Srijita Chattopadhay
৩ এপ্রিল ২০২৫, ৭:৫০ পূর্বাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

সিদ্ধান্তমূলক যুদ্ধে ওয়াকফ বিল লোকসভায় পাশ, রাজ্যসভায় অপেক্ষা মহারণের

বৃহস্পতিবার দীর্ঘ ১২ ঘণ্টা উত্তপ্ত বিতর্কের পর লোকসভায় বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল, ২০২৫ পাশ হয়েছে। ৮-ঘণ্টার বিতর্কের বদলে প্রায় ১২ ঘণ্টা চলা আলোচনার পর রাত ২টায় ভোটাভুটিতে ২৮৮ জন সাংসদ বিলের পক্ষে এবং ২৩২ জন বিপক্ষে ভোট দেন। এখন এই বিলটি রাজ্যসভায় পেশ করা হবে যেখানে আরও ৮ ঘণ্টার বিতর্ক নির্ধারিত হয়েছে। কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু বিলটি উত্থাপন করেন এবং এটি ‘UMEED’ (Unified Waqf Management Empowerment, Efficiency and Development) নামে পুনঃনামকরণ করা হয়েছে।

ওয়াকফ সংশোধনী বিলের মূল বিষয়বস্তু

বিলটি ১৯৯৫ সালের ওয়াকফ আইন সংশোধন করে ওয়াকফ সম্পত্তির প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনা উন্নত করার লক্ষ্য রাখে। গত বছর আগস্টে লোকসভায় পেশ করা এই বিল পরবর্তীতে বিজেপি সদস্য জগদম্বিকা পাল নেতৃত্বাধীন একটি যৌথ সংসদীয় কমিটি (JPC) দ্বারা পর্যালোচনা করা হয়।

বিলের প্রধান উদ্দেশ্য:

  • ওয়াকফ সম্পত্তির ব্যবস্থাপনা উন্নত করা
  • নিবন্ধন প্রক্রিয়া উন্নত করা
  • রেকর্ড ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি করা
  • ওয়াকফ বোর্ডে মুসলিম মহিলা ও অ-মুসলিম প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করা

মন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলেন, “এই বিলের ধর্মের সাথে কোন সম্পর্ক নেই, এটি শুধুমাত্র ওয়াকফ বোর্ডের সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করে।”তিনি আরও উল্লেখ করেন যে সরকার ওয়াকফ বোর্ডগুলিকে অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং ধর্মনিরপেক্ষ করতে চায়।

ওয়াকফ সংশোধনী বিলে প্রস্তাবিত পরিবর্তনসমূহ

নাম পরিবর্তন ও ধারা ৪০ বাতিল

বিলটি ওয়াকফ আইন, ১৯৯৫ কে ‘Unified Waqf Management, Empowerment, Efficiency, and Development Act, 1995’ হিসেবে পুনঃনামকরণ করতে চায়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনগুলির মধ্যে রয়েছে ধারা ৪০ বাতিল করা, যা ওয়াকফ বোর্ডকে যেকোনো জমিকে ওয়াকফ সম্পত্তি হিসেবে ঘোষণা করার ক্ষমতা দিয়েছিল।

আইন মন্ত্রী কিরেন রিজিজু এই ধারাকে “সবচেয়ে কঠোর” বলে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন, “ওয়াকফ আইনের সবচেয়ে কঠোর বিধান ছিল ধারা ৪০, যার অধীনে ওয়াকফ বোর্ড যেকোনো জমিকে ওয়াকফ সম্পত্তি হিসেবে ঘোষণা করতে পারত। কিন্তু আমরা সেই বিধানটি সরিয়ে ফেলেছি।”

ওয়াকফ বোর্ডের সংযোজন এবং ‘ওয়াকফ বাই ইউজার’ অপসারণ

সংশোধিত বিলে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য ওয়াকফ বোর্ডে অ-মুসলিম প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্তির বিধান রয়েছে। এছাড়াও, ওয়াকফ বোর্ডগুলিতে বিভিন্ন মুসলিম সম্প্রদায় এবং মহিলাদের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

