেরপুর-২ : নাজমুল হুদা (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ৭৫ : কুষ্টিয়া-১ : রেজা আহমেদ বাচ্চু (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ৭৬ : কুষ্টিয়া-২ : মো. আব্দুল গফুর (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ৭৭ : কুষ্টিয়া-৩ : মুফতি আমির হামজা (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ৭৮ : কুষ্টিয়া-৪ : মো. আফজাল হোসেন (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ৭৯ : চুয়াডাঙ্গা-১ : অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ৮০ : চুয়াডাঙ্গা-২ : মো. রুহুল আমিন (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ৮১ : ঝিনাইদহ-১ : মো. আসাদুজ্জামান (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ৮২ : ঝিনাইদহ-২ : আলী আজম মো. আবু বকর (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ৮৩ : ঝিনাইদহ-৩ : মতিয়ার রহমান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ৮৪ : ঝিনাইদহ-৪ : মাওলানা আবু তালিব (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ৮৫ : যশোর-১ : মুহাম্মাদ আজীজুর রহমান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ৮৬ : যশোর-২ : মোহাম্মদ মোসলেহউদ্দিন ফরিদ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ৮৭ : যশোর-৩ : অনিন্দ্য ইসলাম অমিত (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ৮৮ : যশোর-৪ : মো. গোলাম রছুল (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ৮৯ : যশোর-৫ : গাজী এনামুল হক (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ৯০ : যশোর-৬ : মো. মোক্তার আলী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ৯১ : মাগুরা-১ : মনোয়ার হোসেন খান (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ৯২ : মাগুরা-২ : নিতাই রায় চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ৯৩ : নড়াইল-১ : বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ৯৪ : নড়াইল-১ : মো. আতাউর রহমান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ৯৫ : বাগেরহাট-১ : মাওলানা মশিউর রহমান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ৯৬ : বাগেরহাট-২ : শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ৯৭ : বাগেরহাট-৩ : শেখ ফরিদুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ৯৮ : বাগেরহাট-৪ : আব্দুল আলিম (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ৯৯ : খুলনা-১ : আমির এজাজ খান (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১০০ : খুলনা-২ : শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন হেলাল (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ১০১ : খুলনা-৩ : রকিবুল ইসলাম বকুল (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ১০২ : খুলনা-৪ : এস কে আজিজুল বারী হেলাল (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১০৩ : খুলনা-৫ : আলি আসগার লবি (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১০৪ : খুলনা-৬ : আবুল কালাম আজাদ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ১০৫ : সাতক্ষীরা-১ : মো. ইজ্জত উল্লাহ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ১০৬ : সাতক্ষীরা-২ : আব্দুল খালেক (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ১০৭ : সাতক্ষীরা-৩ : রবিউল বাসার (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ১০৮ : সাতক্ষীরা-৪ : গাজী নজরুল ইসলাম (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ১০৯ : বরগুনা-১ : মো. অলি উল্লাহ (ইসলামী আন্দোলন-হাতপাখা)

আসন নং ১১০ : বরগুনা-২ : মো. নূরুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১১১ : পটুয়াখালী-১ : আলতাফ হোসেন চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১১২ : পটুয়াখালী-২ : ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ১১৩ : পটুয়াখালী-৩ : মো. নুরুল হক (গণঅধিকার পরিষদ ট্রাক) (বিএনপি সমর্থিত)

আসন নং ১১৪ : পটুয়াখালী-৪ : মোশাররফ হোসেন (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১১৫ : ভোলা-১ : আন্দালিভ রহমান পার্থ (বিজেপি-গরুর গাড়ি)

আসন নং ১১৬ : ভোলা-২ : মো. হাফিজ ইব্রাহিম (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১১৭ : ভোলা-৩ : হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১১৮ : ভোলা-৪ : মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১১৯ : বরিশাল-১ : জহিরুদ্দিন স্বপন (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১২০ : বরিশাল-২ : সরফুদ্দিন সরদার সান্টু (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১২১ : বরিশাল-৩ : অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১২২ : বরিশাল-৪ : রাজীব আহসান (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১২৩ : বরিশাল-৫ : মজিবর রহমান সরোয়ার (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১২৪ : বরিশাল-৬ : আবুল হোসেন খান (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১২৫ : ঝালকাঠী-১ : রফিকুল ইসলাম জামাল (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১২৬ : ঝালকাঠি-২ : ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১২৭ : পিরোজপুর-১ : মাসুদ সাঈদী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ১২৮ : পিরোজপুর-২ : আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১২৯ : পিরোজপুর-৩ : রুহুল আমিন দুলাল (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৩০ : টাঙ্গাইল-১ : ফকির মাহবুব আনাম (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৩১ : টাঙ্গাইল-২ : আব্দুস সালাম পিন্টু (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৩২ : টাঙ্গাইল-৩ : লুৎফর রহমান খান আজাদ (স্বতন্ত্র/বিএনপি বিদ্রোহী)

