জয়েন করুন

কলকাতার সেরা ১০ চক্ষু বিশেষজ্ঞ যাদের কাছে আপনি নিঃসন্দেহে যেতে পারেন

Top eye specialists Kolkata: কলকাতা ভারতের অন্যতম বৃহত্তম মহানগরী এবং এখানে অনেক বিখ্যাত চক্ষু বিশেষজ্ঞ রয়েছেন। তবে এত বিকল্পের মধ্যে থেকে সেরা চক্ষু বিশেষজ্ঞ বেছে নেওয়া একটু কঠিন হতে পারে।…

avatar
Written By : Debolina Roy
Updated Now: October 31, 2024 6:47 PM
বিজ্ঞাপন

Top eye specialists Kolkata: কলকাতা ভারতের অন্যতম বৃহত্তম মহানগরী এবং এখানে অনেক বিখ্যাত চক্ষু বিশেষজ্ঞ রয়েছেন। তবে এত বিকল্পের মধ্যে থেকে সেরা চক্ষু বিশেষজ্ঞ বেছে নেওয়া একটু কঠিন হতে পারে। তাই আমরা আপনাদের জন্য কলকাতার সেরা 10 জন চক্ষু বিশেষজ্ঞের একটি তালিকা তৈরি করেছি, যাদের কাছে আপনি নিঃসন্দেহে যেতে পারেন।

এই তালিকাটি তৈরি করার সময় আমরা বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করেছি, যেমন – ডাক্তারদের অভিজ্ঞতা, শিক্ষাগত যোগ্যতা, রোগীদের প্রতিক্রিয়া, হাসপাতালের সুযোগ-সুবিধা ইত্যাদি। তবে মনে রাখবেন, এটি কোনো র‍্যাঙ্কিং নয়, কারণ প্রত্যেক ডাক্তারের নিজস্ব বিশেষজ্ঞতা রয়েছে।

১. ডাঃ সৌরভ বোস

ডাঃ সৌরভ বোস কলকাতার অন্যতম বিখ্যাত চক্ষু বিশেষজ্ঞ। তিনি নয়ন জ্যোতি আই কেয়ার সেন্টারের সাথে যুক্ত। ১১ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন এই ডাক্তার MBBS এবং MS (চক্ষু বিজ্ঞান) ডিগ্রিধারী। তিনি সাধারণ চক্ষু পরীক্ষা থেকে শুরু করে জটিল চক্ষু অস্ত্রোপচার পর্যন্ত সব ধরনের চিকিৎসা করে থাকেন। তার ফি ৪০০ টাকা।

২. ডাঃ দেবাশিস

রোশনি আই ফাউন্ডেশনের সাথে যুক্ত ডাঃ দেবাশিস একজন দক্ষ চক্ষু বিশেষজ্ঞ। তিনি বিনামূল্যে রোগী দেখেন, যা তাকে অনেক রোগীর কাছে জনপ্রিয় করে তুলেছে। তিনি সোমবার থেকে শনিবার পর্যন্ত রোগী দেখেন।

৩. ডাঃ সোমদত্ত প্রসাদ

৩৭ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ডাঃ সোমদত্ত প্রসাদ AMRI মেডিক্যাল সেন্টারের সাথে যুক্ত। তিনি FACS, FRCOphth, FRCS, MS (চক্ষু বিজ্ঞান) এবং MBBS ডিগ্রিধারী। রেটিনা ও লেসিক সার্জারি, ভিট্রিও-রেটিনাল সার্জারি, দূরদৃষ্টি ইত্যাদি ক্ষেত্রে তিনি বিশেষজ্ঞ। তার ফি ৫৫০ টাকা।
কলকাতার সেরা ৫ জন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ: যাদের কাছে যাওয়া উচিত

৪. ডাঃ পবন স্থাপক

৩০ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ডাঃ পবন স্থাপক জনজ্যোতি সুপার স্পেশালিটি আই হাসপাতালের সাথে যুক্ত। তিনি MS (চক্ষু বিজ্ঞান) ডিগ্রিধারী এবং চক্ষু পরীক্ষায় বিশেষজ্ঞ। তার ফি ৪০০ টাকা।

৫. ডাঃ সুরেন্দ্র প্রকাশ

বি বি আই ফাউন্ডেশনের সাথে যুক্ত ডাঃ সুরেন্দ্র প্রকাশের ১৩ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি MS (চক্ষু বিজ্ঞান) এবং ভিট্রিওরেটিনাল সার্জারিতে ফেলোশিপ করেছেন। তার ফি ৫০০ টাকা।

৬. ডাঃ প্রবীণ কুমার সিং

২৮ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ডাঃ প্রবীণ কুমার সিং সাইট এন স্মাইল আই অ্যান্ড ডেন্টাল ক্লিনিকের সাথে যুক্ত। তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করেছেন। তার ফি ৮০০ টাকা।

৭. ডাঃ সোমনাথ ঘোষ

৩৪ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ডাঃ সোমনাথ ঘোষ অপটেইড আই কেয়ারের সাথে যুক্ত। তিনি চক্ষু বিজ্ঞানে ডিপ্লোমাধারী। তার ফি ৬০০ টাকা।

