মাত্র সেকেন্ডে ট্রেনযাত্রা! বাংলার ৫টি চমকপ্রদ ক্ষুদ্রতম রেল রুট যা আপনাকে অবাক করবে

Shortest Railway Routes in Bengal: বাংলার রেল ইতিহাসে এমন কিছু অদ্ভুত ও চমকপ্রদ রেল রুট রয়েছে যেখানে দুটি স্টেশনের মধ্যে দূরত্ব এত কম যে একটি ১২ কোচের ট্রেন দাঁড়ালে দুই…

Manoshi Das

 

Shortest Railway Routes in Bengal: বাংলার রেল ইতিহাসে এমন কিছু অদ্ভুত ও চমকপ্রদ রেল রুট রয়েছে যেখানে দুটি স্টেশনের মধ্যে দূরত্ব এত কম যে একটি ১২ কোচের ট্রেন দাঁড়ালে দুই স্টেশন থেকেই যাত্রীরা উঠতে পারেন। ভারতীয় রেলওয়ের পূর্ব রেলওয়ে এবং দক্ষিণ-পূর্ব রেলওয়ে জোনের অন্তর্গত কলকাতা শহরতলি রেলওয়ে নেটওয়ার্কে এমন কিছু রুট রয়েছে যেগুলি দেশের সবথেকে ছোট রেল রুটের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে । এই রুটগুলি শুধুমাত্র দূরত্বের দিক থেকেই নয়, বরং প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ যাত্রীদের যাতায়াতের সুবিধা প্রদান করে এবং কলকাতার শহরতলি এলাকার সংযোগ স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ।

টালিগঞ্জ থেকে লেক গার্ডেন্স – দেশের ক্ষুদ্রতম রেল দূরত্ব

বাংলার সবথেকে ছোট এবং ভারতের অন্যতম ক্ষুদ্রতম রেল রুট হলো টালিগঞ্জ (TLG) থেকে লেক গার্ডেন্স (LKF) পর্যন্ত। এই দুটি স্টেশনের মধ্যে দূরত্ব মাত্র ২০০ মিটার যা প্রায় একটি লোকাল ট্রেনের চারটি বগির সমান । আরও আশ্চর্যের বিষয় হলো, টালিগঞ্জের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে লেক গার্ডেন্সের প্ল্যাটফর্মের দূরত্ব মাত্র ১১০ মিটার । এই দুটি স্টেশন কলকাতা শহরতলি রেলওয়ের শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার অংশ এবং পূর্ব রেলওয়ের শিয়ালদহ বিভাগের অধীনে ।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব

এই দুটি স্টেশন ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ এবং বিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে কলকাতার দক্ষিণ শহরতলির উন্নয়নের সাথে সাথে তৈরি হয়েছিল । লোকাল ট্রেনে যাত্রা করার সময় এই দুই স্টেশনের মধ্যে দূরত্ব অতিক্রম করতে মাত্র কয়েক সেকেন্ড সময় লাগে। টালিগঞ্জ স্টেশনটি কোয়া (কলকাতা) থেকে ১৬.৮৭ কিলোমিটার দূরত্বে এবং লেক গার্ডেন্স ১৭.৭২ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত, যা তাদের নৈকট্য প্রমাণ করে ।

প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রী এই দুটি স্টেশন ব্যবহার করেন এবং অনেক সময় একটি ১২ কোচের বড় ট্রেন দাঁড়ালে দুই স্টেশন থেকেই যাত্রীরা ওঠানামা করতে পারেন । রবীন্দ্র সরোবর, টালিগঞ্জ ক্লাব এবং আশেপাশের আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের জন্য এই দুই স্টেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

হাওড়া স্টেশনে প্ল্যাটফর্ম সংখ্যা: একটি বিস্তৃত বিশ্লেষণ

শালিমার থেকে সাঁতরাগাছি – দ্রুততম শহরতলি সংযোগ

বাংলার দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম রেল রুট হলো শালিমার (SHM) থেকে সাঁতরাগাছি জংশন (SRC) পর্যন্ত। এই দুই স্টেশনের মধ্যে দূরত্ব মাত্র ৬ কিলোমিটার যা লোকাল ট্রেনে প্রায় ১৫ মিনিটে অতিক্রম করা যায় । শালিমার রেলওয়ে স্টেশন হাওড়ার শিবপুর এলাকায় অবস্থিত এবং দক্ষিণ-পূর্ব রেলওয়ের খড়গপুর বিভাগের অধীনে পরিচালিত হয় ।

