Free HPV Vaccine in India

কোথায়- কবে থেকে পাওয়া যাবে HPV ফ্রি ভ্যাকসিন? রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি

নারী স্বাস্থ্যের সুরক্ষায় এবং জরায়ু মুখ ক্যান্সার (Cervical Cancer) প্রতিরোধে ভারত সরকার সম্প্রতি এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বিগত কয়েক দশক ধরে এই ক্যান্সার ভারতের নারীদের জন্য এক নীরব ঘাতক হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই মারাত্মক রোগ থেকে দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বাঁচাতে…

avatar
Written By : Debolina Roy
Updated Now: March 9, 2026 4:18 PM
বিজ্ঞাপন

নারী স্বাস্থ্যের সুরক্ষায় এবং জরায়ু মুখ ক্যান্সার (Cervical Cancer) প্রতিরোধে ভারত সরকার সম্প্রতি এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বিগত কয়েক দশক ধরে এই ক্যান্সার ভারতের নারীদের জন্য এক নীরব ঘাতক হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই মারাত্মক রোগ থেকে দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বাঁচাতে সরকার দেশজুড়ে ‘HPV ফ্রি ভ্যাকসিন’ দেওয়ার এক বিশাল কর্মসূচি শুরু করেছে । ২০২৬ সালের এই নতুন উদ্যোগে দেশের লাখ লাখ কিশোরীকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এই টিকা দেওয়া হবে । এর আগে শুধুমাত্র বেসরকারি হাসপাতাল বা ক্লিনিকে এই টিকা পাওয়া যেত, যার দাম সাধারণ মানুষের ধরাছোঁয়ার একেবারেই বাইরে ছিল। কিন্তু এখন সরকারি উদ্যোগে এই বহুমূল্য টিকা সবার নাগালে চলে এসেছে। আজকের এই আর্টিকেলে আমরা বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব ঠিক কবে, কোথায় এবং কীভাবে আপনি খুব সহজেই এই টিকার জন্য আবেদন করতে পারবেন।

ভারতে কবে থেকে পাওয়া যাবে HPV ফ্রি ভ্যাকসিন?

ভারত সরকার ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের শেষভাগ থেকে দেশজুড়ে এই টিকাকরণ কর্মসূচিটি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করেছে । প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাত ধরে রাজস্থানের আজমের থেকে এই মহতী প্রকল্পের দেশব্যাপী সূচনা করা হয়, এবং একই সাথে অন্ধ্রপ্রদেশ সহ অন্যান্য রাজ্যেও এর কাজ শুরু হয়েছে । প্রথম পর্যায়ে দেশের প্রতিটি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ধাপে ধাপে এই টিকা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। সরকারের মূল লক্ষ্য হলো প্রতি বছর প্রায় ১.১৫ কোটি কিশোরীকে এই টিকার আওতায় আনা । এটি কোনো এককালীন ক্যাম্প নয়, বরং এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া যা সারা বছর জুড়েই চলতে থাকবে। মূলত স্কুল, অঙ্গনওয়াড়ি এবং বিভিন্ন সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট সময়সূচী মেনে এই টিকাটি প্রদান করা হবে।

টিকাকরণ কর্মসূচির প্রথম ধাপ

প্রথম ধাপে এই টিকাকরণ কর্মসূচি মূলত পঞ্চম থেকে নবম শ্রেণীর ছাত্রীদের উপর ফোকাস করছে । স্কুলগুলোতে বিশেষ ক্যাম্প তৈরি করে এই টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। যারা নিয়মিত স্কুলে যায় না বা মাঝপথে পড়াশোনা ছেড়ে দিয়েছে, তাদের জন্য আশা (ASHA) কর্মী এবং অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তালিকা তৈরি করা হচ্ছে ।​

স্কুল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে টিকাকরণের সময়সূচী

স্কুলের ক্যাম্পগুলোর পাশাপাশি সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রেও সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিনে এই টিকা দেওয়ার সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সরকারের নির্দেশিকা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম কোয়ার্টার থেকেই এই কাজ পুরোদমে শুরু হয়ে গেছে এবং আগামী দিনে এটিকে রুটিন টিকাকরণের অংশ করা হবে ।​

টিকাকরণের পর্যায়সময়কালটার্গেট গ্রুপস্থান
প্রথম ধাপফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে শুরুপঞ্চম থেকে নবম শ্রেণীর ছাত্রীসরকারি ও সরকার পোষিত স্কুল
দ্বিতীয় ধাপমধ্য-২০২৬ থেকেস্কুলছুট কিশোরী (৯-১৪ বছর)অঙ্গনওয়াড়ি ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র
রুটিন টিকাকরণআগামী বছরগুলো থেকেসমস্ত ৯ বছর বয়সী মেয়েআয়ুষ্মান আরোগ্য মন্দির

কোথায় কোথায় দেওয়া হচ্ছে এই HPV ফ্রি ভ্যাকসিন?

