বৈদিক জ্যোতিষশাস্ত্রে ২৭টি নক্ষত্রের মধ্যে পঞ্চম নক্ষত্র হলো মৃগাশিরা নক্ষত্র। আকাশের নক্ষত্রমন্ডলীতে এই নক্ষত্রটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করে আছে। অনেক মানুষই তাদের জন্ম নক্ষত্র সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান, বিশেষ করে তাদের নক্ষত্রের ‘গণ’ কী। কারণ, নক্ষত্রের গণের উপর ভিত্তি করেই মানুষের মানসিক গঠন এবং স্বভাবের অনেক অংশ নির্ভর করে।
আজকের এই নিবন্ধে আমরা আলোচনা করব মৃগাশিরা নক্ষত্রটি কোন গণের, এর জাতক-জাতিকাদের স্বভাব কেমন হয়, তাদের কর্মজীবন, প্রেম এবং বিবাহিত জীবন কেমন কাটে। আপনি যদি মৃগাশিরা নক্ষত্রের জাতক বা জাতিকা হন, তবে এই লেখাটি আপনার জীবনের অনেক অজানা দিক উন্মোচন করবে।
মৃগাশিরা নক্ষত্রের প্রাথমিক পরিচিতি
মৃগাশিরা নক্ষত্রটি বৃষ রাশি এবং মিথুন রাশির সংযোগস্থলে অবস্থিত। এই নক্ষত্রের প্রথম দুটি চরণ (পদ) বৃষ রাশিতে এবং শেষ দুটি চরণ মিথুন রাশিতে অবস্থান করে। ‘মৃগাশিরা’ শব্দটির অর্থ হলো ‘হরিণের মস্তক’। হরিণ যেমন চঞ্চল এবং সর্বদা কিছু না কিছু অন্বেষণ করে বেড়ায়, এই নক্ষত্রের জাতক-জাতিকাদের মধ্যেও সেই অন্বেষণের প্রবৃত্তি দেখা যায়।
এই নক্ষত্রের অধিপতি গ্রহ হলো মঙ্গল, কিন্তু এর দেবতা হলেন চন্দ্র (সোম)। মঙ্গলের শক্তি এবং চন্দ্রের নমনীয়তা—উভয়ের এক অদ্ভুত সংমিশ্রণ এই নক্ষত্রের মধ্যে দেখা যায়।
নর গন মানে কি? জানুন বিস্তারিত
একনজরে মৃগাশিরা নক্ষত্র
| বৈশিষ্ট্য | বিবরণ |
| নক্ষত্র সংখ্যা | ৫ম |
| রাশি বিস্তার | ২৩°২০’ বৃষ রাশি থেকে ৬°৪০’ মিথুন রাশি |
| অধিপতি গ্রহ | মঙ্গল (Mars) |
| দেবতা | চন্দ্র বা সোম (Moon) |
| প্রতীক | হরিণের মাথা (Deer’s Head) |
| শুভ রত্ন | প্রবাল (Coral) |
| রং | রুপালি বা ধূসর |
মৃগাশিরা নক্ষত্রটি কোন গণের?
জ্যোতিষশাস্ত্রে গণ তিন প্রকার: দেবগণ, নরগণ এবং রাক্ষসগণ। মানুষের স্বভাব বিচার করার ক্ষেত্রে গণের ভূমিকা অপরিসীম। এখন প্রশ্ন হলো, মৃগাশিরা নক্ষত্রটি কোন গণের?
