রমজান ২০২৬-এ বাংলাদেশে ব্যাংকের নতুন সময়সূচি: কখন যাবেন, কীভাবে সেবা নেবেন?

Bank Hour in Ramadan 2026 in Bangladesh: পবিত্র রমজান মাসে বাংলাদেশ ব্যাংক সকল তফসিলি ব্যাংকের জন্য বিশেষ সময়সূচি ঘোষণা করেছে। ২০২৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অফ-সাইট সুপারভিশন বিভাগ থেকে…

Avatar

 

Bank Hour in Ramadan 2026 in Bangladesh: পবিত্র রমজান মাসে বাংলাদেশ ব্যাংক সকল তফসিলি ব্যাংকের জন্য বিশেষ সময়সূচি ঘোষণা করেছে। ২০২৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অফ-সাইট সুপারভিশন বিভাগ থেকে একটি আনুষ্ঠানিক সার্কুলার জারি করা হয়, যেখানে স্পষ্ট করা হয়েছে যে রমজান মাসে ব্যাংকের অফিসিয়াল কার্যক্রম চলবে সকাল ৯টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এবং গ্রাহক লেনদেন করা যাবে সকাল ৯টা ৩০ মিনিট থেকে দুপুর ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে শুরু হওয়া এই পবিত্র মাসে এই সূচি কার্যকর থাকবে এবং রমজান শেষ হলে ব্যাংক আবার তার স্বাভাবিক সময়সূচিতে ফিরে যাবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার

মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাদেশে রমজান মাস একটি গভীর ধর্মীয় ও সামাজিক গুরুত্বসম্পন্ন সময়। প্রতি বছরের মতো ২০২৬ সালেও বাংলাদেশ ব্যাংক (BB) তার নিয়মিত নির্দেশনার অংশ হিসেবে ব্যাংকিং সেক্টরের জন্য বিশেষ সময়সূচি প্রণয়ন করেছে। রমজান শুরুর মাত্র একদিন আগে, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অফ-সাইট সুপারভিশন বিভাগ এই সার্কুলারটি দেশের সকল নিবন্ধিত তফসিলি ব্যাংকের কাছে পাঠায়।

এই সার্কুলারের মূল উদ্দেশ্য দুটো — প্রথমত, রোজা রাখা ব্যাংক কর্মীদের ধর্মীয় দায়িত্ব পালনে সুযোগ দেওয়া; এবং দ্বিতীয়ত, গ্রাহকদের জন্য আর্থিক সেবা যথাসম্ভব নিরবচ্ছিন্ন রাখা। বাংলাদেশে প্রায় ৬০টিরও বেশি তফসিলি ব্যাংক রয়েছে এবং এই সবগুলোতেই রমজানকালীন বিশেষ সময়সূচি প্রযোজ্য হবে।

এ ধরনের সরকারি ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি বাংলাদেশের ইসলামি সাংস্কৃতিক পরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা দেশটির কল্যাণমুখী শাসনব্যবস্থার প্রতিফলন ঘটায়।

রমজান ২০২৬-এ ব্যাংকের নতুন সময়সূচি

ব্যাংকের অফিস সময়

বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার অনুযায়ী, রমজান মাসে সকল তফসিলি ব্যাংকের অফিসিয়াল কার্যক্রম শুরু হবে সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে এবং বিকেল ৪টায় শেষ হবে। রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এই সময়সূচি বজায় থাকবে। শুক্রবার ও শনিবার যথারীতি সাপ্তাহিক ছুটি বহাল থাকবে।

স্বাভাবিক কার্যদিবসে ব্যাংকের অফিস সময় সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত থাকে। রমজানে ব্যাংক আগে খুলবে এবং তুলনামূলকভাবে আগেই বন্ধ হবে — এটি একটি ইচ্ছাকৃত ও মানবিক পরিকল্পনা, যাতে কর্মীরা ইফতারের আগে ঘরে ফিরতে পারেন।

