ঢাকায় কম দামে ভালো মানের পোশাক কিনতে চাইলে একটাই নাম মাথায় আসে — নুরজাহান মার্কেট। মিরপুর রোডের ঢাকা কলেজের ঠিক বিপরীতে দাঁড়িয়ে থাকা এই চারতলা মার্কেটটি শুধু ঢাকাবাসীর নয়, সারা বাংলাদেশের শপারদের প্রিয় গন্তব্য হয়ে উঠেছে। এমনকি বিদেশ থেকে আসা পর্যটকরাও এই মার্কেট ছাড়া ঢাকা সফর শেষ করেন না।
এক্সপোর্ট কোয়ালিটির শার্ট, প্যান্ট, টি-শার্ট, শীতের পোশাক — সব কিছুই পাওয়া যায় অবিশ্বাস্য কম দামে। নুরজাহান মার্কেট কোথায়, কীভাবে যাবেন, কী কিনবেন, কত দামে পাবেন — এই সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ উত্তর নিয়েই আজকের এই গাইড।
নুরজাহান মার্কেট কোথায় অবস্থিত?
নুরজাহান মার্কেটের পুরো নাম নুরজাহান সুপার মার্কেট। এটি ঢাকার ধানমন্ডি-নিউ মার্কেট এলাকায়, মিরপুর রোডে অবস্থিত। সরকারিভাবে ঠিকানা হলো: ৬ নম্বর মিরপুর রোড, ঢাকা – ১২০৫।
মার্কেটটি ঢাকা কলেজের একদম উল্টো দিকে। পাশেই আছে ঢাকা নিউ মার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড এবং ধানমন্ডি হকার্স মার্কেট। এলাকাটা ঢাকার সবচেয়ে ব্যস্ত শপিং জোনগুলোর একটি। তাই এক জায়গায় এসেই একাধিক মার্কেটে কেনাকাটা সেরে নেওয়া সম্ভব।
ঠিকানা এক নজরে
| বিষয় | বিবরণ |
| পুরো নাম | নুরজাহান সুপার মার্কেট |
| ঠিকানা | ৬ নম্বর মিরপুর রোড, ঢাকা – ১২০৫ |
| এলাকা | ধানমন্ডি / নিউ মার্কেট, ঢাকা |
| কাছের ল্যান্ডমার্ক | ঢাকা কলেজের বিপরীতে |
| মোট তলা | ৪ তলা (১ম-৩য় তলায় দোকান) |
| মোট দোকান | প্রায় ৫৬০টি |
| খোলার সময় | সকাল ১০টা – রাত ৮টা |
কীভাবে নুরজাহান মার্কেটে যাবেন?
ঢাকার যেকোনো প্রান্ত থেকে নুরজাহান মার্কেটে পৌঁছানো তেমন কঠিন না। মার্কেটটি মিরপুর রোডে থাকায় বিভিন্ন রুটের বাস সরাসরি এখানে আসে।
বাসে আসার উপায়
যারা বাসে আসতে চান, তাদের জন্য গন্তব্য হবে নিউ মার্কেট বা সায়েন্স ল্যাবরেটরি। ঢাকার গুলিস্তান, মতিঝিল, মিরপুর, উত্তরা বা যাত্রাবাড়ী — যেদিক থেকেই আসুন, নিউ মার্কেটগামী যেকোনো বাসে উঠলেই চলবে। নিউ মার্কেট বা নীলক্ষেতে নামলে হাঁটাপথেই পৌঁছে যাবেন মার্কেটে।
রিকশা ও সিএনজিতে আসার উপায়
রিকশা বা সিএনজিতে সরাসরি বলুন — “নুরজাহান সুপার মার্কেট, ঢাকা কলেজের সামনে”। চালক ঠিকই চিনবেন কারণ মার্কেটটি এলাকায় অত্যন্ত পরিচিত। ধানমন্ডি থেকে রিকশায় আসতে ১৫-২০ মিনিট সময় লাগে।
অ্যাপ-ক্যাবে আসার উপায়