৮. ডাঃ হরজিত সিং

৪৪ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ডাঃ হরজিত সিং ভোহরা আই অ্যান্ড ডেন্টাল ক্লিনিকের সাথে যুক্ত। তিনি MBBS এবং MS (চক্ষু বিজ্ঞান) ডিগ্রিধারী। চক্ষু পরীক্ষায় তিনি বিশেষজ্ঞ। তার ফি ৮০০ টাকা।

৯. ডাঃ সৌম্য এন খাতুয়া

১৮ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ডাঃ সৌম্য এন খাতুয়া আইরিস হাসপাতালের সাথে যুক্ত। তিনি পিডিয়াট্রিক অপটোমেট্রি ও অর্থোপ্টিক্সে ফেলো এবং MS (অপটোমেট্রি) ডিগ্রিধারী। তিনি টেড়া চোখ এবং লেসিক সার্জারিতে বিশেষজ্ঞ। তার ফি ৫০০ টাকা।

১০. ডাঃ মনালিসা প্রমাণিক নন্দী

৩৩ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ডাঃ মনালিসা প্রমাণিক নন্দী শঙ্কর জ্যোতি আই ইনস্টিটিউটের সাথে যুক্ত। তিনি MBBS (ক্যাল) অনার্স এবং DO (ক্যাল) স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত। তার ফি ৫০০ টাকা।এই ডাক্তারদের মধ্যে থেকে আপনি আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী যে কোনো একজনের কাছে যেতে পারেন।
কিডনি ড্যামেজের ১০টি প্রারম্ভিক লক্ষণ যা আপনাকে সতর্ক করবে – 

তবে মনে রাখবেন, চক্ষু স্বাস্থ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এর জন্য নিয়মিত পরীক্ষা করানো উচিত। গবেষণায় দেখা গেছে, ভারতে প্রতি বছর প্রায় ২৭ বিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক ক্ষতি হয় অন্ধত্বের কারণে। এর মধ্যে ৯০% ক্ষেত্রেই এই অন্ধত্ব প্রতিরোধযোগ্য।ভারত সরকারের জাতীয় অন্ধত্ব নিয়ন্ত্রণ ও দৃষ্টি প্রতিবন্ধকতা কর্মসূচি অনুযায়ী, ২০২০ সালের মধ্যে অন্ধত্বের হার ০.৩% এ নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। ২০১৫-১৮ সালের সমীক্ষা অনুযায়ী, বর্তমানে এই হার ০.৪৫%।অন্ধত্বের প্রধান কারণগুলি হল:

  • ছানি (৬২.৬%)
  • রিফ্র্যাক্টিভ এরর (১৯.৭০%)
  • কর্নিয়াল অন্ধত্ব (০.৯০%)
  • গ্লুকোমা (৫.৮০%)
  • অস্ত্রোপচারজনিত জটিলতা (১.২০%)
  • পশ্চাৎ ক্যাপসুলার অস্বচ্ছতা (০.৯০%)
  • পশ্চাৎ সেগমেন্ট ডিসঅর্ডার (৪.৭০%)
  • অন্যান্য (৪.১৯%)

এছাড়া শিশুদের মধ্যে অন্ধত্ব/কম দৃষ্টিশক্তির হার প্রতি হাজারে ০.৮০ জন।সরকার এই সমস্যা সমাধানের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। যেমন:

  • প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও তৃতীয় পর্যায়ে চিকিৎসাযোগ্য অন্ধত্বের ব্যাকলগ কমানো
  • “সবার জন্য চক্ষু স্বাস্থ্য” এবং দৃষ্টি প্রতিবন্ধকতা প্রতিরোধের কৌশল উন্নয়ন ও শক্তিশালীকরণ
  • আঞ্চলিক চক্ষু বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠানগুলিকে উৎকর্ষের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা
  • সমস্ত জেলায় উচ্চমানের ব্যাপক চক্ষু পরিচর্যা প্রদানের জন্য বিদ্যমান পরিকাঠামো সুবিধা শক্তিশালীকরণ ও উন্নয়ন
  • চক্ষু যত্নের ব্যাপারে সম্প্রদায়ের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার উপর জোর দেওয়া
  • অন্ধত্ব ও দৃষ্টি প্রতিবন্ধকতা প্রতিরোধের জন্য গবেষণা বৃদ্ধি ও সম্প্রসারণ
  • চক্ষু পরিচর্যা প্রদানে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা/ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের অংশগ্রহণ নি

আরও পড়ুন

নীল ষষ্ঠী ব্রত কথা ও পূজা-পদ্ধতি: সহজ ভাষায় সম্পূর্ণ গাইড নীল পূজার নিয়ম: ঘরে বসে সহজে করুন, জানুন আসল বিধি Jan Vishwas Bill 2026 কী: সাধারণ মানুষ আর ব্যবসার জন্য কী বদলাবে Mebendazole ট্যাবলেট খাওয়ার সঠিক সময়: খাবারের আগে না পরে? একঘেয়ে মেসেজ বাদ দিন, বেছে নিন ২০২৬ এর ১০০ টি শুভ নববর্ষের শুভেচ্ছা