মদ্যপানের পর ব্যায়াম: ডিটক্সের সহজ উপায় নাকি মারাত্মক ঝুঁকি? বিশেষজ্ঞের চোখে দেখুন সত্যিটা

অনেকের মধ্যেই একটি প্রচলিত ধারণা রয়েছে যে, মদ্যপানের পর প্রচুর ঘাম ঝরিয়ে ব্যায়াম করলে শরীর থেকে অ্যালকোহলের বিষাক্ত প্রভাব বা টক্সিন বেরিয়ে যায় এবং শরীর দ্রুত ডিটক্স হয়। কিন্তু এই…

Debolina Roy

 

অনেকের মধ্যেই একটি প্রচলিত ধারণা রয়েছে যে, মদ্যপানের পর প্রচুর ঘাম ঝরিয়ে ব্যায়াম করলে শরীর থেকে অ্যালকোহলের বিষাক্ত প্রভাব বা টক্সিন বেরিয়ে যায় এবং শরীর দ্রুত ডিটক্স হয়। কিন্তু এই ধারণাটি কি আদৌ বিজ্ঞানসম্মত? বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা এই বিষয়ে কী বলছেন? সত্যিটা হলো, মদ্যপানের পর ব্যায়াম করা কেবল অকার্যকরই নয়, বরং এটি আপনার স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এই প্রবন্ধে আমরা বিশেষজ্ঞের মতামত, বৈজ্ঞানিক তথ্য এবং নির্ভরযোগ্য সূত্রের সাহায্যে বিশদভাবে আলোচনা করব কেন মদ্যপানের পর ব্যায়াম করা উচিত নয় এবং শরীর থেকে অ্যালকোহল দূর করার সঠিক উপায় কী।

মদ্যপানের পর ব্যায়াম: একটি বিপজ্জনক ভ্রান্ত ধারণা

মদ্যপানের পর শরীরচর্চা করে ঘামের মাধ্যমে অ্যালকোহল বের করে দেওয়ার ধারণাটি একটি বহুল প্রচলিত মিথ। আমাদের শরীর যেভাবে অ্যালকোহল প্রক্রিয়াকরণ করে, তার সাথে এই ধারণার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এর মতে, অ্যালকোহল একটি বিষাক্ত পদার্থ যা শরীরের প্রায় প্রতিটি অঙ্গের ক্ষতি করতে পারে। যখন কেউ মদ্যপান করে, তখন সেই অ্যালকোহল শরীর থেকে বের করার মূল দায়িত্বটি পালন করে যকৃত বা লিভার, ঘাম গ্রন্থি নয়। লিভার প্রায় ৯০-৯৫% অ্যালকোহলকে রাসায়নিকভাবে ভেঙে শরীর থেকে বের করে দেয়। বাকি সামান্য অংশ (প্রায় ৫-১০%) শ্বাস-প্রশ্বাস, প্রস্রাব এবং ঘামের মাধ্যমে বেরিয়ে যায়। সুতরাং, ব্যায়াম করে যে পরিমাণ ঘাম হয়, তার মাধ্যমে শরীর থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অ্যালকোহল দূর করা একেবারেই অসম্ভব। বরং এই কাজটি করতে গিয়ে শরীর আরও অনেক বড় বিপদের সম্মুখীন হতে পারে।

শরীর কীভাবে অ্যালকোহল প্রক্রিয়াকরণ করে?

যখন আমরা মদ্যপান করি, তখন অ্যালকোহল (ইথানল) প্রথমে পাকস্থলী এবং ক্ষুদ্রান্ত্র থেকে রক্তে শোষিত হয়। এরপর রক্তের মাধ্যমে এটি সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে এবং মস্তিষ্কেও পৌঁছায়, যার ফলে আমরা অনুভব করি। এই অ্যালকোহলকে শরীর থেকে বের করে দেওয়ার জন্য লিভার প্রধান অঙ্গ হিসেবে কাজ করে।

লিভারে ‘অ্যালকোহল ডিহাইড্রোজেনেজ’ (Alcohol Dehydrogenase – ADH) এবং ‘অ্যালডিহাইড ডিহাইড্রোজেনেজ’ (Aldehyde Dehydrogenase – ALDH) নামক দুটি প্রধান এনজাইম থাকে।

