শ্বেতী রোগ বা ভিটিলিগো একটি অটোইমিউন ত্বক রোগ যেখানে ত্বকে সাদা দাগ দেখা যায়, এবং সঠিক খাদ্যাভ্যাস এই রোগ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বিশ্বব্যাপী প্রায় ৭০ মিলিয়ন মানুষ শ্বেতী রোগে আক্রান্ত, এবং সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে যে নির্দিষ্ট কিছু খাবার এড়িয়ে চলা এই রোগের লক্ষণ কমাতে সাহায্য করতে পারে. ভারতে শ্বেতী রোগের প্রাদুর্ভাব ০.৮৯% থেকে ৮.৮% পর্যন্ত, বিশেষত গুজরাট ও রাজস্থানে এর হার সবচেয়ে বেশি.
শ্বেতী রোগ কী এবং কেন খাদ্যাভ্যাস গুরুত্বপূর্ণ
শ্বেতী রোগ একটি দীর্ঘমেয়াদী অটোইমিউন অবস্থা যেখানে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ত্বকের মেলানোসাইট কোষকে আক্রমণ করে, যার ফলে ত্বকে রঙ্গক হারিয়ে সাদা দাগ সৃষ্টি হয়।
গবেশণায় দেখা গেছে যে বিশ্বব্যাপী জনসংখ্যার প্রায় ০.৫% থেকে ২% মানুষ এই রোগে আক্রান্ত. ২০২৪ সালের একটি সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে যে যুক্তরাজ্যে আজীবন শ্বেতী রোগের প্রকোপ ০.৯২%, অর্থাৎ প্রতি ১০৯ জনে ১ জন এই রোগে আক্রান্ত হতে পারেন.
খাদ্যাভ্যাস এই রোগ নিয়ন্ত্রণে প্রায় ৫% ভূমিকা পালন করলেও, প্রদাহ কমানো এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সঠিক পুষ্টি অপরিহার্য
. ২০২৪ সালের নভেম্বরে প্রকাশিত একটি মেটা-অ্যানালাইসিসে ৮,৫৪২ জন শ্বেতী রোগীর উপর গবেষণা করে দেখা গেছে যে নির্দিষ্ট খাবার এড়িয়ে চলা এবং কিছু পুষ্টি উপাদান গ্রহণ করা রোগের অবস্থা উন্নত করতে সাহায্য করে.
রাতে ভালো ঘুমের জন্য আপনার খাদ্য তালিকায় রাখুন এই ৭টি খাবার
যে খাবারগুলো অবশ্যই এড়িয়ে চলতে হবে
প্রক্রিয়াজাত মাংস ও লাল মাংস
প্রক্রিয়াজাত মাংস যেমন হট ডগ, সসেজ এবং ডেলি মিট শ্বেতী রোগীদের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর কারণ এগুলো শরীরে প্রদাহ বৃদ্ধি করে
. Medical News Today-এর গবেষণা অনুযায়ী, এই ধরনের খাবার শরীরে ইনফ্লেমেটরি রেসপন্স তৈরি করে যা মেলানোসাইট কোষের ক্ষতি বাড়াতে পারে. লাল মাংস এবং সামুদ্রিক খাবারে থাকা প্রাণিজ প্রোটিন ত্বকের রঙ্গক কোষের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে.
পরিশোধিত শস্য ও সাদা খাবার
সাদা রুটি, সাদা চাল, সাদা পাস্তা এবং পেস্ট্রি জাতীয় পরিশোধিত শস্য শ্বেতী রোগীদের জন্য এড়ানো উচিত
. এই খাবারগুলো রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়ায় এবং প্রদাহজনক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে. গবেষণায় দেখা গেছে যে পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট শরীরে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস বাড়ায়, যা ভিটিলিগোর একটি প্রধান কারণ.
ভাজা খাবার ও জাঙ্ক ফুড
ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, চিপস এবং অন্যান্য ভাজা খাবার শ্বেতী রোগের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর
. এই খাবারগুলোতে ট্রান্স ফ্যাট এবং অতিরিক্ত তেল থাকে যা প্রদাহ বৃদ্ধি করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে. জাঙ্ক ফুডে থাকা রাসায়নিক উপাদান শরীরের ইমিউন সিস্টেমের ক্ষতি করতে পারে.
