AI-র দৌড়ে কারা এগিয়ে? সবচেয়ে বেশি সুপারকম্পিউটার কোন ১৫ দেশে জানলে চমকে যাবেন

countries with the most supercomputers: দুনিয়ায় কাদের হাতে সবচেয়ে বেশি সুপারকম্পিউটার আছে—এই প্রশ্নটা শুধু টেক-গিকদের জন্য নয়। কারণ সুপারকম্পিউটার মানে শুধু দ্রুত গণনা নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে AI training…

Soumya Chatterjee

countries with the most supercomputers: দুনিয়ায় কাদের হাতে সবচেয়ে বেশি সুপারকম্পিউটার আছে—এই প্রশ্নটা শুধু টেক-গিকদের জন্য নয়। কারণ সুপারকম্পিউটার মানে শুধু দ্রুত গণনা নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে AI training (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রশিক্ষণ), weather forecasting (আবহাওয়া পূর্বাভাস), drug discovery (ওষুধ আবিষ্কার), materials science (উপাদান গবেষণা), এমনকি defense simulation (প্রতিরক্ষা-সংক্রান্ত সিমুলেশন) পর্যন্ত। যে দেশ এই অবকাঠামোয় এগিয়ে, সে দেশ সাধারণত গবেষণা, রাষ্ট্রীয় কৌশল, এবং ভবিষ্যতের প্রযুক্তি-ক্ষমতায়ও এগিয়ে থাকে।

রেফারেন্সভিত্তিক Visual Capitalist snapshot অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের হাতে রয়েছে 171টি সুপারকম্পিউটার—যা দ্বিতীয় স্থানে থাকা জাপানের 43টির প্রায় চার গুণ। জার্মানি ও চীন দু’দেশই 40টি করে সিস্টেম নিয়ে কাছাকাছি অবস্থানে আছে। এই ফারাকটাই বোঝায়, supercomputing race কেবল prestige-এর লড়াই নয়; এটি আসলে জাতীয় সক্ষমতারও ইঙ্গিত।

এক লাইনে সংক্ষেপে: সবচেয়ে বেশি সুপারকম্পিউটার থাকা দেশগুলোর তালিকা দেখলে বোঝা যায়, AI যুগে compute power বা গণনাশক্তি এখন নতুন ধরনের ভূ-রাজনৈতিক শক্তি। তবে শুধু “সংখ্যা” দেখলেই পুরো ছবি বোঝা যায় না—কারণ machine count আর মোট computing power এক জিনিস নয়।

সুপারকম্পিউটার আসলে কী?

সুপারকম্পিউটার হলো এমন উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন কম্পিউটিং ব্যবস্থা, যা সাধারণ সার্ভার বা ডেস্কটপের তুলনায় বিপুল পরিমাণ গাণিতিক হিসাব একসঙ্গে করতে পারে। এই ক্ষমতা মাপার জন্য সাধারণত FLOPS বা floating-point operations per second (প্রতি সেকেন্ডে ভাসমান বিন্দুযুক্ত গণনা) ধরনের benchmark ব্যবহার করা হয়। TOP500 প্রকল্প এই সিস্টেমগুলিকে ট্র্যাক করে এবং একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত তালিকা প্রকাশ করে।

এখানে একটা সহজ উদাহরণ ভাবুন। ধরুন, আপনি কলকাতার এক সপ্তাহের আবহাওয়ার হিসাব করতে চাইছেন—তাও এমনভাবে, যাতে বৃষ্টি, আর্দ্রতা, বায়ুচাপ, সাগরের তাপমাত্রা, বাতাসের দিক—সব একসঙ্গে ধরা পড়ে। সাধারণ কম্পিউটার এতে হাঁফিয়ে উঠবে। কিন্তু সুপারকম্পিউটার সেই জটিল মডেল কয়েক মুহূর্তে চালাতে পারে। একইভাবে নতুন ওষুধের অণু-স্তরের আচরণ, গাড়ির crash simulation, nuclear fusion modelling, ভাষা-ভিত্তিক AI model training—সবখানেই এগুলোর ভূমিকা আছে।

এই র‌্যাঙ্কিং কোথা থেকে আসে?

