ভারতকে আর থামানো যাবে না! ২০২৮-এ চাঁদের মাটি আনছে চন্দ্রযান-৪, ২০৩৫-এর মধ্যে মহাকাশে তৈরি হচ্ছে ভারতের নিজস্ব ‘বাড়ি’!

ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (ISRO) তার সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেখে এক উচ্চাভিলাষী ভবিষ্যতের রূপরেখা পেশ করেছে। সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ইসরোর চেয়ারম্যান ভি. নারায়ণন (V. Narayanan) দুটি যুগান্তকারী মিশনের সময়রেখা নিশ্চিত…

Riddhi Datta

 

ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (ISRO) তার সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেখে এক উচ্চাভিলাষী ভবিষ্যতের রূপরেখা পেশ করেছে। সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ইসরোর চেয়ারম্যান ভি. নারায়ণন (V. Narayanan) দুটি যুগান্তকারী মিশনের সময়রেখা নিশ্চিত করেছেন যা বিশ্ব মহাকাশ মানচিত্রে ভারতের স্থানকে চিরতরে বদলে দেবে। এই পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে ২০২৮ সালের মধ্যে ‘চন্দ্রযান-৪’ (Chandrayaan-4) উৎক্ষেপণ, যা চাঁদের পৃষ্ঠ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পৃথিবীতে ফিরে আসবে। এর পাশাপাশি, ২০৩৫ সালের মধ্যে ‘ভারতীয় অন্তরীক্ষ স্টেশন’ (Bharatiya Antariksha Station) নামে ভারতের নিজস্ব সম্পূর্ণ কার্যকরী স্পেস স্টেশন স্থাপনের লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে। এই ঘোষণাগুলি ভারতের মহাকাশ যাত্রায় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল, যা শুধুমাত্র প্রযুক্তিগত দক্ষতাই নয়, দীর্ঘমেয়াদী মহাকাশ গবেষণায় ভারতের অঙ্গীকারকেও তুলে ধরে।

মহাকাশ গবেষণায় ভারতের নতুন ‘সুপার জাম্প’

চন্দ্রযান-৩-এর চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে ঐতিহাসিক সফল অবতরণের পর, ভারত এখন মহাকাশ গবেষণায় তার পরবর্তী বড় পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুত। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দেওয়া রূপকল্প— ২০৩৫ সালের মধ্যে ভারতীয় স্পেস স্টেশন এবং ২০৪০ সালের মধ্যে চাঁদে ভারতীয় নভোচারী পাঠানো—বাস্তবায়িত করার জন্য ইসরো কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে।

ইসরো চেয়ারম্যান ভি. নারায়ণনের সাম্প্রতিক ঘোষণা এই উচ্চাকাঙ্ক্ষাকেই প্রতিফলিত করে। দ্য হিন্দু (The Hindu)-তে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন অনুসারে, ইসরো শুধুমাত্র এই দুটি বড় মিশনের দিকেই এগোচ্ছে না, বরং আগামী তিন বছরের মধ্যে তার মহাকাশযান উৎপাদন ক্ষমতা তিনগুণ বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। এই পদক্ষেপটি ক্রমবর্ধমান মিশনের চাহিদা মেটাতে এবং ভারতের মহাকাশ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে। লাইভমিন্ট (Livemint)-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, এই পরিকল্পনার মধ্যে বেসরকারি শিল্পের অংশগ্রহণকেও বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যার অন্যতম উদাহরণ হলো সম্পূর্ণ ভারতীয় শিল্প দ্বারা নির্মিত প্রথম PSLV রকেটের উৎক্ষেপণ।

কাশ্মীরে পুলিশ স্টেশনে ভয়াবহ বিস্ফোরণ: দুর্ঘটনা নাকি গোপন ষড়যন্ত্র?

চন্দ্রযান-৪: শুধু চাঁদে যাওয়াই নয়, মাটি নিয়ে ফেরা

চন্দ্রযান-৪ ভারতের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে জটিল চন্দ্র অভিযান হতে চলেছে। এটি একটি লুনার স্যাম্পল-রিটার্ন (Lunar Sample-Return) মিশন, যার অর্থ হলো মহাকাশযানটি চাঁদে অবতরণ করবে, সেখান থেকে মাটি ও পাথরের নমুনা সংগ্রহ করবে এবং সেই নমুনা পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনবে।

কেন এই মিশন এত জটিল?