বিলটি ‘ওয়াকফ বাই ইউজার’ বিধান বাতিল করেছে, যা দীর্ঘদিন ধর্মীয় কাজে ব্যবহারের ভিত্তিতে সম্পত্তিকে ওয়াকফ হিসেবে গণ্য করার অনুমতি দিত। তবে, বিলের প্রণয়নের আগে নিবন্ধিত সমস্ত ‘ওয়াকফ বাই ইউজার’ সম্পত্তি তাদের অবস্থান বজায় রাখবে, সরকারের সাথে বিরোধে জড়িত সম্পত্তি ছাড়া।

ওয়াকফ সম্পত্তি উৎসর্গকরণের যোগ্যতা

নতুন বিল অনুসারে, শুধুমাত্র ৫ বছর বা তার বেশি সময় ধরে ইসলাম ধর্ম পালনকারী ব্যক্তিরাই তাদের সম্পত্তি ওয়াকফে উৎসর্গ করতে পারবেন, ২০১৩-পূর্ব নিয়ম পুনঃস্থাপন করে। এছাড়াও, কোনো সম্পত্তিকে ওয়াকফ ঘোষণা করার আগে মহিলা ও শিশুদের উত্তরাধিকার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে, বিধবা, বিবাহবিচ্ছিন্ন মহিলা ও এতিমদের জন্য বিশেষ সুরক্ষা সহ।

ওয়াকফ সম্পত্তির পরিসংখ্যান

ভারতে ওয়াকফ বোর্ডগুলির অধীনে বিশাল পরিমাণ সম্পত্তি রয়েছে। সরকারি তথ্য অনুসারে:

  • ভারতে মোট ৮,৭২,৩২৪টি অস্থাবর ওয়াকফ সম্পত্তি রয়েছে
  • এই সম্পত্তিগুলি ৩৯ লক্ষ একর জমি জুড়ে বিস্তৃত
  • মূল্য হিসাবে এর পরিমাণ প্রায় ১.২ লক্ষ কোটি টাকা

সম্পত্তির ধরন অনুসারে বিভাজন:

  • কবরস্থান: ১,৫০,৫১৬ (১৭%)
  • মসজিদ: ১,১৯,২০০ (১৪%)
  • কৃষি জমি: ১,৪০,৭৮৪ (১৬%)
  • দোকান: ১,১৩,১৮৭
  • বাড়ি: ৯২,৫০৫
  • দরগাহ ও মাজার: ৩৩,৪৯২

উত্তর প্রদেশে সর্বাধিক ওয়াকফ সম্পত্তি আছে – ২,৩২,৫৪৭টি, যা জাতীয় মোট সম্পত্তির ২৭% গঠন করে।

গৃহমন্ত্রী অমিত শাহের বক্তব্য

লোকসভায় বিতর্কে অংশ নিয়ে গৃহমন্ত্রী অমিত শাহ জানান, “১৯১৩ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত, ওয়াকফ বোর্ডের মোট ১৮ লক্ষ একর জমি ছিল। ২০১৩ সাল থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে, কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকার ২০১৩ সালে ওয়াকফ আইন সংশোধন করার পর, এতে ২১ লক্ষ একর যোগ করা হয়েছে।”

শাহ আরও বলেন, “মোট ৩৯ লক্ষ একরের মধ্যে, ২১ লক্ষ একর ২০১৩ সালের পরে যোগ করা হয়েছে। এবং এখন তারা বলছে যে কোনো অপব্যবহার হয়নি।” তিনি উল্লেখ করেন যে UMEED বিল ওয়াকফ সম্পত্তির স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করবে।

বিলে অন্যান্য প্রস্তাবিত পরিবর্তন

ট্রাস্ট ওয়াকফ থেকে বাদ

ওয়াকফ সংশোধনী বিল ২০২৫ ট্রাস্ট এবং ওয়াকফের মধ্যে আইনি পার্থক্য প্রতিষ্ঠা করেছে, নিশ্চিত করে যে মুসলিমদের দ্বারা সৃষ্ট ট্রাস্টগুলি, বিল প্রণয়নের আগে বা পরে, ওয়াকফ নিয়ন্ত্রণের অধীনে পড়বে না যদি সেগুলি জনসাধারণের দাতব্য সংক্রান্ত অন্য বিধিবদ্ধ বিধান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

