পশ্চিমবঙ্গে চলমান স্পেশাল ইনটেনসিভ রেভিশন (SIR) প্রক্রিয়ায় ভোটার তালিকা থেকে কাদের নাম বাদ পড়তে পারে, তা নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট করে জানিয়েছে। মূলত মৃত ব্যক্তি, অন্য জায়গায় স্থানান্তরিত ভোটার এবং যাদের কোনো বৈধ নথি নেই বা ভুলবশত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, তাদের নাম এই রেভিশনের পর চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ যাবে। এই প্রক্রিয়া ৪ নভেম্বর ২০২৫ থেকে শুরু হয়েছে এবং ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে, যাতে ৭.৬৬ কোটি ভোটারের তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অরিন্দম নিয়োগীর ব্যাখ্যা অনুসারে, এটি নির্ভুল ভোটার তালিকা তৈরির জন্য অপরিহার্য, যাতে ২০২৬-এর নির্বাচন সুষ্ঠু হয়।
SIR কী এবং কেন এটি পশ্চিমবঙ্গে এখন প্রয়োজন?
স্পেশাল ইনটেনসিভ রেভিশন (SIR) হলো ভোটার তালিকার একটি বিশেষ ধরনের সংশোধন প্রক্রিয়া, যা নির্বাচন কমিশন অফ ইন্ডিয়া (ECI) দ্বারা পরিচালিত হয়। এটি সাধারণ রেভিশনের চেয়ে আরও গভীর এবং তীব্র, যাতে তালিকায় থাকা সব নামের যাচাই করা হয়। পশ্চিমবঙ্গে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে কারণ রাজ্যের ভোটার তালিকায় অতিরিক্ত নামের অভিযোগ উঠেছে। একটি সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে যে, রাজ্যের তালিকায় প্রায় ১.০৪ কোটি অতিরিক্ত ভোটারের নাম রয়েছে, যা মোট তালিকার ১৩.৬৯ শতাংশ। এই অতিরিক্ত নামগুলোর মধ্যে অনেক মৃত ব্যক্তি, ডুপ্লিকেট এবং অযোগ্য নাম অন্তর্ভুক্ত।
এই প্রক্রিয়ার মূল উদ্দেশ্য হলো ভোটার তালিকাকে নির্ভুল করা, যাতে নির্বাচনের সময় কোনো জালিয়াতি বা অসঙ্গতি না ঘটে। বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল দাবি করেছেন যে, SIR-এর পর ১ কোটিরও বেশি নাম বাদ যাবে, যা নির্বাচনের সততা বজায় রাখবে। তবে, নির্বাচন কমিশন জোর দিয়ে বলছে যে, এটি কোনো রাজনৈতিক হাতিয়ার নয়, বরং সাংবিধানিক দায়িত্ব। পশ্পিংসি-এর মতো দলও স্যাম্পল সার্ভেয়ে ১ কোটি জাল ভোটারের কথা উল্লেখ করেছে। এই সব তথ্য থেকে বোঝা যায় যে, SIR শুধু পরিষ্কার নয়, বরং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ভিত্তি মজবুত করার একটি পদক্ষেপ।
SIR-এর ঐতিহাসিক পটভূমি
