বিশ্বের ছাদ’ পামির পর্বতমালা: এই রহস্যময় উচ্চভূমির অজানা গল্প যা আপনাকে অবাক করে দেবে!

পামির পর্বতমালা, যা 'বিশ্বের ছাদ' নামে বিশ্বব্যাপী পরিচিত, মধ্য এশিয়ার একটি বিশাল উচ্চভূমি যা তাজিকিস্তান, আফগানিস্তান, চীন এবং কিরগিজস্তানের সীমান্তে বিস্তৃত। এই পর্বতশ্রেণীটি হিমালয়, করাকোরাম, কুনলুন এবং হিন্দুকুশের সংযোগস্থলে অবস্থিত,…

Manoshi Das

 

পামির পর্বতমালা, যা ‘বিশ্বের ছাদ’ নামে বিশ্বব্যাপী পরিচিত, মধ্য এশিয়ার একটি বিশাল উচ্চভূমি যা তাজিকিস্তান, আফগানিস্তান, চীন এবং কিরগিজস্তানের সীমান্তে বিস্তৃত। এই পর্বতশ্রেণীটি হিমালয়, করাকোরাম, কুনলুন এবং হিন্দুকুশের সংযোগস্থলে অবস্থিত, যার গড় উচ্চতা ৪,০০০ মিটারেরও বেশি। ভিক্টোরিয়ান যুগ থেকে এটিকে ‘রুফ অফ দ্য ওয়ার্ল্ড’ বলা হয়, কারণ এখানকার শীর্ষগুলো পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু এলাকাগুলোর মধ্যে অন্যতম। সাম্প্রতিক তথ্য অনুসারে, ২০২৫ সালের প্রথম নয় মাসে তাজিকিস্তানে প্রায় ১৪ লক্ষ বিদেশি পর্যটক এসেছে, যার একটি বড় অংশ পামিরের দিকে আকৃষ্ট হয়েছে। এই নিবন্ধে আমরা এই পর্বতমালার ভূগোল, ইতিহাস, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং পর্যটনের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব, যাতে পাঠকরা এর সম্পূর্ণ প্রেক্ষাপট বুঝতে পারেন।

পামির পর্বতমালার ভূগোল: উচ্চতর ভূমির রাজ্য

পামির পর্বতমালা মধ্য এশিয়া এবং দক্ষিণ এশিয়ার সংযোগস্থলে অবস্থিত একটি বিশাল পর্বতশ্রেণী। এটি তিয়ান শান, করাকোরাম, কুনলুন, হিন্দুকুশ এবং হিমালয়ের সাথে সংযুক্ত, যা এটিকে একটি কেন্দ্রীয় ‘নট’ এর মতো করে তোলে। তাজিকিস্তানের গোর্নো-বাদাখশান অঞ্চলে এর বড় অংশ অবস্থিত, যা আফগানিস্তানের ওয়াখান করিডর, চীনের পূর্ব পামির এবং কিরগিজস্তানের আলাই উপত্যকার সাথে সীমান্তবর্তী। এই পর্বতমালার মোট এলাকা প্রায় ১,২০,০০০ বর্গকিলোমিটার, যার মধ্যে ‘পামির’ নামক সমতল উচ্চভূমি বা ইউ-আকৃতির উপত্যকা রয়েছে, যেমন গ্রেট পামির, লিটল পামির, আলিচুর পামির ইত্যাদি।

মকরক্রান্তি রেখা: ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখার ভৌগোলিক তাৎপর্য