বিশ্বে সুপারকম্পিউটার নিয়ে সবচেয়ে আলোচিত benchmark ranking হলো TOP500। এই তালিকা বছরে দু’বার প্রকাশিত হয়—একবার জুনে, আরেকবার নভেম্বরে। এর উদ্দেশ্য হলো high-performance computing বা HPC (উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন গণনা)-এর প্রবণতা বোঝার জন্য একটি নির্ভরযোগ্য ও তুলনাযোগ্য মানদণ্ড দেওয়া।

তাই “কোন দেশে সবচেয়ে বেশি সুপারকম্পিউটার” বলার সময় বোঝা দরকার, এটি সময়-নির্ভর snapshot। আজ যে দেশ এগিয়ে, ছয় মাস পর সেই তালিকায় বদল আসতেই পারে। বিশেষ করে AI অবকাঠামোয় বিনিয়োগ বাড়লে ranking দ্রুত নড়াচড়া করে। এই কারণেই পুরোনো কনটেন্টের বদলে fresh context জরুরি।

সবচেয়ে বেশি সুপারকম্পিউটার থাকা দেশ: reference snapshot কী বলছে?

নোট: রেফারেন্স চার্টের প্রকাশ্য সারাংশে প্রথম ১০টি দেশ স্পষ্টভাবে দেখা যায়। কাট-অফের নিচের দেশগুলোর ক্ষেত্রে public November 2025 country distribution খুব ঘন ক্লাস্টার দেখায়। তাই নিচে প্রথমে reference snapshot-এর top 10, তারপর top-15 কাট-অফের আশেপাশের cluster আলাদা করে দেওয়া হলো। এতে অযথা ভুল certainty তৈরি হয় না।

Reference Snapshot: প্রকাশ্যভাবে স্পষ্ট দেখা শীর্ষ দেশগুলো

অবস্থান দেশ সুপারকম্পিউটার সংখ্যা কেন লক্ষ্য করার মতো
1 যুক্তরাষ্ট্র 171 স্পষ্ট ব্যবধানে শীর্ষে; AI, জাতীয় গবেষণাগার, প্রতিরক্ষা ও advanced computing-এ বড় বিনিয়োগ
2 জাপান 43 সংখ্যায় অনেক পিছিয়ে হলেও শক্তিশালী HPC tradition বজায় রেখেছে
3 (যৌথ) জার্মানি 40 ইউরোপের গবেষণা ও শিল্পভিত্তিক HPC শক্তির বড় কেন্দ্র
3 (যৌথ) চীন 40 প্রকাশ্য তালিকায় যতটা দেখা যায়, বাস্তবে তার চেয়েও বড় ক্ষমতা নিয়ে আলোচনা হয়
5 ফ্রান্স 23 ইউরোপীয় গবেষণা ও জাতীয় অবকাঠামোয় ধারাবাহিক বিনিয়োগ
6 কানাডা 19 বৈজ্ঞানিক গবেষণা, climate modelling, health computing-এ ব্যবহারযোগ্য শক্তিশালী উপস্থিতি
7 ইতালি 18 ইউরোপে compute-heavy research ও industry use case-এ দ্রুত দৃশ্যমানতা
8 দক্ষিণ কোরিয়া 15 semiconductor, AI, industrial R&D—সব মিলিয়ে কৌশলগত অবস্থান
9 (যৌথ) তাইওয়ান 10 chip ecosystem-এর সঙ্গে compute infrastructure-এর গুরুত্বপূর্ণ যোগ
9 (যৌথ) ব্রাজিল 10 Latin America-র মধ্যে দৃশ্যমান computing presence

 

উপরের top-10 snapshot-এ সবচেয়ে বড় কথা হলো—যুক্তরাষ্ট্র একাই এমন ব্যবধানে এগিয়ে যে দ্বিতীয় দেশ জাপানকে প্রায় চার গুণে ছাপিয়ে গেছে। আবার জার্মানি ও চীন একই স্তরে থাকায় বোঝা যায়, global HPC race এখন একমুখী নয়; বরং আমেরিকার পরে বেশ কয়েকটি শক্তিশালী compute bloc তৈরি হয়েছে।

