ঘুমের মধ্যে মুখ থেকে লালা ঝরে? সামান্য ভাবলেও হতে পারে মারাত্মক রোগের লক্ষণ

রাতে শান্তির ঘুম কার না প্রিয়? কিন্তু সকালে উঠে যদি দেখেন আপনার বালিশ লালায় ভিজে চটচটে, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই অস্বস্তি বাড়ে। অনেকেই ঘুমের মধ্যে মুখ থেকে লালা ঝরার (Drooling during sleep)…

Debolina Roy

 

রাতে শান্তির ঘুম কার না প্রিয়? কিন্তু সকালে উঠে যদি দেখেন আপনার বালিশ লালায় ভিজে চটচটে, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই অস্বস্তি বাড়ে। অনেকেই ঘুমের মধ্যে মুখ থেকে লালা ঝরার (Drooling during sleep) বিষয়টিকে সামান্য বা স্বাভাবিক বলে উড়িয়ে দেন। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদিও এটি অনেক ক্ষেত্রে সাধারণ শারীরবৃত্তীয় কারণে হতে পারে, কিন্তু ক্রমাগত এবং অতিরিক্ত লালা ঝরা বা নকচার্নাল সিয়েলোরিয়া (Nocturnal Sialorrhea) হতে পারে গুরুতর কিছু শারীরিক সমস্যার প্রাথমিক লক্ষণ।

সাম্প্রতিক গবেষণা এবং স্বাস্থ্য রিপোর্ট অনুযায়ী, ঘুমের মধ্যে লালা ঝরার সমস্যাটি বিভিন্ন অন্তর্নিহিত স্বাস্থ্য ঝুঁকির দিকে ইঙ্গিত করে। সাধারণ অ্যালার্জি থেকে শুরু করে অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া (Obstructive Sleep Apnea) বা পারকিনসন্স ডিজিজের (Parkinson’s disease) মতো জটিল নিউরোলজিক্যাল ডিজঅর্ডারের সঙ্গেও এর যোগসূত্র পাওয়া গেছে। তাই এই বিষয়টিকে অবহেলা না করে এর পেছনের কারণগুলো জানা এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

কেন ঘুমের মধ্যে মুখ থেকে লালা ঝরে? সাধারণ কারণবালি

আমাদের মুখের ভেতরে অবস্থিত লালাগ্রন্থি বা স্যালিভারি গ্ল্যান্ড (Salivary Glands) ক্রমাগত লালা উৎপাদন করে। এই লালার প্রধান কাজ হলো মুখকে আর্দ্র রাখা, হজমে সাহায্য করা এবং মুখের ভেতরের জীবাণু ধ্বংস করা। আমরা যখন জেগে থাকি, তখন অবচেতনভাবেই অতিরিক্ত লালা গিলে ফেলি। কিন্তু ঘুমের মধ্যে, বিশেষ করে গভীর ঘুমের পর্যায়ে, আমাদের শরীরের পেশিগুলো শিথিল হয়ে যায়, যার মধ্যে মুখের এবং গলার পেশিও অন্তর্ভুক্ত। এই সময় লালা গেলার প্রক্রিয়াটিও ধীর হয়ে যায়। ফলে মুখে জমে থাকা অতিরিক্ত লালা ঘুমের ঘোরে বেরিয়ে আসে।

কিছু সাধারণ কারণ এর জন্য দায়ী:

  • ঘুমের ভঙ্গি (Sleeping Position): যারা পাশ ফিরে বা উপুড় হয়ে ঘুমান, মাধ্যাকর্ষণের কারণে তাদের মুখ থেকে লালা বেরিয়ে আসার সম্ভাবনা বেশি থাকে। এর বিপরীতে, যারা চিৎ হয়ে ঘুমান, তাদের ক্ষেত্রে লালা মুখের ভেতরেই থেকে যায় এবং স্বাভাবিকভাবে গলার নিচে চলে যায়।
  • মুখ খুলে ঘুমানো (Mouth Breathing): সর্দি, অ্যালার্জি বা সাইনাসের সমস্যার কারণে নাক বন্ধ থাকলে অনেকেই ঘুমের মধ্যে মুখ দিয়ে শ্বাস নেন। মুখ খোলা থাকার কারণে লালা বেরিয়ে আসা খুব স্বাভাবিক।
  • খাদ্যাভ্যাস:অতিরিক্ত মশলাদার বা অ্যাসিডিক খাবার খেলে মুখে লালার উৎপাদন বেড়ে যেতে পারে, যা ঘুমের সময় বেরিয়ে আসতে পারে।