আসন নং ১৩৩ : টাঙ্গাইল-৪ : লুৎফর রহমান মতিন (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৩৪ : টাঙ্গাইল-৫ : সুলতান সালাউদ্দিন টুকু (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৩৫ : টাঙ্গাইল-৬ : মো. রবিউল আওয়াল (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৩৬ : টাঙ্গাইল-৭ : আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৩৭ : টাঙ্গাইল-৮ : আহমেদ আযম খান (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৩৮ : জামালপুর-১ : রশিদুজ্জামান মিল্লাত (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৩৯ : জামালপুর-২ : সুলতান মাহমুদ বাবু (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৪০ : জামালপুর-৩ : মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৪১ : জামালপুর-৪ : ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীম (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৪২ : জামালপুর-৫ : অ্যাডভোকেট শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৪৩ : শেরপুর-১ : হাফেজ রাশেদুল ইসলাম রাশেদ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ১৪৪ : শেরপুর-২ : মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৪৫ : শেরপুর-৩ : নির্বাচন স্থগিত

আসন নং ১৪৬ : ময়মনসিংহ-১ : সালমান ওমর রুবেল (স্বতন্ত্র প্রার্থী)

আসন নং ১৪৭ : ময়মনসিংহ-২ : মোহাম্মদুল্লাহ (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস-রিকশা)

আসন নং ১৪৮ : ময়মনসিংহ-৩ : প্রকৌশলী মো. ইকবাল হোসেইন (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৪৯ : ময়মনসিংহ-৪ : আবু ওয়াহাব আকন্দ (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৫০ : ময়মনসিংহ-৫ : জাকির হোসেন বাবলু (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৫১ : ময়মনসিংহ-৬ : কামরুল হাসান মিলন (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ১৫২ :ময়মনসিংহ-৭ : ডা. মো. মাহাবুবুর রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৫৩ : ময়মনসিংহ-৮ : লুৎফুল্লাহেল মাজেদ (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৫৪ : ময়মনসিংহ-৯ : ইয়াসের খান চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৫৫ : ময়মনসিংহ-১০ : আখতারুজ্জামান বাচ্চু (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৫৬ : ময়মনসিংহ-১১ : ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৫৭ : নেত্রকোণা-১ : ব্যারিস্টার কায়সার কামাল (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৫৮ : নেত্রকোনা-২ : ডা. মো. আনোয়ারুল হক (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৫৯ : নেত্রকোনা-৩ : ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৬০ : নেত্রকোণা-৪ : মো. লুৎফুজ্জামান বাবর (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৬১ : নেত্রকোনা-৫ : অধ্যাপক মাসুম মোস্তফা (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ১৬২ : কিশোরগঞ্জ-১ : মাজহারুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৬৩ : কিশোরগঞ্জ-২ : অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দীন (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৬৪ : কিশোরগঞ্জ-৩ : ড. মুহাম্মদ ওসমান ফারুক (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৬৫ : কিশোরগঞ্জ-8 : মো. ফজলুর রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৬৬ : কিশোরগঞ্জ-৫ : শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল (স্বতন্ত্র-হাঁস)

