হাড় দুর্বল হওয়া বা অস্টিওপোরোসিস একটি নীরব রোগ যা আপনার হাড়ের ঘনত্ব কমিয়ে দেয় এবং ভাঙার ঝুঁকি বাড়ায় । বিশ্বজুড়ে ২০ কোটিরও বেশি মানুষ এই রোগে আক্রান্ত এবং ভারতে এই সংখ্যা প্রায় ৫ কোটি । গবেষণায় দেখা গেছে, ভারতে ৫০ বছরের ঊর্ধ্বে ২৩ কোটি মানুষ অস্টিওপোরোসিসে ভুগছেন এবং ভারতীয় নারীদের মধ্যে ২০ শতাংশ এই রোগে আক্রান্ত । আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, ভারতে অস্টিওপোরোসিসের প্রকোপ ২২.৯ শতাংশ এবং অস্টিওপেনিয়ার (হাড়ের ঘনত্ব কমে যাওয়া) হার ৪৪.৮ শতাংশ ।
হাড় দুর্বল হওয়ার মূল কারণসমূহ
হাড় দুর্বল হওয়ার পেছনে একাধিক কারণ দায়ী । ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি-র ঘাটতি থেকে শুরু করে হরমোনের পরিবর্তন, বংশগত কারণ এবং জীবনযাত্রার অভ্যাস—সবকিছুই হাড়ের স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলে। ২০১৯ সালে বিশ্বব্যাপী ১৭.৮ কোটি নতুন হাড় ভাঙার ঘটনা ঘটেছে, যা ১৯৯০ সালের তুলনায় ৩৩.৪ শতাংশ বেশি ।
পুষ্টির ঘাটতি
ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি-র অভাব হাড় দুর্বল হওয়ার প্রধান কারণ । জীবনব্যাপী ক্যালসিয়ামের কম গ্রহণ হাড়ের ঘনত্ব কমায়, হাড়ের ক্ষয় ত্বরান্বিত করে এবং ফ্র্যাকচারের ঝুঁকি বাড়ায় । ভিটামিন ডি শরীরে ক্যালসিয়াম শোষণের জন্য অপরিহার্য এবং এর অভাব হলে হাড় ভঙ্গুর ও দুর্বল হয়ে যায় । ভারতের মতো দেশে সূর্যালোক থাকা সত্ত্বেও বেশিরভাগ মানুষ ভিটামিন ডি-র ঘাটতিতে ভোগেন ।
প্রোটিনের অভাব এবং অতিরিক্ত ডায়েটিং হাড়ের ক্ষতি ও অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি বাড়ায় । এছাড়াও ম্যাগনেসিয়াম এবং ভিটামিন কে২ হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ । ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি সরাসরি হাড়ের শক্তি কমায় এবং হাড় গঠনকারী কোষের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয় ।
হরমোনের ভারসাম্যহীনতা
যৌন হরমোনের মাত্রা কমে গেলে হাড় দুর্বল হয় । মেনোপজে ইস্ট্রোজেন হরমোনের মাত্রা কমে যাওয়া অস্টিওপোরোসিস হওয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী ঝুঁকির কারণ । ৪৫ বছরের আগে মেনোপজ হলে বা জরায়ু অপসারণ করলে হাড় ক্ষয় দ্রুত হয় । পুরুষদের ক্ষেত্রে প্রোস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসায় টেস্টোস্টেরন হ্রাস এবং মহিলাদের স্তন ক্যান্সারের চিকিৎসায় ইস্ট্রোজেন হ্রাস হাড় ক্ষয়ের গতি বাড়ায় ।
থাইরয়েড হরমোনের আধিক্যও হাড়ের ক্ষতির কারণ । এটি থাইরয়েডের অতিরিক্ত হরমোন উৎপাদন বা থাইরয়েড হরমোনের ওষুধ অতিরিক্ত সেবনের ফলে ঘটতে পারে ।
হাড় জোড়া লাগছে কি না বুঝবেন কীভাবে? জেনে নিন ১০টি লক্ষণ
বংশগত ও জিনগত কারণ
জেনেটিক্স হাড়ের স্বাস্থ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে । আপনার নিকটাত্মীয়দের অস্টিওপোরোসিস বা ফ্র্যাকচারের ইতিহাস থাকলে আপনারও এই রোগ হওয়ার ঝুঁকি বেশি । জিনগত প্রবণতা সর্বোচ্চ হাড়ের ঘনত্ব এবং সময়ের সাথে হাড় ক্ষয়ের গতি নির্ধারণ করে ।
ঔষধ ও চিকিৎসা পদ্ধতি