চিনিযুক্ত পানীয় ও ডেজার্ট
সোডা, কোল্ড ড্রিংক এবং চিনিযুক্ত পানীয় শ্বেতী রোগীদের জন্য নিষিদ্ধ
. কুকিজ, ক্যান্ডি, আইসক্রিম এবং অন্যান্য মিষ্টি জাতীয় খাবার প্রদাহ বাড়ায় এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেস সৃষ্টি করে. গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে অতিরিক্ত চিনি গ্রহণ শরীরে ফ্রি র্যাডিক্যাল তৈরি করে যা মেলানোসাইট কোষের ক্ষতি করে.
অ্যালকোহল ও ধূমপান
২০২৪ সালের একটি মেটা-অ্যানালাইসিসে দেখা গেছে যে শ্বেতী রোগীদের মধ্যে অ্যালকোহল পান করার প্রবণতা নিয়ন্ত্রণ গোষ্ঠীর তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি ছিল
. গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে অ্যালকোহল ত্বকের রঙ্গক হ্রাসে ভূমিকা পালন করে এবং রোগের অবস্থা আরও খারাপ করতে পারে. একইভাবে, ধূমপান শ্বেতী রোগীদের সংখ্যা সুস্থদের তুলনায় বেশি পাওয়া গেছে.
নির্দিষ্ট ফল ও টক খাবার
যদিও ভিটামিন সি-এর মাত্রা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে, তবুও আয়ুর্বেদিক এবং ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা পদ্ধতিতে লেবু, কমলা এবং অন্যান্য টক ফল এড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়
. টক দই, টক আচার এবং অন্যান্য টক খাবারও সীমিত করা উচিত কারণ এগুলো কিছু ক্ষেত্রে ত্বকের বিবর্ণতা বাড়াতে পারে.
গ্লুটেনযুক্ত খাবার
গম, বার্লি এবং স্পেল্ট জাতীয় গ্লুটেনযুক্ত খাবার কিছু শ্বেতী রোগীর জন্য সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে
. Medical News Today-এর মতে, কিছু রোগীর গ্লুটেন সংবেদনশীলতা বা অসহিষ্ণুতা থাকতে পারে যা রোগের লক্ষণ বাড়াতে পারে.
বৈজ্ঞানিক গবেষণা: খাবার ও শ্বেতী রোগের সম্পর্ক
২০২৪ সালের নভেম্বরে Frontiers in Immunology জার্নালে প্রকাশিত একটি বিস্তৃত সিস্টেমেটিক রিভিউ এবং মেটা-অ্যানালাইসিস ৮,৫৪২ জন শ্বেতী রোগীর ডেটা বিশ্লেষণ করেছে
. এই গবেষণায় ১৯৮০ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ৭৩টি গবেষণা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং জীবনযাপন ও খাদ্যাভ্যাসের সাথে শ্বেতী রোগের সম্পর্ক নিরূপণ করা হয়েছে.
গবেষণায় দেখা গেছে যে উচ্চ চর্বিযুক্ত খাবার ভিটিলিগোর ঝুঁকি বাড়ায়।
স্যাচুরেটেড ফ্যাট সমৃদ্ধ খাবার অটোইমিউন রোগে ম্যাক্রোফেজ ফ্যাগোসাইটোসিস এবং ন্যাচারাল কিলার সেল কার্যকলাপের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে. উপরন্তু, উচ্চ চর্বিযুক্ত খাবার বিভিন্ন রোগের বিকাশে অবদান রাখতে পারে এবং প্রাণীদের আয়ুষ্কালের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে
পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি
মেটা-অ্যানালাইসিসে প্রমাণিত হয়েছে যে শ্বেতী রোগীদের মধ্যে নির্দিষ্ট পুষ্টি উপাদানের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কম
| পুষ্টি উপাদান | শ্বেতী রোগীদের অবস্থা | পরিসংখ্যান |
|---|---|---|
| ভিটামিন ই | উল্লেখযোগ্যভাবে কম | MD: -1.408 (p <0.05) |
| ভিটামিন বি১২ | উল্লেখযোগ্যভাবে কম | MD: -0.951 (p <0.05) |
| জিংক | উল্লেখযোগ্যভাবে কম | MD: -0.642 (p <0.001) |
| কপার | উল্লেখযোগ্যভাবে কম | MD: -0.719 (p <0.005) |
| আয়রন | উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি | MD: 1.181 (p <0.005) |
খাদ্য নিষেধাজ্ঞার বৈজ্ঞানিক কারণ
প্রদাহ এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেস
শ্বেতী রোগের প্রধান কারণগুলির মধ্যে একটি হল অক্সিডেটিভ স্ট্রেস, যা ফ্রি র্যাডিক্যাল তৈরি করে এবং মেলানোসাইট কোষের ক্ষতি করে।
প্রক্রিয়াজাত খাবার, পরিশোধিত শস্য এবং ভাজা খাবার শরীরে প্রদাহ বাড়ায় এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেস সৃষ্টি করে. এই প্রক্রিয়া ত্বকের রঙ্গক কোষের ক্ষতি ত্বরান্বিত করে এবং সাদা দাগের বিস্তার বাড়ায়.