এই বহুমূল্য টিকাটি দেশের প্রতিটি সাধারণ মানুষের কাছে সহজে পৌঁছে দেওয়ার জন্য সরকার বিশেষ কিছু স্থান নির্ধারণ করে দিয়েছে। শুধুমাত্র সরকারি পরিকাঠামো এবং স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মাধ্যমেই এই HPV ফ্রি ভ্যাকসিন প্রদান করা হচ্ছে । আপনি যদি ভাবেন যে কোনো বেসরকারি হাসপাতাল বা নার্সিংহোমে গিয়ে বিনামূল্যে এই টিকা পাবেন, তবে তা কিন্তু সম্ভব নয়। সরকার নিশ্চিত করতে চায় যে, প্রান্তিক গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষ থেকে শুরু করে শহরের বাসিন্দা—সবাই যেন সমানভাবে বিনামূল্যে এই সুবিধা পায়। প্রতিটি টিকাকরণ কেন্দ্রে আগে থেকেই প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত অভিজ্ঞ চিকিৎসক ও নার্সদের রাখা হয়েছে, যাতে টিকার পর কোনো শারীরিক অসুবিধা দেখা দিলে দ্রুততার সাথে ব্যবস্থা নেওয়া যায় ।​

সরকারি হাসপাতাল ও আয়ুষ্মান আরোগ্য মন্দির

এই টিকাটি মূলত আপনার বাড়ির কাছের প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা আয়ুষ্মান আরোগ্য মন্দির (Ayushman Arogya Mandirs), কমিউনিটি হেলথ সেন্টার, এবং মহকুমা ও জেলা হাসপাতালগুলোতে দেওয়া হচ্ছে । এছাড়া সরকারি মেডিকেল কলেজগুলোতেও প্রতিদিন এই ভ্যাকসিনের বিশেষ ক্যাম্প চলছে।​

স্কুল ও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের ভূমিকা

গ্রাম ও মফস্বল এলাকায় স্কুলগুলোকে মূল টিকাকরণ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে, কারণ সেখানে একসঙ্গে অনেক কিশোরীকে পাওয়া যায়। অন্যদিকে, যে সব কিশোরীরা কোনো কারণে স্কুলের বাইরে রয়েছে, তাদের চিহ্নিত করে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের মাধ্যমে সুরক্ষিত পরিবেশে এই টিকা দেওয়া হচ্ছে ।​

স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ধরনউপলব্ধতাকাদের জন্য প্রযোজ্যমেডিকেল সাপোর্ট
আয়ুষ্মান আরোগ্য মন্দিরসপ্তাহের নির্দিষ্ট দিনেএলাকার সকল যোগ্য কিশোরীবেসিক ফার্স্ট এইড ও নার্স
জেলা ও মহকুমা হাসপাতালপ্রতিদিন (রবিবার বাদে)শহর ও পার্শ্ববর্তী এলাকার কিশোরী২৪ ঘণ্টা চিকিৎসক ও ইমার্জেন্সি
স্কুল ক্যাম্পনির্দিষ্ট ক্যাম্পের দিনেশুধুমাত্র ওই স্কুলের ছাত্রীরামেডিকেল অফিসার ও টিম

কারা এই বিনামূল্যের ভ্যাকসিনের সুবিধা পাবেন?

