Pase 0.5 এর কাজ কি? ব্যবহার, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এবং সতর্কতা – সম্পূর্ণ নির্দেশিকা (২০২৬ আপডেট)

পেইস ০.৫ (Pase 0.5) হলো বাংলাদেশের একটি বহুল পরিচিত ও কার্যকরী ওষুধ, যা মূলত উদ্বেগ বা এনজাইটি, প্যানিক অ্যাটাক এবং মৃগী রোগের (Seizures) চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। অপসোনিন ফার্মা লিমিটেড (Opsonin…

Avatar

 

পেইস ০.৫ (Pase 0.5) হলো বাংলাদেশের একটি বহুল পরিচিত ও কার্যকরী ওষুধ, যা মূলত উদ্বেগ বা এনজাইটি, প্যানিক অ্যাটাক এবং মৃগী রোগের (Seizures) চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। অপসোনিন ফার্মা লিমিটেড (Opsonin Pharma Ltd.) এর উৎপাদিত এই ওষুধটির জেনেরিক নাম ক্লোনাজিপাম (Clonazepam), যা বেনজোডায়াজেপাইন (Benzodiazepine) গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত। মস্তিষ্কের স্নায়বিক উত্তেজনা প্রশমিত করে এটি শরীর ও মনকে শান্ত রাখতে সাহায্য করে। তবে, এর অপব্যবহার বা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া সেবন মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এই আর্টিকেলে আমরা Pase 0.5 এর কাজ, সঠিক ব্যবহার, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, দাম এবং সেবনবিধি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব।

পেইস ০.৫ (Pase 0.5) পরিচিতি ও কার্যকারিতা

পেইস ০.৫ ট্যাবলেটটি মূলত মস্তিষ্কের গামা-অ্যামিনোবিউটারিক অ্যাসিড (GABA) নামক নিউরোট্রান্সমিটারের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে কাজ করে। আমাদের মস্তিষ্কে যখন অতিরিক্ত উত্তেজনা বা ‘এক্সাইটমেন্ট’ তৈরি হয়, তখন মানুষ অস্থিরতা বা আতঙ্কে ভোগেন। GABA হলো একটি প্রাকৃতিক রাসায়নিক যা এই স্নায়বিক সংকেতগুলোকে ধীর করে দেয়। পেইস ০.৫ এই GABA-এর প্রভাব বাড়িয়ে মস্তিষ্ককে শিথিল বা রিলাক্সড করে, যার ফলে ঘুম ভালো হয় এবং দুশ্চিন্তা কমে।

মূল তথ্য এক নজরে:

  • ব্র্যান্ড নাম: Pase (পেইস)

  • জেনেরিক নাম: Clonazepam (ক্লোনাজিপাম)

  • পাওয়ার: 0.5 mg (০.৫ মি.গ্রা.)

  • প্রস্তুতকারক: Opsonin Pharma Ltd.

  • গ্রুপ: Benzodiazepine (Anticonvulsant & Anxiolytic)

সতর্কতা: এটি একটি প্রেসক্রিপশন ড্রাগ। রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত এটি ক্রয় বা সেবন আইনত দণ্ডনীয় এবং স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

anfree 0.5 এর কাজ কি? দুশ্চিন্তা ও অবসাদ দূর করার কার্যকরী সমাধান

Pase 0.5 এর বিস্তারিত ব্যবহার (Indications)

চিকিৎসাবিজ্ঞানে ক্লোনাজিপাম বা Pase 0.5 এর ব্যবহার সুনির্দিষ্ট। এটি সাধারণত নিচের সমস্যাগুলোতে নির্দেশিত হয়:

১. প্যানিক ডিসঅর্ডার (Panic Disorder)

হঠাৎ করে আসা তীব্র ভয় বা আতঙ্ক, যা প্যানিক অ্যাটাক নামে পরিচিত। প্যানিক অ্যাটাকের সময় রোগীর মনে হয় তিনি মারা যাচ্ছেন বা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলছেন। Pase 0.5 এই ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ভয় বা উদ্বেগ কমাতে অত্যন্ত কার্যকরী। এটি ‘অ্যাগোরাফোবিয়া’ (ভিড় বা খোলা জায়গার ভয়) সহ বা ছাড়া প্যানিক ডিসঅর্ডারে ব্যবহৃত হয়।