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ভারসাম্য
শ্বেতী রোগ একটি অটোইমিউন অবস্থা যেখানে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নিজের কোষকে আক্রমণ করে।
নির্দিষ্ট খাবার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে এবং অটোইমিউন প্রতিক্রিয়া বাড়াতে পারে. প্রদাহজনক খাবার এড়িয়ে চললে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সুস্থ থাকে এবং রোগের অগ্রগতি কমানো যায়.
টাইরোসিনেজ এনজাইমের প্রভাব
টাইরোসিনেজ একটি গুরুত্বপূর্ণ এনজাইম যা মেলানিন উৎপাদনে ভূমিকা পালন করে।
কিছু খাবার, বিশেষত উচ্চ ভিটামিন সি যুক্ত টক ফল, টাইরোসিনেজ এনজাইমের কার্যকলাপ কমাতে পারে, যার ফলে মেলানিন উৎপাদন হ্রাস পায়. এই কারণেই ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা পদ্ধতিতে টক খাবার এড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়.
যে খাবারগুলো খাওয়া উচিত
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার
পালং শাক, কেল, ব্রোকলি এবং অন্যান্য সবুজ শাকসবজি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ যা অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে
. স্ট্রবেরি, রাস্পবেরি এবং ব্ল্যাকবেরি জাতীয় বেরি ফল ভিটামিন সি এবং ই-এর চমৎকার উৎস.
ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড
আখরোট, চিয়া সিড, ফ্ল্যাক্সসিড এবং সামুদ্রিক মাছ যেমন স্যামন, ম্যাকেরেল এবং সার্ডিন ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ যা প্রদাহ কমায়
. সামুদ্রিক শৈবাল যেমন নরি এবং ওয়াকামেও ভালো উৎস.
তামা ও জিংক সমৃদ্ধ খাবার
কালো ছোলা, খেজুর, ডুমুর, গাজর এবং বিটরুট মেলানিন উৎপাদনে সাহায্য করে এবং ত্বকের রঙ্গক কোষের জন্য উপকারী
. এই খাবারগুলোতে তামা এবং জিংক থাকে যা টাইরোসিনেজ এনজাইমের কো-ফ্যাক্টর হিসাবে কাজ করে.
খাদ্য পরিকল্পনা ও জীবনযাত্রার পরামর্শ
দৈনিক খাদ্য তালিকা
শ্বেতী রোগীদের জন্য একটি সুষম খাদ্য পরিকল্পনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রতিদিনের খাবারে বিভিন্ন রঙের ফল ও সবজি, সম্পূর্ণ শস্য, বাদাম, বীজ এবং চর্বিহীন প্রোটিন অন্তর্ভুক্ত করা উচিত. খাবারের তালিকায় বৈচিত্র্য রাখা এবং বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান গ্রহণ করা নিশ্চিত করতে হবে.
