২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পূর্ণাঙ্গ সূচি প্রকাশ: ভারত বনাম পাকিস্তান ম্যাচে মাতবে ক্রিকেট বিশ্ব!

আইসিসি পুরুষদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর পূর্ণাঙ্গ সূচি প্রকাশিত হয়েছে, যা ভারত এবং শ্রীলঙ্কা যৌথভাবে আয়োজন করবে। টুর্নামেন্টটি ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে শুরু হবে এবং ৮ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত চলবে। এই…

Ani Roy

 

আইসিসি পুরুষদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর পূর্ণাঙ্গ সূচি প্রকাশিত হয়েছে, যা ভারত এবং শ্রীলঙ্কা যৌথভাবে আয়োজন করবে। টুর্নামেন্টটি ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে শুরু হবে এবং ৮ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত চলবে। এই বিশ্বকাপে ২০টি দল অংশ নেবে, যা ৪টি গ্রুপে বিভক্ত থাকবে এবং ভারত ও শ্রীলঙ্কার ৮টি মনোমুগ্ধকর ভেন্যুতে ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে। সবচেয়ে রোমাঞ্চকর বিষয় হলো ভারত বনাম পাকিস্তান ম্যাচটি ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে।

টুর্নামেন্টের মূল তথ্য ও ফরম্যাট

আইসিসি মেন্স টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ হবে এই টুর্নামেন্টের দশম সংস্করণ। মুম্বাইয়ের ওয়াঙ্খেড়ে স্টেডিয়ামে সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে টাইটেল ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ভারত তাদের অভিযান শুরু করবে। ২৯ দিনব্যাপী এই টুর্নামেন্টে মোট ৮টি ভেন্যুতে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে – ভারতের ৫টি এবং শ্রীলঙ্কার ৩টি স্টেডিয়ামে। ২০২৪ সালের সফল ফরম্যাট অনুসরণ করে এই টুর্নামেন্ট পরিচালিত হবে, যেখানে ২০টি দলকে পাঁচ দলের চারটি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে।

গ্রুপ বিভাজন ও অংশগ্রহণকারী দল

টুর্নামেন্টের গ্রুপ বিভাজন অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক এবং আকর্ষণীয় হয়েছে। প্রতিটি গ্রুপ থেকে শীর্ষ দুই দল সুপার এইট পর্যায়ে উন্নীত হবে।

গ্রুপ অংশগ্রহণকারী দল
গ্রুপ এ ভারত, পাকিস্তান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, নেদারল্যান্ডস, নামিবিয়া
গ্রুপ বি অস্ট্রেলিয়া, শ্রীলঙ্কা, জিম্বাবুয়ে, আয়ারল্যান্ড, ওমান
গ্রুপ সি ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, বাংলাদেশ, ইতালি, নেপাল
গ্রুপ ডি দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, আফগানিস্তান, কানাডা, সংযুক্ত আরব আমিরাত

গ্রুপ এ-তে ভারত ও পাকিস্তানের মতো প্রতিদ্বন্দ্বী দুই দল থাকায় এটি ‘ডেথ গ্রুপ’ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। গ্রুপ সি-তে দুইবারের চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ রয়েছে, যেখানে ইতালি প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে।

চমক! ২০২৪-এ ভারতের T20 বিশ্বকাপ জয়ের পিছনে লুকিয়ে আছে এই অবিশ্বাস্য রহস্য!

কোয়ালিফিকেশন প্রক্রিয়া

২০টি দলের মধ্যে ভারত এবং শ্রীলঙ্কা আয়োজক দেশ হিসেবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ্যতা অর্জন করেছে। বাংলাদেশ, আফগানিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শীর্ষ সাতটি স্থান অধিকার করে যোগ্যতা অর্জন করেছে। পাকিস্তান, আয়ারল্যান্ড এবং নিউজিল্যান্ড আইসিসি টি২০ র‍্যাঙ্কিংয়ের মাধ্যমে তাদের স্থান নিশ্চিত করেছে। কানাডা, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, নামিবিয়া, নেপাল, ওমান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত আঞ্চলিক টুর্নামেন্টের মাধ্যমে যোগ্যতা অর্জন করেছে।

টুর্নামেন্টের ভেন্যু তালিকা

আইসিসি ভারত ও শ্রীলঙ্কার সবচেয়ে বিখ্যাত এবং বৃহত্তম স্টেডিয়ামগুলো এই টুর্নামেন্টের জন্য নির্বাচন করেছে।