আদিবাসী জমির সুরক্ষা

বিলে আদিবাসী সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষার জন্য সংবিধানের তফসিল V এবং তফসিল VI এর অধীনে পড়া জমিতে ওয়াকফ প্রতিষ্ঠার উপর স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

ওয়াকফ ট্রাইব্যুনালের গঠন

প্রাথমিক খসড়ায় ওয়াকফ ট্রাইব্যুনালকে দুই সদস্যের করার প্রস্তাব থাকলেও, যৌথ সংসদীয় কমিটির (JPC) সুপারিশের ভিত্তিতে সংশোধিত বিলে তিন-সদস্যের গঠন বজায় রাখা হয়েছে।

ওয়াকফ সংশোধনী বিলের তাৎপর্য

ওয়াকফ সংশোধনী বিল ২০২৫ ভারতে ওয়াকফ সম্পত্তি আধুনিকীকরণ ও ব্যবস্থাপনা উন্নত করার লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রস্তাব। এর তাৎপর্য নিম্নলিখিত কারণে:

স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা: ওয়াকফ সম্পত্তির অপব্যবহার ও দুর্ব্যবস্থাপনা রোধে তদারকি এবং নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি করে।

সুবিন্যস্ত প্রশাসন: প্রক্রিয়া আপডেট করে এবং রেকর্ড-কিপিং উন্নত ও আমলাতান্ত্রিক বিলম্ব কমাতে প্রযুক্তি ব্যবহার করে।

সম্পত্তি সুরক্ষা: ওয়াকফ বোর্ডের ক্ষমতা বৃদ্ধি ও কঠোর শাস্তি প্রবর্তন করে জবরদখল ও অবৈধ হস্তান্তর রোধ করে।

অন্তর্ভুক্তি ও বৈচিত্র্য: ওয়াকফ বোর্ডে আরও বেশি মহিলা ও অ-মুসলিমদের অন্তর্ভুক্ত করে বৈচিত্র্য ও সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব বাড়ায়।

ওয়াকফ সংশোধনী বিলের সমালোচনা

ওয়াকফ সংশোধনী বিল ২০২৫ লোকসভায় উপস্থাপনের পর থেকে উল্লেখযোগ্য বিতর্ক ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকে এটিকে মুসলিম সম্প্রদায়ের ধর্মীয় বিষয়ে স্বায়ত্তশাসন ক্ষুণ্ন করার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখেন:

ধর্মীয় অধিকারে হস্তক্ষেপ: সমালোচকরা যুক্তি দেন যে বিলটি সংবিধানের ১৪, ২৫, ২৬, এবং ২৯ অনুচ্ছেদে সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকার লঙ্ঘন করে।

আল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড (AIMPLB) এর বরিষ্ঠ সদস্যরা বিলটির বিরোধিতা করেছেন, বলে যে যৌথ সংসদীয় কমিটি (JPC) তাদের উদ্বেগগুলি উপেক্ষা করেছে।

সরকারি নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি: বিলটি ওয়াকফ সম্পত্তি ও বিরোধের উপর রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষকে উল্লেখযোগ্য ক্ষমতা দিয়ে নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রীভূত করে। এই পরিবর্তনকে আমলাতান্ত্রিক অতিক্রমণ হিসেবে দেখা হয়, যা বিলম্ব ও আইনি চ্যালেঞ্জের সম্ভাবনা সৃষ্টি করে।

সম্প্রদায়ের পরামর্শের অভাব: মুসলিম স্টেকহোল্ডারদের সাথে পর্যাপ্ত পরামর্শের অভাবের জন্য বিলটি সমালোচিত হয়েছে, যা সম্প্রদায়ের মধ্যে এর বৈধতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

সংসদে বিতর্ক

লোকসভায় ১২ ঘন্টার দীর্ঘ বিতর্কে উভয় পক্ষ থেকে তীব্র মতবিরোধ দেখা গেছে। শাসক জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট (NDA) বিলের পক্ষে সমর্থন করেছে, যখন বিরোধী দল এটিকে “অসাংবিধানিক” এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য ক্ষতিকর বলে সমালোচনা করেছে।

কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়গে, এনসিপি (শরদ পাওয়ার গোষ্ঠী) নেতা সুপ্রিয়া সুলে, আপ নেতা সঞ্জয় সিং মঙ্গলবার বিল বিরোধিতার কৌশল নিয়ে আলোচনা করেছেন।

মন্ত্রী কিরেন রিজিজুর বক্তব্য অনুসারে, “পৃথিবীতে সংখ্যালঘুদের জন্য ভারতের চেয়ে নিরাপদ কোন জায়গা নেই। তারা নিরাপদ কারণ সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্পূর্ণভাবে ধর্মনিরপেক্ষ।”

বিলের ভবিষ্যৎ

বিলটি এখন রাজ্যসভায় পেশ করা হবে, যেখানে আরও ৮ ঘন্টার বিতর্ক নির্ধারিত হয়েছে। সেখানেও তীব্র বিরোধিতা এবং জোরালো আলোচনার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

ওয়াকফ সম্পর্কে জানা আবশ্যক

ওয়াকফ হল ইসলামি আইনের অধীনে ধর্মীয় বা দাতব্য উদ্দেশ্যে দান করা সম্পত্তি। ওয়াকিফ (দাতা) দ্বারা দান করার পর, সম্পত্তির মালিকানা স্থানান্তরিত হয়ে আল্লাহর কাছে যায়। সম্পত্তি থেকে প্রাপ্ত আয় সম্প্রদায়ের ব্যবহারের জন্য এবং এই ধরনের সম্পত্তি বিক্রয় নিষিদ্ধ।

ভারতে ওয়াকফের ইতিহাস ১২শ শতাব্দীর শেষে দুটি গ্রাম দান থেকে শুরু হয়েছিল। সরকারি তথ্য অনুসারে, বর্তমানে ভারতে ৩০টি ওয়াকফ বোর্ড রয়েছে।

যৌথ সংসদীয় কমিটির ভূমিকা

ওয়াকফ সংশোধনী বিল ২০২৫ মূলত ২০২৪ সালে পার্লামেন্টে পেশ করা হয়েছিল, পরবর্তীতে বিজেপি সাংসদ জগদম্বিকা পাল নেতৃত্বাধীন একটি যৌথ সংসদীয় কমিটি (JPC) দ্বারা সম্পূর্ণ পর্যালোচনা করা হয়।

মন্ত্রী কিরেন রিজিজু দাবি করেছেন যে JPC-র পরামর্শ প্রক্রিয়া ছিল ভারতের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে একটি সংসদীয় কমিটি দ্বারা পরিচালিত সবচেয়ে বড় কার্যক্রম। তিনি বলেন, JPC শারীরিক এবং অনলাইন ফরম্যাটের মাধ্যমে ৯৭.২৭ লক্ষেরও বেশি আবেদন ও স্মারকলিপি পেয়েছে এবং প্রতিবেদন চূড়ান্ত করার আগে JPC সেগুলি প্রত্যেকটি পর্যালোচনা করেছে।

তবে, বিরোধী দলের সাংসদরা কমিটিতে তাদের প্রস্তাবিত সংশোধনীগুলি প্রত্যাখ্যান করা এবং তাদের জ্ঞাত ছাড়া তাদের মতবিরোধের নোটগুলি প্রতিবেদন থেকে বাদ দেওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। কমিটি এনডিএ সাংসদদের প্রস্তাবিত ১৪টি পরিবর্তন গ্রহণ করেছে এবং বিরোধী সদস্যদের প্রস্তাবিত সকল ৪৪টি পরিবর্তন প্রত্যাখ্যান করেছে বলে জানা যায়।

উপসংহার

ওয়াকফ সংশোধনী বিল ২০২৫ (UMEED বিল) লোকসভায় পাশ হওয়ার পর এখন রাজ্যসভায় বিচারাধীন থাকবে। সরকার মনে করে এই বিল ওয়াকফ সম্পত্তির ব্যবস্থাপনা, স্বচ্ছতা এবং দক্ষতা উন্নত করবে, যখন বিরোধীরা বিশ্বাস করেন এটি মুসলিম সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অধিকারে হস্তক্ষেপ করবে।