এই অঞ্চলের ভূ-প্রকৃতি অত্যন্ত বৈচিত্র্যময়। উত্তরাঞ্চলে অ্যামু দরিয়া নদী উৎপত্তি হয়, যা হিন্দুকুশের উত্তরে প্রবাহিত হয়। দক্ষিণে হেলমান্ড নদী উদ্ভূত হয়। পর্বতমালার এলাকায় প্রায় ১২,৫০০ বর্গকিলোমিটার (মোট এলাকার ১০%) হিমবাহ দ্বারা আচ্ছাদিত, যার মধ্যে ভ্যাঞ্চ-ইয়াখ হিমবাহ সবচেয়ে লম্বা – ৭৭ কিলোমিটার। এই হিমবাহগুলো পৃথিবীর বাইরে আর্কটিক অঞ্চলের বাইরে সবচেয়ে দীর্ঘ। উচ্চতার কারণে এখানকার জলবায়ু তুন্ড্রা-জাতীয়, যেখানে বার্ষিক বৃষ্টিপাত মাত্র ১৩০ মিলিমিটার, তাই গাছপালা কম এবং ঘাসভূমি প্রধান।

পামিরের উল্লেখযোগ্য শীর্ষসমূহ: উচ্চতর চ্যালেঞ্জ

পামিরের শীর্ষগুলো বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু পর্বতের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। সর্বোচ্চ শীর্ষ কংগুর ট্যাগ (৭,৬৪৯ মিটার) চীনের অংশে অবস্থিত। তাজিকিস্তানের ইসময়েল সোমোনি শীর্ষ (৭,৪৯৫ মিটার) এর দ্বিতীয় স্থান। নিচের টেবিলে কয়েকটি প্রধান শীর্ষের তালিকা দেওয়া হলো:

শীর্ষের নাম উচ্চতা (মিটার) অবস্থান বিশেষত্ব
কংগুর ট্যাগ ৭,৬৪৯ চীন সর্বোচ্চ
ইসময়েল সোমোনি ৭,৪৯৫ তাজিকিস্তান পূর্বে কমিউনিজম পিক
ইবন সিনা (লেনিন পিক) ৭,১৩৪ তাজিকিস্তান-কিরগিজস্তান সীমান্তবর্তী
পিক করজেনেভস্কায়া ৭,১০৫ তাজিকিস্তান অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্স রেঞ্জ
মুস্তাঘ আটা ৭,৫৪৬ চীন জনপ্রিয় পর্বতারোহণ স্থান
ইন্ডিপেন্ডেন্স পিক ৬,৯৪০ তাজিকিস্তান ইয়াজগুলেম রেঞ্জ

এই শীর্ষগুলোর মধ্যে ২৯টির উচ্চতা ৭,০০০ মিটারেরও বেশি, যা ইউনেস্কোর করাকোরাম-পামির ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের অংশ। পর্বতারোহীদের জন্য এখানকার চ্যালেঞ্জ অতুলনীয়, কারণ অক্সিজেনের অভাব এবং চরম আবহাওয়া।

ইতিহাস: সিল্ক রোড থেকে আধুনিক অনুসন্ধান

পামিরের ইতিহাস হাজার বছরের পুরনো। খ্রিস্টপূর্ব ১৩৮ সালে চীনা অনুসন্ধানকারী জাং কিয়ান ফার্গানা উপত্যকায় পৌঁছায়, যা পামিরের সাথে যুক্ত। প্রাচীন গ্রিক ভূগোলবিদ টলেমির লেখায় এর উল্লেখ পাওয়া যায়। ৬০০ খ্রিস্টাব্দ থেকে বৌদ্ধ তীর্থযাত্রীরা এখান দিয়ে যাত্রা করতেন। মার্কো পোলো সম্ভবত পানজ নদী বেড়ে গিয়েছিলেন। ১৬০২ সালে পর্তুগিজ যাত্রী বেন্টো ডি গোয়েস কাবুল থেকে ইয়ারকান্ড যান।