Top-15 কাট-অফের আশেপাশের cluster

November 2025 public country distribution-এ top-10-এর পরের স্তরটি খুবই কাছাকাছি। সেখানে যুক্তরাজ্য ও নরওয়ের 9টি করে, সুইডেন ও পোল্যান্ডের 8টি করে, নেদারল্যান্ডস ও সৌদি আরবের 7টি করে সিস্টেম দেখা যায়। ভারত ছিল 6টি, আর সিঙ্গাপুর 5টি সিস্টেম নিয়ে আলোচনায় ছিল। তাই “top 15” আলোচনায় lower cutoff region-এ tie খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

  • যুক্তরাজ্য — 9
  • নরওয়ে — 9
  • সুইডেন — 8
  • পোল্যান্ড — 8
  • নেদারল্যান্ডস — 7
  • সৌদি আরব — 7
  • ভারত — 6
  • সিঙ্গাপুর — 5

এখানেই একটা গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা আছে: leaderboard-এর উপরের দিকটা top-heavy, কিন্তু মাঝের দিকটা ঘন প্রতিযোগিতামূলক। অর্থাৎ ১৫তম অবস্থানের আশেপাশে সামান্য বিনিয়োগ বা নতুন সিস্টেম যোগ হলেও ranking বদলে যেতে পারে। Visual Capitalist-এর সারাংশও বলছে, ২৬টি দেশে পাঁচ বা তার কম সুপারকম্পিউটার আছে, আর ১১টি দেশে মাত্র একটি সিস্টেম।

গুগলে সবচেয়ে বেশি সার্চ হয় যে বিষয়ে: বিস্তারিত বিশ্লেষণ ও আকর্ষণীয় তথ্য

শুধু সংখ্যা দেখলেই কি পুরো ছবি বোঝা যায়?

না। এই জায়গায় বেশিরভাগ কনটেন্ট ভুল করে। “কার কাছে কতগুলো machine আছে” আর “কার মোট compute ক্ষমতা কত”—দুটি এক নয়। November 2025 public summary অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র শুধু সংখ্যায় নয়, aggregate computational power-এইও অনেক এগিয়ে—প্রায় 6,626 Petaflops Rmax। এরপর জাপান এবং জার্মানি আসে মোট computing power-এর বিচারে। অর্থাৎ machine count কম হলেও, high-end কিছু সিস্টেম একটি দেশকে ভীষণ শক্তিশালী করে তুলতে পারে।

এখানে জাপানের উদাহরণটা দারুণ। 43টি সিস্টেম নিয়ে জাপান যুক্তরাষ্ট্রের অনেক পিছনে, কিন্তু total power-এর বিচারে সে এখনও শীর্ষ স্তরের দেশগুলোর মধ্যে। একইভাবে ইউরোপের কিছু দেশে machine সংখ্যা খুব বেশি না হলেও, top-tier flagship system তাদের global relevance বাড়িয়ে দেয়। তাই শুধুই country count দেখে “কোন দেশ বেশি শক্তিশালী”—এমন সরল সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়।

যুক্তরাষ্ট্র এত এগিয়ে কেন?

এর উত্তর এক লাইনে দিলে হবে—ecosystem। অর্থাৎ শুধু supercomputer কিনে বা বানিয়ে নয়; বরং national labs, বিশ্ববিদ্যালয়, defense research, semiconductor capability, cloud infrastructure, AI partnerships—সব মিলে যুক্তরাষ্ট্র একটি পূর্ণ computing ecosystem তৈরি করেছে। TOP500-এর official November 2025 highlight-ও বলছে, U.S. leadership এখনও খুব শক্তিশালী।

আরও সহজ করে বললে, সুপারকম্পিউটার আলাদা কোনো “মেশিন” মাত্র নয়। এর চারপাশে থাকে hardware supply chain, cooling, networking, software stack, গবেষক, algorithm, data, এবং long-term public funding। এই সম্পূর্ণ পরিবেশ তৈরিতে আমেরিকা বহু বছর ধরে এগিয়ে। সেই কারণেই শুধু list leader নয়, trend leader হিসেবেও যুক্তরাষ্ট্রকে দেখা হয়।

জাপান, জার্মানি, চীন—এদের অবস্থান কেন আলাদা করে গুরুত্বপূর্ণ?