উত্তর হলো: মৃগাশিরা নক্ষত্র ‘দেবগণ’-এর অন্তর্ভুক্ত।
দেবগণের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কারণে এই নক্ষত্রের জাতক-জাতিকাদের মধ্যে সাত্ত্বিক গুণাবলি বেশি থাকে। এরা সাধারণত দয়ালু, পরোপকারী এবং মার্জিত স্বভাবের হয়ে থাকেন। রাক্ষস গণের মতো উগ্রতা বা নরগণের মতো অত্যধিক পার্থিব আসক্তি এদের মধ্যে কম দেখা যায়। তবে পরিস্থিতির চাপে এরা মাঝে মাঝে চঞ্চল হয়ে উঠতে পারেন, যা তাদের নক্ষত্র প্রতীক হরিণের স্বভাবের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
দেবগণের বৈশিষ্ট্য এবং মৃগাশিরা নক্ষত্র
| গণের নাম | সাধারণ বৈশিষ্ট্য | মৃগাশিরা নক্ষত্রের উপর প্রভাব |
| দেবগণ | দয়া, মমতা, বুদ্ধিমত্তা, এবং সাত্ত্বিক মনোভাব। | মৃগাশিরার জাতকরা সাধারণত বুদ্ধিমান এবং সৃজনশীল হন। তারা ঝগড়া-বিবাদ এড়িয়ে চলতে পছন্দ করেন। |
| আচরণ | শান্ত এবং মার্জিত। | এরা নম্রভাষী হন, তবে মঙ্গলের প্রভাবে আত্মসম্মানবোধ প্রবল থাকে। |
| মানসিকতা | আধ্যাত্মিক এবং অন্বেষণকারী। | এরা সর্বদা নতুন কিছু জানার বা শেখার চেষ্টা করেন। |
মৃগাশিরা নক্ষত্রের জাতক-জাতিকার স্বভাব ও ব্যক্তিত্ব
মৃগাশিরা নক্ষত্রের জাতক-জাতিকারা অত্যন্ত আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের অধিকারী হন। এদের মধ্যে এক ধরনের চিরস্থায়ী যৌবনসুলভ উদ্দীপনা কাজ করে। যেহেতু এই নক্ষত্রের প্রতীক হরিণ, তাই এদের চোখ সাধারণত খুব সুন্দর এবং চঞ্চল হয়।
এরা খুব দ্রুত যে কোনো পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নিতে পারেন। তবে এদের প্রধান সমস্যা হলো অস্থিরতা। এরা কোনো একটি কাজে দীর্ঘসময় মনোযোগ ধরে রাখতে পারেন না, যদি না সেই কাজটি তাদের অত্যন্ত পছন্দের হয়। এদের স্বভাবের মধ্যে সন্দেহবাতিকতাও মাঝে মাঝে দেখা যায়, যা তাদের মানসিক শান্তির পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
এরা ভ্রমণপিপাসু হন। নতুন নতুন জায়গায় যাওয়া এবং নতুন মানুষের সাথে মেশা এদের সহজাত প্রবৃত্তি। মঙ্গলের প্রভাবে এদের মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলীও থাকে, তবে তা খুব উগ্র নয়।
স্বভাবের ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিক
| ইতিবাচক দিক (Positive Traits) | নেতিবাচক দিক (Negative Traits) |
| বুদ্ধিমত্তা: এরা অত্যন্ত তীক্ষ্ণ বুদ্ধির অধিকারী হন। | অস্থিরতা: কোনো সিদ্ধান্তে স্থির থাকা এদের জন্য কঠিন। |
| সৃজনশীলতা: গান, বাজনা বা কলার প্রতি ঝোঁক থাকে। | সন্দেহপ্রবণতা: অকারণে সন্দেহ করার অভ্যাস থাকতে পারে। |
| বাকপটুতা: এরা কথা বলতে খুব ভালোবাসেন এবং গুছিয়ে কথা বলেন। | সমালোচক: অন্যের সমালোচনা করতে এরা পিছপা হন না। |
| পরোপকার: অন্যের বিপদে এরা সহজেই এগিয়ে আসেন। | অতি সংবেদনশীল: ছোটখাটো কথায় এরা আঘাত পান। |
মৃগাশিরা নক্ষত্রের চারটি পদের বিশ্লেষণ
প্রতিটি নক্ষত্র চারটি পদে বা চরণে বিভক্ত থাকে। মৃগাশিরা নক্ষত্রের চারটি পদের ফলাফল ভিন্ন ভিন্ন হয় কারণ এদের নবাংশ অধিপতি আলাদা।
১. প্রথম পদ (লিও নবাংশ): এই পদটি বৃষ রাশিতে অবস্থিত এবং এর অধিপতি রবি। এই পদের জাতকরা অত্যন্ত সৃষ্টিশীল এবং কিছুটা অহংকারী হতে পারেন। এদের মধ্যে রাজকীয় গুণাবলি দেখা যায়।