সকালে খালি পেটে লিকার চা: অ্যাসিডিটির ঝুঁকি কতটা? জানুন বিশেষজ্ঞের মতামত
সম্পূরক গ্রহণের নির্দেশিকা
২০২৪ সালের গবেষণা অনুযায়ী, শ্বেতী রোগীদের ভিটামিন ই, বি১২, কপার এবং জিংকের সাপ্লিমেন্ট নেওয়া উচিত যদি রক্ত পরীক্ষায় এগুলোর ঘাটতি দেখা যায়
. তবে ভিটামিন সি, ভিটামিন ডি, সেলেনিয়াম এবং ফলিক অ্যাসিড সাপ্লিমেন্ট সবার জন্য প্রয়োজনীয় নাও হতে পারে.
অন্যান্য জীবনযাত্রার পরামর্শ
ধূমপান এবং অতিরিক্ত অ্যালকোহল পান বন্ধ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এগুলো শ্বেতী রোগের ঝুঁকি বাড়ায়
. সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে ত্বক রক্ষা করা এবং স্থায়ী চুলের রং এড়ানো উচিত. পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করা এবং মানসিক চাপ কমানোও গুরুত্বপূর্ণ কারণ গবেষণায় দেখা গেছে যে শ্বেতী রোগীরা ঘুমের সমস্যায় ভোগেন.
বিশেষজ্ঞ পরামর্শ ও সতর্কতা
খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করার আগে অবশ্যই একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ বা পুষ্টিবিদের সাথে পরামর্শ করা উচিত।
প্রতিটি রোগীর অবস্থা ভিন্ন হতে পারে এবং ব্যক্তিগত চাহিদা অনুযায়ী খাদ্য পরিকল্পনা তৈরি করা প্রয়োজন. রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে পুষ্টি উপাদানের মাত্রা নিরূপণ করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সাপ্লিমেন্ট নেওয়া উচিত.
খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করলেই শ্বেতী রোগ সম্পূর্ণ নিরাময় হবে না, তবে এটি রোগের লক্ষণ কমাতে এবং অগ্রগতি ধীর করতে সাহায্য করতে পারে।
ওষুধ, লাইট থেরাপি এবং অন্যান্য চিকিৎসা পদ্ধতির সাথে সঠিক খাদ্যাভ্যাস মিলিয়ে একটি সম্পূর্ণ চিকিৎসা পরিকল্পনা তৈরি করা সবচেয়ে কার্যকর.
সচরাচর জিজ্ঞাসা
১. শ্বেতী রোগে কি দুধ খাওয়া যাবে?
দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার পরিমিত পরিমাণে খাওয়া যেতে পারে, তবে টক দই এড়ানো উচিত। একইসাথে দুধ ও টক খাবার বা মাছ খাওয়া এড়িয়ে চলা ভালো.
২. কি খেলে শ্বেতী রোগ ভালো হবে?
সবুজ শাকসবজি, বাদাম, বীজ, সম্পূর্ণ শস্য এবং তামা ও জিংক সমৃদ্ধ খাবার নিয়মিত খেলে রোগের অবস্থা উন্নত হতে পারে.
৩. শ্বেতী রোগে কি সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব?
বর্তমানে শ্বেতী রোগের কোনো সম্পূর্ণ নিরাময় নেই, তবে চিকিৎসা এবং সঠিক জীবনযাপনের মাধ্যমে রোগের অগ্রগতি নিয়ন্ত্রণ করা এবং রঙ্গক ফিরিয়ে আনা সম্ভব.
শ্বেতী রোগ ব্যবস্থাপনায় সঠিক খাদ্যাভ্যাস একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যদিও এটি রোগ নিরাময়ের একমাত্র উপায় নয়।
প্রক্রিয়াজাত মাংস, পরিশোধিত শস্য, ভাজা খাবার, চিনিযুক্ত পানীয়, অ্যালকোহল এবং উচ্চ চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলা এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করা রোগের লক্ষণ কমাতে সাহায্য করতে পারে. বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং ৮,৫৪২ জন রোগীর উপর পরিচালিত মেটা-অ্যানালাইসিস এই খাদ্য নির্দেশিকাগুলোকে সমর্থন করে.
মনে রাখবেন, প্রতিটি রোগীর অবস্থা ভিন্ন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যক্তিগত খাদ্য পরিকল্পনা তৈরি করা সবচেয়ে ভালো। সঠিক খাদ্যাভ্যাস, চিকিৎসা এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন মিলিয়ে শ্বেতী রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।