  1. প্রথম ধাপ: ADH এনজাইম অ্যালকোহলকে ভেঙে ‘অ্যাসিটালডিহাইড’ (Acetaldehyde) নামক একটি বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থে পরিণত করে। এই অ্যাসিটালডিহাইড হ্যাংওভারের বেশিরভাগ উপসর্গের (যেমন – মাথাব্যথা, বমি বমি ভাব) জন্য দায়ী।
  2. দ্বিতীয় ধাপ: এরপর ALDH এনজাইম এই বিষাক্ত অ্যাসিটালডিহাইডকে ভেঙে ‘অ্যাসিটেট’ (Acetate) নামক একটি তুলনামূলক কম ক্ষতিকারক পদার্থে পরিণত করে।
  3. শেষ ধাপ: এই অ্যাসিটেট আরও ভেঙে কার্বন ডাই অক্সাইড এবং জলে পরিণত হয়, যা শরীর থেকে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় বেরিয়ে যায়।

এই পুরো প্রক্রিয়াটি সময়সাপেক্ষ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অন অ্যালকোহল অ্যাবিউজ অ্যান্ড অ্যালকোহলিজম (NIAAA) এর তথ্য অনুযায়ী, একজন সুস্থ মানুষের লিভার প্রতি ঘণ্টায় প্রায় এক স্ট্যান্ডার্ড ড্রিঙ্ক (যেমন, ১২ আউন্স বিয়ার বা ৫ আউন্স ওয়াইন) প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে। এর চেয়ে বেশি পরিমাণে বা দ্রুত মদ্যপান করলে লিভারের উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে এবং রক্তে অ্যালকোহলের মাত্রা বাড়তে থাকে। ব্যায়াম করলে এই প্রক্রিয়া দ্রুত হয় না, বরং শরীরের অন্যান্য সিস্টেমের উপর চাপ সৃষ্টি করে।

মদ্যপানের পর ব্যায়াম করার বিপজ্জনক দিকগুলো

মদ্যপানের পর শরীরচর্চা করলে একাধিক শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে, যা কখনও কখনও মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। নিচে এর প্রধান ঝুঁকিগুলো আলোচনা করা হলো:

১. মারাত্মক ডিহাইড্রেশন (Severe Dehydration)

অ্যালকোহল একটি শক্তিশালী ডাইইউরেটিক (diuretic), অর্থাৎ এটি শরীর থেকে জল বের করে দেয়। এটি কিডনিকে ভ্যাসোপ্রেসিন (vasopressin) নামক হরমোন উৎপাদনে বাধা দেয়, যা শরীরে জলের ভারসাম্য রক্ষা করে। ফলে মদ্যপানের পর ঘন ঘন প্রস্রাব হয় এবং শরীর জলশূন্য হয়ে পড়ে।

অন্যদিকে, ব্যায়াম করার সময় ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে প্রচুর পরিমাণে জল ও ইলেক্ট্রোলাইট (যেমন সোডিয়াম, পটাশিয়াম) বেরিয়ে যায়। এখন যদি মদ্যপানের কারণে সৃষ্ট ডিহাইড্রেশনের সাথে ব্যায়ামের ফলে হওয়া জলশূন্যতা যোগ হয়, তাহলে পরিস্থিতি অত্যন্ত বিপজ্জনক হতে পারে। আমেরিকান কলেজ অফ স্পোর্টস মেডিসিন (ACSM) সতর্ক করে যে, ডিহাইড্রেশনের ফলে হিটস্ট্রোক, কিডনিতে সমস্যা, পেশিতে মারাত্মক টান এবং হৃদস্পন্দন অনিয়মিত হওয়ার মতো গুরুতর সমস্যা দেখা দিতে পারে।

২. সমন্বয় ও বিচারবুদ্ধি হ্রাস (Impaired Coordination and Judgment)

অ্যালকোহল কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকে (Central Nervous System) প্রভাবিত করে। এর ফলে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা কমে যায়, যা শরীরের ভারসাম্য, অঙ্গ সঞ্চালনের সমন্বয় এবং প্রতিক্রিয়া জানানোর সময়কে (reaction time) ধীর করে দেয়। এই অবস্থায় ব্যায়াম, বিশেষ করে ভারোত্তোলন, দৌড়ানো বা সাইক্লিংয়ের মতো ব্যায়াম করলে গুরুতর আঘাত লাগার ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়। একটি ছোট ভুল, যেমন ডাম্বেল হাত থেকে পড়ে যাওয়া বা ট্রেডমিলে ভারসাম্য হারানো, মারাত্মক দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। আপনার বিচারবুদ্ধি লোপ পাওয়ার কারণে আপনি হয়তো বুঝতেই পারবেন না যে আপনার শরীর কতটা ক্লান্ত বা আপনার ব্যায়ামের ভঙ্গিটি ভুল হচ্ছে কি না।