২. দ্বিতীয় পদ (কন্যা নবাংশ): এটিও বৃষ রাশিতে অবস্থিত, যার অধিপতি বুধ। এই পদের জাতকরা খুব হিসাবনিকাশ করে চলেন। এরা ব্যঙ্গাত্মক রসবোধ সম্পন্ন এবং বুদ্ধিদীপ্ত হন।
৩. তৃতীয় পদ (তুলা নবাংশ): এই পদটি মিথুন রাশিতে প্রবেশ করে, যার অধিপতি শুক্র। এরা খুব শৌখিন এবং রোমান্টিক স্বভাবের হন। বস্তুগত সুখের প্রতি এদের আকর্ষণ বেশি থাকে।
৪. চতুর্থ পদ (বৃশ্চিক নবাংশ): এটি মিথুন রাশিতে অবস্থিত, যার অধিপতি মঙ্গল। এই পদের জাতকরা অত্যন্ত বুদ্ধিমান কিন্তু কিছুটা গোপনীয়তা পছন্দ করেন। এদের মধ্যে আধ্যাত্মিক শক্তি এবং যুক্তিবাদী মনন থাকে।
পদ অনুযায়ী চারিত্রিক পার্থক্য
| পদ (Pada) | রাশি অবস্থান | নবাংশ অধিপতি | মূল বৈশিষ্ট্য |
| ১ম পদ | বৃষ | রবি | দৃঢ়চেতা, শৈল্পিক, উচ্চাভিলাসী। |
| ২য় পদ | বৃষ | বুধ | বাস্তববাদী, চতুর, বুদ্ধিমান। |
| ৩য় পদ | মিথুন | শুক্র | সামাজিক, প্রেমপরায়ণ, ভোগী। |
| ৪র্থ পদ | মিথুন | মঙ্গল | যুক্তিবাদী, রহস্যময়, তীক্ষ্ণ বুদ্ধিসম্পন্ন। |
শিক্ষা ও পেশা: কর্মজীবনে মৃগাশিরা নক্ষত্র
যেহেতু মৃগাশিরা নক্ষত্র বুদ্ধিমত্তা এবং অন্বেষণের প্রতীক, তাই এই নক্ষত্রের জাতক-জাতিকারা সাধারণত শিক্ষা ও গবেষণামূলক কাজে খুব ভালো করেন। এরা তথাকথিত ‘বোরিং’ বা একঘেয়ে কাজ পছন্দ করেন না। যেখানে নতুন কিছু সৃষ্টি করার সুযোগ আছে বা যেখানে বুদ্ধির খেলা আছে, সেখানেই এরা সফল হন।
এরা ভালো বক্তা হতে পারেন, তাই শিক্ষকতা, সাংবাদিকতা বা ওকালতি পেশায় এদের সাফল্য দেখা যায়। এছাড়াও, অধিপতি গ্রহ মঙ্গলের কারণে অনেকে ইঞ্জিনিয়ারিং বা রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় ভালো করেন। পর্যটন শিল্পের সাথে যুক্ত কাজও এদের জন্য শুভ, কারণ এরা ঘুরতে ভালোবাসেন।
উপযুক্ত পেশাসমূহ
| ক্ষেত্র | পেশার ধরন |
| সৃজনশীল জগত | লেখক, কবি, গায়ক, অভিনেতা, ফ্যাশন ডিজাইনার। |
| বাণিজ্য ও যোগাযোগ | সেলসম্যান, ট্রাভেল এজেন্ট, সাংবাদিক, মিডিয়া কর্মী। |
| প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান | ইঞ্জিনিয়ার, গবেষক, সার্জন (মঙ্গলের প্রভাবে)। |
| অন্যান্য | জ্যোতিষী, রিয়েল এস্টেট ব্রোকার, শিক্ষক। |
প্রেম, বিবাহ এবং পারিবারিক জীবন
প্রেমের ক্ষেত্রে মৃগাশিরা নক্ষত্রের জাতক-জাতিকারা খুব রোমান্টিক হন, কিন্তু এদের চঞ্চল মন অনেক সময় সম্পর্কের ক্ষেত্রে জটিলতা সৃষ্টি করে। এরা সঙ্গীর কাছ থেকে প্রচুর মনোযোগ আশা করেন। যদি সঙ্গী এদের মানসিক চাহিদাকে অবহেলা করেন, তবে এরা দ্রুত আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন।
বিবাহিত জীবনে এরা সাধারণত বিশ্বস্ত থাকেন, কিন্তু এদের সন্দেহবাতিক স্বভাব মাঝে মাঝে দাম্পত্য কলহের কারণ হতে পারে। তবে দেবগণের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায়, এরা দিনশেষে শান্তি পছন্দ করেন এবং ঝামেলা মিটিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। সন্তান স্নেহে এরা অন্ধ থাকেন এবং পরিবারের মঙ্গলের জন্য কঠোর পরিশ্রম করতে প্রস্তুত থাকেন।
এদের জন্য সবচেয়ে ভালো জুটি হয় যদি সঙ্গীর নক্ষত্র আর্দ্রা, পুনর্বসু বা শতভিষা হয়। তবে ধনিষ্ঠা বা চিত্রা নক্ষত্রের সাথে এদের সম্পর্ক কিছুটা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে।
মেষ রাশির আরাধ্য দেবতা: কে তিনি এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ?