দীর্ঘমেয়াদী কিছু ওষুধ সেবন হাড় ক্ষয় ও অস্টিওপোরোসিসের সম্ভাবনা বাড়ায় । গ্লুকোকর্টিকয়েড থেরাপি (স্টেরয়েড) দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে হাড়ের গুরুতর ক্ষতি হয় । গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সার্জারি, যা পাকস্থলীর আকার কমায় বা অন্ত্রের অংশ বাদ দেয়, ক্যালসিয়াম শোষণের জন্য প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠ এলাকা সীমিত করে ।
দীর্ঘস্থায়ী রোগ
রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, হাইপারথাইরয়েডিজম এবং দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগের মতো দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা হাড়ের দুর্বলতায় অবদান রাখে । এই রোগগুলি প্রায়শই প্রদাহ বা ক্ষতিগ্রস্ত বিপাকের সাথে জড়িত, যা হাড় নবায়নের স্বাভাবিক ভারসাম্য ব্যাহত করতে পারে ।
হাড় দুর্বল হওয়ার ঝুঁকির কারণগুলি
| ঝুঁকির কারণ | বিবরণ | প্রভাব |
|---|---|---|
| বয়স | ৫০ বছরের পর হাড়ের ঘনত্ব কমতে থাকে | উচ্চ ঝুঁকি |
| লিঙ্গ | নারীদের ঝুঁকি পুরুষদের তুলনায় বেশি | নারীদের ২০% আক্রান্ত |
| মেনোপজ | ইস্ট্রোজেন কমে যাওয়া | দ্রুত হাড় ক্ষয় |
| কম ওজন | বডি মাস ইনডেক্স ১৯-এর নিচে | হাড়ের চাপ কম |
| ধূমপান | হাড় গঠন বাধাগ্রস্ত করে | ঝুঁকি বৃদ্ধি |
| অ্যালকোহল | অতিরিক্ত সেবন ক্যালসিয়াম শোষণ কমায় | হাড় দুর্বল হয় |
| শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা | ব্যায়ামের অভাব | হাড়ের শক্তি কমে |
হাড় দুর্বল হওয়ার লক্ষণসমূহ
অস্টিওপোরোসিসকে “নীরব রোগ” বলা হয় কারণ হাড় না ভাঙা পর্যন্ত কোনো লক্ষণ দেখা যায় না । তবে কিছু সংকেত আগে থেকেই সতর্ক করতে পারে। হাড়ের ব্যথা, বিশেষত পিঠে, একটি সাধারণ লক্ষণ । মাংসপেশির দুর্বলতা এবং ফ্র্যাকচারের বর্ধিত ঝুঁকি ভিটামিন ডি-র অভাবের ইঙ্গিত দেয় ।
গুরুতর জটিলতা
ফ্র্যাকচার অস্টিওপোরোসিসের সবচেয়ে সাধারণ এবং গুরুতর জটিলতা । দুর্বল হাড় স্বাভাবিকভাবে ভাঙবে না এমন পরিস্থিতিতেও ভেঙে যায়, প্রায়শই ছোটখাটো পড়ে যাওয়া বা এমনকি সাধারণ নড়াচড়া থেকেও । হিপ ফ্র্যাকচার সবচেয়ে মারাত্মক জটিলতার মধ্যে একটি, যার জন্য প্রায়শই সার্জারি এবং দীর্ঘমেয়াদী পুনর্বাসন প্রয়োজন ।
মেরুদণ্ডের কম্প্রেশন ফ্র্যাকচার দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা, উচ্চতা হ্রাস এবং কুঁজো ভঙ্গি সৃষ্টি করতে পারে । কব্জি ও বাহুর ফ্র্যাকচার হাত প্রসারিত করে পড়ে গেলে প্রায়শই ঘটে । গুরুতর ক্ষেত্রে, অস্টিওপোরোসিস-সম্পর্কিত ফ্র্যাকচার স্থায়ী অক্ষমতা বা দীর্ঘমেয়াদী যত্নের প্রয়োজনীয়তা সৃষ্টি করতে পারে ।
হাড়ের স্বাস্থ্য রক্ষায় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা
হাড় দুর্বল হওয়া প্রতিরোধযোগ্য এবং সঠিক পদক্ষেপ নিলে হাড়ের স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রাখা সম্ভব । শৈশব থেকে বৃদ্ধ বয়স পর্যন্ত সুষম পুষ্টি এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা অপরিহার্য ।
সঠিক পুষ্টি গ্রহণ
