দেবী বাসন্তীর আগমন-গমন কিসে? অষ্টমীর অঞ্জলি দেওয়ার সময় কখন? জেনে নিন

Basanti Puja 2026: Anjali Time & Agomon-Gomon: চৈত্রের হাওয়া লাগলেই অনেক বাঙালি একবার না একবার এই প্রশ্নটা সার্চ করেন—বাসন্তী পুজোর অষ্টমীর অঞ্জলি কখন? আর মা বাসন্তী এ বার কোন বাহনে…

Pandit Subhas Sastri

Basanti Puja 2026: Anjali Time & Agomon-Gomon: চৈত্রের হাওয়া লাগলেই অনেক বাঙালি একবার না একবার এই প্রশ্নটা সার্চ করেন—বাসন্তী পুজোর অষ্টমীর অঞ্জলি কখন? আর মা বাসন্তী এ বার কোন বাহনে আসছেন, কীসেই বা বিদায় নেবেন? সমস্যাটা হল, ইন্টারনেটে এ বিষয়ে একসঙ্গে অনেক লেখা থাকলেও সব তথ্য একরকম নয়। কোথাও সময় দেওয়া আছে, কিন্তু স্থানীয় পঞ্জিকার পার্থক্য নেই। কোথাও বাহন বলা আছে, কিন্তু সেই ব্যাখ্যার ভিত্তি স্পষ্ট নয়।

২০২৬ সালে বহু প্রচলিত পঞ্জিকা-ভিত্তিক সূত্র অনুযায়ী বাসন্তী পুজোর মহাষ্টমী পড়ছে ২৬ মার্চ, বৃহস্পতিবার। একটি বাংলা পঞ্জিকা-ভিত্তিক প্রতিবেদনে অষ্টমী তিথি ২৫ মার্চ দুপুর ১:৫০ থেকে ২৬ মার্চ সকাল ১১:৪৮ পর্যন্ত বলা হয়েছে। অর্থাৎ, অষ্টমীর অঞ্জলি দেওয়ার জন্য ২৬ মার্চ সকালটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। আবার কলকাতা-ভিত্তিক ড্রিক পঞ্চাঙ্গে ওই দিন সন্ধিপুজোর সময় ১১:২৪ AM থেকে ১২:১২ PM দেখানো হয়েছে। তাই বাস্তবে আপনার পাড়ার পুজো বা মন্দিরে যে সময় ঘোষণা হবে, সেটাই ফলো করাই সবচেয়ে নিরাপদ।

বাসন্তী পুজো আসলে কী?

বাসন্তী পুজোকে অনেকেই চৈত্র দুর্গাপুজো বা চৈত্র নবরাত্রির দুর্গাপুজো বলেও চেনেন। এটি বসন্তকালে পালিত হয় বলেই নাম হয়েছে বাসন্তী পুজো। শারদীয়া দুর্গাপুজোর মতোই সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী, দশমীর পূজার ধারা এখানে দেখা যায়, তবে এর আবহ অনেক ক্ষেত্রে বেশি ঘরোয়া, মন্দিরকেন্দ্রিক বা রাজবাড়িভিত্তিক। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় এখনও এই পুজোর বিশেষ প্রচলন আছে।

জনপ্রিয় ধর্মীয় আখ্যান অনুযায়ী, এই পূজাকে অনেকেই বাঙালির আদি দুর্গাপুজোর ধারা বলে মানেন। তবে এই অংশটি মূলত ঐতিহ্যভিত্তিক বিশ্বাসের জায়গা—ইতিহাস, পুরাণ ও লোকবিশ্বাস এখানে একসঙ্গে মিশে আছে। তাই বিষয়টি তুলে ধরার সময় অতিরিক্ত দাবির বদলে পরিমিত ভাষা ব্যবহার করাই ভালো।

২০২৬ সালের বাসন্তী পুজোর প্রধান দিনক্ষণ

এই বছর চৈত্র নবরাত্রি শুরু হয়েছে ১৯ মার্চ ২০২৬ থেকে। বাসন্তী পুজোর মূল পর্ব শুরু হচ্ছে ষষ্ঠী থেকে। প্রচলিত বাংলা প্রতিবেদন এবং নবরাত্রি ক্যালেন্ডার মিলিয়ে যে দিনগুলো সবচেয়ে বেশি সামনে আসছে, সেগুলো হল—

প্রধান তারিখ

  • ষষ্ঠী: ২৪ মার্চ, মঙ্গলবার
  • সপ্তমী: ২৫ মার্চ, বুধবার
  • মহাষ্টমী: ২৬ মার্চ, বৃহস্পতিবার
  • মহানবমী: ২৭ মার্চ, শুক্রবার
  • বিজয়া/দশমী পর্ব: ২৮ মার্চ, শনিবার ঘিরে পালিত হচ্ছে বলে একাধিক সূত্রে উল্লেখ রয়েছে

এখানেই একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার আছে। কিছু প্রতিবেদনে দশমীর উপাসনা বা বিসর্জনের দিন উল্লেখ করতে গরমিল দেখা যাচ্ছে। তাই শুধুমাত্র একটিমাত্র নিউজ আর্টিকেলের উপর নির্ভর না করে স্থানীয় পঞ্জিকা বা পুজো কমিটির ঘোষণাই ধরে চলুন।

অষ্টমীর অঞ্জলি দেওয়ার সময় কখন?