জাপান: সংখ্যায় কম, মানে কম নয়

জাপানের presence দেখায়, sustained scientific investment কতটা গুরুত্বপূর্ণ। public summaries-এ জাপান machine count-এ দ্বিতীয়, এবং aggregate power-এর দিক থেকেও শীর্ষ সারিতে। অর্থাৎ তারা quantity-এর পাশাপাশি quality-তেও শক্তিশালী।

জার্মানি: ইউরোপের শিল্প ও গবেষণার supercomputing spine

জার্মানি 40টি সিস্টেম নিয়ে চীনের সমান স্তরে। এর পাশাপাশি official TOP500 highlight অনুযায়ী, জার্মানির JUPITER Booster ইউরোপের প্রথম exascale milestone-এ পৌঁছানো সিস্টেমগুলোর মধ্যে অন্যতম বড় অগ্রগতি। এটা শুধু এক দেশের সাফল্য নয়; ইউরোপীয় HPC ambition-এরও প্রতীক।

চীন: তালিকায় যতটা দেখা যায়, আলোচনায় তার চেয়ে বড়

প্রকাশ্য ranking-এ চীন 40টি সিস্টেম নিয়ে জার্মানির সঙ্গে একই স্তরে থাকলেও, চীনের supercomputing capability নিয়ে বিশ্বজুড়ে আগ্রহ অনেক বেশি। কারণ AI, chip independence, national research—সব ক্ষেত্রেই চীনকে serious compute player হিসেবে দেখা হয়। তাই ranking-এ যা দেখা যাচ্ছে, তা-ই পুরো debate নয়; geopolitical context-ও এখানে বড় বিষয়।

ইউরোপের গল্পটা আলাদা কেন?

ইউরোপের অনেক দেশ একা একা আমেরিকার মতো machine count না পেলেও, collaborative model-এ তারা শক্তিশালী। Finland-এ অবস্থিত LUMI supercomputer November 2025 list-এ 9 নম্বর স্থানে ছিল, এবং এটি একাধিক ইউরোপীয় দেশের consortium-based resource sharing-এর উদাহরণ। অর্থাৎ এখানে compute infrastructure-কে শুধু জাতীয় সম্পদ নয়, যৌথ গবেষণার উপকরণ হিসেবেও দেখা হচ্ছে। এটি একটি বড় insight দেয়: supercomputing race সবসময় “এক দেশ বনাম আরেক দেশ” নয়। কিছু ক্ষেত্রে “shared capability” বা যৌথ অবকাঠামোও ভবিষ্যতের বড় মডেল হতে পারে। বিশেষত climate research, pharmaceuticals, public science, and academic access-এর মতো ক্ষেত্রে এই approach কার্যকর।

সিঙ্গাপুর, নরওয়ে, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস—ছোট দেশগুলো কেন গুরুত্বপূর্ণ?

অনেকেই ভাবেন, ছোট দেশ মানেই supercomputing-এ দুর্বল। বাস্তবে চিত্রটা তেমন নয়। Visual Capitalist-এর সারাংশেই বলা হয়েছে, ছোট দেশ হওয়া মানেই machine count কম হবে—এমন নয়; উদাহরণ হিসেবে সিঙ্গাপুরের কথাও এসেছে, যার সংখ্যা ভারতের ও রাশিয়ার সমান 5। অর্থাৎ strategic focus থাকলে population size নয়, policy priority-ই অনেক সময় বড় ফ্যাক্টর হয়ে ওঠে।

এদের কাছ থেকে একটি শিক্ষা পাওয়া যায়: সব দেশকে 100+ machine-এর দরকার নেই। অনেক দেশের লক্ষ্য হয় targeted excellence—যেমন AI, energy modelling, semiconductor workflows, industrial simulation, বা national research grid-এ নির্দিষ্ট সক্ষমতা তৈরি করা। এই কারণেই lower-ranked দেশগুলোকে অবহেলা করলে পুরো HPC landscape বোঝা যায় না।

Google Search: গুগলে সবচেয়ে বেশি সার্চ হয় যে বিষয়ে জানলে চমকে যাবেন

ভারতের জন্য এই ranking-এর মানে কী?

ভারতীয় পাঠকের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সম্ভবত এইটাই—আমরা কোথায়? November 2025 public distribution-এ ভারতের নামে 6টি সিস্টেম দেখা যায়, অর্থাৎ শীর্ষ ক্লাস্টারের ঠিক বাইরে। এটা হতাশার খবর নয়; বরং বাস্তবতার খবর। ভারতের মতো বড় অর্থনীতি ও AI-উদ্যমী দেশের জন্য compute capacity আগামী দশকে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

কেন? কারণ ভারতের প্রয়োজন শুধু chatbots নয়। আমাদের দরকার:

  • ভাল weather and monsoon modelling
  • drug discovery ও genomics
  • multilingual AI, including Indian language models
  • chip design and engineering simulation
  • defense and aerospace computation
  • public research labs-এর জন্য accessible HPC infrastructure

বাংলা ভাষার পাঠকের দিক থেকে দেখলে বিষয়টি আরও জরুরি। ভবিষ্যতের ভারতীয় AI যদি বাংলা, হিন্দি, তামিল, মারাঠি, অসমিয়া, ওড়িয়া—সব ভাষায় কার্যকর করতে হয়, তবে compute power-এর প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়া যাবে না। ভাষা-ভিত্তিক model training, multimodal AI, speech systems—সবকিছুর পেছনেই রয়েছে বিপুল গণনাশক্তি। এই কারণেই supercomputing শুধু elite research lab-এর বিষয় নয়; এটি ভবিষ্যতের ডিজিটাল সার্বভৌমত্বের অংশ।

কোন কোন ক্ষেত্রে সুপারকম্পিউটার সবচেয়ে বেশি কাজে লাগে?

1) আবহাওয়া ও জলবায়ু

cyclone tracking, monsoon forecasting, flood modelling—এসবের জন্য massive simulation দরকার। ফলে সুপারকম্পিউটার সরাসরি জনজীবনেও প্রভাব ফেলে।

2) AI এবং large model training

আজকের AI models train করতে বিপুল GPU, memory, networking, এবং optimized compute stack লাগে। supercomputing আর AI infrastructure-এর দূরত্ব দ্রুত কমছে। রেফারেন্স সারাংশও AI-driven demand বৃদ্ধির কথা স্পষ্টভাবে বলছে।

3) ওষুধ ও স্বাস্থ্য

protein folding, molecular screening, genomics, epidemiology—এসব ক্ষেত্রে দ্রুত হিসাব মানে দ্রুত গবেষণা। মহামারির মতো পরিস্থিতিতে এর গুরুত্ব আরও বেড়ে যায়।

4) প্রতিরক্ষা ও aerospace

advanced simulation, cryptography-related workloads, materials performance testing, aerodynamics—এসব ক্ষেত্রেও HPC অপরিহার্য। তাই supercomputing অনেক দেশের কাছে strategic asset।

5) শিল্প ও জ্বালানি

গাড়ি, ব্যাটারি, তেল-গ্যাস, materials engineering, smart grids—সব ক্ষেত্রেই simulation-driven innovation এখন বড় বিষয়। এই কারণে machine count কম হলেও industry-linked HPC capability অনেক দেশের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান।

FAQ: মানুষ সাধারণত কী জানতে চায়?

সুপারকম্পিউটার বেশি থাকা মানে কি দেশটি প্রযুক্তিতে সেরা?