পাঠাও বা উবারে সার্চ করুন “Nurjahan Super Market, Mirpur Road”। সরাসরি মার্কেটের দরজায় নামিয়ে দেবে। ট্রাফিক জ্যামের কথা মাথায় রেখে বিকেলের পরিবর্তে সকালে আসার চেষ্টা করুন।
নুরজাহান মার্কেটের ইতিহাস ও পরিচয়
নুরজাহান সুপার মার্কেটের গল্প শুরু হয়েছিল একজন দূরদর্শী ব্যবসায়ীর হাত ধরে। মার্কেটের প্রতিষ্ঠাতা বছর চারেক আগে মারা গেছেন, কিন্তু তাঁর গড়ে যাওয়া মার্কেটটি এখন তাঁর চার ছেলে ও তিন মেয়ের যৌথ মালিকানায় পরিচালিত হচ্ছে।
শুরুতে মার্কেটটি ছোট আকারে চালু হলেও ধীরে ধীরে ক্রেতাদের ভিড় বাড়তে থাকে। দেশীয় গার্মেন্টসের রপ্তানিযোগ্য পোশাক কম দামে পাওয়া যায় বলে একসময় এটি ঢাকার সবচেয়ে জনপ্রিয় শপিং স্পটে পরিণত হয়। এখন চারতলা ভবনের তিনটি তলায় প্রায় ৫৬০টি দোকান আছে।
মার্কেট যেভাবে বড় হলো
প্রথমে শুধু নিচতলায় কয়েকটি দোকান ছিল। ক্রেতাদের চাহিদা বাড়তে থাকায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় ব্যবসা বিস্তৃত হতে থাকে। বর্তমানে নিচতলায় নারী ও শিশুদের পোশাক পাওয়া যায়, আর দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় পুরুষদের পোশাকের বিশাল সংগ্রহ রয়েছে। চতুর্থ তলায় মালিক পরিবারের বাসস্থান।
নুরজাহান মার্কেটে কী কী পাওয়া যায়?
এই মার্কেটটি মূলত পশ্চিমা ধাঁচের পোশাকের জন্য বিখ্যাত। দেশের গার্মেন্টস কারখানা থেকে রপ্তানিযোগ্য পোশাক এখানে এসে পৌঁছায় এবং সেগুলো খুচরায় অত্যন্ত কম দামে বিক্রি হয়।
পুরুষদের পোশাক
- শার্ট (ফর্মাল ও ক্যাজুয়াল)
- টি-শার্ট ও পোলো শার্ট
- ডেনিম ও চিনো প্যান্ট
- শর্টস ও ট্র্যাক প্যান্ট
- জ্যাকেট ও সোয়েটার
- আন্ডারগার্মেন্টস ও সক্স
- ব্যায়ামের পোশাক (স্পোর্টসওয়্যার)
নারীদের পোশাক
- টপস ও কুর্তি
- ওয়ান পিস ও ম্যাক্সি ড্রেস
- জিন্স ও ট্রাউজার
- লেগিংস ও ইনারওয়্যার
- শীতের কার্ডিগান ও জ্যাকেট
শিশুদের পোশাক
ছোটদের জন্যও রয়েছে বিশাল সংগ্রহ। বিভিন্ন বয়সের শিশুদের জন্য ক্যাজুয়াল, ফর্মাল এবং পার্টি ড্রেস এখানে পাওয়া যায়।
নুরজাহান মার্কেটে পণ্যের মান কেমন?
এই মার্কেটের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো এক্সপোর্ট কোয়ালিটির পোশাক। বাংলাদেশ থেকে বিদেশে রপ্তানি হওয়ার কথা ছিল এমন পোশাক — যেগুলো সামান্য ত্রুটি বা অতিরিক্ত উৎপাদনের কারণে দেশেই থেকে যায় — সেগুলো এই মার্কেটে আসে। আন্তর্জাতিক মানের কাপড়, সেলাই ও ফিনিশিং থাকে বলে ক্রেতারা এই মার্কেট এতটা ভালোবাসেন।
পণ্যের উৎস কোথায়?