একটি বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত-ভিত্তিক সময়সূচি অনুযায়ী, অষ্টমী তিথি শুরু হচ্ছে ২৫ মার্চ দুপুর ১:৫০ মিনিটে এবং শেষ হচ্ছে ২৬ মার্চ সকাল ১১:৪৮ মিনিটে। এর মানে, অষ্টমীর অঞ্জলি দেওয়ার জন্য ২৬ মার্চ সকাল থেকে ১১:৪৮-এর আগে সময়টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাই আপনি যদি বাসন্তী পুজোর অষ্টমীর অঞ্জলি দিতে চান, তাহলে সকালে মন্দির বা পাড়ার পুজোমণ্ডপে পৌঁছে যাওয়াই ভালো।

এখানে মনে রাখবেন, তিথি এক জিনিস, আর স্থানীয় অঞ্জলির ব্যাচ-টাইম আরেক জিনিস। মন্দিরে হয়তো ৮টা, ৯টা, ১০টা—এভাবে একাধিক অঞ্জলি হতে পারে। তাই সার্চে পাওয়া সময়কে চূড়ান্ত ধরে দেরি না করে, আপনার স্থানীয় পুজোর ঘোষিত সময়ই মেনে চলুন। এই পার্থক্য হওয়ার কারণও আছে—পঞ্জিকা গণনায় পদ্ধতিগত ভেদ যেমন থাকে, তেমনি স্থানভেদেও সময়ের সামান্য হেরফের হতে পারে।

অঞ্জলি দিতে গেলে কী কী মাথায় রাখবেন?

  • একটু আগে পৌঁছন। শেষ মুহূর্তে গেলে ভিড়ের জন্য অঞ্জলি মিস হতে পারে।
  • ফুল, বেলপাতা, পরিষ্কার রুমাল বা ছোট ব্যাগ সঙ্গে রাখুন।
  • বয়স্ক মানুষ বা ছোট বাচ্চা থাকলে জল সঙ্গে রাখুন।
  • মণ্ডপে মাইকে যে সময় বলা হচ্ছে, সেটাই ধরুন।
  • অঞ্জলি দেওয়ার সময় ফোন সাইলেন্ট রাখলে পরিবেশও ভালো থাকে, মনও একাগ্র হয়।

সন্ধিপুজোর সময় কত?

অষ্টমীর সঙ্গে সন্ধিপুজোর প্রশ্নও প্রায়ই আসে। কলকাতার জন্য ড্রিক পঞ্চাঙ্গের চৈত্র নবরাত্রি ক্যালেন্ডারে ২৬ মার্চ ২০২৬-এর সন্ধিপুজো শুরু ১১:২৪ AM এবং শেষ ১২:১২ PM বলা হয়েছে। যারা বিশেষভাবে সন্ধিপুজো দেখতে চান, তাঁদের জন্য এই সময়টা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

এখানে আবারও একই কথা প্রযোজ্য—পুজো কমিটি বা মন্দিরের নিজস্ব সিদ্ধান্তে এই সময়ের আগে প্রস্তুতি বা পরে আরতি হতে পারে। তাই “সন্ধিপুজো ১১:২৪-এ শুরু” মানে আপনি ১১:২৪-এ গিয়ে পৌঁছবেন—এমনটা ভাবা ঠিক নয়। অন্তত ২০-৩০ মিনিট আগে গেলে ভালো।

দেবী বাসন্তীর আগমন-গমন কিসে?

এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়েই সবচেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। কারণ, ২০২৬ সালের ক্ষেত্রে বিভিন্ন বাংলা সূত্রে দুটি আলাদা ব্যাখ্যা দেখা যাচ্ছে।

একটি সূত্রে বলা হয়েছে, ২৫ মার্চ বুধবার সপ্তমী হওয়ায় দেবীর আগমন নৌকায় এবং ২৮ মার্চ শনিবার দশমী হওয়ায় গমন ঘোটকে। এই ব্যাখ্যায় নৌকায় আগমনকে শস্যবৃদ্ধি ও জলবৃদ্ধির ইঙ্গিত হিসেবে, আর ঘোটকে গমনকে অস্থিরতার প্রতীক হিসেবে ধরা হয়েছে।

অন্য একটি বাংলা সূত্রে আবার বলা হয়েছে, এ বছর দেবীর আগমন দোলায়/পালকিতে এবং গমন গজে। এই ব্যাখ্যায় পালকির আগমনকে অশুভ এবং গজে গমনকে সমৃদ্ধির লক্ষণ হিসেবে ধরা হয়েছে।

তাহলে কোনটা ঠিক?

