Voter List Draft Removal Reasons: নির্বাচন কমিশন ভারতের ভোটার তালিকার খসড়া থেকে নাম অপসারণের জন্য নির্দিষ্ট কিছু আইনি ভিত্তি নির্ধারণ করেছে। ২০২৫ সালে বিহারে বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় ৫২ লাখেরও বেশি নাম ভোটার তালিকা থেকে সরানো হয়েছে, যার মধ্যে ১৮ লাখ মৃত ভোটার, ২৬ লাখ অন্য নির্বাচনী এলাকায় স্থানান্তরিত ভোটার এবং ৭ লাখ একাধিক স্থানে নিবন্ধিত ভোটার রয়েছেন। জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫০-এর ধারা ২২ এবং ধারা ১৬ অনুযায়ী, নির্বাচনী নিবন্ধন কর্মকর্তারা নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ হলে ভোটার তালিকা থেকে নাম সংশোধন বা মুছে ফেলতে পারেন।
ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার প্রধান কারণসমূহ
মৃত্যু
ভোটার তালিকা থেকে নাম মুছে ফেলার সবচেয়ে স্পষ্ট এবং সাধারণ কারণ হল ভোটারের মৃত্যু। ভারতের নির্বাচন কমিশন ফর্ম ৭-এর মাধ্যমে মৃত ব্যক্তিদের নাম সরানোর ব্যবস্থা করেছে। বিহারে সাম্প্রতিক ভোটার তালিকা সংশোধনে ৬,৩১,১৯৫টি নাম মৃত্যুর কারণে মুছে ফেলা হয়েছে, যা মোট অপসারণের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ। যে কেউ ফর্ম ৭ পূরণ করে মৃত ভোটারের নাম সরানোর জন্য আবেদন করতে পারেন, তবে আবেদনকারীকে একই নির্বাচনী এলাকায় নিবন্ধিত ভোটার হতে হবে।
স্থায়ীভাবে অন্য এলাকায় স্থানান্তর
যখন কোনও ভোটার তার নিবন্ধিত নির্বাচনী এলাকা থেকে স্থায়ীভাবে অন্য এলাকায় চলে যান, তখন তার নাম পূর্ববর্তী ভোটার তালিকা থেকে সরানো হয়। বিহারের তথ্য অনুসারে, ৮,০৯,৯৪৮টি নাম স্থানান্তরের কারণে মুছে ফেলা হয়েছে, যা চাকাই নির্বাচনী এলাকায় সবচেয়ে বেশি ছিল। স্থানান্তরিত ভোটারদের নতুন নির্বাচনী এলাকায় ফর্ম ৬ পূরণ করে নতুন করে নিবন্ধন করতে হয়। নির্বাচনী নিয়ম অনুসারে, একজন ভোটার শুধুমাত্র তার সাধারণ বাসস্থানের নির্বাচনী এলাকায় নিবন্ধিত হতে পারবেন।
নামের সদৃশতা বা একাধিক নিবন্ধন
অনেক সময় একই ব্যক্তির নাম দুই বা ততোধিক নির্বাচনী এলাকায় নিবন্ধিত থাকে, যা ভোটার তালিকার সদৃশতা তৈরি করে। বিহারে ২,৩১,৩৭০টি নাম সদৃশতার কারণে মুছে ফেলা হয়েছে, যেখানে দেহরি নির্বাচনী এলাকায় সবচেয়ে বেশি সদৃশ নাম পাওয়া গেছে। পুনেতে সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় তিন লাখ ভোটারের নাম দুইবার তালিকায় রয়েছে। নাগরিক প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে এই ভোটারদের শুধুমাত্র একবার ভোট দেওয়ার জন্য চিহ্নিত করা হবে, তবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের অনুমোদন ছাড়া নাম মুছে ফেলা যাবে না।
ভোটার তালিকা অনলাইন চেক: ঘরে বসেই জানুন আপনার নাম যাচাই করার সহজ উপায়
বয়স সংক্রান্ত অযোগ্যতা
ভারতে ভোটার হওয়ার জন্য ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর। যদি কোনও নাম ভুলবশত ১৮ বছরের কম বয়সী ব্যক্তির জন্য নিবন্ধিত হয়, তবে তা ফর্ম ৭-এর মাধ্যমে সরানো যেতে পারে। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুসারে, যোগ্যতার তারিখ হিসেবে প্রতি বছরের ১ জানুয়ারি ধার্য করা হয়। যে সকল নাগরিক এই তারিখে বা তার আগে ১৮ বছর পূর্ণ করেছেন, কেবলমাত্র তারাই ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার যোগ্য।