আসন নং ১৬৭ :কিশোরগঞ্জ-৬ : মো. শরীফুল আলম (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৬৮ : মানিকগঞ্জ-১ : এস এ কবির জিন্নাহ (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৬৯ : মানিকগঞ্জ-২ : মইনুল ইসলাম খান শান্ত (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৭০ : মানিকগঞ্জ-৩ : আফরোজা খানম রিতা (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৭১ : মুন্সীগঞ্জ-১ : শেখ মো. আব্দুল্লাহ (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৭২ : মুন্সীগঞ্জ-২ : শেখ মো. আব্দুল্লাহ (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৭৩ : মুন্সীগঞ্জ-৩ : মো. কামরুজ্জামান রতন (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৭৪ : ঢাকা-১ : আবু আশফাক (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৭৫ : ঢাকা-২ : আমানউল্লাহ আমান (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৭৬ : ঢাকা-৩ : গয়েশ্বর চন্দ্র রায় (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৭৭ : ঢাকা-৪ : সৈয়দ জয়নুল আবেদীন (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ১৭৮ : ঢাকা-৫ : মোহাম্মদ কামাল হোসেন (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ১৭৯ : ঢাকা-৬ : ইশরাক হোসেন (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৮০ : ঢাকা-৭ : হামিদুর রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৮১ ঢাকা-৮ : মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৮২ ঢাকা-৯ : হাবিবুর রশিদ (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৮৩ : ঢাকা-১০ : শেখ রবিউল আলম (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৮৪ : ঢাকা-১১ : মো. নাহিদ ইসলাম (এনসিপি-শাপলা কলি)

আসন নং ১৮৫ : ঢাকা-১২ : সাইফুল আলম (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ১৮৬ : ঢাকা-১৩ : ববি হাজ্জাজ (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৮৭ : ঢাকা-১৪ : মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ১৮৮ : ঢাকা-১৫ : ডা. শফিকুর রহমান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ১৮৯ : ঢাকা-১৬ : অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল মো. আব্দুল বাতেন (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ১৯০ : ঢাকা-১৭ : তারেক রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৯১ : ঢাকা-১৮ : এস. এম. জাহাঙ্গীর হোসেন (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৯২ : ঢাকা-১৯ : দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৯৩ : ঢাকা-২০ : মো. তমিজ উদ্দিন (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৯৪ : গাজীপুর-১ : মো. মজিবুর রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৯৫ : গাজীপুর-২ : এম মঞ্জুরুল করিম রনি (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৯৬ : গাজীপুর-৩ : ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৯৭ : গাজীপুর-৪ : সালাহউদ্দিন আইউবি (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ১৯৮ : গাজীপুর-৫ : এ কে এম ফজলুল হক মিলন (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ১৯৯ : নরসিংদী-১ : খায়রুল কবির খোকন (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২০০ : নরসিংদী-২ : ড. আবদুল মঈন খান (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২০১ : নরসিংদী-৩ : মনজুর এলাহী (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২০২ : নরসিংদী-৪ : সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২০৩ : নরসিংদী-৫ : মো. আশরাফ উদ্দিন (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২০৪ : নারায়ণগঞ্জ-১ : মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া (দিপু)

আসন নং ২০৫ : নারায়ণগঞ্জ-২ : নজরুল ইসলাম আজাদ (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২০৬ : নারায়ণগঞ্জ-৩ : আজহারুল ইসলাম (মান্নান (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২০৭ : নারায়ণগঞ্জ-৪ : আবদুল্লাহ আল আমিন (এনসিপি-শাপলা কলি)

আসন নং ২০৮ : নারায়ণগঞ্জ-৫ : আবুল কালাম (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২১১ : ফরিদপুর-১ : ড. ইলিয়াস মোল্যা (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ২১২ : ফরিদপুর-২ : শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২১৩ : ফরিদপুর-৩ : চৌধুরী নায়াব ইউসুফ আহমেদ (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২১৪ : ফরিদপুর-৪ : শহিদুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২২১ শরীয়তপুর-১ : সাঈদ আহমেদ (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২২২ শরীয়তপুর-২ : মো. সফিকুর রহমান (কিরন) (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২২৩ শরীয়তপুর-৩ : মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২২৫ : সুনামগঞ্জ-২ : মো. নাছির চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২২৭ : সুনামগঞ্জ-৪ : নূরুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২২৮ : সুনামগঞ্জ-৫ : কলিম উদ্দিন আহমেদ (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২৪১ : হবিগঞ্জ-৩ : আলহাজ মো. জি কে গউছ (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২৪৩ : ব্রাহ্মাণবাড়িয়া-১ : এম এ হান্নান (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২৪৪ : ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ : রুমিন ফারহানা (স্বতন্ত্র-হাঁস)

আসন নং ২৪৫ : ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ : মো. খালেদ হোসেন মাহবুব (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২৪৬ : ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ : মুশফিকুর রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২৪৭ : ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ : এম এ মান্নান (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২৪৮ : ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ : মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি (গণসংহতি আন্দোলন-মাথাল) (বিএনপি সমর্থিত)