যখন লালা ঝরা রোগের লক্ষণ: Drooling During Sleep এবং অন্তর্নিহিত স্বাস্থ্যঝুঁকি

যদিও উপরে উল্লিখিত কারণগুলো নিরীহ, তবে কিছু ক্ষেত্রে অতিরিক্ত লালা ঝরা বা হাইপারস্যালিভেশন (Hypersalivation) বিভিন্ন রোগের লক্ষণ হতে পারে। নিচে এমন কিছু গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা আলোচনা করা হলো:

অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া (Obstructive Sleep Apnea – OSA)

স্লিপ অ্যাপনিয়া একটি মারাত্মক ঘুম-সম্পর্কিত শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যাধি। এই সমস্যায় ঘুমের মধ্যে একজন ব্যক্তির শ্বাস-প্রশ্বাস বারবার বন্ধ হয়ে যায় এবং আবার শুরু হয়। স্লিপ ফাউন্ডেশন (Sleep Foundation) অনুসারে, স্লিপ অ্যাপনিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা মুখ দিয়ে শ্বাস নিতে বাধ্য হন, কারণ তাদের শ্বাসনালীর উপরের অংশ ঘুমের মধ্যে আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে মুখ খুলে ঘুমানো এবং অতিরিক্ত লালা ঝরার মতো উপসর্গ দেখা দেয়। যদি আপনার ঘুমের মধ্যে নাক ডাকা, দম বন্ধ হয়ে ঘুম ভেঙে যাওয়া বা দিনের বেলায় অতিরিক্ত ঘুম পাওয়ার মতো সমস্যা থাকে, তবে এটি স্লিপ অ্যাপনিয়ার লক্ষণ হতে পারে।

গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ (GERD)

সাধারণ মানুষের কাছে এটি অ্যাসিড রিফ্লাক্স (Acid Reflux) নামে পরিচিত। হেলথলাইন (Healthline)-এর একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, পাকস্থলীর অ্যাসিড যখন খাদ্যনালীতে ফিরে আসে, তখন খাদ্যনালী ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই প্রক্রিয়াটিকে ওয়াটার ব্র্যাশ (Water Brash) বলা হয়, যা খাদ্যনালীর স্নায়ুকে উত্তেজিত করে এবং এর প্রতিক্রিয়ায় লালাগ্রন্থি অতিরিক্ত লালা তৈরি করে। এই অতিরিক্ত লালা ঘুমের সময় মুখ থেকে বেরিয়ে আসতে পারে। বুকজ্বালা, মুখে টক স্বাদ এবং খাবার গিলতে অসুবিধা GERD-এর অন্যান্য লক্ষণ।

নিউরোলজিক্যাল ডিজঅর্ডার (Neurological Disorders)

বিভিন্ন স্নায়বিক রোগ লালা গেলা বা মুখের পেশি নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতাকে প্রভাবিত করতে পারে, যা অতিরিক্ত লালা ঝরার অন্যতম প্রধান কারণ।

  • পারকিনসন্স ডিজিজ: এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মুখের পেশি শক্ত হয়ে যায় এবং তাদের লালা গেলার প্রক্রিয়া ধীর হয়ে পড়ে। ফলে মুখে লালা জমে থাকে এবং অনিয়ন্ত্রিতভাবে বেরিয়ে আসে। নিউরোলজি বিশেষজ্ঞ ড. স্টুয়ার্ট আইজ্যাকসন (Dr. Stuart Isaacson) এবং ড. রিচার্ড এম. ট্রশ (Dr. Richard M. Trosch) নিউরোলজিলাইভ (NeurologyLive)-এর একটি আলোচনায় বলেছেন যে, “অনেক পারকিনসন্স রোগী রাত্রে বালিশ ভিজে যাওয়ার কথা বলেন, যা তাদের পোস্টেরিয়র ড্রুলিং (Posterior Drooling) বা লালা শ্বাসনালীতে চলে যাওয়ার লক্ষণ হতে পারে।”
  • সেরিব্রাল পলসি (Cerebral Palsy): এটি একটি জন্মগত অবস্থা যা পেশি নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে।
  • স্ট্রোক (Stroke): স্ট্রোকের ফলেও মুখের একপাশের পেশি দুর্বল হয়ে যেতে পারে, যার ফলে লালা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়।
  • অ্যামায়োট্রফিক ল্যাটারাল স্ক্লেরোসিস (ALS): এই রোগটি স্নায়ুকোষকে আক্রমণ করে এবং মাংসপেশির কার্যকারিতা নষ্ট করে দেয়।