মার্কেটের একজন ব্যবসায়ী জানান, সোর্সের এক নম্বরে আছে বঙ্গবাজার। সেখানকার বড় বড় হোলসেলাররা বিভিন্ন গার্মেন্টস থেকে পণ্য সংগ্রহ করে নুরজাহান মার্কেটের ব্যবসায়ীদের সরবরাহ করেন। অনেক সময় গার্মেন্টস থেকে সরাসরিও পণ্য আসে।
নুরজাহান মার্কেটে দাম কেমন?
নুরজাহান মার্কেটের সবচেয়ে বড় টানটাই হলো দাম। এখানে মাত্র ৩০০-৫০০ টাকায় ভালো মানের শার্ট বা টি-শার্ট পাওয়া যায়। একজন বিক্রেতার কথায় — “পৃথিবীর কোথাও নুরজাহান মার্কেটের মতো কম দামে এক্সপোর্ট কোয়ালিটির জামা-কাপড় পাওয়া যাবে না।”
আনুমানিক দামের তালিকা
| পণ্য | আনুমানিক দাম (টাকা) |
| টি-শার্ট | ১৫০ – ৩৫০ |
| শার্ট (ক্যাজুয়াল) | ২৫০ – ৫০০ |
| শার্ট (ফর্মাল) | ৩৫০ – ৭০০ |
| প্যান্ট / ট্রাউজার | ৪০০ – ৮০০ |
| জ্যাকেট / সোয়েটার | ৫০০ – ১৫০০ |
| আন্ডারগার্মেন্টস | ৮০ – ২০০ |
| শিশুদের পোশাক | ১৫০ – ৪০০ |
বিদেশি ক্রেতাদের পছন্দের জায়গা
নুরজাহান মার্কেট শুধু বাংলাদেশিদের না, বিদেশি পর্যটকদেরও অনেক পছন্দের একটা জায়গা। বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের বিদেশি কেবিন ক্রু-রা নিয়মিত এই মার্কেটে কেনাকাটা করতে আসেন। একবার ইতিহাদ এয়ারওয়েজের ইউক্রেনিয়ান কেবিন ক্রু পাবলো এখানে এসে বলেছিলেন — “শুনেছি এখানে বেশ কম দামে ভালোমানের পোশাক পাওয়া যায়।”
বিভিন্ন ফাইভ-স্টার হোটেলের সঙ্গেও এই মার্কেটের ব্যবসায়ীদের যোগাযোগ আছে। হোটেলে থাকা বিদেশি অতিথিরা গাইডদের মাধ্যমে নুরজাহান মার্কেটে আসেন এবং অনেক সময় পাইকারি দরে পণ্য কিনে নিজের দেশে নিয়ে যান।
নুরজাহান মার্কেটের তলাভিত্তিক গাইড
মার্কেটে ঢুকে কোথায় কী পাবেন সেটা আগে থেকে জেনে রাখলে সময় বাঁচে।
নিচতলা (গ্রাউন্ড ফ্লোর)
নিচতলায় মূলত মহিলাদের এবং শিশুদের পোশাকের দোকান বেশি। এখানে টপস, কুর্তি, ওয়ান পিস, বাচ্চাদের ড্রেস এবং মেয়েদের ইনারওয়্যারের বড় কালেকশন পাওয়া যায়। মেয়েরা সাধারণত নিচতলা থেকেই বেশিরভাগ কেনাকাটা সেরে ফেলেন।
দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলা
এই দুটো তলায় মূলত পুরুষদের পোশাক। শার্ট, প্যান্ট, টি-শার্ট, জ্যাকেট, স্পোর্টসওয়্যার সব কিছু এখানে পাবেন। দাম নিচতলার মতোই কম, কিন্তু ভিড়টা একটু কম থাকে। পছন্দের পোশাক ধীরে সুস্থে দেখতে চাইলে উপরের তলায় যান।
কখন গেলে সবচেয়ে ভালো?