গ্রাহক লেনদেনের সময়

গ্রাহকদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো — রমজান মাসে ব্যাংকে আমানত, উত্তোলন, রেমিট্যান্স সংগ্রহ এবং অন্যান্য আর্থিক লেনদেন করা যাবে সকাল ৯টা ৩০ মিনিট থেকে দুপুর ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। এরপর ব্যাংকের দরজা খোলা থাকলেও কাউন্টার সেবা বন্ধ হয়ে যাবে।

স্বাভাবিক দিনে গ্রাহক সেবার সময় ছিল সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। অর্থাৎ, রমজান মাসে লেনদেনের সময়সীমা প্রায় দেড় ঘণ্টা কমে গেছে। তাই যারা নিয়মিত ব্যাংকিং করেন, তাদের এই পরিবর্তন সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি।

জোহরের নামাজের বিশেষ বিরতি

রমজান ২০২৬-এর একটি বিশেষ সংযোজন হলো — দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত মাত্র ১৫ মিনিটের জোহরের নামাজের বিরতি। এই সময় গ্রাহক লেনদেন সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলারে স্পষ্ট বলা হয়েছে, এই বিরতিতেও ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম চলমান থাকবে। শুধু বাইরের গ্রাহক সেবা সাময়িক বিরতিতে যাবে — যা একটি দক্ষ ও বাস্তবমুখী সিদ্ধান্ত।

একনজরে রমজান ২০২৬ বনাম সাধারণ সময়সূচি

কার্যক্রম সাধারণ কার্যদিবস রমজান মাস ২০২৬
অফিস শুরু সকাল ১০:০০ সকাল ৯:৩০
লেনদেন শুরু সকাল ১০:০০ সকাল ৯:৩০
লেনদেন শেষ বিকেল ৪:০০ দুপুর ২:৩০
জোহরের নামাজ বিরতি দুপুর ১:০০ – ২:০০ দুপুর ১:১৫ – ১:৩০
অফিস শেষ সন্ধ্যা ৬:০০ বিকেল ৪:০০
সাপ্তাহিক ছুটি শুক্রবার ও শনিবার শুক্রবার ও শনিবার
সরকারি অফিস ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পরিবর্তিত সময়

ব্যাংকিং খাতের পাশাপাশি সরকারি অফিস ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানেও রমজান মাসে বিশেষ সময়সূচি কার্যকর হয়েছে। ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, বৃহস্পতিবার থেকেই দেশের সরকারি দপ্তরগুলো পরিবর্তিত সূচিতে কাজ শুরু করেছে।

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, রমজান মাসে কর্মজীবী মুসলমানরা যাতে সহজে রোজা রাখতে পারেন এবং তারাবির নামাজ ও অন্যান্য ইবাদতে সময় দিতে পারেন, সেই লক্ষ্যে কর্মঘণ্টা সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। বাংলাদেশে এই রীতি দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠিত এবং প্রতি বছর তা আরও সুশৃঙ্খলভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

শেয়ারবাজারেও পরিবর্তন

ব্যাংক ও সরকারি অফিসের মতো দেশের পুঁজিবাজারেও রমজান মাসে সময়সূচিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (DSE) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (CSE) তাদের দৈনিক লেনদেনের সময় সংক্ষিপ্ত করেছে।

শেয়ারবাজারের এই পরিবর্তন বিনিয়োগকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ অনেক বিনিয়োগকারী একই সময়ে ব্যাংকিং ও শেয়ার লেনদেন পরিচালনা করেন। রমজান মাসে দুটো খাতেই সকালের দিকে কাজ শেষ করার প্রবণতা থাকে, যা বাজারের তারল্য ও সার্বিক কর্মকাণ্ডকে প্রভাবিত করতে পারে।

ডিজিটাল ব্যাংকিং: রমজানে নির্ভরযোগ্য বিকল্প

রমজান মাসে ব্যাংক শাখার সময়সূচি সংক্ষিপ্ত হলেও ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা সম্পূর্ণ ২৪ ঘণ্টা সক্রিয় থাকে। এটিএম বুথ, ইন্টারনেট ব্যাংকিং এবং মোবাইল ব্যাংকিং সেবা (বিকাশ, নগদ, রকেট প্রভৃতি) যথারীতি চলতে থাকে।