অন্যান্য কারণ

  • ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: কিছু অ্যান্টিসাইকোটিক ড্রাগ, অ্যালঝাইমার্সের ওষুধ এবং অ্যান্টিবায়োটিক লালার উৎপাদন বাড়িয়ে দিতে পারে।
  • মুখের সংক্রমণ: দাঁতের বা মাড়ির সংক্রমণ, টনসিলাইটিস বা মুখের আলসারের কারণেও লালা উৎপাদন বাড়তে পারে।

কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন?

মাঝে মাঝে ঘুমের মধ্যে লালা ঝরা চিন্তার কারণ না হলেও, নিম্নলিখিত উপসর্গগুলো দেখা দিলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত:

  • হঠাৎ করে লালা ঝরার পরিমাণ খুব বেড়ে গেলে।
  • লালা ঝরার সাথে শ্বাসকষ্ট, খাবার গিলতে অসুবিধা বা কথা বলতে সমস্যা হলে।
  • নাক ডাকা, ঘুমের মধ্যে দম বন্ধ হয়ে যাওয়া বা দিনের বেলায় অতিরিক্ত ঘুম পেলে।
  • যদি আপনি কোনো নিউরোলজিক্যাল রোগের জন্য চিকিৎসা নিচ্ছেন এবং লালা ঝরার সমস্যা বাড়ছে।
  • মুখে ঘা বা সংক্রমণের কোনো লক্ষণ দেখা দিলে।

চিকিৎসক আপনার শারীরিক পরীক্ষা এবং উপসর্গের ইতিহাস শুনে সঠিক কারণ নির্ণয় করবেন। প্রয়োজনে স্লিপ স্টাডি (Polysomnography), এন্ডোস্কোপি বা অন্যান্য পরীক্ষা করার পরামর্শ দিতে পারেন।

প্রতিকার ও ব্যবস্থাপনা: যেভাবে Drooling During Sleep কমাবেন

কারণ নির্ণয়ের পর চিকিৎসা পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়। তবে কিছু সাধারণ ঘরোয়া উপায় এবং অভ্যাসের পরিবর্তনেও এই সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।

  • ঘুমের ভঙ্গি পরিবর্তন করুন: পাশ ফিরে বা উপুড় হয়ে ঘুমানোর পরিবর্তে চিৎ হয়ে ঘুমানোর অভ্যাস করুন।
  • মাথা উঁচু রাখুন: ঘুমানোর সময় একটি অতিরিক্ত বালিশ ব্যবহার করে মাথা কিছুটা উঁচু রাখুন। এতে মুখ বন্ধ থাকতে সাহায্য করবে এবং লালা সহজে গলার নিচে চলে যাবে।
  • নাক পরিষ্কার রাখুন: অ্যালার্জি বা সাইনাসের সমস্যা থাকলে নেজাল স্প্রে ব্যবহার করুন বা ঘুমানোর আগে গরম জলের ভাপ নিন। নাক পরিষ্কার থাকলে মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার প্রবণতা কমবে।
  • স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন: ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা, ধূমপান ত্যাগ করা এবং ঘুমানোর অন্তত ২-৩ ঘণ্টা আগে ভারী খাবার বা অ্যাসিডিক খাবার এড়িয়ে চলা GERD নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
  • ব্যায়াম: কিছু স্পিচ থেরাপি বা মুখের ব্যায়াম (Oral Motor Exercises) মুখের পেশিকে শক্তিশালী করতে এবং লালা গেলার প্রক্রিয়া উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে।
  • বোটক্স ইনজেকশন: গুরুতর ক্ষেত্রে, বিশেষ করে নিউরোলজিক্যাল রোগীদের জন্য, লালাগ্রন্থিতে বোটক্স (Botox) ইনজেকশন দিয়ে লালার উৎপাদন সাময়িকভাবে কমানো যেতে পারে।