সরকারি এই বৃহৎ টিকাকরণ কর্মসূচির একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা এবং নিয়মকানুন রয়েছে। জরায়ু মুখ ক্যান্সার বা সার্ভিক্যাল ক্যান্সারের সংক্রমণ মূলত একটি নির্দিষ্ট বয়সের পর থেকে শুরু হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই রোগ প্রতিরোধের জন্য একেবারে সঠিক বয়সে এই টিকা দেওয়াটা অত্যন্ত জরুরি। সরকার দেশ-বিদেশের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মেনে এই ভ্যাকসিনের জন্য একটি নির্দিষ্ট বয়সসীমা পরিষ্কারভাবে বেঁধে দিয়েছে। বর্তমানে শুধুমাত্র মেয়েদের জন্যই এই HPV ফ্রি ভ্যাকসিন বরাদ্দ করা হয়েছে । ভবিষ্যতে হয়তো ছেলেদের জন্যও এই কর্মসূচির পরিধি আরও বাড়তে পারে, তবে আপাতত নির্দিষ্ট একটি বয়সের কিশোরীরাই এর সম্পূর্ণ সুবিধা পাবে।​

বয়সের নির্দিষ্ট সীমা

এই কর্মসূচির আওতায় মূলত ৯ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোরীদের রাখা হয়েছে । তবে কিছু কিছু রাজ্যে বিশেষ করে ১৪ বছর বয়সী মেয়েদের উপর প্রথম পর্যায়ে বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে, যাতে তারা ১৫ বছরে পা দেওয়ার আগেই সুরক্ষিত হতে পারে । রেজিস্ট্রেশনের সময় আধার কার্ড বা জন্মতারিখ মিলিয়ে বয়স যাচাই করা একেবারে বাধ্যতামূলক ।​

কেন শুধুমাত্র কিশোরীদের দেওয়া হচ্ছে?

চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে, যৌনজীবন শুরু করার আগে এবং ভাইরাসের সংস্পর্শে আসার পূর্বেই এই টিকা নিলে তা শরীরে সবচেয়ে বেশি কার্যকরী অ্যান্টিবডি তৈরি করতে পারে। তাই চিকিৎসকরা ৯ থেকে ১৪ বছর বয়সকে এই টিকা নেওয়ার সবচেয়ে আদর্শ সময় হিসেবে বিবেচনা করেন।

যোগ্যতার মাপকাঠিবিস্তারিত বিবরণপ্রয়োজনীয় শর্ত
লিঙ্গশুধুমাত্র কিশোরী বা মেয়েদের জন্যঅন্য কারও জন্য এই মুহূর্তে ফ্রি নয়
বয়সের সীমা৯ বছর থেকে ১৪ বছর পর্যন্ত১৫ বছর পেরিয়ে গেলে এই স্কিমে অযোগ্য
শারীরিক সুস্থতাসাধারণ সুস্থ কিশোরীবড় কোনো অসুস্থতা থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ জরুরি

U-WIN পোর্টালে কিভাবে রেজিস্ট্রেশন করবেন? (Step-by-Step Guide)

কোভিড-১৯ টিকার সময় আমরা যেমন কো-উইন (Co-WIN) পোর্টাল ব্যবহার করেছিলাম, ঠিক তেমনই এই ভ্যাকসিনের পুরো প্রক্রিয়াটিকে সহজ করার জন্য সরকার ‘ইউ-উইন’ (U-WIN) পোর্টাল চালু করেছে । এই পোর্টালে বাড়িতে বসেই আগাম রেজিস্ট্রেশন করে টিকার দিনক্ষণ ও স্লট বুক করা অত্যন্ত সহজ। এর ফলে স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে অহেতুক ভিড় এড়ানো সম্ভব হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের সময় বাঁচছে। যাদের ইন্টারনেট বা স্মার্টফোনের সুবিধা নেই, তারা কোনো চিন্তা ছাড়াই নিকটবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে আশা কর্মীদের সাহায্য নিয়ে সরাসরি অনস্পট (on-spot) রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন । তবে অনলাইনে আগে থেকে রেজিস্ট্রেশন করে যাওয়াটা আপনার জন্য সবচেয়ে বেশি সুবিধাজনক হবে।​​

ইউ-উইন (U-WIN) পোর্টালে লগইন ও প্রোফাইল তৈরি

প্রথমে মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে U-WIN পোর্টালে গিয়ে নিজের বা অভিভাবকের মোবাইল নম্বর দিতে হবে। এরপর ফোনে একটি ওটিপি (OTP) আসবে। ওটিপি ভেরিফাই হওয়ার পর কিশোরীর নাম, জন্মের সাল (Year of Birth) এবং লিঙ্গ (Female) সিলেক্ট করে একটি প্রোফাইল তৈরি করতে হবে ।​