রমজানে ডিজিটাল সেবার সময়সূচি

সেবা সময়সূচি
এটিএম বুথ ২৪ ঘণ্টা
ইন্টারনেট ব্যাংকিং ২৪ ঘণ্টা
মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ/নগদ/রকেট) ২৪ ঘণ্টা
ব্যাংক শাখা — গ্রাহক লেনদেন সকাল ৯:৩০ – দুপুর ২:৩০
ব্যাংক শাখা — অফিস কার্যক্রম সকাল ৯:৩০ – বিকেল ৪:০০
যারা দুপুরের আগে ব্যাংকে যাওয়ার সুযোগ পান না, তাদের জন্য মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপ ব্যবহার করে রাতে ইফতারের পরে লেনদেন সম্পন্ন করা সবচেয়ে সুবিধাজনক।

রমজান ২০২৬-এর সময়কাল ও ঢাকার সেহরি-ইফতার সূচি

২০২৬ সালের পবিত্র রমজান মাস বাংলাদেশে ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে শুরু হয়ে ২০ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত চলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে এটি এক দিন এদিক-সেদিক হতে পারে।

ঢাকার জন্য রমজানের প্রথম দিন সেহরির শেষ সময় সকাল ৫টা ১২ মিনিট এবং ইফতারের সময় সন্ধ্যা ৫টা ৫৭ মিনিট। মাস শেষে সেহরির সময় কমে ৪টা ৪৭ মিনিটে আসবে এবং ইফতার একটু দেরিতে হবে — সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে।

এই পুরো ৩০টি কার্যদিবস ধরেই বাংলাদেশের সকল তফসিলি ব্যাংক পরিবর্তিত সময়সূচিতে কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

রমজান শেষে স্বাভাবিক সময়সূচিতে ফিরে আসা

বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলারে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে, রমজান মাস শেষ হলে সকল ব্যাংক পুনরায় তাদের নিয়মিত সময়সূচিতে ফিরে যাবে। স্বাভাবিক সময়ে ব্যাংকের অফিস সকাল ১০টায় শুরু হয়ে সন্ধ্যা ৬টায় শেষ হয় এবং গ্রাহক লেনদেন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে।

রমজান সমাপ্তির পরদিন থেকেই এই পরিবর্তন কার্যকর হবে। ঈদের পরে ব্যাংকে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে স্বাভাবিক সময়সূচি অনুযায়ী যাওয়াই সঠিক হবে।

গ্রাহকদের জন্য বিশেষ পরামর্শ

রমজান মাসে ব্যাংকিং সেবায় কোনো অসুবিধায় না পড়তে কিছু প্রস্তুতি নিয়ে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ:

  • সকাল সকাল যান: সকাল ৯:৩০ থেকে ১১টার মধ্যে গেলে ভিড় কম থাকে এবং দ্রুত সেবা পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

  • দুপুরের বিরতির সময় এড়িয়ে চলুন: ১:১৫ থেকে ১:৩০ পর্যন্ত নামাজের বিরতিতে লেনদেন সম্ভব নয়, তাই এই সময় ব্যাংকে না যাওয়াই ভালো।

  • অনলাইন ও মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহার করুন: বিকাশ, নগদ বা নিজের ব্যাংকের অ্যাপের মাধ্যমে রাতে ইফতারের পরেও লেনদেন করা যায়।

  • মাস শেষের ভিড় এড়িয়ে চলুন: রমজানের শেষ সপ্তাহে ঈদের বাজারের চাপে ব্যাংকে ভিড় বেড়ে যায়, তাই জরুরি কাজ আগেভাগে সেরে রাখুন।

  • শেষ মুহূর্তে ব্যাংকে যাবেন না: দুপুর ২টার পরে গেলে লেনদেনের সুযোগ আর থাকবে না, তাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কাজ শেষ করুন।

রমজান মাসে বাংলাদেশের আর্থিক কার্যক্রমের বিশেষ প্রবণতা

রমজান মাসে বাংলাদেশের সামগ্রিক আর্থিক কার্যক্রমে কিছু বিশেষ প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। পরিবারগুলো খাদ্য, পোশাক ও দানের জন্য ব্যয় বাড়ায়, ফলে ব্যাংকগুলোতে নগদ লেনদেনের চাপ বৃদ্ধি পায়। একই সাথে, ব্যাংকের কর্মঘণ্টা কমে আসায় প্রতিটি কার্যঘণ্টায় কর্মীদের বেশি দক্ষতায় কাজ করতে হয়।