ক্যালসিয়াম এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ স্বাস্থ্যকর খাদ্য নিশ্চিত করুন । প্রাপ্তবয়স্কদের দৈনিক ১০০০-১২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম প্রয়োজন। দুধ, দই, পনির, সবুজ শাকসবজি, সার্ডিন এবং টোফু ক্যালসিয়ামের ভালো উৎস।
ভিটামিন ডি পর্যাপ্ত পরিমাণে পান । প্রতিদিন গড়ে ১৫ মিনিট সূর্যালোকে থাকলে তরুণ প্রাপ্তবয়স্করা প্রয়োজনীয় ভিটামিন ডি পেতে পারেন । তৈলাক্ত মাছ, ডিম, মাশরুম এবং ফোর্টিফাইড দুগ্ধজাত খাবার বা জুসের মাধ্যমে ভিটামিন ডি গ্রহণ বাড়ানো যায় ।
নিয়মিত ব্যায়াম
ওজন বহনকারী ব্যায়াম এবং রেজিস্ট্যান্স ব্যায়াম হাড়ের ঘনত্ব উন্নত করতে এবং অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ । হাঁটা, দৌড়ানো, নাচ, সিঁড়ি ওঠা এবং ওয়েট ট্রেনিং হাড়কে শক্তিশালী রাখে। সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট মাঝারি ব্যায়াম করা উচিত।
জীবনযাত্রার পরিবর্তন
ধূমপান ত্যাগ করুন কারণ ধূমপান অস্টিওপোরোসিসের বর্ধিত ঝুঁকির সাথে সম্পর্কিত । অ্যালকোহল সেবন সীমিত করুন—সপ্তাহে ১৪ ইউনিটের বেশি অ্যালকোহল পান করবেন না এবং বিঞ্জ ড্রিংকিং এড়িয়ে চলুন । পড়ে যাওয়া থেকে বাঁচতে বাড়িতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিন।
হাড় দুর্বলতার চিকিৎসা পদ্ধতি
যদিও অস্টিওপোরোসিসের কোনো নিরাময় নেই, তবে চিকিৎসা পদ্ধতি রোগের অগ্রগতি প্রতিরোধ, ধীর বা বন্ধ করতে পারে । যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (FDA) অস্টিওপোরোসিসের চিকিৎসা এবং ফ্র্যাকচার প্রতিরোধের জন্য বেশ কয়েকটি ওষুধ অনুমোদন করেছে । ২০২৫ সালের সাম্প্রতিক নির্দেশিকা অনুযায়ী চিকিৎসা পদ্ধতিতে নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে ।
প্রথম সারির ওষুধ
বিসফসফোনেট প্রায়শই অস্টিওপোরোসিস চিকিৎসার প্রথম পছন্দ । এর মধ্যে রয়েছে অ্যালেনড্রোনেট (সাপ্তাহিক পিল), রাইজড্রোনেট (সাপ্তাহিক বা মাসিক পিল), আইব্যানড্রোনেট (মাসিক পিল বা ত্রৈমাসিক IV ইনফিউশন), এবং জোলেড্রোনিক অ্যাসিড (বার্ষিক IV ইনফিউশন) । মৌখিকভাবে পাঁচ বছর পর্যন্ত বা শিরায় তিন বছর পর্যন্ত বিসফসফোনেট ব্যবহার করা যায় ।
উন্নত চিকিৎসা বিকল্প
ডেনোসুমাব (প্রোলিয়া) প্রতি ছয় মাসে একবার ইনজেকশন দেওয়া হয় । প্যারাথাইরয়েড হরমোন (PTH) অ্যানালগ যেমন টেরিপ্যারাটাইড এবং অ্যাবালোপ্যারাটাইড হাড় গঠনে সাহায্য করে । রোমোসোজুমাব নতুন একটি ওষুধ যা স্ক্লেরোস্টিন ইনহিবিটর হিসেবে কাজ করে এবং ১২ মাসের জন্য মাসিক দুটি ইনজেকশন দেওয়া হয় ।
নারীদের জন্য র্যালক্সিফেন এবং মেনোপজাল হরমোন থেরাপি (MHT) ব্যবহার করা যেতে পারে । ২০২৫ সালের গবেষণা অনুযায়ী, নতুন থেরাপিউটিক কৌশল এবং সংমিশ্রণ চিকিৎসা উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের জন্য ব্যক্তিগতকৃত চিকিৎসার সম্ভাবনা প্রদান করছে ।
ostocal gx এর কাজ কি: হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য আপনার নির্ভরযোগ্য সঙ্গী
হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান
| পুষ্টি উপাদান | দৈনিক প্রয়োজন | খাদ্য উৎস | কাজ |