সম্পর্ক ও সামঞ্জস্য
| বিষয় | ফলাফল |
| প্রেমের ধরণ | রোমান্টিক কিন্তু অধিকারপ্রবণ। |
| বিবাহিত জীবন | মোটের উপর সুখী, তবে মতবিরোধ থাকে। |
| সবচেয়ে ভালো জুটি | রেবতী, আর্দ্রা, পুনর্বসু। |
| সতর্কতা | সঙ্গীকে অতিরিক্ত সন্দেহ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। |
মৃগাশিরা নক্ষত্রের স্বাস্থ্য এবং রোগবালাই
জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, শরীরের বিশেষ কিছু অঙ্গ মৃগাশিরা নক্ষত্রের দ্বারা শাসিত হয়। এর মধ্যে রয়েছে মুখমন্ডল, চিবুক, গাল, ল্যারিঞ্জ (Larynx), এবং টনসিল। যেহেতু এই নক্ষত্রটি মিথুন রাশির (কালপুরুষের কাঁধ ও হাত) এবং বৃষ রাশির (গলা ও মুখ) সংযোগস্থলে, তাই এই সম্পর্কিত রোগগুলো বেশি দেখা যায়।
এদের হজমের সমস্যা বা পেটের গোলমাল প্রায়ই লেগে থাকে। মঙ্গলের প্রভাবে রক্তদুষণ বা চর্মরোগ হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। মানসিক অস্থিরতার কারণে অনিদ্রা বা টেনশন জনিত সমস্যায় এরা ভুগতে পারেন।
সম্ভাব্য স্বাস্থ্য সমস্যা
| অঙ্গ/সিস্টেম | সম্ভাব্য রোগ |
| গলা ও মুখ | টনসিলাইটিস, সর্দি- কাশি, থাইরয়েড সমস্যা। |
| পরিপাকতন্ত্র | এসিডিটি, বদহজম, কোষ্ঠকাঠিন্য। |
| অন্যান্য | সায়াটিকা, রক্তচাপ বৃদ্ধি, চর্মরোগ। |
প্রতিকার এবং আরাধনা
জীবনে বাধা-বিপত্তি দূর করতে এবং মৃগাশিরা নক্ষত্রের অশুভ প্রভাব কাটাতে কিছু বিশেষ প্রতিকার মেনে চলা উচিত। যেহেতু এই নক্ষত্রের দেবতা চন্দ্র এবং অধিপতি মঙ্গল, তাই এই দুই গ্রহের তুষ্টি বিধান করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।
১. দেবী পার্বতীর পূজা: মৃগাশিরা নক্ষত্রের জাতকদের জন্য দেবী পার্বতী বা মা দুর্গার আরাধনা অত্যন্ত শুভ।
২. চন্দ্র মন্ত্র: মানসিক শান্তি বৃদ্ধির জন্য চন্দ্রের মন্ত্র জপ করা উচিত। “ওঁ সোম সোমায় নমঃ” জপ করতে পারেন।
৩. রং: হালকা লাল, সাদা বা সিলভার রঙের পোশাক এদের জন্য শুভ।
৪. উপবাস: মঙ্গলবার অথবা পূর্ণিমা তিথিতে উপবাস থাকলে শারীরিক ও মানসিক উন্নতি ঘটে।
জ্যোতিষীয় প্রতিকার
| প্রতিকার | বিবরণ |
| শুভ রত্ন | রক্ত প্রবাল (Red Coral) – মঙ্গলের জন্য। (অবশ্যই জ্যোতিষীর পরামর্শে) |
| শুভ ধাতু | তামা বা রৌপ্য। |
| বীজ মন্ত্র | “ওঁ ঐং” বা “ওঁ হং”। |
| গাছ রোপণ | খয়ের গাছ রোপণ এবং সেবা করা শুভ। |
পরিশেষে বলা যায়, মৃগাশিরা নক্ষত্র হলো অন্বেষণ, সৌন্দর্য এবং বুদ্ধিমত্তার প্রতীক। আপনি যদি জানতে চেয়ে থাকেন যে মৃগাশিরা নক্ষত্রটি কোন গণের, তবে নিশ্চিত থাকুন এটি ‘দেবগণ’-এর অন্তর্ভুক্ত। দেবগণের স্বভাবসুলভ দয়া এবং মঙ্গলের তেজ—এই দুইয়ের সমন্বয়ে এই নক্ষত্রের জাতক-জাতিকারা জীবনে অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারেন।
তবে, এদের প্রধান শত্রু হলো এদের নিজস্ব অস্থির মন। যদি এরা তাদের মনকে স্থির করতে পারেন এবং সন্দেহের ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করতে পারেন, তবে সাফল্য এদের পদতলে লুটিয়ে পড়বে। আপনার জন্ম নক্ষত্র যদি মৃগাশিরা হয়, তবে নিজের সৃজনশীলতাকে কাজে লাগান এবং ধৈর্যের সাথে জীবনের পথে এগিয়ে চলুন।











