জয়েন করুন

Madhyamik Scrutiny 2026: PPS, PPR ও RTI করার সম্পূর্ণ পদ্ধতি

Madhyamik Scrutiny 2026 Process: Result (ফলাফল) বেরোনোর পর সেই পরিচিত বুক ধড়ফড়ানি। Website (ওয়েবসাইট)-এ নিজের Roll Number (রোল নম্বর) টাইপ করার পর স্ক্রিনে ফুটে ওঠা নম্বরগুলো দেখে অনেকেরই মুখে হাসি…

avatar
Written By : Laboni Das
Updated Now: May 10, 2026 4:37 AM
বিজ্ঞাপন

Madhyamik Scrutiny 2026 Process: Result (ফলাফল) বেরোনোর পর সেই পরিচিত বুক ধড়ফড়ানি। Website (ওয়েবসাইট)-এ নিজের Roll Number (রোল নম্বর) টাইপ করার পর স্ক্রিনে ফুটে ওঠা নম্বরগুলো দেখে অনেকেরই মুখে হাসি ফোটে। কিন্তু সবার ক্ষেত্রে ছবিটা এক হয় না। ভাবুন তো, সারাবছর হাড়ভাঙা খাটুনি, পরীক্ষার হলেও প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর ঠিকঠাক লিখে আসা, অথচ Marksheet (মার্কশিট) হাতে পাওয়ার পর দেখলেন প্রাপ্ত নম্বর আপনার প্রত্যাশার ধারেকাছেও নেই! এই পরিস্থিতি একজন ছাত্র বা ছাত্রীর জন্য কতটা মানসিক চাপের, তা বলে বোঝানো কঠিন।

সত্যি বলতে, West Bengal Board of Secondary Education (পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ) বা WBBSE-এর খাতা দেখার নিয়মে কড়াকড়ি থাকলেও, পরীক্ষকদেরও তো ভুল হতে পারে। মানুষেরই তো ভুল হয়, তাই না? আর ঠিক এখানেই আপনার কাজে আসবে Board (পর্ষদ)-এর দেওয়া তিনটি ব্রহ্মাস্ত্র— Post Publication Scrutiny (পরীক্ষা পরবর্তী স্কুটিনি) বা PPS, Post Publication Review (পরীক্ষা পরবর্তী রিভিউ) বা PPR, এবং Right To Information (তথ্য জানার অধিকার) বা RTI।

আজকের এই বিস্তারিত আলোচনায় আমরা জানব, ২০২৬ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার খাতা কীভাবে Recheck (পুনর্মূল্যায়ন) করানো যায়। কখন PPS করবেন, আর কখন PPR? RTI করে নিজের খাতা নিজের চোখে কীভাবে দেখবেন? সহজ ভাবে বললে, আপনার মনের সমস্ত প্রশ্নের উত্তর আজ এখানেই পেয়ে যাবেন।

আসলে খাতা রিভিউ বা স্কুটিনি জিনিসটা কী?

সহজ কথায় বলতে গেলে, আপনি যদি মনে করেন যে কোনো বিষয়ে আপনার আরও বেশি নম্বর পাওয়া উচিত ছিল, কিন্তু আপনি কম পেয়েছেন, তাহলে পর্ষদকে সেই খাতাটি পুনরায় যাচাই করার জন্য Application (আবেদন) করার পদ্ধতিকেই Scrutiny (স্কুটিনি) বা Review (রিভিউ) বলা হয়। তবে এখানে কিন্তু একটা বড় শর্ত আছে। পর্ষদের নিয়ম অনুযায়ী, স্কুটিনি এবং রিভিউ— এই দুটি জিনিস সম্পূর্ণ আলাদা। অনেকেই এই দুটি বিষয়কে এক ভেবে ভুল করেন।

Education (শিক্ষা) সংক্রান্ত যেকোনো সিদ্ধান্তে তাড়াহুড়ো না করে, আগে এই দুটির পার্থক্য খুব ভালোভাবে বুঝে নেওয়া দরকার। তাহলে চলুন, সোজা কথায় তফাতটা বুঝে নিই।