|---|---|---|---|
| ক্যালসিয়াম | ১০০০-১২০০ মিগ্রা | দুধ, দই, পনির, সবুজ শাক | হাড়ের গঠন ও শক্তি |
| ভিটামিন ডি | ৬০০-৮০০ আইইউ | সূর্যালোক, তৈলাক্ত মাছ, ডিম | ক্যালসিয়াম শোষণ |
| প্রোটিন | ০.৮-১ গ্রাম/কেজি | মাংস, মাছ, ডাল, সয়া | হাড়ের টিস্যু গঠন |
| ভিটামিন কে২ | ৯০-১২০ মাইক্রোগ্রাম | ফার্মেন্টেড খাবার, পনির | হাড় মিনারেলাইজেশন |
| ম্যাগনেসিয়াম | ৩২০-৪২০ মিগ্রা | বাদাম, বীজ, সবুজ শাক | হাড়ের গঠন সহায়তা |
ভারতে হাড়ের স্বাস্থ্য: একটি জরুরি সমস্যা
ভারতে হাড়ের স্বাস্থ্য একটি ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ । দেশের জনসংখ্যা ১.৪ বিলিয়ন (২০২৫) এবং ২০৫০ সালের মধ্যে ১.৮৮ বিলিয়ন হবে বলে অনুমান করা হচ্ছে । আয়ু বৃদ্ধির সাথে সাথে অস্টিওপোরোসিসের রোগীর সংখ্যাও বাড়বে। ২০০৩ সালে ভারতে অনুমান করা হয়েছিল প্রায় ২.৬ কোটি অস্টিওপোরোসিস রোগী ছিল এবং ২০১৩ সালে তা ৩.৬ কোটিতে পৌঁছানোর পূর্বাভাস ছিল ।
বর্তমানে ভারতে প্রায় ৫ কোটি মানুষ অস্টিওপোরোসিস বা কম হাড়ের ভর নিয়ে বসবাস করছেন । উদ্বেগজনকভাবে, ভারতীয় নারীদের বিভিন্ন বয়সে অস্টিওপোরোসিসের প্রাদুর্ভাব ৮ থেকে ৬২ শতাংশের মধ্যে রয়েছে । এই উচ্চ হার খাদ্যাভ্যাস, ভিটামিন ডি-র ঘাটতি, শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা এবং সচেতনতার অভাবের কারণে ঘটছে।
কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন
আপনার যদি নিম্নলিখিত ঝুঁকির কারণগুলির কোনোটি থাকে তবে দ্রুত চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করুন। ৫০ বছরের বেশি বয়স, পরিবারে অস্টিওপোরোসিসের ইতিহাস, প্রাথমিক মেনোপজ, দীর্ঘমেয়াদী স্টেরয়েড ব্যবহার, অকারণে হাড় ভেঙে যাওয়া, বা দীর্ঘস্থায়ী হাড়ের ব্যথা থাকলে হাড়ের ঘনত্ব পরীক্ষা (DEXA স্ক্যান) করানো উচিত। DEXA স্ক্যান হাড়ের ঘনত্ব পরিমাপ করে এবং ফ্র্যাকচারের ঝুঁকি নির্ধারণ করে। রক্ত পরীক্ষায় ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি এবং থাইরয়েড হরমোনের মাত্রা জানা যায়।
সিদ্ধান্ত
হাড় দুর্বল হওয়া বা অস্টিওপোরোসিস একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ যা সঠিক পুষ্টি, নিয়মিত ব্যায়াম এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার মাধ্যমে এড়ানো সম্ভব। ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি, প্রোটিন এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান নিয়মিত গ্রহণ করুন এবং ধূমপান ও অতিরিক্ত অ্যালকোহল পান থেকে বিরত থাকুন। ভারতে অস্টিওপোরোসিসের ক্রমবর্ধমান হার জনস্বাস্থ্যের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে, তাই প্রাথমিক সচেতনতা এবং প্রতিরোধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত হাড়ের ঘনত্ব পরীক্ষা করান এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করুন। মনে রাখবেন, হাড়ের স্বাস্থ্য রক্ষা শৈশব থেকেই শুরু করা উচিত এবং জীবনব্যাপী চালিয়ে যেতে হবে। সুস্থ হাড় মানে সুস্থ জীবন—আজই আপনার হাড়ের যত্ন নেওয়া শুরু করুন।











