First Asian team to qualify for 2026 World Cup: Japan

২০২৬ বিশ্বকাপে প্রথম যোগ্যতা অর্জনকারী এশীয় দল: জাপানের ঐতিহাসিক সাফল্য

জাপান ফুটবল ইতিহাসে নতুন অধ্যায় রচনা করেছে। ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপের জন্য যোগ্যতা অর্জনকারী প্রথম দল হিসেবে তারা নিজেদের নাম লিখিয়েছে। বৃহস্পতিবার বাহরাইনকে ২-০ গোলে পরাজিত করে জাপান এই কৃতিত্ব অর্জন করে। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল সাইতামা স্টেডিয়ামে, যেখানে দ্বিতীয়ার্ধে দাইচি…

Updated Now: March 21, 2025 2:33 PM

জাপান ফুটবল ইতিহাসে নতুন অধ্যায় রচনা করেছে। ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপের জন্য যোগ্যতা অর্জনকারী প্রথম দল হিসেবে তারা নিজেদের নাম লিখিয়েছে। বৃহস্পতিবার বাহরাইনকে ২-০ গোলে পরাজিত করে জাপান এই কৃতিত্ব অর্জন করে। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল সাইতামা স্টেডিয়ামে, যেখানে দ্বিতীয়ার্ধে দাইচি কামাদা এবং তাকেফুসা কুবো গোল করেন। এই জয় নিশ্চিত করেছে যে জাপান এশিয়ার গ্রুপ সি-তে শীর্ষ দুই দলের মধ্যে থাকবে এবং সরাসরি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করবে।

জাপানের এই সাফল্য তাদের ফুটবল ইতিহাসে একটি ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। এটি হবে তাদের অষ্টম বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ, যা শুরু হয়েছিল ১৯৯৮ সালে। কোচ হাজিমে মোরিয়াসু এই অর্জনে দলের কঠোর পরিশ্রম এবং সমর্থকদের অবদানকে কৃতজ্ঞতার সঙ্গে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, “আমরা বিশ্বাস করেছিলাম যে ধৈর্য ধরে খেললে আমরা গোল করতে পারব। আমাদের লক্ষ্য বাকি তিনটি ম্যাচেও জয়ী হয়ে দলকে আরও শক্তিশালী করা।”

জাপানের যোগ্যতা অর্জনের পেছনে রয়েছে তাদের দারুণ পারফরম্যান্স। দ্বিতীয় রাউন্ডে তারা ছয়টি ম্যাচে ছয়টি জয় পেয়েছে এবং কোনো গোল হজম করেনি। তৃতীয় রাউন্ডেও তারা অপরাজিত রয়েছে, ছয়টি জয় এবং একটি ড্র সহ। এই ধারাবাহিকতা তাদের এশিয়ার অন্যতম শক্তিশালী দল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

এই সাফল্যের পাশাপাশি, জাপানের ফুটবল দলের কিছু খেলোয়াড় কলকাতায় খেলেছেন, যা ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের জন্য বিশেষ আকর্ষণীয়। যেমন, তাকুমি মিনামিনো, যিনি লিভারপুলের হয়ে প্রিমিয়ার লিগ জিতেছেন, এবং ব্রাইটনের কাওরু মিতোমা তাদের দক্ষতা প্রদর্শন করেছেন কলকাতায় অনুষ্ঠিত বিভিন্ন টুর্নামেন্টে।

২০২৬ সালের বিশ্বকাপে এশিয়া থেকে মোট আটটি দল অংশগ্রহণ করবে, যা নতুন সম্প্রসারিত ৪৮-দলীয় ফরম্যাটে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এছাড়াও ইন্টার-কনফেডারেশন প্লে-অফের মাধ্যমে আরও একটি দল যোগ দিতে পারবে। এই প্রসঙ্গে অন্যান্য এশিয়ান দলগুলিও যোগ্যতা অর্জনের পথে রয়েছে। যেমন, অস্ট্রেলিয়া গ্রুপ সি-তে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে এবং ইন্দোনেশিয়াকে ৫-১ গোলে পরাজিত করে শক্ত অবস্থানে রয়েছে।

জাপানের এই সাফল্য শুধু তাদের ফুটবল দক্ষতারই প্রমাণ নয়, বরং এটি এশিয়ান ফুটবলের ক্রমবর্ধমান শক্তিরও প্রতিফলন। সামুরাই ব্লু নামে পরিচিত জাপানের দলটি এখন বিশ্ব মঞ্চে আরও বড় লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যেতে প্রস্তুত।