PPS (Post Publication Scrutiny) এবং PPR (Post Publication Review) এর মধ্যে আসল তফাত

Post Publication Scrutiny (PPS):
ধরুন, আপনি অঙ্কে ৮০ পাওয়ার কথা ভেবেছিলেন, কিন্তু পেয়েছেন ৬৫। আপনি PPS বা স্কুটিনির জন্য আবেদন করলেন। এক্ষেত্রে কিন্তু পরীক্ষক আপনার খাতার প্রতিটি উত্তর নতুন করে পড়ে দেখবেন না। আসলে, এখানে মূলত দুটি জিনিস দেখা হয়— প্রথমত, খাতার ভেতরে সবকটি প্রশ্নের নম্বরের যোগফল ঠিক আছে কি না (Totaling Check)। দ্বিতীয়ত, এমন কোনো প্রশ্নের উত্তর আছে কি না, যেখানে পরীক্ষক নম্বর দিতে ভুলে গেছেন (Unassessed Answer)। যদি যোগফলে ভুল থাকে বা কোনো উত্তরে নম্বর না পড়ে থাকে, কেবল তখনই আপনার নম্বর বাড়বে।

Post Publication Review (PPR):
অন্যদিকে, Review (রিভিউ) বা PPR হলো খাতাটির প্রকৃত পুনর্মূল্যায়ন। এখানে আপনার খাতাটি সম্পূর্ণ নতুন একজন Examiner (পরীক্ষক)-এর কাছে পাঠানো হবে। তিনি আপনার লেখা প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর পুনরায় পড়ে দেখবেন এবং নিজের বিচারমতো নম্বর দেবেন। এক্ষেত্রে আগের পরীক্ষকের দেওয়া নম্বর বাতিল হয়ে নতুন পরীক্ষকের নম্বরটি গ্রাহ্য হতে পারে। তবে হ্যাঁ, রিভিউ করলে যেমন নম্বর বাড়ার সম্ভাবনা থাকে, তেমনি কিন্তু নম্বর কমারও একটা ক্ষীণ ঝুঁকি থেকে যায়।

Madhyamik 2026-এ কারা PPS এবং কারা PPR করতে পারবেন? (Eligibility)

এখন প্রশ্ন হল, যে কেউ চাইলেই কি যেকোনো বিষয়ে রিভিউ বা স্কুটিনি করতে পারবেন? এর উত্তর হলো— না। পর্ষদের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম আছে, যা প্রতিটি Student (ছাত্রছাত্রী)-কে মেনে চলতে হয়।

  • PPS (Scrutiny) এর যোগ্যতা: যে সমস্ত ছাত্রছাত্রীরা মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাস করেছেন (অর্থাৎ সমস্ত বিষয়ে ন্যূনতম পাস মার্কস তুলেছেন), তারা শুধুমাত্র PPS বা স্কুটিনির জন্য আবেদন করতে পারবেন। পাস করা ছাত্রছাত্রীরা কোনোভাবেই PPR বা রিভিউ করতে পারবেন না।
  • PPR (Review) এর যোগ্যতা: যে সমস্ত ছাত্রছাত্রীরা এক বা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য বা Fail (ফেল) করেছেন, তারা শুধুমাত্র সেই নির্দিষ্ট বিষয়গুলিতেই PPR বা রিভিউয়ের জন্য আবেদন করতে পারবেন। তারা পাস করা বিষয়গুলিতে স্কুটিনি বা রিভিউয়ের সুবিধা পাবেন না।

এই নিয়মটি অনেকের কাছেই একটু হতাশাজনক মনে হতে পারে, কারণ অনেক মেধাবী ছাত্রছাত্রী পাস করার পরেও মনে করেন তাদের খাতাটি আবার পড়লে নম্বর আরও বাড়তো। কিন্তু পর্ষদের বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, পাস করা মানেই আপনার জন্য কেবল স্কুটিনির দরজা খোলা, রিভিউয়ের নয়।

কীভাবে আবেদন করবেন? Step-by-Step Process (School vs Online)

