Team India T20 Schedule 2026

আয়ারল্যান্ড, ইংল্যান্ড, জিম্বাবোয়ে—জুন থেকে জুলাই টিম ইন্ডিয়ার T20 ঝড়ের সম্পূর্ণ সূচি

ক্রিকেটভক্তদের জন্য সামনে একেবারে টানা উত্তেজনার মরশুম অপেক্ষা করে আছে। জুনের শেষ সপ্তাহ থেকে জুলাইয়ের শেষভাগ—এই অল্প সময়ের মধ্যেই Team India (টিম ইন্ডিয়া) খেলবে মোট ১০টি T20 Match (টি-টোয়েন্টি ম্যাচ)। প্রতিপক্ষও কম জমজমাট নয়—প্রথমে Ireland (আয়ারল্যান্ড), তারপর বড় মাপের England…

Updated Now: April 10, 2026 1:23 PM
বিজ্ঞাপন

ক্রিকেটভক্তদের জন্য সামনে একেবারে টানা উত্তেজনার মরশুম অপেক্ষা করে আছে। জুনের শেষ সপ্তাহ থেকে জুলাইয়ের শেষভাগ—এই অল্প সময়ের মধ্যেই Team India (টিম ইন্ডিয়া) খেলবে মোট ১০টি T20 Match (টি-টোয়েন্টি ম্যাচ)। প্রতিপক্ষও কম জমজমাট নয়—প্রথমে Ireland (আয়ারল্যান্ড), তারপর বড় মাপের England (ইংল্যান্ড) সিরিজ, আর শেষে Zimbabwe (জিম্বাবোয়ে) সফর। যারা শুধু “তারিখটা বলুন” টাইপ তথ্য খুঁজছেন, তাদের জন্যও এই লেখা কাজের। আবার যারা একটু গভীরে যেতে চান—কোন সিরিজ কতটা গুরুত্বপূর্ণ, কোথায় চ্যালেঞ্জ বেশি, কোন ম্যাচে নজর থাকবে—তাদের জন্যও এখানে সব সাজানো আছে।

সবচেয়ে বড় কথা, এই সূচি দেখে একটা বিষয় স্পষ্ট—ভারতীয় দলের জন্য এটা শুধু ব্যস্ত ক্যালেন্ডার নয়, বরং T20 Cricket (টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট)-এ কম্বিনেশন, বেঞ্চ স্ট্রেংথ, বিদেশের কন্ডিশনে মানিয়ে নেওয়া এবং বড় সিরিজের প্রস্তুতি যাচাই করার গুরুত্বপূর্ণ সময়। তাই শুধু ফিক্সচার মুখস্থ করার দরকার নেই; পুরো ছবিটা বোঝাই বেশি জরুরি।

এক নজরে টিম ইন্ডিয়ার জুন-জুলাই ২০২৬ T20 শিডিউল

জুন থেকে জুলাই ২০২৬-এর মধ্যে ভারতের ১০টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ তিনটি আলাদা সিরিজে ভাগ করা হয়েছে—২টি আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে, ৫টি ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে এবং ৩টি জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে। আয়ারল্যান্ড সিরিজের দুই ম্যাচই বেলফাস্টে ২৬ ও ২৮ জুন হবে। এরপর ১ থেকে ১১ জুলাই পর্যন্ত ইংল্যান্ড সফরে পাঁচ ম্যাচের T20I সিরিজ। তারপর ২৩, ২৫ ও ২৬ জুলাই হারারেতে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের সিরিজ।

পূর্ণ সূচি: তারিখ, প্রতিপক্ষ, ভেন্যু

ক্রমতারিখম্যাচভেন্যুদেশ
২৬ জুন ২০২৬আয়ারল্যান্ড বনাম ভারত, ১ম T20Iসিভিল সার্ভিস ক্রিকেট ক্লাব, বেলফাস্টউত্তর আয়ারল্যান্ড
২৮ জুন ২০২৬আয়ারল্যান্ড বনাম ভারত, ২য় T20Iসিভিল সার্ভিস ক্রিকেট ক্লাব, বেলফাস্টউত্তর আয়ারল্যান্ড
১ জুলাই ২০২৬ইংল্যান্ড বনাম ভারত, ১ম T20Iচেস্টার-লে-স্ট্রিটইংল্যান্ড
৪ জুলাই ২০২৬ইংল্যান্ড বনাম ভারত, ২য় T20Iম্যানচেস্টারইংল্যান্ড
৭ জুলাই ২০২৬ইংল্যান্ড বনাম ভারত, ৩য় T20Iনটিংহ্যামইংল্যান্ড
৯ জুলাই ২০২৬ইংল্যান্ড বনাম ভারত, ৪র্থ T20Iব্রিস্টলইংল্যান্ড
১১ জুলাই ২০২৬ইংল্যান্ড বনাম ভারত, ৫ম T20Iসাউদাম্পটনইংল্যান্ড
২৩ জুলাই ২০২৬জিম্বাবোয়ে বনাম ভারত, ১ম T20Iহারারে স্পোর্টস ক্লাবজিম্বাবোয়ে
২৫ জুলাই ২০২৬জিম্বাবোয়ে বনাম ভারত, ২য় T20Iহারারে স্পোর্টস ক্লাবজিম্বাবোয়ে
১০২৬ জুলাই ২০২৬জিম্বাবোয়ে বনাম ভারত, ৩য় T20Iহারারে স্পোর্টস ক্লাবজিম্বাবোয়ে