৩. হৃদপিণ্ডের উপর অতিরিক্ত চাপ (Excessive Strain on the Heart)

মদ্যপান এবং ব্যায়াম উভয়ই হৃদস্পন্দন (heart rate) এবং রক্তচাপ (blood pressure) বাড়িয়ে দেয়। যখন এই দুটি কাজ একসাথে করা হয়, তখন হৃদপিণ্ডের উপর চাপ পড়ে। অ্যালকোহল অনেক সময় হৃদপিণ্ডের স্বাভাবিক ছন্দেও ব্যাঘাত ঘটাতে পারে, যা ‘অ্যারিথমিয়া’ (Arrhythmia) নামে পরিচিত। যাদের আগে থেকেই হৃদরোগের সমস্যা রয়েছে বা যারা এই বিষয়ে সচেতন নন, তাদের জন্য মদ্যপানের পর ব্যায়াম করা হার্ট অ্যাটাক বা কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। ব্রিটিশ হার্ট ফাউন্ডেশন পরামর্শ দেয় যে, অতিরিক্ত মদ্যপান হৃদপিণ্ডের পেশিকে দুর্বল করে দিতে পারে, যা কার্ডিওমায়োপ্যাথি নামে পরিচিত, এবং এই দুর্বল হৃদপিণ্ড নিয়ে ব্যায়াম করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

৪. শক্তির অভাব এবং পারফরম্যান্স হ্রাস (Lack of Energy and Decreased Performance)

ব্যায়াম করার জন্য শরীরে পর্যাপ্ত শক্তি প্রয়োজন, যা মূলত গ্লাইকোজেন (glycogen) থেকে আসে। গ্লাইকোজেন হলো কার্বোহাইড্রেট থেকে তৈরি হওয়া শক্তির সঞ্চিত রূপ, যা লিভার এবং পেশিতে জমা থাকে। মদ্যপান করলে লিভার অ্যালকোহলকে প্রক্রিয়াকরণ করতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে, ফলে এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য পর্যাপ্ত গ্লুকোজ তৈরি করতে পারে না। এর ফলে হাইপোগ্লাইসেমিয়া বা রক্তে শর্করার পরিমাণ কমে যেতে পারে। ফলস্বরূপ, ব্যায়াম করার সময় আপনি দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়বেন, মাথা ঘোরা অনুভব করতে পারেন এবং আপনার পারফরম্যান্স উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে।

৫. পেশী পুনরুদ্ধার এবং গঠনে বাধা (Hindrance to Muscle Repair and Growth)

ব্যায়ামের পর পেশী পুনরুদ্ধার এবং নতুন পেশী টিস্যু তৈরির জন্য প্রোটিন সিন্থেসিস (protein synthesis) প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গবেষণায় দেখা গেছে যে, অ্যালকোহল এই প্রোটিন সিন্থেসিস প্রক্রিয়াকে বাধা দেয়। একটি গবেষণা যা PLOS ONE জার্নালে প্রকাশিত হয়েছিল, তাতে দেখা যায় যে ব্যায়ামের পর অ্যালকোহল গ্রহণ করলে পেশী পুনরুদ্ধারের হার প্রায় ৩৭% পর্যন্ত কমে যেতে পারে। এছাড়া অ্যালকোহল টেস্টোস্টেরন এবং হিউম্যান গ্রোথ হরমোনের মতো অ্যানাবলিক হরমোনের উৎপাদন কমিয়ে দেয়, যা পেশী গঠনের জন্য জরুরি। ফলে মদ্যপানের পর ব্যায়াম করলে আপনার পরিশ্রম অনেকটাই বৃথা যেতে পারে।

তাহলে অ্যালকোহল থেকে ডিটক্স করার সঠিক উপায় কী?