মাধ্যমিকের খাতা স্কুটিনি বা রিভিউ করার প্রক্রিয়াটি মূলত School (বিদ্যালয়) ভিত্তিক। অর্থাৎ, উচ্চমাধ্যমিকের মতো ছাত্রছাত্রীরা সরাসরি Online Portal (অনলাইন পোর্টাল) থেকে আবেদন করতে পারেন না। পুরো প্রক্রিয়াটি Headmaster (প্রধান শিক্ষক) বা স্কুল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।

স্কুল থেকে আবেদনের পদ্ধতি:

  1. রেজাল্ট হাতে পাওয়া: Result (ফলাফল) ঘোষণার দিন বা তার পরের দিন স্কুল থেকে Marksheet (মার্কশিট) সংগ্রহ করুন।
  2. স্কুলে যোগাযোগ: রেজাল্ট দেখে অসন্তুষ্ট হলে দেরি না করে সরাসরি স্কুলে যান এবং প্রধান শিক্ষক বা দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকের সাথে কথা বলুন।
  3. Application Form (আবেদনপত্র) পূরণ: স্কুল থেকেই আপনাকে একটি নির্দিষ্ট Form (ফর্ম) দেওয়া হবে অথবা একটি সাদা কাগজে Application (আবেদন) লিখতে বলা হবে। সেখানে আপনার Name (নাম), Roll Number (রোল নম্বর), এবং যে বিষয়গুলিতে PPS বা PPR করতে চান, তা পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করতে হবে।
  4. Fees (ফিস) জমা দেওয়া: নির্দিষ্ট বিষয়ের জন্য নির্ধারিত মূল্য স্কুলের Cash Counter (ক্যাশ কাউন্টার)-এ জমা দিয়ে রসিদ সংগ্রহ করুন।
  5. স্কুলের কাজ: এরপর স্কুল কর্তৃপক্ষ সমস্ত আগ্রহী ছাত্রছাত্রীদের ডেটা পর্ষদের Designated Portal (নির্দিষ্ট পোর্টাল)-এ অনলাইনে আপলোড করবেন। আপনার ব্যক্তিগতভাবে অনলাইনে কিছু করার প্রয়োজন নেই।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: সাধারণত রেজাল্ট বেরোনোর পর থেকে মাত্র ১৫ দিন (15 Days) সময় দেওয়া হয় স্কুটিনি বা রিভিউয়ের আবেদন করার জন্য। তাই Madhyamik Exam Guide (মাধ্যমিক পরীক্ষা গাইড) অনুযায়ী, সিদ্ধান্ত নিতে খুব বেশি সময় নষ্ট করবেন না।

কত টাকা খরচ হবে? (Application Fees)

প্রত্যেক বছরের মতো ২০২৬ সালেও পর্ষদ ফিসের একটি নির্দিষ্ট তালিকা প্রকাশ করবে। তবে বিগত বছরগুলির দিকে তাকালে একটি সাধারণ ধারণা পাওয়া যায়। সাধারণত:

  • PPS (Scrutiny) Fee: প্রতি বিষয়ের জন্য আনুমানিক ৪০ থেকে ৫০ টাকা (40-50 INR)।
  • PPR (Review) Fee: প্রতি বিষয়ের জন্য আনুমানিক ৫০ থেকে ৬০ টাকা (50-60 INR)।

(বিশেষ দ্রষ্টব্য: উপরের ফিসগুলি আনুমানিক। ২০২৬ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার রেজাল্ট প্রকাশের দিন পর্ষদ সভাপতি সাংবাদিক সম্মেলনে সঠিক ফিস ঘোষণা করবেন।)

RTI (Right to Information) করে নিজের খাতা কীভাবে দেখবেন?