১৯শ শতাব্দীতে ব্রিটিশ এবং রাশিয়ানদের মধ্যে ‘গ্রেট গেম’ চলাকালীন পামির একটি কৌশলগত স্থান হয়ে ওঠে। ১৮৩৮ সালে জন উড পামির নদীর উৎসে পৌঁছান। ১৮৭৩ সালে ব্রিটিশ-রাশিয়ান চুক্তিতে পানজ নদী আফগান সীমান্ত হিসেবে নির্ধারিত হয়। ১৮৯১ সালের পামির ঘটনায় রাশিয়ান সৈন্যরা এলাকা দখল করে। ১৯২৮ সালে জার্মান-সোভিয়েত অভিযান ফেডচেনকো হিমবাহ ম্যাপ করে।

সাম্প্রতিককালে, ২০২৫ সালে আইস মেমরি প্রকল্পের অধীনে ১০৫ মিটার লম্বা দুটি আইস কোর সংগ্রহ করা হয়েছে কন চুকুরবাশি আইস ক্যাপ থেকে, যা জলবায়ু ইতিহাস উন্মোচন করছে। এই ইতিহাস পামিরকে বাণিজ্যপথের কেন্দ্র করে তোলে, যেখানে ল্যাপিস ল্যাজুলি এবং ক্যানাবিসের প্রমাণ পাওয়া গেছে প্রাগৈতিহাসিক সমাধি থেকে।

সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য: পামিরের মানুষেরা

পামিরের বাসিন্দারা ইন্দো-ইউরোপীয় এবং তুর্কিক জাতিগোষ্ঠীর, যেমন শুঘনি, পামিরি কিরগিজ এবং ওয়াখি। তাদের ভাষা এবং সংস্কৃতি অনন্য – পামিরি কুরেন বলে শুঘনিরা এটিকে ডাকেন। জনসংখ্যা কম, প্রায় ২ লক্ষের মতো গোর্নো-বাদাখশানে, যারা ঐতিহ্যবাহী পশুপালন করে।

জীববৈচিত্র্য এবং পরিবেশ: ঘাসভূমির রহস্য

পামিরের জীববৈচিত্র্য সীমিত কিন্তু অনন্য। কম বৃষ্টিপাতের কারণে গাছ কম, কিন্তু বন্য পেঁয়াজের জন্য চীনারা ‘অনিয়ন রেঞ্জ’ বলে ডাকে। গ্রীষ্মকালে এটি পশুপালনের জন্য ব্যবহৃত হয়। বন্যপ্রাণীতে মার্কোর পোলো ভেড়া, স্নো লেপার্ড এবং আর্মড গ্রাউন্ড স্কোয়ার্ড রয়েছে। ইউনেস্কোর তালিকায় এটি সম্ভাব্য ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট, যা জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সাহায্য করবে।

ক্লাইনোহুমাইট খনির আবিষ্কার ১৯৮০-এর দশকে হয়, যা অর্থনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ। তবে জলবায়ু পরিবর্তন এখানকার হিমবাহকে হুমকির মুখে ফেলেছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব: সাম্প্রতিক সতর্কতা

পামিরের হিমবাহগুলো বিশ্বের কয়েকটি স্থিতিশীল হিমবাহের মধ্যে ছিল, কিন্তু ২০১৮ সাল থেকে তুষারপাত কমে গেছে, যা হিমবাহের স্বাস্থ্য নষ্ট করছে। ২০২৫ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, তাজিকিস্তানের পামিরে হিমবাহের পশ্চাদপসরণ বেড়েছে, যা বার্ষিক জলপ্রবাহের ১০% কমিয়ে দিচ্ছে। দক্ষিণ পামিরের হিমবাহ দ্রুত গলে যাচ্ছে, যখন উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল স্থিতিশীল ছিল।

সেন্ট্রাল এশিয়ায় ২৮,০০০ হিমবাহ রয়েছে তিয়েন শান এবং পামিরে, যা পশ্চাদপসরণ করছে। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে সুইস পোলার ইনস্টিটিউটের অভিযানে ১০০ মিটারের বেশি লম্বা আইস কোর সংগ্রহ হয়েছে, যা ৫-৭.৫°সে তাপমাত্রা হ্রাসের ইঙ্গিত দেয় আইস এজ থেকে। এই পরিবর্তন স্থানীয় জলস্রোত এবং কৃষিকে প্রভাবিত করবে, যা ১০ লক্ষ মানুষের জীবিকাকে হুমকি।