রুট বিবরণ ও সেবা

শালিমার থেকে সাঁতরাগাছি রুটে প্রতিদিন একাধিক লোকাল ট্রেন চলাচল করে। ৩৮০৩৩ নম্বর শালিমার-সাঁতরাগাছি লোকাল ট্রেনটি শালিমার স্টেশন থেকে বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে ছেড়ে বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে সাঁতরাগাছিতে পৌঁছায় । এই রুটে মোট ৩টি স্টেশন রয়েছে – শালিমার, পদ্মপুকুর (PDPK) এবং সাঁতরাগাছি। ট্রেনটির গড় গতিবেগ ২৪ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা ।

শালিমার রেলওয়ে স্টেশনে তিনটি প্ল্যাটফর্ম এবং আঠারোটি ট্র্যাক রয়েছে । স্টেশনটি ১৯০৫ সালে প্রথম খোলা হয়েছিল এবং ২০০১ সালে বিদ্যুতায়িত হয় । এই রুটটি কলকাতা শহরতলি রেলওয়ের শালিমার-সাঁতরাগাছি লাইনের অংশ এবং হাওড়া ও দক্ষিণ শহরতলির মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ স্থাপন করে​।

হাওড়া থেকে বেলুড় মঠ – ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সংযোগ

হাওড়া জংশন (HWH) থেকে বেলুড় মঠ (BRMH) পর্যন্ত রেল রুটটি বাংলার তৃতীয় ক্ষুদ্রতম রেল রুট। এই দুই স্টেশনের মধ্যে দূরত্ব মাত্র ৭ কিলোমিটার যা লোকাল ট্রেনে প্রায় ২৫ মিনিটে অতিক্রম করা যায় । এই রুটটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি হুগলি নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত বিখ্যাত বেলুড় মঠের সাথে সংযোগ স্থাপন করে ।

ট্রেন সেবা ও সময়সূচি

হাওড়া থেকে বেলুড় মঠ রুটে প্রতিদিন একাধিক লোকাল ট্রেন চলাচল করে। ৩৭১১১ নম্বর হাওড়া-বেলুড়মঠ লোকাল ট্রেনটি সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে হাওড়া থেকে ছেড়ে সকাল ৮টা ০৫ মিনিটে বেলুড় মঠে পৌঁছায় । একইভাবে ৩৭১১৭ নম্বর ট্রেনটি বিকেল ৪টা ০৫ মিনিটে ছেড়ে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে পৌঁছায় । ট্রেনগুলির গড় গতিবেগ প্রায় ১৬.৮ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা।

বেলুড় মঠ রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রধান কার্যালয় এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থান। প্রতিদিন হাজার হাজার ভক্ত ও পর্যটক এই স্টেশন ব্যবহার করে বেলুড় মঠ দর্শন করতে আসেন। কলকাতা রেলওয়ে স্টেশন থেকে বেলুড় মঠের দূরত্ব ১৪ কিলোমিটার ।

ব্যান্ডেল থেকে লিলুয়া – শহরতলি নেটওয়ার্কের গুরুত্বপূর্ণ লিংক

ব্যান্ডেল থেকে লিলুয়া (বেলুড়মঠ স্টোর ইয়ার্ড থেকে) পর্যন্ত রুটটি মাত্র ১.৪৮৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং এটি একটি একক লাইন যা ওভার টেক সাইডিং (OTS) সুবিধাযুক্ত । এই রুটটি পূর্ব রেলওয়ের কলকাতা শহরতলি নেটওয়ার্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং হাওড়া-বর্ধমান প্রধান লাইনের সাথে সংযোগ স্থাপন করে।

ব্যান্ডেল জংশন একটি গুরুত্বপূর্ণ রেলওয়ে জংশন যেখান থেকে বন্দেল-কাটোয়া লাইন (১৭৯.৯১ কিলোমিটার) এবং ব্যান্ডেল-বর্ধমান লাইন বিভক্ত হয়েছে । হাওড়া থেকে বন্দেল জংশন পর্যন্ত পাঁচটি লাইন রয়েছে এবং এই অংশটি অত্যন্ত ব্যস্ত ​। 

বন্দে ভারত Kolkata: কলকাতা থেকে দ্রুতগামী যাত্রার স্বাদ নিন, জেনে নিন রুট ও টিকিট বুকিংয়ের বিস্তারিত তথ্য