এই ধরনের একটি মিশনের জন্য অভূতপূর্ব প্রযুক্তিগত দক্ষতা প্রয়োজন, যা বর্তমানে শুধুমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া এবং চীনের মতো কয়েকটি দেশের কাছে রয়েছে। বিজনেস টুডে (Business Today)-এর মতে, এই সাফল্য ভারতকে অভিজাত ‘স্যাম্পল-রিটার্ন’ ক্লাবের চতুর্থ সদস্য করে তুলবে।

চন্দ্রযান-৪ মিশনের জটিলতাগুলিকে কয়েকটি ধাপে ভাগ করা যেতে পারে:

  1. উৎক্ষেপণ ও অবতরণ: দুটি পৃথক LVM3 রকেট ব্যবহার করে একাধিক মডিউল উৎক্ষেপণ করা হতে পারে। একটি ল্যান্ডার মডিউল চন্দ্রযান-৩-এর মতোই চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে শিব শক্তি পয়েন্টের কাছে অবতরণ করবে।

  2. নমুনা সংগ্রহ: ল্যান্ডারে থাকা একটি রোবটিক আর্ম চাঁদের পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩ কেজি রেগোলিথ (মাটি ও শিলা) সংগ্রহ করবে।

  3. চাঁদ থেকে আরোহণ (Ascent): মিশনের সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং অংশ। একটি ‘অ্যাসেন্ডার মডিউল’ (Ascender Module) সংগৃহীত নমুনা নিয়ে চাঁদের পৃষ্ঠ থেকে উৎক্ষেপণ করবে এবং চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ করবে।

  4. অরবিটাল ডকিং (Orbital Docking): চাঁদের কক্ষপথে, অ্যাসেন্ডার মডিউলটি আগে থেকে প্রদক্ষিণরত ‘ট্রান্সফার মডিউল’-এর সাথে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মিলিত হবে বা ডক করবে।8

  5. নমুনা স্থানান্তর ও প্রত্যাবর্তন: নমুনাগুলি ট্রান্সফার মডিউলে স্থানান্তরিত করা হবে, যা পরে পৃথিবীর দিকে যাত্রা শুরু করবে এবং একটি ‘রি-এন্ট্রি মডিউল’-এর মাধ্যমে সেই মূল্যবান নমুনা পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনবে।

২০২৮ সালের লক্ষ্যমাত্রা ও বাজেট

ভারত সরকার ইতিমধ্যেই চন্দ্রযান-৪ মিশনের অনুমোদন দিয়েছে। ExamGuru-এর তথ্য অনুযায়ী, এই উচ্চাভিলাষী মিশনের জন্য মোট বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে প্রায় ₹২১০৪.০৬ কোটি২০২৮ সালের মধ্যে এই মিশনটি সম্পন্ন করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।9 এই মিশনটি শুধুমাত্র বৈজ্ঞানিক গবেষণার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে না, বরং ২০৪০ সালে চাঁদে মানুষ পাঠানোর লক্ষ্যের জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগুলি (যেমন লুনার অরবিট ডকিং) পরীক্ষা ও প্রমাণ করতেও সাহায্য করবে।

‘ভারতীয় Karnataka স্টেশন’ (BAS): মহাকাশে ভারতের স্থায়ী ঠিকানা

ইসরোর ভবিষ্যতের পরিকল্পনার দ্বিতীয় প্রধান স্তম্ভ হলো ‘ভারতীয় অন্তরীক্ষ স্টেশন’ (Bharatiya Antariksha Station – BAS)। এটি হবে মহাকাশে ভারতের নিজস্ব গবেষণা কেন্দ্র, যা পৃথিবী থেকে প্রায় ৪০০-৪৫০ কিলোমিটার উচ্চতার কক্ষপথে প্রদক্ষিণ করবে।

কী এই ভারতীয় স্পেস স্টেশন?

আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশন (ISS)-এর মতো, BAS একটি মডুলার স্পেস স্টেশন হবে।11 এর অর্থ হলো এটি একবারে উৎক্ষেপণ করা হবে না, বরং একাধিক মডিউল বা অংশ পর্যায়ক্রমে উৎক্ষেপণ করে মহাকাশেই একে অপরের সাথে জোড়া লাগানো হবে।

ড্রিস্টি আইএএস (Drishti IAS)-এর তথ্য অনুসারে, এই স্টেশনে মোট পাঁচটি মডিউল থাকবে। ইসরো চেয়ারম্যান ভি. নারায়ণন নিশ্চিত করেছেন যে এই স্টেশন নির্মাণের কাজ শুরু হয়ে গেছে এবং প্রথম মডিউলটি ২০২৮ সালের মধ্যেই কক্ষপথে স্থাপন করার পরিকল্পনা রয়েছে।12 স্টেশনটি ২০৩৫ সালের মধ্যে সম্পূর্ণ কার্যকরী হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উইকিপিডিয়া (Wikipedia)-তে উপলব্ধ তথ্য অনুযায়ী, সম্পূর্ণ স্টেশনটির ওজন প্রায় ৫২ টন হবে এবং এটি একবারে ৩-৪ জন নভোচারীকে দীর্ঘ সময়ের জন্য থাকার সুবিধা প্রদান করতে পারবে।

এর গুরুত্ব কী?

ভারতীয় অন্তরীক্ষ স্টেশনের গুরুত্ব বহুমাত্রিক:

  1. কৌশলগত গুরুত্ব: বর্তমানে কার্যকরী দুটি প্রধান স্পেস স্টেশন হলো আমেরিকা-রাশিয়া চালিত ISS (যা ২০৩০ সালের পর অবসর গ্রহণ করতে পারে) এবং চীনের তিয়াংগং (Tiangong) স্পেস স্টেশন।13 BAS ভারতকে চতুর্থ দেশ হিসেবে মহাকাশে নিজস্ব স্টেশন পরিচালনার ক্ষমতা দেবে, যা ভারতের কৌশলগত স্বনির্ভরতা বাড়াবে।

  2. বৈজ্ঞানিক গবেষণা: এই স্টেশনের মূল উদ্দেশ্য হবে মাইক্রোগ্র্যাভিটি (সূক্ষ্ম-অভিকর্ষ) পরিবেশে গবেষণা পরিচালনা করা। প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (PIB) জানিয়েছে যে, ইসরো এবং জৈবপ্রযুক্তি বিভাগ (Department of Biotechnology) মহাকাশে বায়ো-টেকনোলজি, স্পেস বায়ো-ম্যানুফ্যাকচারিং এবং রিজেনারেটিভ মেডিসিন নিয়ে গবেষণার জন্য একটি যুগান্তকারী চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

  3. গগনযানের পরবর্তী পদক্ষেপ: ভারতের প্রথম মানব মহাকাশ মিশন ‘গগনযান’ (Gaganyaan) ২০২৭ সালে নভোচারীদের মহাকাশে নিয়ে যাবে। ভারতীয় অন্তরীক্ষ স্টেশন হবে সেই মিশনের যৌক্তিক পরবর্তী পদক্ষেপ। গগনযানের মাধ্যমে অর্জিত প্রযুক্তি এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নভোচারীরা এই স্পেস স্টেশনে গিয়ে দীর্ঘমেয়াদী গবেষণা চালাবেন।

এই অসাধ্য সাধনের প্রস্তুতি

চন্দ্রযান-৪ এবং ভারতীয় অন্তরীক্ষ স্টেশনের মতো দুটি বিশাল প্রকল্প একই দশকে সম্পন্ন করা একটি বিশাল চ্যালেঞ্জ। এই অসাধ্য সাধনের জন্য ইসরো একটি বহুমুখী প্রস্তুতি নিচ্ছে।

গগনযান: প্রথম ধাপ

সবকিছুর ভিত্তি হলো গগনযান মিশন। কলকাতা টিভি (Kolkata TV)-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, মানববাহী গগনযান মিশন তার ২০২৭ সালের লক্ষ্যমাত্রাতেই অটুট রয়েছে। এই মিশনের সাফল্যই ভারতীয় নভোচারীদের মহাকাশে দীর্ঘ সময় থাকার দরজা খুলে দেবে।

LUPEX: আন্তর্জাতিক সহযোগিতা

ইসরো জাপানের মহাকাশ সংস্থা JAXA-এর সাথে যৌথভাবে লুপেক্স (LUPEX – Lunar Polar Exploration Mission) মিশনে কাজ করছে। দ্য হিন্দু (The Hindu) জানিয়েছে, এই মিশনের লক্ষ্য চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে জলের বরফের সন্ধান করা, যা ভবিষ্যতে চাঁদে দীর্ঘমেয়াদী বসতি স্থাপনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Chandrayaan-5 Mission: চাঁদের বুকে নতুন ইতিহাস গড়তে প্রস্তুত ভারত!

বেসরকারি শিল্পের ক্ষমতায়ন

ইসরো এখন রকেট সায়েন্সের রুটিন কাজগুলি থেকে সরে এসে গবেষণা ও উন্নয়নে (R&D) বেশি মনোযোগ দিচ্ছে। এর জন্য বেসরকারি সংস্থাগুলিকে রকেট এবং স্যাটেলাইট তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। লাইভমিন্ট (Livemint) উল্লেখ করেছে যে, সম্পূর্ণ বেসরকারিভাবে নির্মিত প্রথম PSLV রকেটের উৎক্ষেপণ এই নতুন মডেলের সাফল্যের প্রমাণ।

অর্থনৈতিক লক্ষ্য

এই পদক্ষেপগুলি শুধুমাত্র বৈজ্ঞানিক কৌতূহল মেটানোর জন্য নয়, এর পেছনে একটি বড় অর্থনৈতিক লক্ষ্যও রয়েছে। নিউজ এরিনা ইন্ডিয়া (News Arena India)-এর মতে, বর্তমানে বিশ্বব্যাপী মহাকাশ অর্থনীতির বাজার প্রায় ৬৩০ বিলিয়ন ডলার, যা ২০৩৫ সালের মধ্যে ১.৮ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। ভারত বর্তমানে এই বাজারের মাত্র ২% ধরে রেখেছে, যা ২০৩০ সালের মধ্যে ৮% এ নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।15

উপসংহার: এক নতুন মহাকাশ যুগের সূচনা

২০২৮ সালে চন্দ্রযান-৪ এবং ২০৩৫ সালের মধ্যে ভারতীয় অন্তরীক্ষ স্টেশন—এই দুটি ঘোষণা ভারতের মহাকাশ যাত্রায় এক নতুন যুগের সূচনা করেছে।16 এটি আর একক মিশনের সাফল্য নয়, বরং মহাকাশে একটি স্থায়ী, স্বনির্ভর এবং অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক বাস্তুতন্ত্র (ecosystem) তৈরির সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা। গগনযানের নভোচারী থেকে শুরু করে চন্দ্রযান-৪-এর রোবটিক নির্ভুলতা এবং অন্তরীক্ষ স্টেশনের দীর্ঘমেয়াদী গবেষণা—প্রতিটি পদক্ষেপই ভারতকে একটি শীর্ষস্থানীয় মহাকাশ শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

মূল তথ্য একনজরে

মিশন/প্রকল্প মূল উদ্দেশ্য লক্ষ্যমাত্রা (Timeline) তাৎপর্য
চন্দ্রযান-৪ (Chandrayaan-4) চাঁদের দক্ষিণ মেরু থেকে নমুনা (মাটি/পাথর) সংগ্রহ করে পৃথিবীতে ফেরা। ২০২৮ ভারত হবে চতুর্থ দেশ (আমেরিকা, রাশিয়া, চীনের পর) যার এই সক্ষমতা রয়েছে।
ভারতীয় অন্তরীক্ষ স্টেশন (BAS) মহাকাশে ভারতের নিজস্ব মডুলার স্পেস স্টেশন স্থাপন (গবেষণার জন্য)।

প্রথম মডিউল: ২০২৮

সম্পূর্ণ কার্যকরী: ২০৩৫

মহাকাশে ভারতের স্থায়ী উপস্থিতি; মাইক্রোগ্র্যাভিটি গবেষণা; কৌশলগত স্বনির্ভরতা।
গগনযান (Gaganyaan) ভারতের প্রথম মানববাহী মহাকাশ মিশন (৩ জন নভোচারী)। ২০২৭ ভারতীয় অন্তরীক্ষ স্টেশনে নভোচারী পাঠানোর ভিত্তিপ্রস্তর।
চাঁদে মানব মিশন ভারতীয় নভোচারীকে চাঁদের পৃষ্ঠে অবতরণ করানো এবং নিরাপদে ফিরিয়ে আনা। ২০৪০ ভারতের দীর্ঘমেয়াদী মহাকাশ উচ্চাকাঙ্ক্ষার চূড়ান্ত লক্ষ্য।
About Author
Riddhi Datta

ঋদ্ধি দত্ত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়নবিদ্যায় স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি একজন উদীয়মান বিজ্ঞান লেখক ও গবেষক, যিনি জটিল বৈজ্ঞানিক ধারণাগুলিকে সাধারণ পাঠকদের জন্য সহজবোধ্য করে তোলেন। তাঁর লেখায় রসায়ন, পরিবেশ বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমসাময়িক বিষয়গুলি প্রাধান্য পায়। ঋদ্ধি নিয়মিতভাবে এই ওয়েবসাইটে বিজ্ঞান-ভিত্তিক প্রবন্ধ, গবেষণা সারসংক্ষেপ এবং বিশেষজ্ঞদের সাক্ষাৎকার প্রকাশ করেন।