জরুরি তহবিল হলো আপনার আর্থিক নিরাপত্তার প্রথম রক্ষাকবচ। এটি হঠাৎ চাকরি হারানো, চিকিত্সা খরচ বা অন্য কোনো সংকটের সময় আপনাকে উদ্ধার করে। কিন্তু ২০২৫ সালে ভারতে ৬০% লোকের কাছে এমন কোনো তহবিল নেই, এবং যারা আছে তাদের মধ্যে অনেকেই ভুল করে এটি ব্যবহার করে বড় ক্ষতির মুখে পড়ছেন। ব্যাঙ্করেটের ২০২৫ রিপোর্ট অনুসারে, ৩৭% আমেরিকান তাদের জরুরি সঞ্চয় ব্যবহার করেছেন গত বছরে, কিন্তু ১৯% এটি অ-জরুরি খরচে খরচ করে ফেলেছেন। ভারতে স্টেবল মানির সার্ভে দেখায়, ৪৭% লোক মাসিক আয়ের ১০% এরও কম সঞ্চয় করেন জরুরির জন্য। এই নিবন্ধে আমরা এমন ভুলগুলো নিয়ে আলোচনা করব যা এড়ালে আপনার আর্থিক ভবিষ্যৎ নিরাপদ থাকবে। বিশ্বস্ত উৎস যেমন এএআরপি, ব্যাঙ্করেট এবং ডেকো ইন্ডিয়া থেকে নেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এটি লেখা হয়েছে, যাতে আপনি সহজে বুঝতে পারেন এবং প্রয়োগ করতে পারেন।
জরুরি তহবিল কী এবং কেন এটি আপনার জীবনে অপরিহার্য?
জরুরি তহবিল বলতে বোঝায় একটি আলাদা সঞ্চয়ের পুঁঠি, যা আপনার মাসিক খরচের ৩ থেকে ৬ মাসের সমান। এটি শুধু টাকা নয়, বরং আপনার মানসিক শান্তির উৎস। কল্পনা করুন, হঠাৎ গাড়ির দুর্ঘটনা হলো বা চাকরি চলে গেল – তখন এই তহবিল আপনাকে ঋণের ফাঁদ থেকে বাঁচায়।
ভারতে এর গুরুত্ব আরও বেশি, কারণ সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল। ডেকো ইন্ডিয়ার ২০২৫ সার্ভে অনুসারে, মাত্র ২৫% ভারতীয়ের কাছে জরুরি নগদ রয়েছে। এর অভাবে লক্ষ লক্ষ পরিবার ঋণ নিয়ে জীবন যাপন করছেন। বিশ্বব্যাপী, ওয়ার্ল্ড ব্যাঙ্কের গ্লোবাল ফিনডেক্স ২০২৫ রিপোর্ট বলছে, উন্নয়নশীল দেশে ৪০% প্রাপ্তবয়স্করা আর্থিক অ্যাকাউন্টে সঞ্চয় করেন, যা ২০২১-এর তুলনায় ১৬% বেড়েছে। কিন্তু এখনও অনেকেই পিছিয়ে।
এই তহবিল তৈরি না করলে কী হয়? উদাহরণস্বরূপ, ২০২৫-এ ভারতে স্বাস্থ্য খরচ ১৩% বাড়বে বলে এইচডিএফসি লাইফের রিপোর্ট। একটি হাসপাতালে ভর্তি হলে গড় খরচ ৫ লক্ষ টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে। জরুরি তহবিল ছাড়া আপনি ক্রেডিট কার্ডে নির্ভর করবেন, যার সুদের হার ৩৬% পর্যন্ত। ফলে ছোট সংকট বড় ঋণে পরিণত হয়।
কিন্তু ভুল বোঝাবুঝি থেকে অনেকে এটি এড়িয়ে যান। কেউ বলেন, “আমার আয় কম, সঞ্চয় সম্ভব নয়।” আসলে, মাসে ৫% আয়ও শুরু করলে ৬ মাসে তহবিল তৈরি হয়। পরবর্তী অংশে আমরা দেখব, কীভাবে এটি শুরু করবেন।