ধরুন, আপনি স্কুটিনি করলেন, কিন্তু নম্বর এক ফোঁটাও বাড়ল না। এদিকে আপনার দৃঢ় বিশ্বাস যে আপনি অনেক ভালো পরীক্ষা দিয়েছেন। এরকম পরিস্থিতিতে আপনার শেষ এবং সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার হলো RTI (তথ্য জানার অধিকার আইন, ২০০৫)। এই আইনের বলে আপনি পর্ষদের কাছ থেকে আপনার মূল উত্তরপত্রের একটি Certified Photocopy (সত্যায়িত জেরক্স কপি) দাবি করতে পারেন।

RTI করার নিয়ম এবং পদ্ধতি:

RTI প্রক্রিয়াটি স্কুটিনির চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা এবং এটি ছাত্রছাত্রীদের নিজেদের উদ্যোগে করতে হয়।

  1. কখন করবেন: নিয়ম অনুযায়ী, মার্কশিট হাতে পাওয়ার পর ১০০ দিনের মধ্যে RTI করা যায়। তবে বুদ্ধিমানের কাজ হলো, স্কুটিনি বা রিভিউয়ের রেজাল্ট বেরোনোর পর যদি মনমতো ফল না মেলে, তখন RTI করা।
  2. Application (আবেদন) লেখা: একটি সাদা কাগজে West Bengal Board of Secondary Education-এর Public Information Officer (জন তথ্য আধিকারিক)-এর উদ্দেশ্যে একটি চিঠি লিখতে হবে। চিঠিতে আপনার পরীক্ষার নাম, রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয়ের নাম এবং স্পষ্ট করে লিখতে হবে যে আপনি ওই বিষয়ের Answer Script (উত্তরপত্র)-এর জেরক্স কপি চাইছেন।
  3. নথি যুক্ত করা: আবেদনের সাথে আপনার Admit Card (অ্যাডমিট কার্ড) এবং Marksheet (মার্কশিট)-এর স্ব-প্রত্যয়িত (Self-attested) কপি যুক্ত করতে হবে।
  4. Court Fee (কোর্ট ফি): আবেদনের সাথে ১০ টাকার Court Fee Stamp (কোর্ট ফি স্ট্যাম্প) চিঠির ওপর লাগিয়ে দিতে হবে। কিছু ক্ষেত্রে Demand Draft (ডিমান্ড ড্রাফট) বা Postal Order (পোস্টাল অর্ডার)-ও ব্যবহার করা যায়।
  5. জমা দেওয়া: এই পুরো খামটি রেজিস্ট্রি ডাক (Registered Post) মারফত পর্ষদের আঞ্চলিক কার্যালয়ে (Regional Office) বা প্রধান কার্যালয়ে (Head Office) পাঠাতে হবে।

RTI-এর চিঠি পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে পর্ষদ আপনাকে একটি নির্দিষ্ট দিনে তাদের অফিসে ডাকবে অথবা ডাকযোগে আপনার উত্তরপত্রের কপি পাঠিয়ে দেবে। খাতা হাতে পাওয়ার পর যদি দেখেন যে পরীক্ষক সত্যিই আপনার সঠিক উত্তরে নম্বর দেননি, তাহলে আপনি খাতাটি নিয়ে আইনি পথে বা পর্ষদের কাছে সরাসরি Challenge (চ্যালেঞ্জ) করতে পারেন।

রিভিউ করলে কি সত্যিই নম্বর বাড়ে? নাকি কমার ভয় থাকে?

এটি ছাত্রছাত্রী এবং অভিভাবকদের মনে ঘুরপাক খাওয়া সবচেয়ে সাধারণ প্রশ্ন। সত্যি বলতে, ম্যাজিকের মতো সবার নম্বর বেড়ে যায় না। তবে হ্যাঁ, প্রতি বছরই হাজার হাজার ছেলেমেয়ের নম্বর বাড়ে। বিশেষ করে যাদের ২ বা ৩ নম্বরের জন্য কোনো Grade (গ্রেড) বা Division (বিভাগ) আটকে যায়, তাদের ক্ষেত্রে অনেক সময়ই পরীক্ষকরা সহানুভূতিশীল হয়ে নম্বর বাড়িয়ে দেন।