মার্কেটটি সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকে। সপ্তাহের প্রতিদিনই খোলা থাকে।
সেরা সময় কখন?
- সকাল ১০টা – দুপুর ১২টা: ভিড় কম, আরামে ঘুরে দেখা যায়, নতুন স্টক থাকে
- বিকেল ৩টা – সন্ধ্যা ৬টা: সবচেয়ে বেশি ভিড়, দর কষাকষি জমজমাট
- রমজান মাস ও ঈদের আগে: সবচেয়ে বেশি কালেকশন এবং সবচেয়ে বেশি ক্রেতা
- শীতের মৌসুম: শীতের পোশাকের বিশাল সংগ্রহ পাওয়া যায়
কেনাকাটায় যে বিষয়গুলো মাথায় রাখবেন
নুরজাহান মার্কেটে গেলে কিছু টিপস মাথায় রাখলে কেনাকাটার অভিজ্ঞতা আরও ভালো হবে।
দর কষাকষি করুন
এটি একটি ওপেন মার্কেট — মানে দাম নির্দিষ্ট না। বিক্রেতারা যা দাম বলবেন, তার থেকে ২০-৩০% কম দামে দর করা যায়। মিষ্টি কথায় এবং ধৈর্য ধরে দর করলে ভালো দামে পাবেন।
বেশি পরিমাণে কিনলে ছাড় পাবেন
যারা একসঙ্গে অনেকগুলো পোশাক কেনেন — বিশেষত পাইকারি কিনতে চাইলে — তাদের জন্য আরও বেশি ছাড় পাওয়ার সুযোগ আছে। অনলাইন বিক্রেতারাও এখান থেকে পাইকারিতে কিনে থাকেন।
ভিড়ের মধ্যে ব্যাগ সামলান
মার্কেট বেশ ঘিঞ্জি এবং ভিড়ের মধ্যে পকেটমারের ঘটনা ঘটতে পারে। ব্যাগ সামনে রাখুন এবং মোবাইল ও মানিব্যাগ নিরাপদে রাখুন।
সাইজ চেক করুন
এক্সপোর্ট পোশাক হওয়ায় বেশিরভাগ পোশাকের সাইজিং পশ্চিমা মাপে হয়। কেনার আগে অবশ্যই পরে দেখুন বা মাপ মিলিয়ে নিন।
নুরজাহান মার্কেটের পাশের অন্যান্য শপিং স্পট
একবার এই এলাকায় এলে পাশের আরও কয়েকটি মার্কেট ঘুরে দেখতে পারেন।
| মার্কেট | দূরত্ব | বিশেষত্ব |
| ঢাকা নিউ মার্কেট | হাঁটাপথে | পোশাক, গৃহস্থালি সামগ্রী |
| গাউছিয়া মার্কেট | ৫ মিনিট হাঁটা | শাড়ি, থ্রি-পিস, ভারতীয় পোশাক |
| এলিফ্যান্ট রোড | ১০ মিনিট হাঁটা | ইলেকট্রনিক্স ও কম্পিউটার |
| নীলক্ষেত | ১৫ মিনিট হাঁটা | পুরনো বই ও স্টেশনারি |
| চাঁদনী চক | ১০ মিনিট রিকশায় | কসমেটিক্স ও বাসনপত্র |
পাইকারি ক্রেতাদের জন্য নুরজাহান মার্কেট
শুধু খুচরা ক্রেতাই নন, ছোট ব্যবসায়ী এবং অনলাইনে পোশাক বিক্রি করেন এমন উদ্যোক্তারাও নিয়মিত নুরজাহান মার্কেট থেকে পাইকারি দরে পণ্য কেনেন। ঢাকার বাইরে থেকে আসা ব্যবসায়ীরাও এখান থেকে মাল তুলে নিজের এলাকায় বিক্রি করেন।
পাইকারি কেনাকাটায় যা জানা দরকার
- সকালে এলে তাজা স্টক পাবেন
- একসঙ্গে ডজনখানেক বা তার বেশি কিনলে আলাদা ছাড় মেলে
- পরিচিত বিক্রেতা তৈরি করলে পরবর্তী বারে সুবিধা পাবেন
- নতুন স্টক আসার আগাম খবর পেতে বিক্রেতার নম্বর রাখুন
ঈদের সময় নুরজাহান মার্কেট
ঈদের মৌসুমে নুরজাহান মার্কেট কার্যত একটা উৎসবে পরিণত হয়। রমজানের শুরু থেকেই মার্কেটে নতুন স্টক আসতে শুরু করে। ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আজহার আগের দুই-তিন সপ্তাহ এখানে আসলে সবচেয়ে বৈচিত্র্যময় কালেকশন পাবেন।
ঈদের সময় দাম একটু বাড়ে, কিন্তু তারপরও অন্য মার্কেটের তুলনায় বেশ সাশ্রয়ী। ছেলেমেয়ে সবার জন্যই ঈদের নতুন পোশাক এক জায়গা থেকে কেনার সুবিধা পাওয়া যায় এখানে।
নুরজাহান মার্কেট কেন এত জনপ্রিয়?