সাবধান! এই ৭টি ভুলে আপনার ফ্রিজ হয়ে উঠতে পারে বোমা – জানুন ফ্রিজ বিস্ফোরণ এড়ানোর উপায়
ভারত ও বিশ্বে জরুরি তহবিলের বাস্তব চিত্র: পরিসংখ্যান যা আপনাকে চমকে দেবে
ভারতে জরুরি তহবিলের অভাব একটি সংকট। স্টেবল মানির ২০২৫ সার্ভে (১,৭২০ জনের উপর) দেখায়, ৭৫% ভারতীয়ের কোনো জরুরি তহবিল নেই। এর মধ্যে ৪৭.৩৮% লোক মাসিক আয়ের ১০% এরও কম সঞ্চয় করেন। জেন জেড (২২-২৭ বছর) এর ৫৯% এবং মিলেনিয়ালদের (২৮-৪২) ৫৩% এর কাছে পর্যাপ্ত সঞ্চয় নেই।
বিশ্বব্যাপী অবস্থা ভালো নয়। ব্যাঙ্করেটের ২০২৫ রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২৪% আমেরিকানের কোনো জরুরি সঞ্চয় নেই, এবং ৩০% এর কাছে ৩ মাসেরও কম। ৩৭% লোক গত বছরে তাদের তহবিল ব্যবহার করেছেন, যার মধ্যে ২৬% ১,০০০-২,৪৯৯ ডলার তোলেন। ইনভেস্টোপিডিয়ার সার্ভে অনুসারে, ৩৩% আমেরিকান ৪০০ ডলারের জরুরি খরচ মেটাতে পারবেন না।
ভারতে এই অভাবের ফল? ইকোনমিক টাইমসের ২০২৫ সার্ভে বলছে, ৪৩% উচ্চ-আয়ের (এইচএনআই) লোকও ২০% এরও কম সঞ্চয় করেন, এবং অনেকের কাছে জরুরি তহবিল নেই। নীচের টেবিলে দেখুন স্টেবল মানির সার্ভে থেকে সঞ্চয়ের শতাংশ:
| সঞ্চয়ের শতাংশ (আয়ের) | জনসংখ্যার শতাংশ | সংখ্যা (সার্ভে থেকে) |
|---|---|---|
| ১০% এর কম | ৪৭.৩৮% | ৮১৫ |
| ১০-২০% | ১৮.২৬% | ৩১৪ |
| ২০-৩০% | ১১.৪০% | ১৯৬ |
| ৩০% এর বেশি | ২৩.২৬% | ৪০০ |
| মোট | ১০০% | ১,৭২০ |
এই ডেটা দেখে স্পষ্ট, অধিকাংশ লোক ৫০-৩০-২০ নিয়ম (২০% সঞ্চয়) মেনে চলেন না। ফলে, মহামারী বা অর্থনৈতিক মন্দার সময় তারা ঋণের দিকে ছুটেন। ভারতে ২৯% লোকের বেতন মাত্র ১৫ দিন চলে, বলছে ডেকো ইন্ডিয়া। এই পরিসংখ্যানগুলো আমাদের সতর্ক করে যে, জরুরি তহবিল শুধু ধনীদের জন্য নয় – এটি সকলের প্রয়োজন।
এখন প্রশ্ন হলো, এমন তহবিল থাকলেও ভুল ব্যবহার করলে কী লাভ? পরবর্তী অংশে আমরা এই ভুলগুলো বিস্তারিত দেখব।
জরুরি তহবিলের সাথে সাধারণ ভুল: এগুলো এড়ালে আপনার আর্থিক জীবন বদলে যাবে
জরুরি তহবিল তৈরি করা এক বিষয়, কিন্তু এটি সঠিকভাবে ব্যবহার না করলে সব বৃথা। এএআরপি এবং এসজিএল ফিনান্সিয়ালের ২০২৫ রিপোর্ট থেকে জানা যায়, অনেকে এমন ভুল করেন যা দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি করে। নীচে ৭টি প্রধান ভুলের বিস্তারিত বিশ্লেষণ দিলাম, সাথে উদাহরণ এবং এড়ানোর উপায়।