সিরিজভিত্তিক ভাগে দেখলে শিডিউলটা আরও পরিষ্কার

১) আয়ারল্যান্ড সফর: ছোট সিরিজ, কিন্তু একেবারেই হালকা নয়

অনেক পাঠক ভাবতে পারেন, মাত্র ২ ম্যাচের সিরিজ—এতে আবার এত গুরুত্ব কী? আসলে এই ধরনের সিরিজে বড় দলগুলো সাধারণত দু’টি জিনিস দেখে: প্রথমত, Combination (দলগত সমন্বয়); দ্বিতীয়ত, বিদেশের কন্ডিশনে তাড়াতাড়ি সেট হওয়ার ক্ষমতা। আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে ২৬ ও ২৮ জুন বেলফাস্টে ভারতের দুটি ম্যাচ হবে। এই সফর ভারতের জন্য ইংল্যান্ড সিরিজের আগে প্রস্তুতির মঞ্চ হিসেবেও ধরা হচ্ছে।

বেলফাস্টের পরিবেশ, আবহাওয়া, সুইং-সহায়ক শুরুর ওভার—এসবের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া ব্যাটারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। বিশেষ করে যারা ওপেনিং বা পাওয়ারপ্লে-তে নামবেন, তাদের জন্য এই সিরিজ ভালো পরীক্ষা। ছোট সিরিজ বলে ভুল করার সুযোগও কম। একটা ম্যাচ খারাপ গেলে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ হাতে গোনা।

২) ইংল্যান্ড সফর: জুন-জুলাই সূচির আসল হাইলাইট

জুলাইয়ের শুরুতেই ভারতের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে—ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৫ ম্যাচের T20I সিরিজ। ১, ৪, ৭, ৯ এবং ১১ জুলাই যথাক্রমে চেস্টার-লে-স্ট্রিট, ম্যানচেস্টার, নটিংহ্যাম, ব্রিস্টল এবং সাউদাম্পটনে ম্যাচগুলো হবে। সূচির দিক থেকে দেখলেও বোঝা যায়, এই সিরিজটা যথেষ্ট কমপ্যাক্ট এবং শারীরিক-মানসিকভাবে দাবি রাখবে।

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজ সবসময়ই আলাদা গুরুত্ব পায়। কারণ ওরা আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলে, ডেথ ওভারে গতি বাড়ায়, আর ঘরের মাঠে তাদের পরিকল্পনা খুব পরিষ্কার থাকে। ভারতের জন্য এখানে শুধু সিরিজ জেতাই লক্ষ্য হবে না; বরং দেখা হবে—মধ্যক্রম কতটা স্থির, ফিনিশাররা কতটা ধারালো, এবং বোলিং ইউনিট চাপের মুহূর্তে কীভাবে সাড়া দেয়।

আরও একটা গুরুত্বপূর্ণ দিক আছে। পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ভাগ্য নয়, ধারাবাহিকতা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এক ম্যাচে কেউ ঝলসে উঠতেই পারেন, কিন্তু পুরো সিরিজে ছন্দ ধরে রাখতে পারা অন্য ব্যাপার। তাই এই সিরিজ ভারতীয় দলের আসল মানদণ্ড হতে পারে।

৩) জিম্বাবোয়ে সফর: রোটেশন, সুযোগ আর তরুণদের পরীক্ষা

ইংল্যান্ড সিরিজের পর ২৩, ২৫ ও ২৬ জুলাই হারারেতে ভারতের তিন ম্যাচের T20I সিরিজ রয়েছে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে। সব ম্যাচই হারারে স্পোর্টস ক্লাবে। সময়সূচি দেখলেই বোঝা যায়, এই সিরিজ তুলনামূলকভাবে ঘন, বিশেষ করে দ্বিতীয় ও তৃতীয় ম্যাচের মাঝে বিরতি খুব কম।

এই ধরনের সিরিজে সাধারণত স্কোয়াড রোটেশন, নতুন মুখকে সুযোগ দেওয়া, আর বেঞ্চ স্ট্রেংথ মাপার সুযোগ থাকে। তবে এটাকে “সহজ” সিরিজ ভেবে নেওয়া ভুল হবে। কারণ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যেকোনো দলকে হালকা করে দেখলে সমস্যা হয়। আরও বড় কথা, জিম্বাবোয়ে নিজের মাঠে অনেক সময় প্রত্যাশার চেয়ে ভালো লড়াই দেয়।

এই ১০ ম্যাচের সূচি কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

প্রথম কারণ, খুব অল্প সময়ে টানা তিনটি আলাদা অ্যাসাইনমেন্ট। এতে বোঝা যায় টিম ম্যানেজমেন্টকে শুধু একাদশ নয়, পুরো Squad Depth (স্কোয়াডের গভীরতা) নিয়ে ভাবতে হবে। দ্বিতীয় কারণ, প্রতিপক্ষ ও কন্ডিশন তিন রকম—বেলফাস্ট, ইংল্যান্ড, হারারে—সব জায়গার চাহিদা আলাদা। তৃতীয় কারণ, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এক-দু’জন তারকা নয়, বরং রোল-ভিত্তিক ক্রিকেটার খুব জরুরি।

ধরুন, আয়ারল্যান্ডে নতুন বল নড়ল, ইংল্যান্ডে মাঝের ওভারে ব্যাটিং টেস্ট হল, আর জিম্বাবোয়েতে তরুণদের সুযোগ মিলল—এই তিনটিই একসঙ্গে বিচার করলে বোঝা যাবে ভারতের T20 সেট-আপ কতটা শক্ত। পাঠকের দিক থেকেও এই শিডিউল গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এক মাসের মধ্যে ধারাবাহিকভাবে ম্যাচ থাকবে; অর্থাৎ ক্রিকেট অ্যাকশন থামছেই না।

কোন সিরিজে কী নজরে রাখবেন?

আয়ারল্যান্ড সিরিজে নজর

  • ওপেনিং জুটি কত দ্রুত মানিয়ে নিচ্ছে
  • পাওয়ারপ্লে-তে ব্যাটিং অ্যাপ্রোচ
  • নতুন বলের বোলারদের কার্যকারিতা

ইংল্যান্ড সিরিজে নজর

  • পাঁচ ম্যাচে ধারাবাহিকতা
  • মিডল অর্ডারের স্থিরতা
  • ডেথ ওভারে বোলিং পরিকল্পনা
  • চাপের ম্যাচে নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত

জিম্বাবোয়ে সিরিজে নজর

  • তরুণদের সুযোগ মিলছে কি না
  • রোটেশন করেও দল কতটা ভারসাম্য রাখছে
  • ব্যাক-আপ ক্রিকেটাররা সুযোগ কাজে লাগাতে পারছে কি না

KKR Vs PBKS Match Preview: টানা হার থামাবে কেকেআর, না শ্রেয়সদের দাপট চলবে?

ভারতীয় সমর্থকদের জন্য ব্যবহারিক টিপস

শিডিউল দেখে শুধু “কবে ম্যাচ” জানলেই কাজ শেষ নয়। আপনি যদি নিয়মিত ক্রিকেট ফলো করেন, তাহলে এই কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখুন:

  • Series Start (সিরিজের শুরু) এবং Series End (সিরিজের শেষ) তারিখ আলাদা করে ক্যালেন্ডারে মার্ক করে রাখুন।
  • ইংল্যান্ড সিরিজের মতো লম্বা সিরিজে স্কোয়াড আপডেট বা ইনজুরি নিউজ নজরে রাখুন।
  • জিম্বাবোয়ে সফরে তরুণ ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্স আলাদা করে দেখুন—ভবিষ্যৎ দলে তারাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারেন।

ম্যাচভিত্তিক দ্রুত তালিকা

যারা খুব দ্রুত স্ক্যান করে তথ্য নিতে চান, তাদের জন্য আবারও সংক্ষেপে:

  • ২৬ জুন — ভারত বনাম আয়ারল্যান্ড, ১ম T20I, বেলফাস্ট
  • ২৮ জুন — ভারত বনাম আয়ারল্যান্ড, ২য় T20I, বেলফাস্ট
  • ১ জুলাই — ভারত বনাম ইংল্যান্ড, ১ম T20I, চেস্টার-লে-স্ট্রিট
  • ৪ জুলাই — ভারত বনাম ইংল্যান্ড, ২য় T20I, ম্যানচেস্টার
  • ৭ জুলাই — ভারত বনাম ইংল্যান্ড, ৩য় T20I, নটিংহ্যাম
  • ৯ জুলাই — ভারত বনাম ইংল্যান্ড, ৪র্থ T20I, ব্রিস্টল
  • ১১ জুলাই — ভারত বনাম ইংল্যান্ড, ৫ম T20I, সাউদাম্পটন
  • ২৩ জুলাই — ভারত বনাম জিম্বাবোয়ে, ১ম T20I, হারারে
  • ২৫ জুলাই — ভারত বনাম জিম্বাবোয়ে, ২য় T20I, হারারে
  • ২৬ জুলাই — ভারত বনাম জিম্বাবোয়ে, ৩য় T20I, হারারে