সবচেয়ে বিতর্কিত পরিবর্তনগুলির মধ্যে রয়েছে ধারা ৪০ বাতিল, যা ওয়াকফ বোর্ডকে যেকোনো জমিকে ওয়াকফ সম্পত্তি হিসেবে ঘোষণা করার ক্ষমতা দিয়েছিল, এবং ওয়াকফ বোর্ডে অ-মুসলিম সদস্যদের অন্তর্ভুক্তি। গৃহমন্ত্রী অমিত শাহের তথ্য অনুসারে, ২০১৩ সালে আইন সংশোধনের পর ওয়াকফ বোর্ডের অধীনে জমির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে যা উদ্বেগের কারণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

আগামী দিনগুলিতে রাজ্যসভায় এই বিল নিয়ে আলোচনা দেশের রাজনৈতিক আবহাওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ক্যামেরা যুদ্ধে: Infinix Note 50x বনাম Vivo T4x – কোনটি কেনার যোগ্য?

রাশিচক্র অনুযায়ী নামের প্রথম অক্ষর: আপনার ভাগ্যের চাবিকাঠি

২০২৫ সালে বাংলাদেশে স্টারলিংক: ইন্টারনেট প্যাকেজ দাম কত হবে?

রাজনৈতিক বরফ গলানোর সূচনা? থাইল্যান্ডের বিমস্টেক সম্মেলনে পাশাপাশি বসলেন ইউনূস-মোদি

কলকাতা মেট্রোর ‘মেট্রো রাইড’ অ্যাপে যুগান্তকারী পরিবর্তন – একসাথে ৪টি টিকিট, পিন লগইন-সহ নতুন ফিচার্স

হস্ত নক্ষত্র: সৃজনশীলতা ও সেবার অনন্য জ্যোতিষীয় শক্তি

Xiaomi Redmi Note 14S: দুর্দান্ত ফিচারে সাজানো মিড-রেঞ্জ কিং!

ব দিয়ে সেরা ৫০ টি হিন্দু মেয়েদের নাম

ঘ দিয়ে সেরা ৫০ টি হিন্দু ছেলেদের নাম

ওয়াকফ বিল বিতর্ক: একটি ধারা কেন হয়ে উঠল ‘শক্তির যুদ্ধ’? বদলে যাবে ওয়াকফ সম্পত্তির ভবিষ্যত!

১০

আকাশের দরজা খুলে দেয় চিলি: বিশ্বের টেলিস্কোপের স্বর্গরাজ্য

১১

সিদ্ধান্তমূলক যুদ্ধে ওয়াকফ বিল লোকসভায় পাশ, রাজ্যসভায় অপেক্ষা মহারণের

১২

দাঁড়িয়ে জল পান: অজানা স্বাস্থ্য ঝুঁকি যা আপনার দৈনন্দিন জীবনে লুকিয়ে আছে!

১৩

চিনি ও শিশুদের চঞ্চলতা: বৈজ্ঞানিক গবেষণা জনপ্রিয় বিশ্বাসকে চ্যালেঞ্জ করছে

১৪

অশোক ষষ্ঠী ২০২৫: মা ষষ্ঠীর আশীর্বাদ পাওয়ার শুভলগ্ন জেনে নিন সম্পূর্ণ পূজাবিধি

১৫

Xiaomi 15 Ultra কেনার ৪টি কারণ ও এড়িয়ে যাওয়ার ২টি কারণ – আপনার জন্য কী সঠিক?

১৬

সাম্প্রদায়িক সৌহার্দ্যের অনন্য দৃশ্য: জয়পুরে ঈদ উদযাপনে হিন্দুদের হাতে মুসলিমদের উপর পুষ্পবৃষ্টি

১৭

Income Tax Return 2025: সঠিক নথিপত্র প্রস্তুত রেখে রিটার্ন দাখিল প্রক্রিয়া করুন সহজ

১৮

হাসি-ঠাট্টার দিন: এপ্রিল ফুল-এর রহস্যময় ইতিহাস ও বিশ্বব্যাপী উদযাপন

১৯

বিশ্বের ৭টি সবচেয়ে সুন্দর ফুল: যেখানে প্রকৃতি সৌন্দর্যের চরম রূপ ধারণ করেছে

২০
close