রেমিট্যান্স প্রবাহও রমজান ও ঈদের মৌসুমে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে। বিদেশে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা ঈদের আগে পরিবারকে বেশি অর্থ পাঠান, যা আর্থিক খাতে ইতিবাচক গতি তৈরি করে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, রমজান ও ঈদের সময় রেমিট্যান্স প্রবাহ সাধারণত উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পায়।

ব্যাংকের সংক্ষিপ্ত সময়সূচি থাকলেও এটিএম ও ডিজিটাল চ্যানেলের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক সেবা নিশ্চিত থাকায় মানুষের আর্থিক কার্যক্রম সচল থাকে।

ব্যাংক কর্মীদের কল্যাণে বিশেষ ব্যবস্থা

রমজান মাসে ব্যাংক কর্মীরা রোজা রেখে পেশাদার দায়িত্ব পালন করেন। তাদের শারীরিক ও মানসিক চাপ লাঘব করতেই মূলত এই বিশেষ সময়সূচি প্রণয়ন করা হয়। সংক্ষিপ্ত কর্মঘণ্টা তাদের ইফতারের আগে বাড়ি ফেরার এবং পারিবারিক সময় কাটানোর সুযোগ দেয়।

জোহরের নামাজের জন্য আলাদা ১৫ মিনিটের বিরতি কর্মীদের ধর্মীয় অনুশীলনে সহায়তা করে। এই ধরনের মানবিক পদক্ষেপ কর্মী সন্তুষ্টি এবং উৎপাদনশীলতা উভয়ই বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। সংক্ষিপ্ত সময়েও সেবার মান বজায় রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংক অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম অব্যাহত রাখার নির্দেশনা দিয়েছে।

রমজান ২০২৬-এ বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন সময়সূচি দেশের ধর্মীয় মূল্যবোধ ও আধুনিক আর্থিক ব্যবস্থাপনার মধ্যে এক চমৎকার সমন্বয় ঘটিয়েছে। সকাল ৯:৩০ থেকে দুপুর ২:৩০ পর্যন্ত লেনদেনের সুযোগ, জোহরের নামাজের জন্য ১৫ মিনিটের বিশেষ বিরতি এবং বিকেল ৪টায় অফিস সমাপ্তি — এই তিনটি সিদ্ধান্ত মিলিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রমাণ করেছে যে কর্মকর্তাদের ধর্মীয় অধিকার ও গ্রাহক সেবার মান একসাথেই রক্ষা করা সম্ভব। গ্রাহকদের উচিত এই পরিবর্তিত সময়সূচি সম্পর্কে সচেতন থেকে আগেভাগে পরিকল্পনা করা, কারণ শেষ মুহূর্তে ব্যাংকে গেলে সেবা না পাওয়ার ঝুঁকি থাকে। ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবার ব্যাপক ব্যবহার এই রমজান মাসকে আরও সহজ করে তুলতে পারে — ইফতারের পরে রাতে বসে মোবাইলে লেনদেন করা এখন আর কোনো বড় বিষয় নয়। সামগ্রিকভাবে, রমজান মাস বাংলাদেশের আর্থিক খাতে একটি বিশেষ মাত্রা যোগ করে, যেখানে ধর্ম, সংস্কৃতি ও অর্থনীতি পারস্পরিক সম্প্রীতিতে এগিয়ে চলে। সকলের জন্য পবিত্র রমজান মাস রহমত, বরকত ও মাগফিরাতের বার্তা নিয়ে আসুক — এই প্রার্থনাই রইল।

About Author
Avatar

বাংলাদেশ প্রতিনিধি থেকে সঠিক ও নির্ভরযোগ্য খবর পেতে আমাদের সংবাদ ওয়েবসাইট দেখুন। তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের বিস্তারিত জানুন।

আরও পড়ুন