যেহেতু ব্যায়াম করে অ্যালকোহল শরীর থেকে বের করা যায় না, তাই সঠিক এবং নিরাপদ পদ্ধতিগুলো জানা অত্যন্ত জরুরি। অ্যালকোহল ডিটক্স করার জন্য কোনো দ্রুত বা জাদুকরী উপায় নেই। এর জন্য শরীরকে তার স্বাভাবিক কাজ করতে দিতে হবে।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ

কলকাতা-ভিত্তিক জেনারেল ফিজিশিয়ান ডঃ অরিন্দম বিশ্বাসের মতে, “মদ্যপানের পর ব্যায়াম করার ধারণাটি সম্পূর্ণ অবৈজ্ঞানিক এবং বিপজ্জনক। লিভারকে তার কাজ করতে দেওয়াই একমাত্র উপায়। শরীরকে ডিটক্স করার নামে ব্যায়াম করলে ডিহাইড্রেশন, হৃদরোগের ঝুঁকি এবং গুরুতর আঘাতের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।” তিনি আরও বলেন, “যদি কেউ মদ্যপান করে থাকেন, বিশেষ করে অতিরিক্ত পরিমাণে, তাহলে তার উচিত অন্তত ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা অপেক্ষা করা এবং তারপর হালকা ব্যায়াম দিয়ে শুরু করা।”

নিচে কিছু নিরাপদ এবং কার্যকর পদ্ধতির একটি সারণী দেওয়া হলো:

সঠিক ডিটক্স পদ্ধতি (Correct Detox Methods) ব্যাখ্যা (Explanation)
সময় দেওয়া লিভারকে অ্যালকোহল প্রক্রিয়াকরণ করার জন্য পর্যাপ্ত সময় দিন। প্রতি স্ট্যান্ডার্ড ড্রিঙ্কের জন্য প্রায় এক ঘণ্টা সময় লাগে।
পর্যাপ্ত জল পান করা অ্যালকোহলের কারণে সৃষ্ট ডিহাইড্রেশন দূর করতে প্রচুর পরিমাণে জল পান করুন। ইলেক্ট্রোলাইটযুক্ত পানীয়, যেমন ডাবের জল, পান করাও উপকারী।
সম্পূর্ণ বিশ্রাম নেওয়া শরীরকে পুনরুদ্ধার করার জন্য পর্যাপ্ত ঘুম এবং বিশ্রাম অপরিহার্য। ঘুম লিভারকে তার কাজ সঠিকভাবে করতে সাহায্য করে।
পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করা একটি সুষম ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করুন। ফল, সবজি এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার শরীরকে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও মিনারেল সরবরাহ করে শক্তি ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে।
ক্যাফেইন এড়িয়ে চলা কফি বা অন্যান্য ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় সাময়িকভাবে সতেজ অনুভব করালেও এগুলিও ডাইইউরেটিক এবং ডিহাইড্রেশন বাড়াতে পারে।

পরিশেষে, এটি পরিষ্কার যে মদ্যপানের পর ব্যায়াম করে শরীর ডিটক্স করার ধারণাটি একটি মারাত্মক ভুল। এটি কেবল অকার্যকরই নয়, বরং আপনার স্বাস্থ্যের জন্য একাধিক গুরুতর ঝুঁকিও তৈরি করে। অ্যালকোহল থেকে মুক্তি পাওয়ার একমাত্র কার্যকর এবং নিরাপদ উপায় হলো শরীরকে, বিশেষ করে লিভারকে, তার স্বাভাবিক কাজ করার জন্য পর্যাপ্ত সময়, জল এবং বিশ্রাম দেওয়া। সুস্থ থাকতে হলে মদ্যপানের অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শরীরচর্চাকে একটি স্বাস্থ্যকর রুটিনের অংশ হিসেবে দেখা উচিত, কিন্তু এই দুটিকে কখনওই একসাথে মেলানো উচিত নয়। আপনার শরীরের কথা শুনুন এবং যেকোনো স্বাস্থ্য-সম্পর্কিত ভ্রান্ত ধারণা থেকে দূরে থাকুন।

About Author
Debolina Roy

দেবলীনা রায় একজন চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্য বিষয়ক লেখক, যিনি স্বাস্থ্য সচেতনতা এবং চিকিৎসা বিজ্ঞান সম্পর্কে পাঠকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য নিবেদিত। ডাক্তারি নিয়ে পড়াশোনা করা দেবলীনা তার লেখায় চিকিৎসা বিষয়ক জটিল তথ্যগুলি সহজ ভাষায় উপস্থাপন করেন, যা সাধারণ পাঠকদের জন্য সহজবোধ্য এবং উপকারী। স্বাস্থ্য, পুষ্টি, এবং রোগ প্রতিরোধের বিষয়ে তার গভীর জ্ঞান এবং প্রাঞ্জল লেখনী পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। দেবলীনা রায়ের লক্ষ্য হল সঠিক ও তথ্যনির্ভর স্বাস্থ্যবিধি প্রচার করা এবং মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা।

আরও পড়ুন