ভারতের ভেন্যুসমূহ

নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়াম, আহমেদাবাদ বিশ্বের বৃহত্তম ক্রিকেট স্টেডিয়াম হিসেবে ফাইনাল ম্যাচ আয়োজনের জন্য নির্বাচিত হয়েছে। এছাড়া ওয়াঙ্খেড়ে স্টেডিয়াম (মুম্বাই), ইডেন গার্ডেন্স (কলকাতা), এম এ চিদাম্বরম স্টেডিয়াম (চেন্নাই) এবং অরুণ জেটলি স্টেডিয়াম (নয়াদিল্লি) ভারতীয় ভেন্যু হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। এই স্টেডিয়ামগুলো ভারতীয় ক্রিকেটের ঐতিহ্যবাহী কেন্দ্র এবং এখানে বিশ্বমানের সুযোগ-সুবিধা রয়েছে।

শ্রীলঙ্কার ভেন্যুসমূহ

শ্রীলঙ্কার তিনটি স্টেডিয়াম – আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়াম (কলম্বো), সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব গ্রাউন্ড (কলম্বো) এবং পালেকেলে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়াম (ক্যান্ডি) টুর্নামেন্ট আয়োজনের জন্য নির্বাচিত হয়েছে। গ্রুপ বি-র সব ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত হবে এবং পাকিস্তানের সব ম্যাচও শ্রীলঙ্কান ভেন্যুতে খেলা হবে।

গ্রুপ পর্বের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচসমূহ

উদ্বোধনী দিনের রোমাঞ্চ

৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী দিনে তিনটি মনোমুগ্ধকর ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। পাকিস্তান বনাম নেদারল্যান্ডস ম্যাচটি সকাল ১১টায় কলম্বোর এসএসসি গ্রাউন্ডে শুরু হবে। দুপুর ৩টায় কলকাতায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ বাংলাদেশের মুখোমুখি হবে। দিনের প্রধান আকর্ষণ হবে সন্ধ্যা ৭টায় মুম্বাইয়ে ভারত বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাচ, যেখানে চ্যাম্পিয়ন ভারত তাদের টাইটেল ডিফেন্সের যাত্রা শুরু করবে।

ভারত বনাম পাকিস্তান মহাসমর

১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সন্ধ্যা ৭টায় কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে ভারত বনাম পাকিস্তান ম্যাচ। এটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এই দুই দলের নবম মুখোমুখি হবে। আইসিসির নিরপেক্ষ ভেন্যু নীতির কারণে এই ম্যাচটি কলম্বোতে আয়োজিত হচ্ছে, যা ২০২৪-২০২৭ সালের আইসিসি ইভেন্ট সাইকেলের জন্য প্রযোজ্য। এই নীতি অনুযায়ী, ভারত বা পাকিস্তান দ্বারা আয়োজিত আইসিসি ইভেন্টে এই দুই দলের মধ্যকার যেকোনো ম্যাচ নিরপেক্ষ ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে।

ICC Champions Trophy 2025: ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিরপেক্ষ ভেন্যুতে, সূচি প্রকাশিত!

গ্রুপ পর্বের সম্পূর্ণ সূচি

৭ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ৪০টি গ্রুপ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি গ্রুপ থেকে শীর্ষ দুই দল সুপার এইট পর্যায়ে উন্নীত হবে।

তারিখ সময় দল ১ দল ২ ভেন্যু
০৭ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১:০০ পাকিস্তান নেদারল্যান্ডস এসএসসি, কলম্বো
০৭ ফেব্রুয়ারি দুপুর ০৩:০০ ওয়েস্ট ইন্ডিজ বাংলাদেশ কলকাতা
০৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ০৭:০০ ভারত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মুম্বাই
০৮ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১:০০ নিউজিল্যান্ড আফগানিস্তান চেন্নাই
০৮ ফেব্রুয়ারি দুপুর ০৩:০০ ইংল্যান্ড নেপাল মুম্বাই
০৮ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ০৭:০০ শ্রীলঙ্কা আয়ারল্যান্ড প্রেমাদাসা, কলম্বো
১২ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ০৭:০০ ভারত নামিবিয়া দিল্লি
১৫ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ০৭:০০ ভারত পাকিস্তান প্রেমাদাসা, কলম্বো
১৮ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ০৭:০০ ভারত নেদারল্যান্ডস আহমেদাবাদ