দক্ষিণ ভারতের সেরা ৫টি রোমান্টিক গন্তব্য: নবদম্পতিদের জন্য স্বর্গীয় অভিজ্ঞতা

হিমবাহের ভবিষ্যৎ: গবেষণার আলোকে

সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুসারে, পামিরের হিমবাহগুলো বিশ্বের বাকি অংশের মতো গলে যাচ্ছে না, কিন্তু তুষারপাতের অভাব এখন স্থিতিশীলতা নষ্ট করছে। ২০২৫ সালের নভেম্বরে পাইওনিয়ারিং আইস কোর ড্রিলিংয়ের মাধ্যমে নতুন জলবায়ু অন্তর্দৃষ্টি পাওয়া গেছে, যা ইউরোপ থেকে ভারতের দিকে আর্দ্র বায়ুর পথ দেখায়। এই গবেষণা পামিরকে ‘থার্ড পোল’ হিসেবে চিহ্নিত করে, যা জলবায়ু পর্যবেক্ষণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

পর্যটন: ২০২৫-এর উত্থান

পামির পর্যটন তাজিকিস্তানের দ্রুতবর্ধনশীল খাত। ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ৭,৬১,৪০০ বিদেশি পর্যটক এসেছে, যা গত বছরের তুলনায় ১৮০,৯০০ বেড়েছে। আগস্ট মাসে সামগ্রিক পর্যটক সংখ্যা ৩০% বেড়েছে, প্রতি পর্যটক গড়ে ৩০০ ডলার খরচ করে। পর্যটন রাজস্ব ২০২৫ সালে ৯০.৮৯ মিলিয়ন ডলার পৌঁছাবে, যা ২০৩০ সাল পর্যন্ত ৭.৩২% বার্ষিক বৃদ্ধি দেখাবে।

পামির হাইওয়ে এর প্রধান আকর্ষণ। এটি বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক সড়ক, যা দুশানবে থেকে ওশ যায়। ২০২৫ সালে চীন-তাজিকিস্তান হাইওয়ে আপগ্রেড হয়েছে, যা ১,০০০ কিলোমিটার লম্বা এবং ১৯৪০-এর দশকে নির্মিত। পর্যটকরা এখানে ট্রেকিং, সাইক্লিং এবং কালচারাল ট্যুর করে। তবে ২৫টি বাধা এখনও রয়েছে, যেমন অবকাঠামো এবং নিরাপত্তা।

পামির হাইওয়ের অ্যাডভেঞ্চার: সাম্প্রতিক আপডেট

পামির হাইওয়ে ২,০০০ কিলোমিটার লম্বা, যা উজবেকিস্তানের সামারকান্ড থেকে কিরগিজস্তানের ওশ হয়ে যায়। ২০২৫ সালের জুন মাসে সাইক্লিং রিপোর্ট অনুসারে, ওয়াখান উপত্যকা দিয়ে যাত্রা চরম সুন্দর কিন্তু ঝুঁকিপূর্ণ। গ্রীষ্মে এটি খোলা, কিন্তু শীতে তুষারপাতের কারণে বন্ধ। ২০২৫ সালের অক্টোবরে আইস কোর পরিবহনের সময় হাইওয়ের রুক্ষতা টায়ার ফাটিয়ে দিয়েছে। নভেম্বর ১০ তারিখে একটি ব্লগে বলা হয়েছে, এটি ২,০০০ বছরের সভ্যতার সাক্ষী।