২. মৃগী রোগ বা সিজার (Seizure Disorders)

মৃগী রোগীদের খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণে এই ওষুধটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে লেনক্স-গ্যাস্টট সিনড্রোম (Lennox-Gastaut Syndrome), অ্যাকাইনেটিক এবং মায়োক্লনিক সিজারের চিকিৎসায় এটি এককভাবে বা অন্য ওষুধের সাথে সহকারী হিসেবে ব্যবহৃত হয়। শিশুদের অ্যাবসেন্স সিজার (Absence Seizures) নিয়ন্ত্রণেও এটি কার্যকর।

৩. অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা ও অনিদ্রা (Anxiety & Insomnia)

যদিও এটি সরাসরি ঘুমের ওষুধ নয়, তবুও তীব্র মানসিক অস্থিরতা বা এনজাইটি থেকে সৃষ্ট অনিদ্রা দূর করতে চিকিৎসকরা স্বল্প সময়ের জন্য এটি সেবনের পরামর্শ দেন। এটি মনকে শান্ত করে ঘুমাতে সাহায্য করে।

৪. রেস্টলেস লেগস সিনড্রোম (Restless Legs Syndrome)

কিছু ক্ষেত্রে, বিশেষত রাতে পায়ে অস্বস্তি বা ব্যথার কারণে ঘুমাতে না পারলে, চিকিৎসকরা এই ওষুধটি ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

পরিসংখ্যান ও বাস্তবতা: বাংলাদেশে বেনজোডায়াজেপাইন ব্যবহার

বাংলাদেশে মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির সাথে সাথে এই ধরনের ওষুধের ব্যবহারও বেড়েছে। সাম্প্রতিক কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশে ব্যবহৃত সাইকোট্রপিক ওষুধের মধ্যে ক্লোনাজিপাম (Pase 0.5 এর মূল উপাদান) অন্যতম শীর্ষস্থানীয়।

  • ব্যবহারের হার: একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, বাংলাদেশে উদ্বেগজনিত সমস্যায় ভোগা রোগীদের প্রায় ৩০.৪৩% ক্ষেত্রে ক্লোনাজিপাম প্রেসক্রাইব করা হয় বা রোগীরা ফার্মেসী থেকে সংগ্রহ করেন।

  • অপব্যবহারের ঝুঁকি: দুঃখজনকভাবে, ঘুমের জন্য অনেকেই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই এটি দীর্ঘদিন ব্যবহার করেন, যা পরবর্তীতে আসক্তিতে রূপ নেয়। আন্তর্জাতিক গবেষণা অনুযায়ী, ৪ সপ্তাহের বেশি একটানা বেনজোডায়াজেপাইন ব্যবহারে শারীরিক ও মানসিক নির্ভরশীলতা তৈরির সম্ভাবনা প্রবল।

তথ্যের ধরণ পরিসংখ্যান (আনুমানিক)
সর্বাধিক ব্যবহৃত গ্রুপ Benzodiazepine
সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ৫০% রোগীর ক্ষেত্রে তন্দ্রাচ্ছন্নতা
আসক্তির ঝুঁকি খুব বেশি (দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে)

সেবনবিধি ও মাত্রা (Dosage & Administration)

বিশেষ দ্রষ্টব্য: নিচের মাত্রাটি শুধুমাত্র সাধারণ তথ্যের জন্য। রোগীর বয়স, ওজন এবং রোগের তীব্রতার ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসক সঠিক মাত্রা নির্ধারণ করবেন।

১. প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য (প্যানিক ডিসঅর্ডার):

* প্রাথমিক মাত্রা সাধারণত ০.২৫ মি.গ্রা. (0.25 mg), দিনে দুইবার।

* ৩ দিন পর চিকিৎসকের পরামর্শে এটি বাড়িয়ে ১ মি.গ্রা. (1 mg) পর্যন্ত করা হতে পারে।

২. মৃগী রোগীদের জন্য:

* প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে সাধারণত ১.৫ মি.গ্রা. দিয়ে শুরু করা হয়, যা ৩টি ভাগে ভাগ করে খেতে হয়।

* পরবর্তীতে প্রতি ৩ দিন অন্তর ০.৫ মি.গ্রা. করে বাড়ানো যেতে পারে, যতক্ষণ না খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণে আসে।

৩. শিশুদের জন্য:

* শিশুদের ক্ষেত্রে বা ১০ বছর বা ৩০ কেজির কম ওজনের ক্ষেত্রে শরীরের ওজন অনুযায়ী (০.০১-০.০৩ মি.গ্রা./কেজি) মাত্রা নির্ধারণ করা হয়।

সেবনের নিয়ম:

  • ট্যাবলেটটি পানি দিয়ে গিলে ফেলতে হবে।

  • খাবারের আগে বা পরে সেবন করা যায়, তবে প্রতিদিন একই সময়ে খাওয়া উত্তম।

  • কখনো ডোজ মিস হলে মনে পড়ার সাথে সাথে খাওয়া উচিত, তবে পরবর্তী ডোজের সময় হয়ে গেলে ডাবল ডোজ নেওয়া যাবে না।

ট্যাবলেটেই নির্মূল হবে রক্তের ক্যান্সার? বাজারে আসছে যুগান্তকারী ওষুধ!

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (Side Effects)

Pase 0.5 কার্যকরী হলেও এর কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। সবার ক্ষেত্রে সব লক্ষণ প্রকাশ পায় না, তবে সচেতন থাকা জরুরি।

সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:

  • তন্দ্রা বা ঝিমুনি (Drowsiness): প্রায় ৫০% ব্যবহারকারী এই সমস্যায় ভোগেন।

  • মাথা ঘোরা (Dizziness): প্রায় ৩০% রোগীর ক্ষেত্রে এটি দেখা যায়।

  • শারীরিক ভারসাম্যহীনতা বা হাঁটাচলায় সমস্যা (Ataxia)।

  • মনোযোগ কমে যাওয়া এবং কাজে ভুল হওয়া।

  • ক্লান্তি বা অবসাদগ্রস্ততা।

  • স্মৃতিশক্তি হ্রাস পাওয়া (স্বল্পমেয়াদী)।

বিরল কিন্তু গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:

  • শ্বাসকষ্ট বা শ্বাসক্রিয়া ধীর হয়ে যাওয়া (বিশেষত বয়স্কদের ক্ষেত্রে)।

  • তীব্র বিষণ্নতা বা আত্মহত্যার প্রবণতা তৈরি হওয়া।

  • হ্যালুসিনেশন বা বিভ্রান্তি।

  • এলার্জিজনিত প্রতিক্রিয়া (চামড়ায় র‍্যাশ, চুলকানি)।

গুরুত্বপূর্ণ: যদি এই ওষুধ সেবনের পর আপনার মনের ভাব পরিবর্তন হয়, যেমন—খুব বেশি রাগ, উত্তেজনা বা নিজেকে আঘাত করার চিন্তা আসে, তবে অবিলম্বে ওষুধ বন্ধ করে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন।

সতর্কতা ও প্রতিনির্দেশনা (Warnings & Contraindications)

কিছু বিশেষ শারীরিক অবস্থায় Pase 0.5 সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ বা অত্যন্ত সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হয়:

১. গ্লুকোমা (Glaucoma): যাদের ‘ন্যারো অ্যাঙ্গেল গ্লুকোমা’ (Narrow Angle Glaucoma) আছে, তাদের জন্য এই ওষুধটি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

২. লিভারের সমস্যা: গুরুতর লিভার রোগে আক্রান্তদের এটি সেবন করা উচিত নয়, কারণ লিভার এই ওষুধ মেটাবলাইজ বা ভাঙতে পারে না।

৩. শ্বাসকষ্ট (Respiratory Disease): হাঁপানি বা ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (COPD) রোগীদের ক্ষেত্রে এটি শ্বাসক্রিয়া আরও ধীর করে দিতে পারে।

৪. গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান: গর্ভাবস্থায় ক্লোনাজিপাম ভ্রূণের ক্ষতি করতে পারে। এটি ‘ক্যাটাগরি ডি’ (Category D) ভুক্ত ওষুধ। স্তন্যদানকারী মায়েদের দুধের মাধ্যমে এটি শিশুর শরীরে প্রবেশ করতে পারে, তাই এটি এড়িয়ে চলাই উত্তম।