প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও ভেরিফিকেশন

রেজিস্ট্রেশন সম্পূর্ণ করার সময় একটি সচিত্র পরিচয়পত্রের বিবরণ পোর্টালে দিতে হয়। এর জন্য আপনি আধার কার্ড, জন্ম শংসাপত্র (Birth Certificate), রেশন কার্ড, অথবা স্কুলের লিভিং সার্টিফিকেটের মতো যেকোনো একটি বৈধ সরকারি প্রমাণপত্র ব্যবহার করতে পারেন ।​

রেজিস্ট্রেশনের ধাপকরণীয় কাজপ্রয়োজনীয় তথ্য/ডকুমেন্ট
প্রথম ধাপপোর্টালে মোবাইল নম্বর দিয়ে লগইন করাচালু মোবাইল নম্বর ও OTP
দ্বিতীয় ধাপসুবিধাভোগীর (Beneficiary) তথ্য পূরণনাম, জন্মের সাল, লিঙ্গ (Female)
তৃতীয় ধাপপরিচয়পত্র যাচাই বা ভেরিফিকেশনআধার কার্ড, বার্থ সার্টিফিকেট বা রেশন কার্ড
চতুর্থ ধাপস্লট বুকিং এবং কনফার্মেশনকাছের টিকাকরণ কেন্দ্র ও সুবিধাজনক তারিখ নির্বাচন

ভারতে জরায়ু মুখ ক্যান্সারের বর্তমান পরিস্থিতি

বর্তমান পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ভারতে মহিলাদের মধ্যে এটি দ্বিতীয় সর্বাধিক ঘাতক ক্যান্সার । প্রতি বছর প্রায় লাখো নারী এই রোগে আক্রান্ত হন। তবে সবচেয়ে বড় খুশির খবর হলো, এটি চিকিৎসাবিজ্ঞানের আবিষ্কৃত একমাত্র ক্যান্সার যার একটি ১০০% কার্যকর প্রতিরোধক টিকা বর্তমানে উপলব্ধ রয়েছে।​

টিকাকরণের পর কি কি সতর্কতা প্রয়োজন?

যেকোনো সাধারণ টিকার মতো এটি নেওয়ার পরও কিছু সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া যেমন সামান্য জ্বর, টিকা দেওয়ার জায়গায় ব্যথা বা একটু ক্লান্তি দেখা দিতে পারে, যা নিয়ে ভয়ের কিছু নেই। স্বাস্থ্যকেন্দ্রে টিকা দেওয়ার পর প্রতিটি কিশোরীকে অন্তত আধ ঘণ্টা চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়, যাতে কোনো বিরল শারীরিক সমস্যা হলে সাথে সাথে চিকিৎসা দেওয়া যায় ।​

ক্যান্সারের বর্তমান পরিস্থিতি প্রতিরোধের উপায়

ক্যান্সারের নামভাইরাসের নামবর্তমান পরিস্থিতিপ্রতিরোধের উপায়
জরায়ু মুখ বা সার্ভিক্যাল ক্যান্সারহিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (HPV)ভারতে মহিলাদের মধ্যে ২য় সর্বাধিক প্রচলিত৯-১৪ বছর বয়সে ২ ডোজ HPV টিকা গ্রহণ

 চূড়ান্ত মতামত

উপরে আলোচিত সমস্ত তথ্য ও পরিসংখ্যান থেকে এটা একদম স্পষ্ট যে, ভারত সরকারের এই মহতী উদ্যোগ দেশের মেয়েদের একটি সুন্দর ও সুরক্ষিত ভবিষ্যৎ গড়তে কতটা কার্যকরী। আপনার নিজের পরিবারে বা পরিচিত মহলে যদি ৯ থেকে ১৪ বছর বয়সী কোনো কিশোরী থাকে, তবে আর এক মুহূর্তও দেরি না করে আজই তাদের U-WIN পোর্টালে নাম নথিভুক্ত করুন। নিকটবর্তী যেকোনো সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে এই বিনামূল্যে দেওয়া HPV ফ্রি ভ্যাকসিন গ্রহণ করে জরায়ু মুখ ক্যান্সারের মতো এক ভয়াবহ মারণরোগ থেকে তাদের সুরক্ষিত রাখুন। মনে রাখবেন, আজকের একটু সঠিক স্বাস্থ্য সচেতনতা আগামী দিনের এক সুস্থ ও সুন্দর জীবনের মূল চাবিকাঠি।