কিন্তু নম্বর কমার ঝুঁকি কি আছে? হ্যাঁ, নিয়মানুযায়ী PPR (রিভিউ) করলে যদি দেখা যায় আগের পরীক্ষক ভুল করে বেশি নম্বর দিয়ে ফেলেছিলেন, তবে নতুন পরীক্ষক সেই নম্বর কমিয়েও দিতে পারেন। যদিও বাস্তবে নম্বর কমার ঘটনা খুবই বিরল, তবুও এই Risk (ঝুঁকি) সম্পর্কে সচেতন থাকা ভালো। অন্যদিকে, PPS (স্কুটিনি)-তে নম্বর কমার কোনো সম্ভাবনাই নেই, কারণ সেখানে কেবল যোগফল দেখা হয়। হয় নম্বর বাড়বে, নয়তো একই থাকবে।

ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের জন্য কিছু জরুরি টিপস

সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখা অত্যন্ত জরুরি:

  • আবেগ সরিয়ে যুক্তি দিয়ে ভাবুন: রেজাল্ট খারাপ হলে মন খারাপ হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু আবেগের বশে সব বিষয়ে স্কুটিনি করবেন না। যে বিষয়গুলোতে আপনি ১০০% নিশ্চিত যে নম্বর বাড়ার জায়গা আছে, কেবল সেগুলোতেই আবেদন করুন।
  • শিক্ষকদের পরামর্শ নিন: আপনি কেমন ছাত্র বা ছাত্রী এবং ওই নির্দিষ্ট বিষয়ের পরীক্ষা কেমন দিয়েছিলেন, তা আপনার Subject Teacher (বিষয় শিক্ষক) সবচেয়ে ভালো জানেন। তাঁর সাথে একবার আলোচনা করে নিন।
  • Photocopy (ফটোকপি) নিজের কাছে রাখুন: স্কুলে যেকোনো ফর্ম জমা দেওয়ার আগে, ফর্মটির একটি ছবি তুলে বা জেরক্স করে নিজের কাছে প্রমাণস্বরূপ রেখে দেবেন।
  • RTI কে শেষ অস্ত্র হিসেবে রাখুন: প্রথমে স্কুটিনি করুন। যদি দেখেন যে তাতেও সমাধান হলো না, এবং আপনার বিশ্বাস অটুট থাকে, তবেই RTI-এর পথে হাঁটবেন।

Conclusion / শেষ কথা

মাধ্যমিক পরীক্ষা হলো জীবনের প্রথম বড় ধাপ। কিন্তু মনে রাখবেন, একটি Marksheet (মার্কশিট) আপনার পুরো ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারে না। নম্বর কম এলে হতাশ না হয়ে, পর্ষদের দেওয়া এই আইনি ও প্রশাসনিক রাস্তাগুলোর সদ্ব্যবহার করুন। ২০২৬ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার স্কুটিনি বা রিভিউয়ের জন্য School Notice Board (স্কুলের নোটিশ বোর্ড) এবং পর্ষদের Official Website (অফিসিয়াল ওয়েবসাইট)-এর দিকে অবশ্যই নজর রাখবেন।

আশা করি, আজকের এই লেখাটি আপনাদের সমস্ত বিভ্রান্তি দূর করতে সাহায্য করেছে। যদি আপনাদের মনে আরও কোনো প্রশ্ন থাকে, তবে নিজের স্কুলের শিক্ষকদের সাথে নির্দ্বিধায় যোগাযোগ করুন। আপনাদের আগামী জীবনের জন্য অনেক অনেক শুভকামনা!

 

আরও পড়ুন

Madhyamik 2026 Merit List: অভিরূপ ভদ্র প্রথম, দেখুন পূর্ণ মেধাতালিকা HS Result 2026: উচ্চ মাধ্যমিকের রেজাল্ট দেখুন সহজে, অফিসিয়াল ধাপ জানুন এক নজরে Madhyamik Result 2026: ৮ ই মে মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ, কোথায়, কীভাবে দেখবেন বাংলাদেশে এইচএসসি রুটিন ২০২৬: নির্দেশনা ও প্রস্তুতি শিশুকে নার্সারি স্কুলে ভর্তি করার আগে যে যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখবেন