জয়েন করুন

কলকাতা থেকে জেলা—এপ্রিল ও মে মাসে মদের দোকান বন্ধের দিনক্ষণ জানেন তো?

West Bengal Dry Day List April-May 2026: একটা পার্টি, ছোটখাটো গেট-টুগেদার, কিংবা বন্ধুর সঙ্গে সপ্তাহান্তের আড্ডা—সব প্ল্যানই মুহূর্তে ভেস্তে যেতে পারে, যদি আগে থেকে জানা না থাকে কোন দিন Dry…

avatar
Written By : Srijita Ghosh
Updated Now: April 11, 2026 7:35 PM
বিজ্ঞাপন

West Bengal Dry Day List April-May 2026: একটা পার্টি, ছোটখাটো গেট-টুগেদার, কিংবা বন্ধুর সঙ্গে সপ্তাহান্তের আড্ডা—সব প্ল্যানই মুহূর্তে ভেস্তে যেতে পারে, যদি আগে থেকে জানা না থাকে কোন দিন Dry Day (ড্রাই ডে) ঘোষণা করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে এখন সেই পরিস্থিতিই তৈরি হয়েছে। কারণ ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের আবহে এপ্রিল ও মে মাসে একাধিক দিনে মদের দোকান, বার এবং লাইসেন্সপ্রাপ্ত আউটলেট বন্ধ রাখার নির্দেশ জারি হয়েছে। ভোটের দিন, তার আগের ৪৮ ঘণ্টা, আর ফল ঘোষণার দিন—এই তিনটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়।

তবে এখানে একটা জরুরি কথা শুরুতেই পরিষ্কার করে নেওয়া দরকার। সোশ্যাল মিডিয়া বা অনেক ছোট রিপোর্টে এমনভাবে বলা হচ্ছে যেন গোটা পশ্চিমবঙ্গেই “টানা এক সপ্তাহ” সব বন্ধ থাকবে। বাস্তব ছবি একটু আলাদা। ২৩ এপ্রিল ও ২৯ এপ্রিলের আগে যে বন্ধের নিয়ম, তা মূলত সংশ্লিষ্ট ভোটগ্রহণ-এলাকায় প্রযোজ্য। কিন্তু ৪ মে, অর্থাৎ ফল প্রকাশের দিনে, বন্ধের প্রভাব রাজ্যজুড়ে থাকার কথা বলা হয়েছে। তাই আপনি কলকাতায় থাকুন, উত্তরবঙ্গে থাকুন বা দক্ষিণবঙ্গের অন্য জেলায়—নিজের এলাকার ভোট-পর্বটা আগে বুঝে নেওয়াই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।

দ্রুত দেখে নিন: এপ্রিল ও মে ২০২৬-এ বন্ধের সম্ভাব্য দিনক্ষণ

পশ্চিমবঙ্গে ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোট দুই দফায় হচ্ছে—২৩ এপ্রিল এবং ২৯ এপ্রিল। ভোটের দিনগুলির আগে ৪৮ ঘণ্টা ধরে সংশ্লিষ্ট এলাকায় মদের দোকান ও বার বন্ধ থাকবে। এরপর ৪ মে ফল ঘোষণার দিন রাজ্যজুড়ে বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে। সরকারি ভোটসূচি ও সংবাদ-ভিত্তিক যাচাই মিলিয়ে এই সময়সূচিই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

তারিখ কী কারণে বন্ধ কোথায় প্রযোজ্য নোট
২১ এপ্রিল ২০২৬, সন্ধ্যা ৬টা থেকে প্রথম দফার ভোটের আগে ৪৮ ঘণ্টা ২৩ এপ্রিল ভোট হওয়া সংশ্লিষ্ট এলাকা ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত বন্ধ
২৩ এপ্রিল ২০২৬ প্রথম দফার ভোট ফেজ-১ ভোটের এলাকা লিকার শপ, বার, সংশ্লিষ্ট লাইসেন্সপ্রাপ্ত আউটলেট বন্ধ
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সন্ধ্যা ৬টা থেকে দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে ৪৮ ঘণ্টা ২৯ এপ্রিল ভোট হওয়া সংশ্লিষ্ট এলাকা কলকাতা-সহ দ্বিতীয় দফার এলাকা
২৯ এপ্রিল ২০২৬ দ্বিতীয় দফার ভোট ফেজ-২ ভোটের এলাকা ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা
৪ মে ২০২৬ ফল ঘোষণা / গণনা রাজ্যজুড়ে সর্বাধিক কড়া নিষেধাজ্ঞার দিন হিসেবে ধরা হচ্ছে

এই বন্ধের সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হয়?

ভোটের সময় মদ বিক্রি বন্ধ রাখা নতুন কিছু নয়। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা, ভোটারকে প্রভাবিত করার ঝুঁকি কমানো, এবং শান্তিপূর্ণ ভোট করানোর জন্য এই ধরনের Dry Day (ড্রাই ডে) জারি করা হয়। পশ্চিমবঙ্গেও একই নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের ক্ষেত্রে নির্বাচনসূচি অনুযায়ী ২৩ ও ২৯ এপ্রিল ভোট, আর ৪ মে গণনা—এই কাঠামোর উপর ভিত্তি করেই আবগারি-সংক্রান্ত বিধিনিষেধ কার্যকর হয়েছে।

সরকারি ভোটসূচি থেকে পরিষ্কার যে পশ্চিমবঙ্গে দুই দফায় নির্বাচন হচ্ছে। আর সংবাদভিত্তিক সূত্রে জানা যাচ্ছে, ভোটের আগে ৪৮ ঘণ্টা এবং গণনার দিন মদ বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, এটি কেবল প্রশাসনিক খেয়ালখুশি নয়; ভোটকেন্দ্রিক নিয়ন্ত্রিত নিষেধাজ্ঞা।

বুথে গিয়ে হাবুডুবু নয়! প্রথমবার ভোটারদের Polling Booth Day Checklist

কোথায় কোথায় বন্ধ থাকবে? সব জায়গায় একই নিয়ম নাও হতে পারে

এই জায়গাতেই সবচেয়ে বেশি বিভ্রান্তি তৈরি হয়। “পশ্চিমবঙ্গে বন্ধ” শুনলেই অনেকে ভাবেন গোটা রাজ্যে একই সময়ে সব আউটলেট বন্ধ থাকবে। আসলে ২৩ এপ্রিলের আগে যে ৪৮ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞা, তা সেইসব এলাকা ঘিরেই, যেখানে প্রথম দফার ভোট হবে। একইভাবে ২৯ এপ্রিলের আগে ৪৮ ঘণ্টার নিয়ম প্রযোজ্য দ্বিতীয় দফার ভোটের এলাকার জন্য। সংবাদ-প্রতিবেদন অনুযায়ী, দ্বিতীয় দফায় কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু কেন্দ্র রয়েছে। ফলে কলকাতার পাঠকদের জন্য ২৭ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টার পরের সময়টা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

অন্যদিকে ৪ মে ফল ঘোষণার দিনে পরিস্থিতি অনেক স্পষ্ট—সেদিন বন্ধের প্রভাব রাজ্যব্যাপী। তাই আপনি যদি ভাবেন, “আমার এলাকায় তো ভোট অন্য দফায়, তাই সমস্যা নেই”, তাহলে ৪ মে-র ক্ষেত্রে সেই যুক্তি খাটবে না। এই দিনটি কার্যত রাজ্যজুড়ে Dry Day (ড্রাই ডে) হিসেবে ধরাই নিরাপদ।

মদের দোকান, বার, ক্লাব, রেস্তোরাঁ—কারা এই নিয়মের আওতায়?

সাধারণভাবে এই ধরনের নিষেধাজ্ঞা শুধু পাড়ার লিকার শপের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। সংবাদভিত্তিক বিবরণে বলা হয়েছে, Liquor Shops (মদের দোকান), Bars (বার) এবং সংশ্লিষ্ট লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান—সবই এই বন্ধের আওতায় আসে। অর্থাৎ, কেবল অফ-শপ নয়, অন-প্রিমাইস সার্ভিস দেয় এমন জায়গাগুলিও প্রভাবিত হতে পারে।

তবে একেক হোটেল, ক্লাব বা রেস্তোরাঁর লাইসেন্স ক্যাটেগরি ভিন্ন হতে পারে। ফলে বাস্তবে কী কী পরিষেবা বন্ধ থাকবে, তা নিয়ে শেষ কথা বলবে সংশ্লিষ্ট লাইসেন্সের শর্ত এবং স্থানীয় প্রশাসনিক নির্দেশ। পাঠক হিসেবে ধরে নেওয়াই ভালো—ভোট-সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞার দিনে মদ পরিবেশন বা বিক্রির উপর ভরসা করে কোনো পরিকল্পনা করবেন না।

“টানা এক সপ্তাহ বন্ধ” কথাটা কতটা সত্যি?

এটাই সবচেয়ে ভাইরাল, আবার সবচেয়ে বিভ্রান্তিকর অংশ। যদি কেউ ২১ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টা থেকে ২৩ এপ্রিল ভোট শেষ হওয়া পর্যন্ত বন্ধের সময় আর ২৭ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টা থেকে ২৯ এপ্রিল ভোট শেষ হওয়া পর্যন্ত বন্ধের সময়—দুটোকে একসঙ্গে গুনে sensational ভঙ্গিতে বলেন, তাহলে শুনতে “অনেক দিন” মনে হতে পারে। কিন্তু সেটি সব জায়গার জন্য একটানা অভিন্ন নিষেধাজ্ঞা নয়। মাঝখানে ব্যবধান আছে, আর এলাকা-ভেদে নিয়মের বাস্তব প্রয়োগও আলাদা। ৪ মে-র বন্ধ আবার আলাদা, কারণ তা ফল ঘোষণার দিন।

সোজা কথায়, খবরের শিরোনামের উত্তেজনা আর বাস্তব প্রশাসনিক প্রয়োগ—দুটো এক জিনিস নয়। পাঠকের সুবিধার জন্য এই পার্থক্য বোঝা খুব জরুরি। কারণ ভুল বোঝাবুঝির ফলে অকারণে আতঙ্ক বা ভুল পরিকল্পনা দুই-ই হতে পারে।

সাধারণ পাঠকের জন্য ব্যবহারিক পরামর্শ

১) আগে তারিখ, তারপর প্ল্যান

যদি এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে বা মে-র শুরুর দিকে কোনো ব্যক্তিগত অনুষ্ঠান, রেস্তোরাঁ বুকিং, হোটেল স্টে বা ছোট পার্টির পরিকল্পনা থাকে, আগে সংশ্লিষ্ট দিনটি Dry Day (ড্রাই ডে) কি না দেখে নিন। বিশেষ করে ২১–২৩ এপ্রিল, ২৭–২৯ এপ্রিল এবং ৪ মে-র আশেপাশে সতর্ক থাকুন।

২) “দোকান খোলা থাকবে নিশ্চয়ই” ধরে নেবেন না

একই শহরের মধ্যেও কোন ওয়ার্ড বা কোন বিধানসভা কেন্দ্র কোন দফায় ভোট দিচ্ছে, তার উপর বাস্তব প্রভাব বদলাতে পারে। তাই শুধু গুজব নয়, দোকান বা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ঘোষণাও দেখুন।

৩) শেষ মুহূর্তের ভিড় এড়িয়ে চলুন

ড্রাই ডে-র আগের দিন বা কয়েক ঘণ্টা আগে অনেকেই হুড়োহুড়ি করেন। এতে ভিড়, স্টক শেষ হওয়া, অযথা দাম নিয়ে বিভ্রান্তি—সবই হতে পারে। অপ্রয়োজনীয় ভিড় করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়।

৪) আইন ভাঙার চেষ্টা করবেন না

নিষিদ্ধ সময়ে অবৈধ বিক্রি, বেআইনি সরবরাহ বা অননুমোদিত উৎস থেকে কেনাকাটা—এসব ঝুঁকিপূর্ণ এবং শাস্তিযোগ্যও হতে পারে। এই ধরনের সময়ে “জোগাড় করে দেব” ধরনের অফার থেকে দূরে থাকাই ভালো।

শরীরের গোপনাঙ্গে ফোঁড়া হওয়ার কারণ কী? ঘরোয়া ভুলে বাড়তে পারে সমস্যা

বার ও রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীদের জন্য কী গুরুত্বপূর্ণ?

ব্যবসার দিক থেকে দেখলে এই সময়টা বেশ সংবেদনশীল। আগাম বুকিং, পার্টি ইভেন্ট, কর্পোরেট জমায়েত, লাইভ মিউজিক নাইট—সবকিছুর উপর প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে কলকাতা বা ভোট-প্রভাবিত এলাকায় থাকা লাইসেন্সপ্রাপ্ত বার-রেস্তোরাঁগুলির ক্ষেত্রে গ্রাহককে আগে থেকে জানানো, বুকিং শর্ত পরিষ্কার করা, এবং বাতিলকরণ নীতি বোঝানো খুব জরুরি।

এখানে একটি বাস্তব সমস্যা প্রায়ই দেখা যায়—গ্রাহক খাবারের বুকিং করেছেন, কিন্তু ধরে নিয়েছেন মদও পরিবেশন হবে। পরে গিয়ে জানা গেল, সেদিন Service Restriction (পরিষেবা-নিষেধাজ্ঞা) চলছে। এই ধরনের বিরোধ এড়াতে ফোন, সোশ্যাল পোস্ট, বুকিং মেসেজ—সব জায়গায় স্পষ্ট ভাষায় নোটিস দেওয়া ব্যবসায়িকভাবে বুদ্ধিমানের কাজ।

পুনর্নির্বাচন হলে কী হবে?

খবরে বলা হয়েছে, কোনো কেন্দ্রে যদি Re-Poll (পুনর্নির্বাচন) প্রয়োজন হয়, তাহলে সেই ক্ষেত্রেও একই ধরনের নিয়ম প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ, বর্তমান তালিকা দেখেই চূড়ান্ত ধরে বসে থাকা ঠিক হবে না। বিশেষ পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত বন্ধের দিন যুক্ত হতে পারে। তাই একবার তথ্য জেনে নিশ্চিন্ত হয়ে না থেকে, সংশ্লিষ্ট সময়ের কাছাকাছি আবার আপডেট দেখে নেওয়া ভালো।

FAQ: এপ্রিল-মে মাসে মদের দোকান ও বার বন্ধ নিয়ে সাধারণ প্রশ্ন

২৩ এপ্রিলের আগে ঠিক কখন থেকে বন্ধ শুরু হবে?

সংবাদভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, ২৩ এপ্রিল ২০২৬-এর ভোটের আগে ২১ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টা থেকে সংশ্লিষ্ট ভোট-এলাকায় মদের দোকান ও বার বন্ধ থাকবে। এই নিষেধাজ্ঞা ভোটগ্রহণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। তাই আপনার এলাকা প্রথম দফার মধ্যে পড়লে ২১ এপ্রিল সন্ধ্যার পর পরিকল্পনা বদলাতে হতে পারে।

কলকাতায় কবে থেকে বার বন্ধ থাকবে?

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কলকাতা দ্বিতীয় দফার ভোটপর্বের সঙ্গে যুক্ত। সেই হিসেবে ২৭ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টা থেকে ২৯ এপ্রিল ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট এলাকায় নিষেধাজ্ঞা থাকতে পারে। তবে স্থানীয় প্রশাসনিক প্রয়োগ মিলিয়ে দেখা সবসময়ই নিরাপদ।

৪ মে-র বন্ধ কি গোটা রাজ্যে লাগু হবে?

হ্যাঁ, বর্তমান রিপোর্ট অনুযায়ী ফল ঘোষণার দিন ৪ মে ২০২৬-এ বন্ধের প্রভাব রাজ্যব্যাপী। এই দিনটি শুধু কোনো একটি ফেজের এলাকা নয়, পুরো পশ্চিমবঙ্গের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। তাই সেদিন মদের দোকান বা বার খোলা থাকবে ধরে নেওয়া ঠিক হবে না।

সব হোটেল, ক্লাব ও রেস্তোরাঁ কি একইভাবে প্রভাবিত হবে?

মদ বিক্রি বা পরিবেশন করার লাইসেন্স আছে এমন প্রতিষ্ঠানগুলির উপর এই নিয়মের প্রভাব পড়তে পারে। তবে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্সের ধরন, স্থানীয় নির্দেশ এবং সুনির্দিষ্ট প্রশাসনিক প্রয়োগ অনুযায়ী বাস্তব অবস্থা আলাদা হতে পারে। তাই বুকিংয়ের আগে সরাসরি জেনে নেওয়াই ভালো।

ড্রাই ডে-র তালিকা কি পরে বদলাতে পারে?

হ্যাঁ, বিশেষ পরিস্থিতিতে বদল আসতে পারে। যদি কোনো কেন্দ্রে Re-Poll (পুনর্নির্বাচন) হয়, তাহলে অতিরিক্ত নিষেধাজ্ঞাও জারি হতে পারে। তাই একবার খবর পড়ে থেমে না গিয়ে, সংশ্লিষ্ট তারিখের কাছাকাছি গিয়ে আবার আপডেট দেখা উচিত।

শেষ কথা

এপ্রিল ও মে ২০২৬-এ পশ্চিমবঙ্গে মদের দোকান ও বার বন্ধের বিষয়টি শুধু একটি কৌতূহলের খবর নয়; অনেকের ব্যক্তিগত পরিকল্পনা, ব্যবসায়িক বুকিং, এমনকি স্থানীয় পরিষেবার উপরও এর সরাসরি প্রভাব আছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল, ২৩ এপ্রিল ও ২৯ এপ্রিলের ভোটের আগে ৪৮ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞা সংশ্লিষ্ট এলাকায় কার্যকর হবে, আর ৪ মে ফল ঘোষণার দিনে বন্ধের প্রভাব রাজ্যজুড়ে থাকবে। এই একটি পার্থক্য বুঝতে পারলেই অর্ধেক বিভ্রান্তি কেটে যাবে।

তাই উত্তেজনাপূর্ণ শিরোনামে ভরসা না করে, দিনক্ষণ ও এলাকা—দুটো মিলিয়ে দেখুন। বিশেষ করে কলকাতা ও ভোট-প্রভাবিত জেলাগুলিতে থাকা পাঠকদের জন্য আগে থেকে যাচাই করে নেওয়াই সবচেয়ে বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত। তথ্যভিত্তিক প্রস্তুতি নিলে শেষ মুহূর্তের ঝামেলা অনেকটাই এড়ানো যায়।

আরও পড়ুন

৩০০০ টাকা থেকে UCC—বিজেপির সংকল্পপত্রে কী আছে, জানলে চমকে যেতে পারেন বুথ কোথায় জানেন না? Voter Helpline App দিয়ে 2 মিনিটে খুঁজে নিন West Bengal SIR: কোন জেলায় কত ভোটার বাদ, জেলা-ভিত্তিক সম্পূর্ণ ছবি ডিসি-তেই টেনশন শুরু? Election Duty Guidelines-এ DC থেকে RC পর্যন্ত পুরো কাজ একজায়গায় কৃষক বন্ধু পেলে কি যুব সাথী পাবেন! সরকারি নিয়ম আসলে কী বলছে?