সুপার এইট পর্ব এবং নকআউট রাউন্ড

সুপার এইট ফরম্যাট

২১ ফেব্রুয়ারি থেকে সুপার এইট পর্ব শুরু হবে, যেখানে আট দলকে পূর্ব-নির্ধারিত সিডিং অনুযায়ী দুটি গ্রুপে রাখা হবে। আইসিসি সুপার এইট পর্যায়ের জন্য সিডিং প্রকাশ করেছে: এক্স১ – ভারত, এক্স২ – অস্ট্রেলিয়া, এক্স৩ – ওয়েস্ট ইন্ডিজ, এক্স৪ – দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ওয়াই১ – ইংল্যান্ড, ওয়াই২ – নিউজিল্যান্ড, ওয়াই৩ – পাকিস্তান, ওয়াই৪ – শ্রীলঙ্কা। যদি কোনো পূর্ব-নির্ধারিত দল যোগ্যতা অর্জনে ব্যর্থ হয়, তবে তার গ্রুপ থেকে যোগ্যতা অর্জনকারী দল সেই স্থান নেবে। সুপার এইট সমাপ্তির পর শীর্ষ চার দল নকআউট পর্যায়ে উন্নীত হবে।

সেমিফাইনাল ও ফাইনাল

৪ মার্চ প্রথম সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে কলকাতায়, তবে পাকিস্তান যোগ্যতা অর্জন করলে এটি কলম্বোতে স্থানান্তরিত হবে। ৫ মার্চ দ্বিতীয় সেমিফাইনাল মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত হবে। যদি ভারত ও পাকিস্তান সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয়, সেই ম্যাচ কলম্বোতে আয়োজিত হবে। ৮ মার্চ ২০২৬ আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে, তবে পাকিস্তান ফাইনালে পৌঁছালে ভেন্যু কলম্বোতে পরিবর্তিত হবে।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০০৭ সালে প্রথম আয়োজিত হয়েছিল এবং ভারত প্রথম চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। এরপর থেকে ছয়টি ভিন্ন দল এই শিরোপা জিতেছে, যা এই টুর্নামেন্টের প্রতিযোগিতামূলক প্রকৃতি প্রমাণ করে। ভারত (২০০৭ এবং ২০২৪) এবং ইংল্যান্ড (২০১০ এবং ২০২২) দুইবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। পাকিস্তান (২০০৯), শ্রীলঙ্কা (২০১৪), ওয়েস্ট ইন্ডিজ (২০১২ এবং ২০১৬) এবং অস্ট্রেলিয়া (২০২১) অন্যান্য বিজয়ী দল। ২০২৬ সালে ভারত প্রথম দল হিসেবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শিরোপা রক্ষা করার চেষ্টা করবে।

রোহিত শর্মার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর নিয়োগ

আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত একটি জমকালো অনুষ্ঠানে সূচি প্রকাশ করেন এবং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বিজয়ী অধিনায়ক রোহিত শর্মাকে আইসিসি মেন্স টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। রোহিত শর্মা ২০০৭ এবং ২০২৪ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছেন এবং তিনি বলেছেন যে এই টুর্নামেন্টে প্রতিটি ম্যাচই বিশেষ এবং অনেক কিছু ঝুঁকিতে থাকে।

টিকিট ও ভ্রমণ প্যাকেজ তথ্য

যারা টুর্নামেন্টের টিকিট কিনতে আগ্রহী, তারা আইসিসির অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে তাদের আগ্রহ নিবন্ধন করতে পারেন এবং টিকিট বিক্রয় শুরু হলে তারা বিজ্ঞপ্তি পাবেন। আইসিসি ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরসের মাধ্যমে পরিচালিত অফিশিয়াল ট্রাভেল প্রোগ্রামের মাধ্যমে টিকিট-সহ অফিশিয়াল ভ্রমণ প্যাকেজ উপলব্ধ থাকবে। ভক্তরা আগ্রহ নিবন্ধন করে প্রথম ক্রেতা হওয়ার সুযোগ পেতে পারেন।