ভুল নং ১ – অপর্যাপ্ত পরিমাণ সঞ্চয় করা: ৩ মাসেরও কম রাখলে সংকট বাড়বে
অনেকে মনে করেন, ১-২ মাসের খরচের সমান তহবিল যথেষ্ট। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলেন, ন্যূনতম ৩ মাস, এবং পরিবারের জন্য ৬ মাস দরকার। ব্যাঙ্করেটের রিপোর্টে দেখা যায়, ৩০% আমেরিকানের কাছে ৩ মাসেরও কম সঞ্চয়, ফলে তারা ৪১% ক্ষেত্রে সঞ্চয় থেকে নয়, ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করেন জরুরিতে।
ভারতে এটি আরও গুরুতর। ইন্ডিয়া টুডের ২০২৫ আর্টিকেল অনুসারে, ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ৬-৯ মাস, এবং পরিবারের জন্য ৯ মাসের তহবিল রাখুন। উদাহরণ: আপনার মাসিক খরচ ২৫,০০০ টাকা হলে, কমপক্ষে ৭৫,০০০ টাকা রাখুন। অপর্যাপ্ত হলে, চাকরি হারালে EMI মিস হবে, যা ক্রেডিট স্কোর নষ্ট করে।
এড়ানোর উপায়: আপনার খরচের লিস্ট তৈরি করুন – ভাড়া, খাবার, চিকিত্সা সহ। প্রতি মাসে ১০% আয় আলাদা করুন। ডেকো ইন্ডিয়ার পরামর্শ: ২,০০০ টাকা মাসে সঞ্চয় করলে এক বছরে ২৪,০০০ টাকা জমবে। এতে আপনার তহবিল দ্রুত বাড়বে।
ভুল নং ২ – অতিরিক্ত সঞ্চয়: বেশি টাকা রেখে মহত্তর ক্ষতি
কেউ কেউ ১২ মাসেরও বেশি রাখেন, কিন্তু এতে সমস্যা। এএআরপির রিপোর্ট বলছে, অতিরিক্ত টাকা লো-ইন্টারেস্ট সেভিংসে রাখলে ইনফ্লেশনের কারণে ক্রয়ক্ষমতা কমে। ২০২৫-এ ভারতে ইনফ্লেশন ৫.২২%, তাই বেশি ক্যাশ রাখলে লস।
এসজিএল ফিনান্সিয়ালের বিশ্লেষণ: অতিরিক্ত সঞ্চয় লং-টার্ম রিটার্ন কমায়। উদাহরণ: ৫ লক্ষ টাকা সেভিংসে রাখলে বছরে মাত্র ৪% সুদ (২০,০০০ টাকা), কিন্তু ইনফ্লেশন ৫% খেয়ে নেয়। ফলে আসল মূল্য কমে।
এড়ানোর উপায়: ৩-৬ মাসের পর বাকি টাকা লিকুইড ফান্ডে বিনিয়োগ করুন, যেখানে ৭% রিটার্ন এবং তাড়াতাড়ি তোলা যায়। গ্রিপ ইনভেস্টের ২০২৫ রিপোর্ট: লিকুইড ফান্ডে বিশ্বব্যাপী ৭.০৭ ট্রিলিয়ন ডলার জমা। এতে নিরাপদ এবং লাভজনক।
ভুল নং ৩ – অ-লিকুইড অ্যাসেটে রাখা: জরুরিতে টাকা তোলা অসম্ভব
জরুরি তহবিলের মূল উদ্দেশ্য তাড়াতাড়ি অ্যাক্সেস। কিন্তু অনেকে রিয়েল এস্টেট বা কালেক্টিবলসে রাখেন, যা বিক্রি করতে মাস লাগে। এএআরপির সতর্কবাণী: এতে তহবিলের উদ্দেশ্যই নষ্ট হয়।
ভারতে এটি সাধারণ – লোকেরা গোল্ড বা প্রপার্টিতে রাখেন। কিন্তু ২০২৫-এ গাড়ির মেরামতের গড় খরচ ৮৩৮ ডলার (সেন্ট লুইস ফেড রিপোর্ট), যা তাড়াতাড়ি দরকার। দেরি হলে খরচ বাড়ে।