আসন নং ২৪৯ : কুমিল্লা-১ : ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২৫০ : কুমিল্লা-২ : সেলিম ভুইয়া (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২৫১ : কুমিল্লা-৩ : শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২৫২ : কুমিল্লা-৪ : মো. আবুল হাসনাত (এনসিপি-শাপলা কলি)

আসন নং ২৫৩ : কুমিল্লা-৫ : জসিম উদ্দিন (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২৫৪ : কুমিল্লা-৬ : মনিরুল হক চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২৫৫ : কুমিল্লা-৭ : আতিকুল আলম শাওন (স্বতন্ত্র-কলস)

আসন নং ২৫৬ : কুমিল্লা-৮ : জাকারিয়া তাহের সুমন (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২৫৭ : কুমিল্লা-৯ : আবুল কালাম (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২৫৮ : কুমিল্লা-১০ : মোবাশ্বের আলম ভুইয়া (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২৫৯ : কুমিল্লা-১১ : ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

আসন নং ২৬০ : চাঁদপুর-১ : আ ন ম এহছানুল হক মিলন (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২৬১ : চাঁদপুর-২ : মো. জালাল উদ্দিন (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২৬২ : চাঁদপুর-৩ : শেখ ফরিদ আহমেদ (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২৬৩ : চাঁদপুর-৪ : এম এ হান্নান (স্বতন্ত্র-চিংড়ি মাছ)

আসন নং ২৬৪ : চাঁদপুর-৫ : মো. মমিনুল হক (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২৬৫ : ফেনী-১ : মুন্সি রফিকুল আলম মজনু (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২৬৬ : ফেনী-২ : অধ্যাপক জয়নাল আবদিন (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২৬৭ : ফেনী-৩ : আবদুল আউয়াল মিন্টু (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২৭০ : নোয়াখালী-৩ : মো. বরকত উল্লাহ বুলু (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২৭১ : নোয়াখালী-৪ : মো. শাহজাহান (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২৮৪ : চট্টগ্রাম-৭ : হুম্মাম কাদের চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২৮৫ : চট্টগ্রাম-৮ : এরশাদ উল্লাহ (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২৯৪ : কক্সবাজার-১ : সালাহউদ্দিন আহমদ (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২৯৫ : কক্সবাজার-২ : মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২৯৬ : কক্সবাজার-৩ : লুৎফুর রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২৯৭ : কক্সবাজার-৪ : শাহজাহান চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২৯৮ : খাগড়াছড়ি : আব্দুল ওয়াদুদ ভুঁইয়া (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২৯৯ : রাঙামাটি : দীপেন দেওয়ান (বিএনপি-ধানের শীষ)

আসন নং ২৯৯ : বান্দরবান : সাচিং প্রু জেরী (বিএনপি-ধানের শীষ)

নির্বাচনী পরিসংখ্যান এবং ভোটার উপস্থিতি

বিষয় পরিসংখ্যান
মোট আসন ৩০০টি (১টি আসন স্থগিত)
বিএনপি জোট বিজয় ২০৯টি আসন
জামায়াত জোট বিজয় ৬৮টি আসন
এনসিপি বিজয় ৫-৬টি আসন
মোট নিবন্ধিত ভোটার ১২ কোটি ৭০ লাখ
ভোটার উপস্থিতি প্রায় ৫৫ শতাংশ
নির্বাচনের তারিখ ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

প্রায় ১২.৭ কোটি নিবন্ধিত ভোটার পাঁচ বছরের মেয়াদের জন্য পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী এবং সংসদ নির্বাচন করার জন্য ভোট দিয়েছেন । ভোটগ্রহণ মূলত শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং হাজার হাজার দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক এই প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করেছেন । নির্বাচন কমিশন তিনটি আসনে – শেরপুর-২, চট্টগ্রাম-২ এবং চট্টগ্রাম-৪ – আপিল বিভাগে মুলতুবি থাকা মামলার কারণে ফলাফল স্থগিত রেখেছে ।

নির্বাচনের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

এই নির্বাচন ছিল ২০২৪ সালের জুলাই মাসে তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্বে হওয়া গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের প্রথম নির্বাচনী প্রক্রিয়া । ওই অভ্যুত্থানের ফলে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতায় থাকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশ ছেড়ে পালাতে হয়েছিল । শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ দল, যা ১৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে শাসন করেছিল, এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল ।