শেওড়াফুলি থেকে তারকেশ্বর – তীর্থযাত্রীদের প্রিয় রুট

শেওড়াফুলি (SHE) থেকে তারকেশ্বর (TAK) পর্যন্ত রুট এবং তারকেশ্বর থেকে আরামবাগ ও গোঘাট পর্যন্ত সম্প্রসারিত লাইন বাংলার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ছোট রুট। শেওড়াফুলি থেকে তারকেশ্বর পর্যন্ত দূরত্ব ৩৪.৯৪ কিলোমিটার এবং এটি একটি ডাবল লাইন । তারকেশ্বর থেকে আরামবাগ পর্যন্ত ২৪.৪৮ কিলোমিটার এবং আরামবাগ থেকে গোঘাট পর্যন্ত ৯.৫৭ কিলোমিটার একক লাইন রয়েছে ।

তারকেশ্বর মন্দির পশ্চিমবঙ্গের একটি বিখ্যাত শিব মন্দির এবং প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ তীর্থযাত্রী এই স্থান পরিদর্শন করেন। এই রেল রুটটি তীর্থযাত্রীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং বিশেষত শ্রাবণ মাসে যাত্রী সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।

বাংলার ক্ষুদ্রতম রেল রুটের তুলনামূলক বিশ্লেষণ

রেল রুট দূরত্ব গড় সময় বিভাগ বিশেষত্ব
টালিগঞ্জ – লেক গার্ডেন্স ০.২ কিমি কয়েক সেকেন্ড শিয়ালদহ (ER) দেশের সবচেয়ে ছোট রুট
শালিমার – সাঁতরাগাছি ৬ কিমি ১৫ মিনিট খড়গপুর (SER) দ্রুততম শহরতলি সংযোগ
হাওড়া – বেলুড় মঠ ৭ কিমি ২৫ মিনিট হাওড়া (ER) ধর্মীয় গন্তব্য
ব্যান্ডেল – লিলুয়া ১.৪৮৫ কিমি হাওড়া (ER) একক লাইন OTS
শেওড়াফুলি – তারকেশ্বর ৩৪.৯৪ কিমি হাওড়া (ER) তীর্থযাত্রী রুট

পূর্ব রেলওয়ের ইতিহাস ও গঠন

পূর্ব রেলওয়ে ১৪ই এপ্রিল, ১৯৫২ সালে পূর্ব ভারতীয় রেলওয়ে এবং বেঙ্গল নাগপুর রেলওয়ের একীকরণের মাধ্যমে গঠিত হয়েছিল । পূর্ব ভারতীয় রেলওয়েতে শিয়ালদহ, হাওড়া, আসানসোল এবং দানাপুর বিভাগ অন্তর্ভুক্ত ছিল এবং সম্পূর্ণ বেঙ্গল নাগপুর রেলওয়ে এতে যুক্ত হয়েছিল । পরবর্তীতে, হাওড়া থেকে বিশাখাপত্তনম পর্যন্ত দক্ষিণে প্রসারিত বিএনআর অংশ পৃথক করা হয়েছিল।

হাওড়া থেকে পূর্ব রেলওয়ের ট্রাঙ্ক রুট সীতারামপুর পর্যন্ত ২২১ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত যেখান থেকে এটি দিল্লির দিকে দুটি দিকে ভাগ হয়েছে – একটি পাটনা হয়ে এবং অন্যটি অন্য পথে । পূর্ব রেলওয়ে এখন ভারতীয় রেলওয়ের সবচেয়ে ব্যস্ত জোনগুলির মধ্যে একটি এবং পূর্ব ভারতের লক্ষ লক্ষ যাত্রীর যাতায়াতের সুবিধা প্রদান করে।

কলকাতা শহরতলি রেলওয়ের বর্তমান অবস্থা

কলকাতা শহরতলি রেলওয়ে কলকাতা মেট্রোপলিটন এলাকা এবং পশ্চিমবঙ্গের আশেপাশের অঞ্চলগুলিতে সেবা প্রদান করে একটি শহরতলি এবং আঞ্চলিক রেল ব্যবস্থা । এটি পূর্ব ভারতের সবচেয়ে বড় এবং ব্যস্ততম শহরতলি রেল নেটওয়ার্ক। বন্দেল থেকে কাটোয়া লাইন ১০৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং বন্দেল জংশনে বিভক্ত হয়েছে ​।