ভোটার অযোগ্যতার আইনি ভিত্তিসমূহ
ভারতীয় নাগরিকত্বের অভাব
জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫০-এর ধারা ১৬ অনুসারে, যে ব্যক্তি ভারতীয় নাগরিক নন, তিনি ভোটার তালিকায় নিবন্ধনের জন্য অযোগ্য। ফর্ম ৭-এ “ভারতীয় নাগরিক নন” একটি নির্দিষ্ট কারণ হিসেবে উল্লেখ করা আছে। বিহারে ২০২৫ সালে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল যখন বিজেপি রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী কর্মকর্তার কাছে চিঠি পাঠিয়ে ঢাকা নির্বাচনী এলাকায় প্রায় ৮০,০০০ মুসলিম ভোটারের নাম মুছে ফেলার দাবি করে, দাবি করে যে তারা ভারতীয় নাগরিক নন। রিপোর্টার্স কালেক্টিভের তদন্ত প্রকাশ করেছে যে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান এবং নেপাল থেকে অবৈধ ভোটারদের নাম ভোটার তালিকায় থাকার সন্দেহ রয়েছে।
মানসিক অসুস্থতা
ভারতীয় সংবিধানের ধারা ১০২(১)(খ) এবং ১৯১(১)(খ) অনুসারে, যে ব্যক্তি মানসিকভাবে অসুস্থ এবং সক্ষম আদালত দ্বারা তাই ঘোষিত, তিনি ভোটার হিসেবে নিবন্ধনের জন্য অযোগ্য। কেবল মানসিক অসুস্থতার অভিযোগ যথেষ্ট নয় – মানসিক স্বাস্থ্যসেবা আইন, ২০১৭ অনুসারে সক্ষম আদালতকে এই ব্যক্তিকে এভাবে ঘোষণা করতে হবে। কেরালা হাইকোর্ট ২০২৫ সালের নভেম্বরে রায় দিয়েছে যে কেবল মানসিক রোগের কারণে একজন ব্যক্তি ভোটার হিসেবে নিবন্ধন থেকে অযোগ্য হবেন না, যতক্ষণ না আদালত তাকে অযোগ্য ঘোষণা করে।
অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড
নির্দিষ্ট অপরাধের জন্য দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিরা নির্বাচনী তালিকায় নিবন্ধনের জন্য অযোগ্য হতে পারেন। যদিও কেবল অপরাধের অভিযোগ অযোগ্যতার কারণ নয়, তবে আইন অনুসারে দোষী সাব্যস্ত এবং শাস্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ভোটাধিকার হারাতে পারেন। বিহারে ২০০৫ সালে নির্বাচন কমিশন পাটনায় ৭০,০০০ সদৃশ নাম খুঁজে পেয়েছিল এবং যাদের বিরুদ্ধে জামিন-অযোগ্য পরোয়ানা ছিল তাদের ভোটার তালিকা থেকে সরিয়ে দিয়েছিল।
ফর্ম ৭-এর মাধ্যমে নাম অপসারণের প্রক্রিয়া
আবেদন পদ্ধতি
নির্বাচক নিবন্ধন নিয়ম, ১৯৬০ অনুসারে, ভোটাররা ফর্ম ৭-এর মাধ্যমে নাম মুছে ফেলার জন্য আবেদন করতে পারেন। এই ফর্মটি নির্বাচন কমিশনের ভোটার পোর্টাল থেকে ডাউনলোড করা যায় বা ইসিআইনেট অ্যাপের মাধ্যমে অনলাইনে জমা দেওয়া যায়। আবেদনকারীকে একই নির্বাচনী এলাকায় নিবন্ধিত ভোটার হতে হবে। ফর্মে আবেদনকারীর বিবরণ যেমন নাম, ইপিক নম্বর, ফোন নম্বর এবং যার নাম অপসারণ করা হবে তার তথ্য প্রয়োজন।
ফর্ম ৭-এ উল্লেখযোগ্য কারণসমূহ
ফর্ম ৭-এ পাঁচটি নির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করা আছে যার ভিত্তিতে নাম অপসারণ করা যায়। এগুলি হল মৃত্যু, অপ্রাপ্তবয়স্ক, স্থায়ীভাবে স্থানান্তরিত, ইতিমধ্যে নিবন্ধিত এবং ভারতীয় নাগরিক নন। আবেদনকারীকে এই পাঁচটি কারণের মধ্যে একটি বেছে নিতে হবে। উল্লেখযোগ্যভাবে, কোনও প্রমাণ প্রয়োজন নেই ফর্ম জমা দেওয়ার সময়, তবে আবেদনকারীকে তাদের দাবির সত্যতা নিশ্চিত করে একটি ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করতে হবে। এই ব্যবস্থাটি একটি দুর্বলতা তৈরি করেছে যেখানে মিথ্যা আবেদন জমা দেওয়া সম্ভব।