সবচেয়ে সৎ উত্তর হল—পঞ্জিকা ভেদে মতভেদ আছে। আর এটাই পাঠককে জানানো উচিত। কারণ, কেউ সপ্তমী-দশমীর বার ধরে ব্যাখ্যা করছেন, কেউ আবার অন্য রীতি বা গণনা ধরছেন।

“আগমন-গমন বিষয়ে পঞ্জিকা ভেদে পার্থক্য রয়েছে। আপনার বাড়ির পুরোহিত, স্থানীয় মন্দির বা পুজো কমিটির অনুসৃত পঞ্জিকাই চূড়ান্ত ধরে চলুন।”

কেন এত গরমিল হয়?

ধর্মীয় দিনক্ষণ নিয়ে গরমিল নতুন কিছু নয়। কারণ কয়েকটি—

১) পঞ্জিকা ভেদ

সবাই একই পঞ্জিকা ফলো করেন না। কারও ভিত্তি বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত, কারও অন্য গণনা-পদ্ধতি।

২) স্থানভেদ

এক শহর আরেক শহরের থেকে সময় আলাদা হতে পারে। পঞ্জিকা সাইটগুলিও সাধারণত লোকেশনভিত্তিক সময় দেয়।

৩) তিথি বনাম পূজার আচরণ

তিথি কখন শুরু বা শেষ হচ্ছে, আর বাস্তবে মন্দিরে পূজা কখন করা হচ্ছে—দুটো সবসময় এক জিনিস নয়।

এই ব্যাখ্যাটা সাধারণ পাঠকের জন্য খুব দরকারি। কারণ বেশিরভাগ আর্টিকেল শুধু “এটাই সময়” বলে থেমে যায়, কিন্তু কেন অন্য সাইটে অন্য সময় দেখা যাচ্ছে, সেটা বলে না।

বাসন্তী পুজো আর শারদীয়া দুর্গাপুজোর মধ্যে পার্থক্য কী?

অনেকেরই প্রশ্ন—বাসন্তী পুজো কি শারদীয়া দুর্গাপুজোর মতোই?

সাধারণভাবে বলতে গেলে, রীতিনীতির মিল অনেকটাই আছে, কিন্তু আবহ, সময় এবং সামাজিক পরিসর আলাদা।

প্রধান পার্থক্য

  • সময়: বাসন্তী পুজো হয় চৈত্র মাসে, শারদীয়া দুর্গাপুজো হয় আশ্বিনে।
  • আবহ: বাসন্তী পুজো তুলনায় বেশি মন্দির, রাজবাড়ি বা পারিবারিক পরিসরে দেখা যায়।
  • জনপ্রিয়তা: শারদীয়া দুর্গাপুজো অনেক বেশি সর্বজনীন ও বৃহৎ আয়োজনের।
  • সার্চ ইন্টেন্ট: বাসন্তী পুজো নিয়ে মানুষ বেশি খোঁজেন দিনক্ষণ, অঞ্জলি, তিথি, আর শারদীয়ায় খোঁজেন প্যান্ডেল, থিম, ছুটি, লাইভ আপডেট ইত্যাদি।

অষ্টমীর অঞ্জলি দিতে গেলে ছোট্ট ব্যবহারিক গাইড

যারা বাস্তবে অঞ্জলি দিতে যাবেন, তাঁদের জন্য কয়েকটি কাজের কথা:

আগে থেকে যা করবেন

  • আগের রাতেই দেখে নিন ফুল, বেলপাতা, পোশাক তৈরি আছে কি না।
  • পাড়ার ক্লাবের ফেসবুক পেজ, পোস্টার বা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সময় দেখে নিন।
  • সকাল সকাল বেরোতে হলে গাড়ি পার্কিং বা যাতায়াত মাথায় রাখুন।

মণ্ডপে গিয়ে যা খেয়াল রাখবেন

  • প্রথম ব্যাচে না পারলে পরের ব্যাচ আছে কি না জেনে নিন।
  • প্রবীণদের বসার জায়গা আছে কি না দেখে নিন।
  • চটি বা জুতো রাখার জায়গা আগে দেখে নিলে পরে ঝামেলা কম হয়।

যেটা ভুলবেন না

অঞ্জলি শুধু “সময় ম্যানেজ” করার বিষয় নয়, এটা ভক্তির অংশও। তাই ভিড়, ছবি, সেলফি—সবকিছুর মধ্যেও একটু মনোসংযোগ রাখলে অভিজ্ঞতাটা অন্যরকম হয়।

People Also Ask Style FAQ

বাসন্তী পুজোর মহাষ্টমী ২০২৬ কবে?