অবশ্যই নয়, কিন্তু এটি শক্তিশালী একটি signal। বিশেষ করে research infrastructure, AI readiness, scientific ambition, এবং strategic computing priority বোঝাতে এটি গুরুত্বপূর্ণ। তবে machine count-এর পাশাপাশি total performance-ও দেখতে হবে।

কেন যুক্তরাষ্ট্র এত এগিয়ে?

কারণ তাদের কাছে শুধু machine নয়, পুরো ecosystem আছে—national labs, cloud capability, chip ecosystem, university research, federal funding, এবং AI partnerships।

চীন কি বাস্তবে তালিকায় যা দেখা যাচ্ছে তার চেয়ে শক্তিশালী?

এ নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা আছে, তবে প্রকাশ্য ranking-এ যা দেখা যায় সেটাই তুলনাযোগ্য ভিত্তি। তাই public list আর broader capability—দুটোকে আলাদা করে বোঝাই ভাল।

ভারত কি এই দৌড়ে পিছিয়ে?

শীর্ষ গোষ্ঠীর তুলনায় হ্যাঁ, ভারত এখনও অনেকটা পিছনে। কিন্তু এটি এমন ক্ষেত্র যেখানে policy, funding, research demand, এবং AI priorities বদলালে অবস্থান দ্রুত উন্নত হতে পারে। public November 2025 distribution-এ ভারতের 6টি সিস্টেম দেখা যায়।

TOP500 তালিকা কত বার বেরোয়?

বছরে দু’বার—জুন এবং নভেম্বরে। তাই নতুন কনটেন্ট বা analysis করতে গেলে recent edition দেখা জরুরি।

শুধু সংখ্যা নয়, আর কী দেখা উচিত?

aggregate performance, flagship systems, energy efficiency, use case, domestic research ecosystem, and AI-readiness—এসবও দেখা উচিত। তাহলেই ছবিটা সম্পূর্ণ হয়।

শেষকথা

সবচেয়ে বেশি সুপারকম্পিউটার থাকা দেশগুলোর তালিকা আসলে ভবিষ্যতের শক্তির মানচিত্র। এখানে যুক্তরাষ্ট্র এখনও একাই সবচেয়ে এগিয়ে, জাপান নিজের মান ধরে রেখেছে, জার্মানি ও চীন তীব্র প্রতিযোগিতায় আছে, আর ইউরোপের অনেক দেশ collaboration মডেলে নিজস্ব জায়গা বানাচ্ছে। lower tier-এও প্রতিযোগিতা কম নয়—কারণ ১৫তম অবস্থানের কাছাকাছি দেশগুলোর মধ্যে ফারাক খুবই সামান্য।  সুপারকম্পিউটার কেবল বড় দেশের অহংকার নয়; এটি AI, গবেষণা, আবহাওয়া, স্বাস্থ্য, শিল্প, আর কৌশলগত প্রস্তুতির ভিত্তি। আগামী কয়েক বছরে “কার কাছে data আছে” এর সঙ্গে “কার কাছে compute আছে”—এই প্রশ্নটাই আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

About Author
Soumya Chatterjee

সৌম্য কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে স্নাতক এবং প্রযুক্তি বিষয়ক লেখালিখিতে বিশেষ আগ্রহী। তিনি একজন উদ্যমী লেখক, যিনি প্রযুক্তির জটিল ধারণাগুলোকে সহজভাবে উপস্থাপন করতে দক্ষ। তার লেখার মূল ক্ষেত্রগুলোতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে নতুন প্রযুক্তি, গ্যাজেট রিভিউ, সফটওয়্যার গাইড, এবং উদীয়মান টেক প্রবণতা। সৌম্যর প্রাঞ্জল ও তথ্যবহুল লেখনী পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। প্রযুক্তি সম্পর্কে তার গভীর জ্ঞান এবং অনুসন্ধিৎসু মনোভাব তাকে পাঠকদের কাছে বিশেষভাবে জনপ্রিয় করে তুলেছে। টেক জগতে চলমান পরিবর্তনগুলির সাথে তাল মিলিয়ে সৌম্য সর্বদা নতুন ও তথ্যসমৃদ্ধ বিষয়বস্তু নিয়ে আসতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।