টুর্নামেন্টের গুরুত্ব ও প্রভাব

আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ বলেছেন, “এত দ্রুত মহিলাদের ক্রিকেট বিশ্বকাপের পর আইসিসি মেন্স টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ উপমহাদেশে ফিরে আসা দারুণ। এই অঞ্চলে ক্রিকেটের প্রতি ভালোবাসা অতুলনীয় এবং ভক্তরা আরেকটি বৈশ্বিক দর্শনীয় ইভেন্টের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।” আইসিসি সিইও সঞ্জয় গুপ্ত বলেছেন যে এই টুর্নামেন্ট ক্রিকেট ইভেন্টের একটি নতুন যুগের সূচনা করবে এবং ক্রিকেটের সবচেয়ে অপ্রত্যাশিত ফরম্যাটে পাঁচটি মহাদেশের ২০টি দল শিরোপার জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট খেলাধুলার বৈশ্বিক সম্প্রসারণকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে এবং ২০২৮ সালের লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকে প্রদর্শিত হবে, যা এই টুর্নামেন্টের গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দেয়।

পূর্ববর্তী টুর্নামেন্টের স্মৃতি

রোহিত শর্মা টুর্নামেন্টের স্মৃতিচারণ করে বলেছেন, “আমার সৌভাগ্য হয়েছে যে আমি দুইবার এই টুর্নামেন্ট জিতেছি। ২০০৭ সালে একজন তরুণ হিসেবে শিরোপা জিতেছিলাম এবং তারপর ২০২৪ সালে অধিনায়ক হিসেবে এটি তুলে ধরেছি। শুধু ফাইনাল নয়, অন্যান্য অনেক ম্যাচও আমার কাছে সমান আবেগের সাথে মনে আছে।” তিনি বারবাডোসে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সূর্যকুমার যাদবের দুর্দান্ত ক্যাচ, ২০২২ সালে মেলবোর্নে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিরাট কোহলির ইনিংস এবং ২০০৭ সালে ডারবানে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ষে যুবরাজ সিংয়ের ছয় ছক্কার কথা উল্লেখ করেছেন।

ভারত ও শ্রীলঙ্কার আয়োজনের অভিজ্ঞতা

ভারত এবং শ্রীলঙ্কা দ্বিতীয়বারের মতো আইসিসি মেন্স টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন করছে। শ্রীলঙ্কা ২০১২ সংস্করণের আয়োজক ছিল এবং ভারত ২০১৬ সালে এটি আয়োজন করেছিল, উভয় সংস্করণেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। উপমহাদেশ ক্রিকেটপ্রেমী এবং বিশ্বমানের ক্রিকেট অবকাঠামোর জন্য বিখ্যাত, যা এই টুর্নামেন্টকে একটি অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা করে তুলবে।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ ক্রিকেট ইতিহাসে একটি মাইলফলক হতে চলেছে, যেখানে বিশ্বের সেরা ২০টি দল এক মাসব্যাপী রোমাঞ্চকর প্রতিযোগিতায় অংশ নিবে। ভারত এবং শ্রীলঙ্কার আতিথেয়তা, বিশ্বমানের ভেন্যু এবং প্রতিযোগিতামূলক ফরম্যাট এই টুর্নামেন্টকে একটি অনন্য অভিজ্ঞতায় পরিণত করবে। ভারত বনাম পাকিস্তানের মতো বড় ম্যাচগুলো লাখো দর্শককে আকৃষ্ট করবে এবং টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা আরও বৃদ্ধি পাবে। ভক্তরা এখন টিকিট কেনার জন্য আগ্রহ নিবন্ধন করতে পারেন এবং এই মহাযজ্ঞের অংশ হওয়ার প্রস্তুতি নিতে পারেন, যেখানে ইতিহাস রচিত হবে এবং নতুন চ্যাম্পিয়ন মুকুট পরবে।

About Author
Ani Roy

অনি বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এডুকেশনে স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন। শিক্ষার প্রতি গভীর অনুরাগ এবং আজীবন শেখার প্রতি প্রতিশ্রুতি নিয়ে অনি নতুন শিক্ষামূলক পদ্ধতি ও প্র্যাকটিসগুলি অন্বেষণ করতে নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। তার একাডেমিক যাত্রা তাকে শিক্ষার তত্ত্ব এবং ব্যবহারিক শিক্ষণ কৌশলগুলিতে দৃঢ় ভিত্তি প্রদান করেছে। অনি অন্তর্দৃষ্টি এবং দক্ষতা তার চিন্তাশীল লেখাগুলিতে প্রতিফলিত হয়, যা শিক্ষাবিদ এবং শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত ও তথ্যপূর্ণ করার উদ্দেশ্যে লেখা। তিনি তার আকর্ষণীয় এবং প্রভাবশালী কাজের মাধ্যমে শিক্ষা ক্ষেত্রে অবদান রাখতে থাকেন।