২০২৬ সালে প্রচলিত বাংলা পঞ্জিকা-ভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী বাসন্তী পুজোর মহাষ্টমী ২৬ মার্চ, বৃহস্পতিবার

অষ্টমীর অঞ্জলি দেওয়ার সবচেয়ে ভালো সময় কোনটা?

অষ্টমী তিথি ২৬ মার্চ সকাল ১১:৪৮ পর্যন্ত থাকার একটি পঞ্জিকা-ভিত্তিক উল্লেখ পাওয়া যাচ্ছে। তাই সকালেই অঞ্জলি দেওয়াই ভালো। তবে আপনার স্থানীয় পুজো কমিটির সময়ই শেষ কথা।

সন্ধিপুজো আর অষ্টমীর অঞ্জলি কি একই জিনিস?

না। অষ্টমীর অঞ্জলি সাধারণত সকালে ভক্তদের অংশগ্রহণমূলক পর্ব, আর সন্ধিপুজো অষ্টমী-নবমীর সন্ধিক্ষণের বিশেষ পূজা। কলকাতা-ভিত্তিক একটি পঞ্জিকায় ২৬ মার্চ সন্ধিপুজোর সময় ১১:২৪ AM থেকে ১২:১২ PM বলা হয়েছে।

দেবীর আগমন-গমন নিয়ে আলাদা আলাদা কথা কেন শোনা যাচ্ছে?

কারণ সব সূত্র একই পঞ্জিকা-পদ্ধতি বা ব্যাখ্যা ধরছে না। একটি সূত্রে নৌকায় আগমন-ঘোটকে গমন, অন্যটিতে দোলায় আগমন-গজে গমন বলা হয়েছে। তাই স্থানীয় পঞ্জিকা বা পুরোহিতের মতই চূড়ান্ত ধরে চলুন।

অঞ্জলির সময় মিস হলে কী করবেন?

অনেক মন্দির বা পাড়ার পুজোয় একাধিক ব্যাচে অঞ্জলি হয়। তাই মাইকে ঘোষণা শুনুন বা স্বেচ্ছাসেবকদের জিজ্ঞেস করুন। শেষ মুহূর্তে গিয়ে হতাশ হওয়ার চেয়ে একটু আগে পৌঁছনোই ভালো।

বাড়িতে অঞ্জলি দেওয়া যায়?

যাঁরা মন্দিরে যেতে পারেন না, তাঁরা বাড়িতেও ভক্তিভরে পুষ্পাঞ্জলি দিতে পারেন। তবে মন্ত্র, নিয়ম বা উপকরণ নিয়ে সংশয় থাকলে বাড়ির পুরোহিত বা পরিবারের বড়দের কাছ থেকে আগে জেনে নেওয়া ভালো।

শেষ কথা

বাসন্তী পুজো নিয়ে সার্চ করার সময় সবচেয়ে বড় সমস্যা হল—একসঙ্গে অনেক তথ্য পাওয়া যায়, কিন্তু সব তথ্য সমান নির্ভরযোগ্য নয়। ২০২৬ সালের ক্ষেত্রে যা পরিষ্কার, তা হল মহাষ্টমী ২৬ মার্চ, আর অষ্টমীর অঞ্জলি দেওয়ার জন্য সকালটাই সবচেয়ে জরুরি। একটি পঞ্জিকা অনুযায়ী অষ্টমী তিথি ১১:৪৮ AM পর্যন্ত, আর একটি শহরভিত্তিক ক্যালেন্ডারে সন্ধিপুজো ১১:২৪ AM থেকে ১২:১২ PM। কিন্তু আগমন-গমন প্রসঙ্গে পঞ্জিকা-ভেদে মতভেদ রয়েছে—এটাই সবচেয়ে সৎ ও পাঠকবান্ধব উপসংহার।

 

About Author
Pandit Subhas Sastri

পন্ডিত সুভাষ শাস্ত্রী একজন দিকপাল জ্যোতিষী। দীর্ঘ ৩০ বছর মানুষের সেবা করে আসছেন। জ্যোতিষ শাস্ত্রে গোল্ড মেডেলিস্ট, এছাড়াও তিনি দেশ বিদেশে বিভিন্ন পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এবং তার গণনা দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও বেশ জনপ্রিয়। তিনি কলকাতা, হাওড়া, বীরভূম, শিলিগুড়ি, দুর্গাপুরে চেম্বার করেন।