এড়ানোর উপায়: সেভিংস অ্যাকাউন্ট বা শর্ট-টার্ম এফডি ব্যবহার করুন। এবিপি লাইভের আর্টিকেল: স্বল্পমেয়াদি এফডি বেছে নিন, যাতে জরুরিতে পেনাল্টি ছাড়া তোলা যায়। এতে সুদও পাবেন ৬-৭%।
ভুল নং ৪ – রিটায়ারমেন্ট ফান্ডকে জরুরি তহবিল ভাবা
৪০১(কে) বা আইআরএ থেকে তোলা মানে ১০% ট্যাক্স পেনাল্টি। এএআরপির রিপোর্ট: এটি জরুরির জন্য নয়, কারণ তাড়াতাড়ি অ্যাক্সেস নেই। ভারতে পিএফ বা এপিএফ থেকে তোলা একই সমস্যা – লক-ইন পিরিয়ড এবং ট্যাক্স।
ন্যাপা-নেটের ২০২৫ স্টাডি: জরুরি সঞ্চয় ছাড়া কর্মীরা দ্বিগুণ সম্ভাবনায় রিটায়ারমেন্ট ফান্ড থেকে তোলেন। ফলে ভবিষ্যতের সঞ্চয় কমে।
এড়ানোর উপায়: আলাদা অ্যাকাউন্ট খুলুন। ওয়ান ফাইন্যান্সের পরামর্শ: সিঙ্গেলের জন্য ৬ মাস, পরিবারের জন্য ৯ মাস আলাদা রাখুন। এতে ট্যাক্স এড়ানো যায়।
ভুল নং ৫ – অ-জরুরি খরচে ব্যবহার: ছুটি বা শপিং-এ খরচ করা
তহবিলটি শুধু সত্যিকারের জরুরির জন্য। এএআরপির সতর্কতা: ছুটি বা কেনাকাটায় ব্যবহার করলে পরবর্তী সংকটে ফাঁকি পড়ে। ব্যাঙ্করেট: ১৯% লোক অ-জরুরিতে ব্যবহার করেছেন, যেমন ৯% ছুটিতে।
ভারতে এটি বেশি – লোকেরা EMI বা উৎসবে খরচ করেন। ফলে সত্যিকারের জরুরিতে ঋণ নিতে হয়।
এড়ানোর উপায়: ‘জরুরি’ এর সংজ্ঞা তৈরি করুন – চিকিত্সা, মেরামত, চাকরি হারানো। এক্সপেরিয়ানের টিপ: বাজেট অ্যাপ ব্যবহার করে ট্র্যাক করুন।
ভুল নং ৬ – ব্যবহারের পর পুনরায় না ভর্তি করা
সংকট পার হলে তহবিল ফিরিয়ে আনা ভুলে যান। এএআরপি: এটি না করলে পরবর্তী সংকটে ফাঁকি। ব্যাঙ্করেট: ৭৩% লোক ইনফ্লেশনের কারণে কম সঞ্চয় করছেন।
উদাহরণ: ৫০,০০০ টাকা তোলার পর না ভরলে, পরের বছর ইনফ্লেশন খেয়ে নেয়।
এড়ানোর উপায়: অটো-ডিবিট সেট করুন। প্রুডেনশিয়ালের পরামর্শ: বেতনের ৫% সরাসরি ডিপোজিট করুন।
SIF (Specialized Investment Fund) কী? বিনিয়োগকারীদের জন্য নতুন দিগন্ত
ভুল নং ৭ – উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগে রাখা
জরুরি তহবিল শেয়ার বা ক্রিপ্টোতে রাখা বিপজ্জনক। এক্সপেরিয়ান: এতে লস হলে জরুরিতে টাকা থাকে না। এসজিএল: খরচ অনুমান ভুল করে রাখলে সমস্যা।
ভারতে লিকুইড ফান্ড ভালো, কিন্তু স্টক নয়।
এড়ানোর উপায়: লো-রিস্ক অপশন বেছে নিন। ইনডওয়ালেটের ২০২৫ গাইড: ৩-৬-১২ মাসের নিয়ম মেনে চলুন।