নির্বাচন-পূর্ব জরিপগুলো বিএনপির অনুকূলে ছিল এবং দলটি সেই প্রত্যাশা পূরণ করে তাদের জোটকে ২০৯টি আসনে বিজয়ী করে, যা ৩০০ আসনের জাতীয় সংসদে নিরঙ্কুশ দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করেছে । বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খাস মাহমুদধুরি বলেছেন, “নিশ্চিতভাবে বিএনপি জিতছে এবং এটি একটি ভূমিধস বিজয় হবে। দুই-তৃতীয়াংশ আসন জেতা ভূমিধস বিজয়ের যোগ্যতা রাখে। আমি বিশ্বাস করি আমরা ২০০ আসনের চিহ্ন অতিক্রম করব” ।

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

বিএনপির ঐতিহাসিক বিজয়ে বেশ কিছু দেশের নেতারা অভিনন্দন জানিয়েছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তারেক রহমানকে তার নিরঙ্কুশ বিজয়ের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন । পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বলেছেন যে তিনি ঢাকার সাথে ঐতিহাসিক, ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক শক্তিশালী করতে চান ।

এই নির্বাচনকে দক্ষিণ এশিয়ার দেশটিতে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভোট হিসেবে প্রত্যাশিত ছিল । শেখ হাসিনার শাসনামলে গত তিনটি নির্বাচন ব্যাপক নির্বাচনী জালিয়াতি, ব্যালট কারচুপি এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের হয়রানি ও কারাবাসের অভিযোগে কলঙ্কিত ছিল । এই নির্বাচনকে ১৭ বছরের মধ্যে প্রথম সত্যিকারের মুক্ত ও সুষ্ঠু ভোটিং প্রক্রিয়া হিসেবে ব্যাপকভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে ।

তরুণ প্রজন্মের ভূমিকা এবং রাজনৈতিক বাস্তবতা

যদিও তরুণ প্রজন্ম ২০২৪ সালের বিপ্লবে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিল, প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা এই নির্বাচনে তাদের আধিপত্য বজায় রেখেছেন । তরুণ কর্মীদের নিয়ে গঠিত ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি), যারা হাসিনা অপসারণে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করেছিল এবং জামায়াতের সাথে জোটবদ্ধ ছিল, তারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ৩০টি আসনের মধ্যে মাত্র পাঁচটি জিততে পেরেছে । এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ল্যান্ডস্কেপে প্রতিষ্ঠিত দলগুলোর শক্তিশালী অবস্থান প্রদর্শন করে।

বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণা এবং প্রতিশ্রুতি

বিএনপি নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাতা মাহদি আমিন সাংবাদিকদের জানিয়েছেন যে দলটি কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ আসন জেতার পথে রয়েছে । তিনি আরও যোগ করেছেন যে তারেক রহমান তার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা “দুটি আসনেই” জিতেছেন । বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্থানীয় মিডিয়ায় বলেছেন যে তার দল দেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে “ঐতিহাসিক বিজয়” অর্জন করতে চলেছে ।

জামায়াতের প্রতিক্রিয়া এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

বিএনপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামপন্থী জামায়াতে ইসলামীর নেতা শফিকুর রহমান পরাজয় স্বীকার করেছেন । তার দলের নেতৃত্বাধীন জোট মাত্র ৬৮টি আসন জিতেছে । শফিকুর রহমান বলেছেন যে জামায়াত শুধুমাত্র বিরোধিতার জন্য “বিরোধী রাজনীতি” করবে না, বরং “ইতিবাচক রাজনীতি” করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে । তিনি সাংবাদিকদের বলেছেন, “আমরা গঠনমূলক রাজনীতিতে জড়িত হব” ।

জামায়াত এবং তার মিত্ররা প্রায় ৬০টি আসনে বিজয়ের দাবি করেছে । এনসিপি, জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের অংশ, বলেছে যে তারা ছয়টি আসন অর্জন করেছে । তবে নির্বাচন কমিশন এখনও চূড়ান্ত অফিসিয়াল ফলাফল ঘোষণা করেনি, এবং গণনা এখনও চলমান রয়েছে ।

নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা এবং স্বচ্ছতা

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ফলাফলের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিল। ২৯৯টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়েছে (একটি আসন স্থগিত করা হয়েছে) । প্রাথমিক প্রবণতা গভীর রাতে প্রদর্শিত হতে পারে, এবং চূড়ান্ত ফলাফল ১৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলের মধ্যে আশা করা হচ্ছে বলে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে ।

নির্বাচন কমিশন তিনটি আসনে ফলাফল স্থগিত করেছে – শেরপুর-২, চট্টগ্রাম-২ এবং চট্টগ্রাম-৪ – আপিল বিভাগে মুলতুবি থাকা মামলার কারণে । এটি বিচার বিভাগীয় প্রক্রিয়ার প্রতি কমিশনের শ্রদ্ধা এবং আইনি বিষয়ে সতর্কতা প্রদর্শন করে।

ভোটগ্রহণের পরিবেশ এবং নিরাপত্তা

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনে ভোটগ্রহণ মূলত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে, যা প্রকৃত গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং জাতীয় সংস্কারের জন্য একটি শক্তিশালী আদেশ নিশ্চিত করার উচ্চ আশা নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছিল । শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার একটি পরীক্ষা হিসেবে দেখা হয়েছিল, বিশেষত স্বৈরশাসক শাসকের অধীনে বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতার পরে ।

হাজার হাজার দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক নির্বাচন প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করেছেন, যা নির্বাচনের স্বচ্ছতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করতে সহায়তা করেছে । প্রায় ৫৫ শতাংশ ভোটার উপস্থিতি রেকর্ড করা হয়েছে, যা জনগণের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের আগ্রহ প্রদর্শন করে ।

তারেক রহমান: নির্বাসন থেকে প্রধানমন্ত্রী পদে

৬০ বছর বয়সী তারেক রহমান, প্রাক্তন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পুত্র, ১৭ বছরের স্বেচ্ছা-নির্বাসনের পর ঢাকায় ফিরে এসেছেন । তিনি বৃহস্পতিবারের নির্বাচনে ব্যাপকভাবে সামনের সারির প্রার্থী হিসেবে দেখা হয়েছিল । তারেক রহমানের এই বিজয় শুধুমাত্র ব্যক্তিগত রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তন নয়, বরং বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

তার নেতৃত্বে বিএনপি ভূমিধস বিজয় অর্জন করেছে এবং এখন দলটি একটি নতুন সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে । বিএনপি নেতারা বলেছেন যে এখন উদযাপনের সময় নয়, বরং দেশ পুনর্গঠনের সময় । একজন বিএনপি নেতা বলেছেন, “উদযাপনের জন্য সময় নেই,” যা দলের দায়িত্বশীল দৃষ্টিভঙ্গি প্রদর্শন করে ।

বাংলাদেশের ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হবে । তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয় জনগণের আস্থার একটি স্পষ্ট প্রকাশ এবং রাজনৈতিক পরিবর্তনের জন্য তাদের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন । ১৭ বছরের মধ্যে প্রথম মুক্ত ও সুষ্ঠু নির্বাচন হিসেবে এটি বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ পুনঃপ্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ । শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ এবং উচ্চ ভোটার উপস্থিতি দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার পরিপক্কতা প্রদর্শন করে ।

নতুন সরকারের সামনে বহুবিধ চ্যালেঞ্জ রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিতকরণ, সামাজিক সংস্কার বাস্তবায়ন এবং রাজনৈতিক পুনর্মিলন সাধন। তবে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা বিএনপিকে তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তিশালী আদেশ প্রদান করেছে । আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশের এই নতুন গণতান্ত্রিক অধ্যায়ের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করেছে । এই নির্বাচন কেবল একটি সরকার পরিবর্তন নয়, বরং বাংলাদেশের জনগণের গণতন্ত্র, স্বাধীনতা এবং সুশাসনের প্রতি প্রত্যাবর্তনের প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

About Author
Avatar

আমাদের স্টাফ রিপোর্টারগণ সর্বদা নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যাচ্ছেন যাতে আপনি বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের সর্বশেষ ও গুরুত্বপূর্ণ খবর পেতে পারেন। তাঁদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও প্রতিশ্রুতি আমাদের ওয়েবসাইটকে একটি বিশ্বস্ত তথ্যের উৎস হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।তারা নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ রিপোর্টিংয়ে বিশ্বাসী, দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক প্রতিবেদন তৈরিতে সক্ষম

আরও পড়ুন