ঘুমের মধ্যে মুখ থেকে লালা ঝরা (Drooling during sleep) একটি সাধারণ ঘটনা হতে পারে, কিন্তু এটিকে পুরোপুরি অবহেলা করা উচিত নয়। এটি আপনার শরীরের একটি সতর্কবার্তা হতে পারে যে ভেতরে কোনো সমস্যা দানা বাঁধছে। জীবনযাত্রায় সামান্য পরিবর্তন এনে এবং সাধারণ কারণগুলোর দিকে নজর দিয়ে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। তবে যদি সমস্যাটি ক্রমাগত বাড়তে থাকে বা অন্যান্য গুরুতর উপসর্গের সাথে দেখা দেয়, তবে দেরি না করে একজন বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলাই বুদ্ধিমানের কাজ। মনে রাখবেন, সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপই সুস্থ জীবনের চাবিকাঠি

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

১. ঘুমের মধ্যে মুখ থেকে লালা পড়া কি স্বাভাবিক?

হ্যাঁ, অনেক ক্ষেত্রেই এটি স্বাভাবিক। গভীর ঘুমে মুখের পেশি শিথিল হয়ে যাওয়ায় এবং ঘুমের ভঙ্গির কারণে লালা বেরিয়ে আসতে পারে। তবে এটি যদি হঠাৎ করে খুব বেড়ে যায় বা এর সাথে অন্য কোনো উপসর্গ (যেমন শ্বাসকষ্ট, নাক ডাকা) দেখা দেয়, তবে এটি কোনো রোগের লক্ষণ হতে পারে।

২. কোন রোগের কারণে ঘুমের মধ্যে লালা ঝরে?

অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া (Obstructive Sleep Apnea), গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ (GERD), পারকিনসন্স ডিজিজ বা স্ট্রোকের মতো নিউরোলজিক্যাল সমস্যা, সাইনাস ইনফেকশন এবং কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে ঘুমের মধ্যে অতিরিক্ত লালা ঝরতে পারে।

৩. কীভাবে ঘুমের মধ্যে লালা পড়া বন্ধ করা যায়?

চিৎ হয়ে ঘুমানোর অভ্যাস করা, মাথা উঁচু রাখতে অতিরিক্ত বালিশ ব্যবহার করা, নাক পরিষ্কার রাখা, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস মেনে চলার মাধ্যমে এই সমস্যা কমানো যেতে পারে।

৪. শিশুদের ঘুমের মধ্যে লালা ঝরা কি চিন্তার কারণ?

সাধারণত ৪ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে এটি খুবই স্বাভাবিক, কারণ তাদের মুখের পেশি এবং লালা গেলার নিয়ন্ত্রণ তখনও পুরোপুরি তৈরি হয় না। তবে এর পরেও যদি অতিরিক্ত লালা ঝরার সমস্যা থাকে, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

৫. লালা ঝরার জন্য কখন ডাক্তার দেখানো উচিত?

যদি লালা ঝরা হঠাৎ করে শুরু হয় এবং পরিমাণ অনেক বেশি থাকে, এর সাথে খাবার গিলতে বা কথা বলতে কষ্ট হয়, শ্বাস নিতে সমস্যা হয়, অথবা যদি আপনি মনে করেন এটি স্লিপ অ্যাপনিয়ার মতো কোনো গুরুতর সমস্যার লক্ষণ, তবে দ্রুত চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন।

About Author
Debolina Roy

দেবলীনা রায় একজন চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্য বিষয়ক লেখক, যিনি স্বাস্থ্য সচেতনতা এবং চিকিৎসা বিজ্ঞান সম্পর্কে পাঠকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য নিবেদিত। ডাক্তারি নিয়ে পড়াশোনা করা দেবলীনা তার লেখায় চিকিৎসা বিষয়ক জটিল তথ্যগুলি সহজ ভাষায় উপস্থাপন করেন, যা সাধারণ পাঠকদের জন্য সহজবোধ্য এবং উপকারী। স্বাস্থ্য, পুষ্টি, এবং রোগ প্রতিরোধের বিষয়ে তার গভীর জ্ঞান এবং প্রাঞ্জল লেখনী পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। দেবলীনা রায়ের লক্ষ্য হল সঠিক ও তথ্যনির্ভর স্বাস্থ্যবিধি প্রচার করা এবং মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা।