Jointec Max: জয়েন্টের ব্যথা নিরাময়ে সত্যিই কি কার্যকরী? নাকি শুধুই বিজ্ঞাপন? আসল সত্য জেনে নিন!

আপনার কি সিঁড়ি বেয়ে উঠতে কষ্ট হয়? বা সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর হাঁটু বা কোমরে অসহ্য আড়ষ্টতা অনুভব করেন? যদি তাই হয়, তবে আপনি একা নন। বাংলাদেশে প্রায় ১০.৪%…

Debolina Roy

 

আপনার কি সিঁড়ি বেয়ে উঠতে কষ্ট হয়? বা সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর হাঁটু বা কোমরে অসহ্য আড়ষ্টতা অনুভব করেন? যদি তাই হয়, তবে আপনি একা নন। বাংলাদেশে প্রায় ১০.৪% মানুষ অস্টিওআর্থ্রাইটিস বা বাতজনিত ব্যথায় ভুগছেন, যার মধ্যে একটি বড় অংশই বয়স্ক। এই যন্ত্রণাদায়ক পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই বিভিন্ন ব্যথানাশক বা সাপ্লিমেন্টের ওপর ভরসা করেন। এমনই একটি বহুল আলোচিত নাম হলো Jointec Max

চিকিৎসকের পরামর্শপত্রে বা ফার্মেসির তাকে হয়তো এই ওষুধটি আপনার চোখে পড়েছে। কিন্তু এটি আসলে কী? এটি কি সাধারণ ব্যথানাশক, নাকি এর কাজ আরও গভীর? প্রস্তুতকারক বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস-এর এই ওষুধটি মূলত কার্টিলেজ বা হাড়ের সংযোগস্থলের তরুণাস্থি ক্ষয় রোধে ব্যবহৃত হয়। আজকের এই বিস্তারিত নিবন্ধে আমরা Jointec Max-এর কার্যকারিতা, উপাদান, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এবং ব্যবহারের সঠিক নিয়ম সম্পর্কে জানব। আমরা কোনো মনগড়া তথ্য নয়, বরং বিজ্ঞানসম্মত এবং রিয়েল-টাইম তথ্যের ভিত্তিতে এই ওষুধের আদ্যপান্ত বিশ্লেষণ করব।

Jointec Max কী?

Jointec Max হলো একটি কম্বিনেশন বা মিশ্র উপাদানভিত্তিক ওষুধ, যা মূলত অস্টিওআর্থ্রাইটিস বা হাড়ের ক্ষয়জনিত বাত রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণ পেইনকিলার বা ব্যথানাশক (NSAIDs) থেকে ভিন্ন। সাধারণ ব্যথানাশক যেখানে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যথা কমায় কিন্তু রোগের মূল কারণ নিরাময় করে না, সেখানে Jointec Max দীর্ঘমেয়াদীভাবে জয়েন্টের গঠন এবং কার্যকারিতা উন্নত করতে কাজ করে।

এটি বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড দ্বারা প্রস্তুতকৃত একটি পণ্য। এর প্রতিটি ট্যাবলেটে দুটি প্রধান উপাদান রয়েছে:

  1. Glucosamine Sulfate (গ্লুকোসামিন সালফেট): ৭৫০ মি.গ্রা. (750 mg)

  2. Diacerein (ডায়াসেরিন): ৫০ মি.গ্রা. (50 mg)

এই দুটি উপাদানের সমন্বয় একে “Max” বা সর্বাধিক কার্যকরী করে তোলে, যা তীব্র বাত এবং জয়েন্টের ক্ষয় রোধে বিশেষভাবে নির্দেশিত।

Jointec Max এর কাজ কী? (Mechanism of Action)

Jointec Max কীভাবে কাজ করে তা বুঝতে হলে আমাদের এর দুটি মূল উপাদানের কার্যপ্রণালী আলাদাভাবে বুঝতে হবে।

১. গ্লুকোসামিন সালফেট (Glucosamine Sulfate)-এর কাজ

গ্লুকোসামিন আমাদের শরীরের একটি প্রাকৃতিক উপাদান যা কার্টিলেজ বা তরুণাস্থি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কার্টিলেজ হলো হাড়ের সংযোগস্থলের সেই নরম টিস্যু যা কুশনের মতো কাজ করে এবং হাড়ের ঘর্ষণ প্রতিরোধ করে।

  • কার্টিলেজ পুনর্গঠন: বয়স বাড়ার সাথে সাথে শরীরের প্রাকৃতিক গ্লুকোসামিন উৎপাদন কমে যায়, ফলে কার্টিলেজ ক্ষয় হতে থাকে। Jointec Max-এর মাধ্যমে বাইরে থেকে গ্লুকোসামিন সরবরাহ করা হয়, যা প্রোটিওগ্লাইক্যান (Proteoglycans) এবং গ্লাইকোসামিনোগ্লাইক্যান (Glycosaminoglycans) তৈরি করতে সাহায্য করে। এগুলো কার্টিলেজের “বিল্ডিং ব্লক” হিসেবে কাজ করে।

  • লুব্রিকেশন বৃদ্ধি: এটি জয়েন্টের মধ্যকার সাইনোভিয়াল ফ্লুইড (Synovial Fluid) বা পিচ্ছিল তরলকে ঘন ও পিচ্ছিল রাখতে সাহায্য করে, ফলে চলাফেরা সহজ হয়।

২. ডায়াসেরিন (Diacerein)-এর কাজ

ডায়াসেরিন একটি অভিনব অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বা প্রদাহনাশক উপাদান। এটি সরাসরি ব্যথানাশক হিসেবে কাজ করে না, বরং রোগের মূলে আঘাত করে।

  • ইন্টারলিউকিন-১ (IL-1) প্রতিরোধ: অস্টিওআর্থ্রাইটিসের অন্যতম প্রধান কারণ হলো ‘ইন্টারলিউকিন-১’ নামক একটি প্রোটিন, যা কার্টিলেজ ধ্বংস করে এবং প্রদাহ সৃষ্টি করে। ডায়াসেরিন সরাসরি এই প্রোটিনটির কাজ বাধাগ্রস্ত করে। ফলে কার্টিলেজ ধ্বংসের হার কমে যায় এবং দীর্ঘমেয়াদী ব্যথা কমে।

  • প্রদাহ হ্রাস: এটি জয়েন্টের ফোলাভাব এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে, তবে স্টেরয়েড বা সাধারণ ব্যথানাশকের মতো কিডনির ক্ষতি করে না ।

Realme C75: বাজেট ফোনে প্রিমিয়াম ফিচার, কিন্তু 5G নেই

ব্যবহার ও নির্দেশনা (Indications)

চিকিৎসকরা সাধারণত নিম্নলিখিত সমস্যাগুলোতে Jointec Max সেবনের পরামর্শ দিয়ে থাকেন:

  • অস্টিওআর্থ্রাইটিস (Osteoarthritis): বিশেষ করে হাঁটু (Knee), কোমর (Hip) এবং মেরুদণ্ডের বাতের ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত কার্যকরী।

  • রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস (Rheumatoid Arthritis): যদিও এটি মূলত অস্টিওআর্থ্রাইটিসের জন্য, তবুও কিছু ক্ষেত্রে রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের সহায়ক চিকিৎসায় এটি ব্যবহৃত হতে পারে।

  • জয়েন্টের আড়ষ্টতা (Stiffness): সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর বা দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার পর জয়েন্ট শক্ত হয়ে গেলে।

  • দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা: যারা দীর্ঘদিন ধরে হাড়ের সংযোগস্থলের ব্যথায় ভুগছেন এবং সাধারণ ব্যথানাশকে কাজ হচ্ছে না ।

সেবন বিধি ও ডোজ (Dosage & Administration)

যেকোনো ওষুধ সেবনের আগে অবশ্যই একজন রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। তবে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সাধারণ সেবন বিধি নিচে দেওয়া হলো:

  • সাধারণ মাত্রা: ১টি করে ট্যাবলেট দিনে ২ বার (সকালে ও রাতে)।

  • সেবনের সময়: ওষুধটি অবশ্যই খাবার গ্রহণের সাথে বা খাবারের ঠিক পরে খেতে হবে। খালি পেটে খেলে পেটে অস্বস্তি বা ডায়রিয়া হতে পারে।

  • চিকিৎসার মেয়াদ: এটি কোনো জাদুর ওষুধ নয় যা ১-২ দিনেই ব্যথা কমিয়ে দেবে। এর পূর্ণ সুফল পেতে সাধারণত ২ থেকে ৪ সপ্তাহ সময় লাগে। চিকিৎসকরা সাধারণত ৩ থেকে ৬ মাস পর্যন্ত এটি নিয়মিত সেবনের পরামর্শ দেন।

সতর্কতা: কিডনি রোগী বা যাদের ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স (CrCl) ৩০ মি.লি./মিনিটের কম, তাদের ক্ষেত্রে ডোজ কমানোর প্রয়োজন হতে পারে (যেমন: দিনে ১টি ট্যাবলেট) ।

​পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (Side Effects)

Jointec Max সাধারণত নিরাপদ, কিন্তু কিছু রোগীর ক্ষেত্রে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে ডায়াসেরিন উপাদানটির কারণে পেটের সমস্যা বেশি হয়।

সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:

১. ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা: এটি সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। প্রায়শই চিকিৎসার প্রথম কয়েক সপ্তাহে এটি দেখা যায়।
২. প্রস্রাবের রঙ পরিবর্তন: ডায়াসেরিন সেবনের ফলে প্রস্রাবের রঙ গাঢ় হলুদ বা লালচে হতে পারে। এতে ভয়ের কিছু নেই, ওষুধ বন্ধ করলে এটি ঠিক হয়ে যায়।
৩. পেট ব্যথা ও বমি ভাব: অনেকের পেটে জ্বালাপোড়া বা অস্বস্তি হতে পারে।
৪. কোষ্ঠকাঠিন্য।

বিরল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:

  • মাথাব্যথা।

  • ত্বকে র‍্যাশ বা চুলকানি।

  • লিভার এনজাইম বৃদ্ধি (বিরল ক্ষেত্রে) ।

সতর্কতা ও প্রতিনির্দেশনা (Contraindications & Safety)

কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে Jointec Max সেবন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ বা অত্যন্ত সতর্কতার সাথে করা উচিত।

  • গর্ভকালীন ও স্তন্যদানকালীন সময়: গর্ভাবস্থায় এবং স্তন্যদানকারী মায়েদের জন্য এই ওষুধটি নিরাপদ নয়। ডায়াসেরিন মায়ের দুধের মাধ্যমে শিশুর শরীরে প্রবেশ করতে পারে।

  • বয়স্ক রোগী (৬৫+): ইউরোপীয় মেডিসিন এজেন্সি (EMA)-র তথ্য অনুযায়ী, ৬৫ বছরের বেশি বয়সী রোগীদের ক্ষেত্রে ডায়াসেরিন সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত, কারণ তাদের ডায়রিয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে ।

  • লিভার বা যকৃতের রোগ: যাদের লিভারের সমস্যা আছে, তাদের এই ওষুধ এড়িয়ে চলা উচিত।

  • শেলফিশ এলার্জি: গ্লুকোসামিন সাধারণত চিংড়ি বা কাঁকড়ার খোলস থেকে তৈরি হয়। তাই যাদের সামুদ্রিক খাবার বা Shellfish-এ এলার্জি আছে, তাদের এটি ব্যবহারে সতর্ক হতে হবে ।

অস্টিওআর্থ্রাইটিস ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট (Real-Time Data)

বাংলাদেশে বাতের ব্যথার প্রকোপ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সাম্প্রতিক গবেষণা অনুযায়ী, বাংলাদেশের গ্রামীণ ও শহুরে জনসংখ্যার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ, বিশেষ করে ৪০ ঊর্ধ্ব নারীরা অস্টিওআর্থ্রাইটিসে আক্রান্ত।

  • একটি জাতীয় জরিপে দেখা গেছে, বাংলাদেশে প্রায় ৭.৭% থেকে ১০.৪% প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ হাঁটুর অস্টিওআর্থ্রাইটিসে ভুগছেন ।

  • করোনা পরবর্তী সময়ে (২০২০-২০২১) বয়স্কদের মধ্যে জয়েন্টের ব্যথা বা বাতের প্রকোপ ৪৫.৩% থেকে বেড়ে ৫৪.৭% হয়েছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক ।

এই পরিসংখ্যানগুলো প্রমাণ করে যে, Jointec Max-এর মতো ওষুধের প্রয়োজনীয়তা এবং চাহিদা বাংলাদেশে ব্যাপক। তবে সঠিক রোগ নির্ণয় ছাড়া শুধুমাত্র ফার্মেসি থেকে কিনে ওষুধ খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

Jointec Max বনাম অন্যান্য ব্যথানাশক (Comparison)

অনেকে প্রশ্ন করেন, “আমি তো ব্যথার জন্য নাপা (Paracetamol) বা আইবুপ্রোফেন (Ibuprofen) খাই, তাহলে Jointec Max কেন খাব?”

বৈশিষ্ট্য সাধারণ পেইনকিলার (NSAIDs) Jointec Max (Glucosamine + Diacerein)
প্রধান কাজ সাময়িক ব্যথা কমানো। রোগের অগ্রগতি রোধ ও কার্টিলেজ রক্ষা।
কখন কাজ শুরু করে? ৩০-৬০ মিনিটের মধ্যে। কাজ শুরু করতে ২-৪ সপ্তাহ সময় নেয়।
দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে আলসার বা কিডনি রোগের ঝুঁকি থাকে। দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহার তুলনামূলক নিরাপদ (লিভার মনিটরিং সাপেক্ষে)।
রোগ নিরাময় রোগ নিরাময় করে না, শুধু লক্ষণ দমিয়ে রাখে। কার্টিলেজ ক্ষয় কমিয়ে রোগের গতি ধীর করে।

জীবনযাত্রার পরিবর্তন (Lifestyle Modification)

শুধুমাত্র ওষুধ খেয়ে জয়েন্টের ব্যথা সম্পূর্ণ দূর করা সম্ভব নয়। Jointec Max-এর কার্যকারিতা বাড়াতে জীবনযাত্রায় কিছু পরিবর্তন আনা জরুরি:

১. ওজন নিয়ন্ত্রণ: শরীরের অতিরিক্ত ওজন হাঁটু ও কোমরের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। ৫ কেজি ওজন কমালে হাঁটুর ওপর থেকে প্রায় ২০ কেজি সমপরিমাণ চাপ কমে যায়।
২. ব্যায়াম: হালকা ব্যায়াম যেমন—সাঁতার কাটা, সাইকেল চালানো বা সমতল জায়গায় হাঁটা জয়েন্টের নমনীয়তা বাড়ায়। তবে তীব্র বা লাফঝাঁপযুক্ত ব্যায়াম এড়িয়ে চলতে হবে।
৩. খাবার: প্রদাহবিরোধী খাবার যেমন—সামুদ্রিক মাছ (ওমেগা-৩), রসুন, আদা, হলুদ এবং প্রচুর শাকসবজি খাদ্যতালিকায় রাখুন। চিনি ও প্রক্রিয়াজাত খাবার পরিহার করুন ।

বাজার দর ও লভ্যতা (Price & Availability)

Jointec Max বাংলাদেশের প্রায় সব লাইসেন্সপ্রাপ্ত ফার্মেসিতে পাওয়া যায়।

  • প্রতি ট্যাবলেটের দাম: আনুমানিক ৳১২.০০ (১২ টাকা)।

  • এক পাতার (১০টি ট্যাবলেট) দাম: ৳১২০.০০ টাকা।

  • প্রস্তুতকারক: বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড।

(বি:দ্র: ওষুধের দাম সময়ের সাথে পরিবর্তন হতে পারে। কেনার আগে প্যাকেটের গায়ের দাম দেখে নিন) ।

​সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQs)

প্রশ্ন ১: Jointec Max কি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য নিরাপদ?
উত্তর: গ্লুকোসামিন রক্তে শর্করার মাত্রায় সামান্য প্রভাব ফেলতে পারে। ডায়াবেটিস রোগীদের এটি সেবনের সময় নিয়মিত সুগার চেক করা উচিত এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত ।

প্রশ্ন ২: কতদিন পর্যন্ত এই ওষুধ খাওয়া যাবে?
উত্তর: এটি একটি “Slow acting drug”। সাধারণত ৩ থেকে ৬ মাস পর্যন্ত এটি খাওয়া নিরাপদ। তবে টানা সেবনের ক্ষেত্রে মাঝে মাঝে লিভার ফাংশন টেস্ট (LFT) করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

প্রশ্ন ৩: গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থাকলে এটি খাওয়া যাবে?
উত্তর: ডায়াসেরিন পেটে কিছুটা অস্বস্তি সৃষ্টি করতে পারে। তাই গ্যাস্ট্রিক বা আলসারের সমস্যা থাকলে অবশ্যই ভরা পেটে এবং প্রয়োজনে গ্যাস্ট্রিকের ওষুধের সাথে এটি সেবন করতে হবে

Jointec Max অস্টিওআর্থ্রাইটিস বা জয়েন্টের ক্ষয়জনিত ব্যথায় আক্রান্ত রোগীদের জন্য একটি কার্যকরী এবং আধুনিক চিকিৎসা। এটি শুধুমাত্র ব্যথা কমায় না, বরং জয়েন্টের অভ্যন্তরীণ স্বাস্থ্য রক্ষায় কাজ করে। তবে মনে রাখবেন, এটি কোনো তাৎক্ষণিক যাদুর কাঠি নয়। ধৈর্যের সাথে নিয়মিত সেবন এবং সঠিক জীবনযাত্রার সমন্বয়েই আপনি ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

আপনার বাতের ব্যথার জন্য আজই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং জানুন Jointec Max আপনার জন্য উপযুক্ত কিনা। সুস্থ থাকুন, সচল থাকুন!

About Author
Debolina Roy

দেবলীনা রায় একজন চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্য বিষয়ক লেখক, যিনি স্বাস্থ্য সচেতনতা এবং চিকিৎসা বিজ্ঞান সম্পর্কে পাঠকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য নিবেদিত। ডাক্তারি নিয়ে পড়াশোনা করা দেবলীনা তার লেখায় চিকিৎসা বিষয়ক জটিল তথ্যগুলি সহজ ভাষায় উপস্থাপন করেন, যা সাধারণ পাঠকদের জন্য সহজবোধ্য এবং উপকারী। স্বাস্থ্য, পুষ্টি, এবং রোগ প্রতিরোধের বিষয়ে তার গভীর জ্ঞান এবং প্রাঞ্জল লেখনী পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। দেবলীনা রায়ের লক্ষ্য হল সঠিক ও তথ্যনির্ভর স্বাস্থ্যবিধি প্রচার করা এবং মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা।

আরও পড়ুন