গাড়ি চালনা ও যন্ত্রপাতি ব্যবহার:

Pase 0.5 সেবনের পর তন্দ্রাচ্ছন্নতা বা ঝিমুনি ভাব হতে পারে। তাই ওষুধটি সেবন করে গাড়ি চালানো বা ভারী যন্ত্রপাতি পরিচালনা করা থেকে বিরত থাকুন।

প্রত্যাহারজনিত সমস্যা (Withdrawal Symptoms)

দীর্ঘদিন Pase 0.5 ব্যবহারের পর হঠাৎ করে বন্ধ করে দেওয়া অত্যন্ত বিপজ্জনক। একে ‘উইথড্রয়াল সিনড্রোম’ বলা হয়। হঠাৎ বন্ধ করলে নিচের সমস্যাগুলো হতে পারে:

  • তীব্র অনিদ্রা এবং উদ্বেগ ফিরে আসা (Rebound Anxiety)।

  • হাত-পা কাঁপা (Tremor)।

  • ঘাম হওয়া এবং বুক ধড়ফড় করা।

  • সবচেয়ে গুরুতর ক্ষেত্রে খিঁচুনি (Seizures) হতে পারে।

সঠিক নিয়ম: ওষুধটি বন্ধ করার প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শে ধীরে ধীরে মাত্রা কমিয়ে (Tapering) বন্ধ করতে হয়।

Pase 0.5 এর দাম ও প্রাপ্যতা (Price in Bangladesh)

অপসোনিন ফার্মা লিমিটেড (Opsonin Pharma Ltd.) এর Pase 0.5 বাংলাদেশের প্রায় সব লাইসেন্সপ্রাপ্ত ফার্মেসিতে পাওয়া যায়। তবে দাম সময়ভেদে পরিবর্তন হতে পারে।

বর্তমান বাজার দর (২০২৬ আপডেট অনুযায়ী):

  • প্রতি পিস ট্যাবলেট: ৬.৫০ – ৭.০০ টাকা (প্রায়)।

  • এক পাতা (১৫টি ট্যাবলেট): ৯৭.৫০ – ১০০ টাকা (প্রায়)।

  • প্যাক সাইজ: সাধারণত একটি বক্সে ৩টি বা ৫টি স্ট্রিপ থাকে।

(দ্রষ্টব্য: ওষুধের দাম উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান যেকোনো সময় পরিবর্তন করতে পারে। কেনার সময় প্যাকেটের গায়ের মূল্য দেখে নিন।)

Pase 0.5 (ক্লোনাজিপাম) মানসিক প্রশান্তি এবং মৃগী রোগ নিয়ন্ত্রণে একটি অত্যন্ত কার্যকরী ওষুধ। কিন্তু এটি কোনো সাধারণ ব্যথানাশক বা ঘুমের ওষুধ নয় যে ইচ্ছেমতো খাওয়া যাবে। এর দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহার শারীরিক ও মানসিক নির্ভরশীলতা তৈরি করতে পারে। তাই, “ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ সেবন করবেন না”—এই নীতি মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি। সঠিক মাত্রায় এবং নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ব্যবহার করলে এটি জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে পারে, কিন্তু অপব্যবহার জীবনকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।

আপনার যদি মনে হয় ওষুধটি কাজ করছে না বা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হচ্ছে, তবে নিজে নিজে ডোজ পরিবর্তন না করে অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ মনোরোগ বা নিউরোলজি চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

(Disclaimer: এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র তথ্যের জন্য। এটি কোনো চিকিৎসীয় পরামর্শ নয়। যেকোনো ওষুধ সেবনের আগে অবশ্যই রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।)

About Author
Avatar

আমাদের স্টাফ রিপোর্টারগণ সর্বদা নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যাচ্ছেন যাতে আপনি বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের সর্বশেষ ও গুরুত্বপূর্ণ খবর পেতে পারেন। তাঁদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও প্রতিশ্রুতি আমাদের ওয়েবসাইটকে একটি বিশ্বস্ত তথ্যের উৎস হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।তারা নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ রিপোর্টিংয়ে বিশ্বাসী, দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক প্রতিবেদন তৈরিতে সক্ষম

আরও পড়ুন