সঠিক উপায়ে জরুরি তহবিল তৈরি: ধাপে ধাপে গাইড
জরুরি তহবিল তৈরি সহজ। প্রথমে খরচ ক্যালকুলেট করুন। ভ্যাঙ্গার্ডের গাইড: মাসিক খরচ x ৩-৬। ভারতে ২৫,০০০ খরচ হলে ৭৫,০০০-১.৫ লক্ষ।
দ্বিতীয়, অ্যাকাউন্ট খুলুন। সেভিংস বা লিকুইড ফান্ড। তৃতীয়, নিয়মিত জমা করুন। ১ ফাইন্যান্স: সিঙ্গেলের জন্য ৬ মাস।
চতুর্থ, রিভিউ করুন। জীবন পরিবর্তন হলে আপডেট করুন। টেক্সাস রিজিওনাল ব্যাঙ্ক: ক্রেডিট কার্ড এড়ান।
এই ধাপগুলো মেনে চললে আপনার তহবিল শক্তিশালী হবে।
বাস্তব উদাহরণ এবং কেস স্টাডি: ভুল থেকে শিক্ষা
রাহুল, একজন মুম্বাইয়ের আইটি প্রফেশনাল, তার ২ লক্ষের তহবিল শর্ট-টার্ম এফডিতে রেখেছিলেন। কিন্তু লক-ইনের কারণে চাকরি হারানোর পর তোলতে পারেননি, ফলে ঋণ নিতে হয়। এএআরপির মতো, এটি ভুল ৩।
আরেক কেস: সোনিয়া, ফ্রিল্যান্সার, তার তহবিল ছুটিতে খরচ করেন। পরে মেডিকেল খরচে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার, সুদে ৫০,০০০ অতিরিক্ত দেন। ব্যাঙ্করেটের ১৯% এর মতো।
এই কেস থেকে শিক্ষা: সঠিক পরিকল্পনা দরকার। ইনভেস্টোপিডিয়ার গাইড: বাজেট ওভারহল করুন সংকটে।
মাসের শেষে আর খালি থাকবেন না পকেট! এই ৭টি ট্রিক আপনার ওয়ালেট ভরে দেবে!
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ: ২০২৬-এর জন্য প্রস্তুতি
ফিনান্সিয়াল অ্যানালিস্টরা বলছেন, ২০২৬-এ ইনফ্লেশন এবং চাকরির অনিশ্চয়তা বাড়বে। ডেকো: যুবকদের ৩-৬ মাস রাখুন। প্রুডেনশিয়াল: নন-ডিসক্রিশনারি খরচের উপর ফোকাস।
টি. রোয় প্রাইস: ৩৩% লোক রিটায়ারমেন্টে কম সঞ্চয় করছেন জরুরির কারণে। পরামর্শ: অটোমেট করুন।
এই পরামর্শ মেনে চললে আপনি নিরাপদ।
আজ থেকেই শুরু করুন, আগামীকালের জন্য প্রস্তুত হোন
জরুরি তহবিল শুধু টাকার পুঁঠি নয়, এটি আপনার স্বাধীনতার চাবিকাঠি। ২০২৫-এর পরিসংখ্যান দেখিয়েছে, যারা এটি সঠিকভাবে পরিচালনা করেন, তারা সংকটে শক্তিশালী দাঁড়ান। ভুল এড়িয়ে, সঠিক পরিকল্পনা করে আপনি আর্থিক স্থিতিশীলতা অর্জন করতে পারেন। এখনই আপনার খরচের লিস্ট তৈরি করুন, একটি আলাদা অ্যাকাউন্ট খুলুন এবং নিয়মিত জমা শুরু করুন। মনে রাখবেন, ছোট শুরু বড় সুরক্ষা দেয়। আজকের এই পদক্ষেপ আপনার ভবিষ্যতকে উজ্জ্বল করবে – সংকট এলে আপনি প্রস্তুত থাকবেন, এবং জয়ী হবেন। বিশ্বস্ত উৎসগুলো পড়ে নিজে যাচাই করুন, এবং আর্থিক যাত্রায় সফল হোন।