এই প্রশ্নের উত্তর অনেকটাই সহজ। ঢাকার মতো মহানগরে যেখানে একটা ব্র্যান্ডেড শার্টের দাম ২,০০০ টাকার ওপরে, সেখানে একই রকম মানের পোশাক ৩০০-৫০০ টাকায় পাওয়া সত্যিই অবিশ্বাস্য।
এর পাশাপাশি:
- বিশাল কালেকশন: একটা মার্কেটেই ৫৬০-এর বেশি দোকান — পছন্দের কমতি নেই
- এক্সপোর্ট কোয়ালিটি: আন্তর্জাতিক মানের পোশাক দেশীয় দামে
- সব বয়সের জন্য: শিশু থেকে বৃদ্ধ সবার পোশাক এখানে পাওয়া যায়
- অনলাইনে বিক্রেতাদের সোর্স হিসেবে পরিচিত: ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের অনেক পোশাক বিক্রেতা এখান থেকে কিনে বিক্রি করেন
- সারা বছরই খোলা: সপ্তাহের প্রতিটি দিন মার্কেট চালু থাকে
নুরজাহান মার্কেটের সুবিধা ও অসুবিধা
| সুবিধা | অসুবিধা |
| দাম অত্যন্ত কম | ঈদে ও ছুটির দিনে প্রচণ্ড ভিড় |
| এক্সপোর্ট কোয়ালিটির পোশাক | পার্কিং সুবিধা নেই |
| সব বয়সের পোশাক এক ছাদের নিচে | ট্রাফিক জ্যামের এলাকায় |
| দর কষাকষির সুযোগ | কিছু দোকানে বেশি দাম চাওয়া হয় |
| পাইকারি কেনার সুবিধা | সব পোশাকে সাইজ রেঞ্জ কম |
| বিদেশি ব্র্যান্ডের পোশাকও পাওয়া যায় | মার্কেট কিছুটা অপরিচ্ছন্ন থাকে |
চূড়ান্ত কথা
নুরজাহান মার্কেট শুধু একটা কেনাকাটার জায়গা না — এটা ঢাকার শপিং সংস্কৃতির একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। মিরপুর রোডে ঢাকা কলেজের বিপরীতে এই মার্কেটে একবার গেলেই বুঝবেন কেন লোকজন এটাকে এত পছন্দ করেন।
কম বাজেটে সেরা মানের পোশাক কিনতে চাইলে নুরজাহান সুপার মার্কেটের বিকল্প ঢাকায় কমই আছে। ব্যক্তিগত কেনাকাটা হোক বা পাইকারি ব্যবসা — এই মার্কেট আপনাকে হতাশ করবে না। পরের বার ঢাকায় শপিং করতে গেলে অবশ্যই একবার নুরজাহান মার্কেট ঘুরে আসুন।