যাচাইকরণ এবং অনুসন্ধান প্রক্রিয়া
অনলাইন বা অফলাইনে জমা দেওয়া আবেদনগুলি সংশ্লিষ্ট এলাকার নির্বাচনী নিবন্ধন কর্মকর্তা বা সহকারী নির্বাচনী নিবন্ধন কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়। ২০১৮ সাল থেকে নির্বাচন কমিশন ইআরওনেট নামে একটি কেন্দ্রীয় পোর্টাল ব্যবহার করছে, যা ২০২৪ সালে ইসিআইনেটে উন্নীত করা হয়েছে। নির্বাচনী কর্মকর্তাদের অবশ্যই ভোটারকে নোটিশ জারি করতে হবে, প্রতিক্রিয়ার জন্য সাত দিন সময় দিতে হবে, শুনানি আয়োজন করতে হবে এবং তারপর একটি আদেশ পাস করতে হবে। বুথ লেভেল অফিসাররা দাবিগুলি যাচাই করার জন্য ফিল্ড ভিজিট পরিচালনা করেন।
SIR ফর্ম হাতে পেয়েছেন? জমা না দিলে ভোটাধিকার চলে যেতে পারে – জানুন সবকিছু বিস্তারিত!
বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া
এসআইআর কী এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ
বিশেষ নিবিড় সংশোধন হল নির্বাচন কমিশনের একটি ব্যাপক প্রচেষ্টা যা ভোটার তালিকা যাচাই এবং আপডেট করার জন্য। ২০২৫ সালে বিহার সহ ১২টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এসআইআর প্রক্রিয়া চলছে। এই প্রক্রিয়ায় প্রায় ১ লাখ বুথ লেভেল অফিসার, ৪ লাখ স্বেচ্ছাসেবক এবং ১২টি রাজনৈতিক দলের ১.৫ লাখ বুথ লেভেল এজেন্ট সহায়তা করছেন। পশ্চিমবঙ্গে খসড়া তালিকা ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫-এ প্রকাশিত হবে এবং চূড়ান্ত তালিকা ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬-এ প্রকাশিত হবে।
বিহারের এসআইআর পরিসংখ্যান
বিহারে সাম্প্রতিক এসআইআর প্রক্রিয়ায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়েছে। ফর্ম ৬-এর মাধ্যমে ৩০,৯৮,২২৮টি নতুন নাম যোগের দাবি করা হয়েছিল, যার মধ্যে ২৮,৯৫,১৯১টি গৃহীত হয়েছে, যা ৯৩.৪% গ্রহণযোগ্যতার হার নির্দেশ করে। একই সময়ে, ফর্ম ৭-এর মাধ্যমে ১৮,৪৫,৪০৮টি আপত্তি দায়ের করা হয়েছিল, যার মধ্যে ১৬,৮৫,৮৪৪টি গৃহীত হয়েছিল, যা ৯১.৩% বৈধতা দেখায়। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫-এ প্রকাশিত হয়েছিল, যেখানে মোট ৭.৪২ করোড় ভোটারের নাম রয়েছে। ২০২০ সালের তুলনায় ভোটার তালিকায় ১.৬০% বৃদ্ধি পেয়েছে।
এসআইআর সংক্রান্ত বিতর্ক
বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া বিতর্ক ছাড়া হয়নি। বিরোধী দলগুলি প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে এবং অভিযোগ করেছে যে বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। সুপ্রিম কোর্ট নির্বাচন কমিশনকে অপসারণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রদানের নির্দেশ দিয়েছিল। সমালোচকরা যুক্তি দেন যে অতিরিক্ত নথি যেমন জন্ম প্রমাণপত্র বা পিতামাতার প্রমাণের দাবি দরিদ্র, অভিবাসী এবং প্রান্তিক গোষ্ঠীকে বাদ দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে।
SIR-এ আপনার নাম কি বাদ পড়বে? নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট সতর্কতা – ভোটার অধিকার হারাবেন না!