অর্থনীতি: পশুপালন থেকে খনিজ সম্পদ

পামিরের অর্থনীতি প্রধানত পশুপালন-ভিত্তিক, যেখানে ভেড়া এবং ইয়াক পালন হয় উপরের ঘাসভূমিতে। পশ্চিমাঞ্চলে কয়লা খনি রয়েছে। পর্যটন এখন দ্রুত বাড়ছে, যা ২০১৩ সালের পর সবচেয়ে সফল। সিল্ক রোডের অংশ হিসেবে বাণিজ্য গুরুত্বপূর্ণ, এবং চীনের সাথে সীমান্ত বিরোধ সমাধান হয়েছে।

ক্লিনোহুমাইট এবং ল্যাপিস ল্যাজুলির খনি অর্থনৈতিক সম্ভাবনা তৈরি করছে। তবে জলবায়ু পরিবর্তন জলস্রোত কমিয়ে কৃষিকে প্রভাবিত করবে, যা ১০% জলপ্রবাহ হিমবাহ থেকে আসে।

চ্যালেঞ্জ এবং সুযোগ: স্থানীয় অর্থনীতির বিশ্লেষণ

পামিরের মানুষেরা চরম আবহাওয়ায় বাস করে, যেখানে তাপমাত্রা -৪০°সে নেমে যায়। পর্যটন এখন ৩০% বৃদ্ধি এনেছে, কিন্তু অবকাঠামো উন্নয়ন দরকার। ২০২৫ সালে তাজিকিস্তানের পর্যটন বাধা কমানোর জন্য নতুন নীতি নেওয়া হয়েছে, যা স্থানীয়দের জন্য কর্মসংস্থান তৈরি করবে।

সংরক্ষণ প্রচেষ্টা: ভবিষ্যতের জন্য লড়াই

পামিরের সংরক্ষণে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ছে। ইউনেস্কোর তালিকায় অন্তর্ভুক্তির জন্য প্রচেষ্টা চলছে। ২০২৫ সালের আইস মেমরি এক্সপেডিশন হিমবাহ রক্ষায় সাহায্য করবে। স্থানীয় সম্প্রদায় পশুপালন স্থায়ী করে চলছে।

পামিরের চিরন্তন আকর্ষণ

পামির পর্বতমালা শুধু একটি ভৌগোলিক অদ্ভুত নয়, এটি মানুষের ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং প্রকৃতির এক অনন্য সমন্বয়। ২০২৫ সালের সাম্প্রতিক ঘটনাবলী, যেমন হিমবাহ গবেষণা এবং পর্যটন বৃদ্ধি, দেখায় যে এই ‘বিশ্বের ছাদ’ এখনও অনেক রহস্য লুকিয়ে রেখেছে। জলবায়ু পরিবর্তনের হুমকি সত্ত্বেও, স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা এটিকে রক্ষা করার আশা জাগায়। পর্যটকদের জন্য এটি অ্যাডভেঞ্চারের স্বর্গ, যেখানে প্রতিটি পথ একটি গল্প বলে। আমাদের দায়িত্ব এই প্রাকৃতিক সম্পদকে সংরক্ষণ করা, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মও এর মহিমা উপভোগ করতে পারে। শেষ কথা, পামির আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু জায়গা থেকেও আমরা ছোট, কিন্তু আমাদের প্রচেষ্টা দিয়ে বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব।

About Author
Manoshi Das

মানসী দাস একজন মার্কেটিং এর ছাত্রী এবং আমাদের বাংলাদেশ প্রতিনিধি। তিনি তাঁর অধ্যয়ন ও কর্মজীবনের মাধ্যমে বাংলাদেশের বাজার ও ব্যবসায়িক পরিবেশ সম্পর্কে গভীর জ্ঞান অর্জন করেছেন। একজন উদীয়মান লেখিকা হিসেবে, মানসী বাংলাদেশের সামাজিক-অর্থনৈতিক অবস্থা, স্থানীয় বাজারের প্রবণতা এবং ব্র্যান্ডিং কৌশল নিয়ে লিখে থাকেন। তাঁর লেখনীতে বাংলাদেশের যুব সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি ও আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হয়।