সাধারণ প্রশ্নোত্তর

জুন থেকে জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত ভারত মোট কয়টি T20 ম্যাচ খেলবে?

ভারত এই সময়ের মধ্যে মোট ১০টি T20 Match (টি-টোয়েন্টি ম্যাচ) খেলবে। এর মধ্যে ২টি আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে, ৫টি ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে এবং ৩টি জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে। তাই সূচিটা ছোট নয়, বরং যথেষ্ট ব্যস্ত ও গুরুত্বপূর্ণ।

টিম ইন্ডিয়ার সবচেয়ে বড় T20 সিরিজ কোনটি?

এই তালিকায় সবচেয়ে বড় সিরিজ অবশ্যই ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৫ ম্যাচের T20I সিরিজ। কারণ ম্যাচের সংখ্যা বেশি, প্রতিপক্ষ শক্তিশালী, আর সিরিজটি প্রতিযোগিতার দিক থেকে সবচেয়ে কঠিন বলে ধরা যায়। ধারাবাহিকতা মাপার জন্যও এই সিরিজ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

আয়ারল্যান্ড সিরিজ কি শুধু প্রস্তুতির জন্য?

অনেকেই সেটাই ভাবেন, কিন্তু পুরো বিষয়টা তার চেয়ে বড়। আয়ারল্যান্ড সিরিজ ছোট হলেও বিদেশের পরিবেশে দ্রুত মানিয়ে নেওয়া, ব্যাটিং কম্বিনেশন বোঝা এবং নতুন বলের পরিকল্পনা যাচাই করার জন্য এটি কার্যকর। ছোট সিরিজে ভুলের জায়গা কম, তাই এটাও সমান গুরুত্বের।

জিম্বাবোয়ে সফরে কি তরুণ ক্রিকেটারদের সুযোগ মিলতে পারে?

সম্ভাবনা যথেষ্ট আছে, বিশেষ করে যদি টিম ম্যানেজমেন্ট রোটেশন নীতি নেয়। তবে সেটা নির্ভর করবে স্কোয়াড ঘোষণা, ফিটনেস আপডেট এবং আগের সিরিজগুলোর ফলাফলের ওপর। এই সিরিজ সাধারণত ব্যাক-আপ খেলোয়াড়দের যাচাইয়ের ভালো সুযোগ তৈরি করে।

এই শিডিউল ক্রিকেট সমর্থকদের জন্য কেন এত আকর্ষণীয়?

কারণ অল্প সময়ে তিনটি আলাদা দেশের বিরুদ্ধে টানা টি-টোয়েন্টি অ্যাকশন দেখা যাবে। একদিকে প্রস্তুতির ম্যাচ, অন্যদিকে কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা, আবার শেষে স্কোয়াড রোটেশনের সম্ভাবনা—সব মিলিয়ে গল্প, উত্তেজনা আর বিশ্লেষণ—তিনটাই আছে। ক্রিকেটভক্তদের জন্য এটা একেবারে ফুল প্যাকেজ সূচি।

উপসংহার

জুন থেকে জুলাই ২০২৬—এই সময়টা টিম ইন্ডিয়ার জন্য নিছক একটা ব্যস্ত ক্যালেন্ডার নয়; বরং টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে নিজেদের শক্তি, গভীরতা এবং ধারাবাহিকতা মাপার দুর্দান্ত সুযোগ। আয়ারল্যান্ড সিরিজে শুরু, ইংল্যান্ডে বড় পরীক্ষা, আর জিম্বাবোয়েতে সম্ভাবনার দরজা—এই ১০টি ম্যাচ মিলিয়ে ভারতীয় দলের জন্য একটা পূর্ণাঙ্গ T20 অধ্যায় তৈরি হতে চলেছে।

আপনি যদি টিম ইন্ডিয়ার ম্যাচ মিস করতে না চান, তাহলে এখনই এই শিডিউল সেভ করে রাখুন। আর ক্রিকেটের আরও বাংলা আপডেট, বিশ্লেষণ ও ফিচারের জন্য Think Bengal-এর Cricket Section (ক্রিকেট বিভাগ)