ভোটার অপসারণ ব্যবস্থার দুর্বলতা
প্রমাণ ছাড়া আবেদন
ভোটার অপসারণ ব্যবস্থার একটি উল্লেখযোগ্য দুর্বলতা হল যে ফর্ম ৭ জমা দেওয়ার সময় কোনও প্রমাণ প্রয়োজন নেই। আবেদনকারীদের ইপিক এবং ফোন নম্বরও যাচাই করা হয় না। এটি অপব্যবহারের সুযোগ তৈরি করে, যেমন অন্য ব্যক্তির ইপিক নম্বর একটি ভিন্ন ফোন নম্বরের সাথে লিঙ্ক করা। কর্ণাটকের আলান্দ নির্বাচনী এলাকায় ২০২৩ সালে ৬,০১৮ জন ভোটারের নাম মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল স্থানীয়দের অজ্ঞাতসারে অনলাইন ফর্মের মাধ্যমে। রাজ্য সিআইডি ১৮ মাসে ১৮টি চিঠি পাঠিয়েছিল নির্বাচন কমিশনকে বিবরণ চেয়ে, কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনও তথ্য প্রদান করা হয়নি।
সুরক্ষা ব্যবস্থা
যদিও অনলাইন ব্যবস্থায় দুর্বলতা রয়েছে, নির্বাচন কমিশন বজায় রেখেছে যে জনপ্রতিনিধিত্ব আইন এবং নির্বাচক নিবন্ধন নিয়মের অধীনে সুরক্ষা ব্যবস্থা বিদ্যমান রয়েছে। অপসারণের জন্য নির্বাচনী নিবন্ধন কর্মকর্তা এবং বুথ লেভেল অফিসারের বিস্তারিত অনুসন্ধান প্রয়োজন অনুমোদনের আগে। ধারা ৩১ অনুসারে, ভোটার তালিকা হেরফের করার জন্য মিথ্যা দাবি করা একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। যদি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পরে কোনও নাম মুছে ফেলা হয়, ভোটার ১৫ দিনের মধ্যে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আপীল করতে পারেন এবং প্রথম আপীল ব্যর্থ হলে, পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী কর্মকর্তার কাছে দ্বিতীয় আপীল করতে পারেন।
নির্বাচনী তালিকা সংশোধনের গুরুত্ব
নিয়মিত ভোটার তালিকা সংশোধন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি নিশ্চিত করে যে কেবলমাত্র যোগ্য ভোটাররা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারেন এবং মৃত ব্যক্তি, অবৈধ নাগরিক বা সদৃশ এন্ট্রির মাধ্যমে ভোট কারচুপি রোধ করে। একটি পরিষ্কার এবং সঠিক ভোটার তালিকা নির্বাচনের সততা বজায় রাখে এবং জনগণের বিশ্বাস বৃদ্ধি করে। যাইহোক, এই প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ এবং ন্যায্য হতে হবে যাতে বৈধ ভোটারদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত না করা হয়। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হল তালিকার সততা এবং ভোটারদের অধিকার রক্ষার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা।
ভোটার তালিকা থেকে নাম অপসারণের পরিসংখ্যান
| কারণ | বিহার (২০২৫) | শতাংশ |
|---|---|---|
| মৃত্যু | ৬,৩১,১৯৫ | ৩৭.৭% |
| স্থানান্তর | ৮,০৯,৯৪৮ | ৪৮.৪% |
| সদৃশতা | ২,৩১,৩৭০ | ১৩.৮% |
| মোট অপসারণ | ১৬,৭২,৫১৩ | ১০০% |
ভোটার তালিকার খসড়া থেকে নাম অপসারণ একটি জটিল কিন্তু প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া যা নির্বাচনী সততা বজায় রাখতে সহায়তা করে। মৃত্যু, স্থানান্তর, সদৃশতা, নাগরিকত্বের অভাব এবং মানসিক অসুস্থতা হল প্রধান কারণ যার ভিত্তিতে নাম মুছে ফেলা হয়। বিহারে ২০২৫ সালের এসআইআর প্রক্রিয়া দেখিয়েছে যে ১৬.৭২ লাখ নাম অপসারণ করা হয়েছে, যা ভোটার তালিকা পরিষ্কার রাখার গুরুত্ব তুলে ধরে। তবে, প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ এবং ন্যায্য হতে হবে যাতে বৈধ ভোটারদের অধিকার রক্ষা করা যায়। নির্বাচন কমিশনের ইসিআইনেট পোর্টাল এবং ফর্ম ৭ ব্যবস্থা এই প্রক্রিয়াকে সহজ করেছে, তবে দুর্বলতাগুলি সমাধান করা এবং অপব্যবহার রোধ করার জন্য আরও সুরক্ষা ব্যবস্থা প্রয়োজন। প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব তাদের ভোটার তথ্য নিয়মিত যাচাই করা এবং কোনও অসঙ্গতি পাওয়া গেলে তা সংশোধন করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া।