বর্ধমান-কাটোয়া শাখা লাইন, যা মূলত একটি সংকীর্ণ গেজ লাইন ছিল এবং পরে ব্রড গেজে রূপান্তরিত হয়েছিল, বর্ধমান জংশনে বিভক্ত হয়ে ৫৩ কিলোমিটার দীর্ঘ । মেনাপুর থেকে বিষ্ণুপুর পর্যন্ত লাইনটি চলছে, কিন্তু পূর্ব রেলওয়ে ইএমইউ রেকের সরবরাহের সম্ভাবনা না থাকায়, সেই অংশটি বর্তমানে দক্ষিণ-পূর্ব রেলওয়ের শুধুমাত্র একটি MEMU রেক দ্বারা পরিচালিত হয় ।

যাত্রীসেবা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

এই ক্ষুদ্র রেল রুটগুলি প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ যাত্রীর যাতায়াতের সুবিধা প্রদান করে। কলকাতা শহরতলি রেলওয়ে নেটওয়ার্ক প্রতিদিন প্রায় ৩০ লক্ষেরও বেশি যাত্রী পরিবহন করে এবং এটি কলকাতার জনগণের জীবনযাত্রার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। ভারতীয় রেলওয়ে এই নেটওয়ার্ক আধুনিকীকরণ এবং সেবার মান উন্নত করার জন্য ক্রমাগত কাজ করে যাচ্ছে।

বর্তমানে বিদ্যুতায়ন, নতুন ইএমইউ রেক সংযোজন, স্টেশন আধুনিকীকরণ এবং ডিজিটাল টিকিটিং ব্যবস্থার মতো বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প চলমান রয়েছে। ভবিষ্যতে এই রুটগুলিতে আরও দ্রুত এবং আরামদায়ক সেবা প্রদানের পরিকল্পনা রয়েছে।

পরিবেশগত প্রভাব ও সামাজিক তাৎপর্য

শহরতলি রেল ব্যবস্থা পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি সড়ক পরিবহনের উপর চাপ কমায় এবং বায়ু দূষণ হ্রাসে সহায়তা করে। কলকাতার মতো ঘনবসতিপূর্ণ শহরে এই রেল রুটগুলি কার্বন নিঃসরণ কমাতে এবং টেকসই পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সাহায্য করছে।

সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে, এই রেল রুটগুলি সমাজের সকল শ্রেণীর মানুষের জন্য সাশ্রয়ী এবং নির্ভরযোগ্য পরিবহন সুবিধা প্রদান করে। দৈনন্দিন যাত্রী, শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী থেকে শুরু করে তীর্থযাত্রী পর্যন্ত সবাই এই সেবার উপর নির্ভরশীল।

বাংলার এই ক্ষুদ্রতম রেল রুটগুলি কেবলমাত্র ভৌগোলিক দূরত্বের দিক থেকেই বিশেষ নয়, বরং এগুলি রাজ্যের যোগাযোগ ব্যবস্থার অপরিহার্য অংশ। টালিগঞ্জ-লেক গার্ডেন্সের মাত্র ২০০ মিটার থেকে শুরু করে শালিমার-সাঁতরাগাছি ও হাওড়া-বেলুড় মঠের মতো রুটগুলি প্রতিদিন লক্ষাধিক মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াতের মাধ্যম। পূর্ব রেলওয়ে এবং দক্ষিণ-পূর্ব রেলওয়ের ঐতিহাসিক ঐতিহ্য ও আধুনিক উন্নয়নের সমন্বয়ে এই রুটগুলি আজও সচল রয়েছে। ভবিষ্যতে আরও আধুনিকীকরণ এবং উন্নত সেবার মাধ্যমে এই রেল রুটগুলি বাংলার পরিবহন ব্যবস্থায় আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা যায়। পরিবেশবান্ধব, সাশ্রয়ী এবং নির্ভরযোগ্য পরিবহন ব্যবস্থা হিসেবে এই শহরতলি রেল নেটওয়ার্ক কলকাতা ও পশ্চিমবঙ্গের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখছে।

About Author
Manoshi Das

মানসী দাস একজন মার্কেটিং এর ছাত্রী এবং আমাদের বাংলাদেশ প্রতিনিধি। তিনি তাঁর অধ্যয়ন ও কর্মজীবনের মাধ্যমে বাংলাদেশের বাজার ও ব্যবসায়িক পরিবেশ সম্পর্কে গভীর জ্ঞান অর্জন করেছেন। একজন উদীয়মান লেখিকা হিসেবে, মানসী বাংলাদেশের সামাজিক-অর্থনৈতিক অবস্থা, স্থানীয় বাজারের প্রবণতা এবং ব্র্যান্ডিং কৌশল নিয়ে লিখে থাকেন। তাঁর লেখনীতে বাংলাদেশের যুব সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি ও আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হয়।

আরও পড়ুন