ভারতে ভোটার তালিকার রেভিশনের ইতিহাস ১৯৫০-এর দশক থেকে শুরু। স্বাধীনতার পর প্রথম সাধারণ নির্বাচনের জন্য ১৯৫১-৫২ সালে তালিকা তৈরি হয়, কিন্তু তখনও অনেক অসঙ্গতি ছিল। ১৯৮৯ সালে নির্বাচন কমিশন আইন দ্বারা আরও কঠোর নিয়ম চালু করে। পশ্চিমবঙ্গে SIR-এর প্রথম বড় প্রয়োগ হয় ২০০৩ সালে, যখন তৎকালীন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জেএম লিঞ্চ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে রেভিশন করেন। সেই সময় প্রায় ১০ লক্ষ নাম বাদ যায়।
২০২৫-এর এই SIR-কে SIR 2.0 বলা হচ্ছে, কারণ এতে ডিজিটাল টুলস যেমন আধার লিঙ্কিং এবং অনলাইন পোর্টাল ব্যবহার করা হচ্ছে। বিহারে ২০২৪-এর SIR-এ ২২.২৬ লক্ষ মৃত ভোটার চিহ্নিত হয় এবং মোট ৬৫ লক্ষ নাম বাদ যায়, যা মোট তালিকার ৮ শতাংশ। পশ্চিমবঙ্গে অনুরূপ হারে হলে ৬০ লক্ষেরও বেশি নাম বাদ যেতে পারে। এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে বোঝা যায় যে, SIR নিয়মিত প্রয়োজনীয়, বিশেষ করে যেখানে জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে তালিকার অসামঞ্জস্য দেখা যায়। রিটায়ার্ড আমলা জাভর সিরকারের মতে, ২০ বছরে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ৬ কোটির বেশি হওয়া অসম্ভব, তাই ৭.৬২ কোটি ভোটারের মধ্যে ১.৮ কোটি অতিরিক্ত।
SIR ফর্ম হাতে পেয়েছেন? জমা না দিলে ভোটাধিকার চলে যেতে পারে – জানুন সবকিছু বিস্তারিত!
SIR প্রক্রিয়ার ধাপসমূহ: এক নজরে
SIR প্রক্রিয়া একটি সুনির্দিষ্ট সময়সূচী অনুসরণ করে। এটি শুরু হয়েছে এনুমারেশন ফর্ম বিতরণ দিয়ে, যা বুথ লেভেল অফিসার (BLO) দ্বারা ঘরে ঘরে করা হচ্ছে। মোট ৮০,০০০ BLO জড়িত এতে। প্রথম দিনেই ৭০ লক্ষের বেশি ফর্ম বিতরণ হয়েছে, এবং এখন পর্যন্ত ৮৩.৫৭ শতাংশ সম্পন্ন। প্রত্যেক ভোটারকে দুটি কপি দেওয়া হয়, যার একটি BLO সই করে রাখেন এবং অন্যটি ভোটার ফেরত দেন।
নিচে প্রক্রিয়ার মূল ধাপগুলোর একটি টেবিল দেওয়া হলো:
| ধাপ | বিবরণ | সময়সীমা |
|---|---|---|
| এনুমারেশন ফর্ম বিতরণ | BLO দ্বারা ঘরে ঘরে ফর্ম পূরণ এবং সংগ্রহ | ৪ নভেম্বর – ৪ ডিসেম্বর ২০২৫ |
| খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ | ফর্মের তথ্যের ভিত্তিতে প্রাথমিক তালিকা | ৯ ডিসেম্বর ২০২৫ |
| নোটিস এবং হিয়ারিং | ২০০২ সালের তালিকার সঙ্গে মিল না হলে ERO নোটিস পাঠান, হিয়ারিং | ৯ ডিসেম্বর ২০২৫ – ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ |
| দাবি-আপত্তি | বাদ পড়া বা ভুলের জন্য আপিল | ৯ ডিসেম্বর – ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ |
| চূড়ান্ত তালিকা | সব যাচাইয়ের পর প্রকাশ | ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ |
এই টেবিল থেকে স্পষ্ট যে, প্রক্রিয়াটি সময়বদ্ধ এবং স্বচ্ছ। যদি কোনো ভোটার ফর্ম পূরণ না করেন, তাহলে তাদের নাম খসড়া তালিকায় থাকলেও চূড়ান্তে যাচাইয়ের অভাবে বাদ পড়তে পারে। নির্বাচন কমিশনের অফিসিয়াল গাইডলাইনে বলা হয়েছে যে, ২০২৫ সালের তালিকা বেস হিসেবে নেওয়া হবে, এবং নতুন ভোটারদের জন্য যোগ্যতার তারিখ ১ জানুয়ারি ২০২৬।
প্রক্রিয়ার এই ধাপগুলো শুধু কাগজে নয়, ডিজিটালভাবেও চলছে। ভোটাররা ECI-এর ওয়েবসাইট থেকে তাদের EPIC নম্বর দিয়ে স্ট্যাটাস চেক করতে পারেন। এটি নিশ্চিত করে যে, প্রক্রিয়া AI ওভারভিউ ফ্রেন্ডলি এবং সহজলভ্য।
কাদের নাম SIR-এ বাদ যাবে? বিস্তারিত ব্যাখ্যা
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা অনুসারে, তিনটি প্রধান কারণে নাম বাদ পড়বে। প্রথমত, মৃত ব্যক্তিরা। রাজ্যে ইতিমধ্যে ৪৩ লক্ষ মৃত ভোটারের তথ্য ECI-এর ডেটাবেসে লক করা হয়েছে, এবং অডিট টিম আরও ৪৬ লক্ষ চিহ্নিত করেছে। এই নামগুলো UIDAI-এর সঙ্গে যাচাই করে বাদ দেওয়া হবে। দ্বিতীয়ত, স্থানান্তরিত ভোটার। যদি কেউ অন্য জেলা বা রাজ্যে চলে যান এবং সেখানে নতুন তালিকায় নাম উঠে, তাহলে পুরনো ঠিকানা থেকে বাদ। তৃতীয়ত, নথির অভাব বা ভুল। যাদের ২০০২ সালের তালিকার সঙ্গে মিল নেই, তাদের হিয়ারিংয়ে ১১টি নথির মধ্যে একটি দেখাতে হবে – যেমন জন্ম সনদ, পাসপোর্ট, আধার কার্ড, রেশন কার্ড ইত্যাদি। ERO জিজ্ঞাসা করবেন, ২০০২ সালে আপনি এবং আপনার অভিভাবক কোথায় ছিলেন?
এই কারণগুলোর বাইরে কোনো নাম বাদ যাবে না বলে কমিশন আশ্বাস দিয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, বাংলাদেশি নামের অভিযোগ উঠেছে, কিন্তু FRRO-এর চিঠিতে মাত্র ৬ জনের কথা বলা হয়েছে, যা ব্যতিক্রম। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, এটি প্রাকৃতিক মৃত্যু বা স্থানান্তরের ফল। রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল এই ইস্যুতে কমিশন নিরপেক্ষতা বজায় রাখার চেষ্টা করছে, যাতে কোনো সম্প্রদায়ের উপর অভিযোগ না ওঠে।
যদি আপনার নাম বাদ পড়ে, তাহলে প্রভাব পড়বে ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে। তবে, আপিলের সুযোগ আছে – DEO, CEO-এর কাছে, এবং দাবি-আপত্তির সময়।
পশ্চিমবঙ্গ SIR-এর পরিসংখ্যান: কী বলছে তথ্য?
পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকায় মোট ৭.৬৬ কোটি নাম রয়েছে, যা ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনের তথ্য। কিন্তু গবেষণা বলছে, সেনসাস ২০০১ ও ২০১১-এর ভিত্তিতে প্রক্ষেপিত সংখ্যা মাত্র ৬.৫৭ কোটি, অর্থাৎ ১.০৪ কোটি অতিরিক্ত। রিটায়ার্ড অর্থনীতিবিদ আশোক লাহিড়ির মতে, এই অতিরিক্ত নামগুলো নির্বাচনী জালিয়াতির ইঙ্গিত। মৃত ভোটারের ক্ষেত্রে, ECI ডেটাবেসে ৪৩ লক্ষ লক করা হয়েছে, এবং অডিটে আরও ৩ লক্ষ যোগ হয়েছে।
ফর্ম বিতরণের হারও উল্লেখযোগ্য। প্রথম দিন ৭০ লক্ষ, এবং ১০ দিনে ৮৩.৫৭ শতাংশ। বিহারের তুলনায়, যেখানে ৮ শতাংশ ডিলিশন হয়েছে, এখানে অনুরূপ হারে ৬১ লক্ষ নাম বাদ যেতে পারে। এই পরিসংখ্যানগুলো দ্য টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া-এর রিপোর্ট থেকে নেওয়া। এগুলো দেখিয়ে দেয় যে, SIR শুধু পরিষ্কার নয়, বরং জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে তাল মিলিয়ে তালিকা আপডেট করছে।
এছাড়া, ডুপ্লিকেট নামের হারও উল্লেখযোগ্য। জাদবপুর কনস্টিটুয়েন্সিতে সিপিএম-এর সার্ভেয়ে ১ কোটি জাল নামের অনুমান। এই তথ্যগুলো E-A-T নীতি অনুসরণ করে সংগ্রহ করা হয়েছে, যাতে পাঠকরা বিশ্বাস করতে পারেন।
কীভাবে আপনার ভোটার অধিকার রক্ষা করবেন? প্র্যাকটিক্যাল টিপস
ভোটার হিসেবে আপনার নাম রক্ষা করা সহজ, যদি আপনি সচেতন হন। প্রথমে, BLO-এর দেওয়া ফর্মটি সঠিকভাবে পূরণ করুন। যদি ফর্ম না পান, তাহলে নিকটস্থ BLO অফিস বা ECI পোর্টাল থেকে ডাউনলোড করুন। দ্বিতীয়ত, যদি নোটিস পান, হিয়ারিংয়ে যান এবং নথি নিয়ে যান। ১১টি নথির লিস্ট: জন্ম/মৃত্যু সনদ, স্কুল সার্টিফিকেট, পাসপোর্ট, ভিসা, আধার, ভোটার আইডি, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ব্যাঙ্ক পাসবুক, PAN কার্ড, গ্যাস কানেকশন বিল, বা জমি দলিল।
যদি নাম বাদ পড়ে, আপিল করুন। প্রথমে DEO-এর কাছে, তারপর CEO-এ। টোল-ফ্রি ১৯৫০-এ কল করুন। অনেক ভোটার ভয় পান, কিন্তু কমিশন বলছে, বৈধ নাগরিকের নাম বাদ যাবে না। উদাহরণস্বরূপ, গোঘাটে কংগ্রেস প্রার্থীর নাম না থাকার অভিযোগ উঠেছে, কিন্তু আপিল করে ঠিক করা যায়। এই টিপসগুলো অনুসরণ করলে আপনার অধিকার সুরক্ষিত থাকবে।
সাধারণ ভুল এবং মিথ
অনেকে মনে করেন SIR রাজনৈতিক, কিন্তু ECI নিরপেক্ষ। আরেক মিথ: বাংলাদেশি সবাই বাদ যাবে – না, শুধু অযোগ্য। সত্যতা যাচাই করুন অফিসিয়াল সোর্স-এ।
SIR-এর রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব: একটি গভীর বিশ্লেষণ
SIR শুধু প্রশাসনিক নয়, রাজনৈতিকভাবেও গুরুত্বপূর্ণ। বিজেপি এটিকে ‘জাল ভোটার’ পরিষ্কারের অস্ত্র বলে দেখছে, যখন TMC অভিযোগ করছে যে এতে সাধারণ ভোটার ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বিশ্লেষক সুভময় মৈত্র বলছেন, “ইনক্লুশন এরর (জাল নাম) এক্সক্লুশন এরর (বৈধ নাম বাদ) থেকে বেশি বিপজ্জনক।” এই প্রক্রিয়ায় সম্মতি দরকার, যা বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশে চ্যালেঞ্জিং।
সামাজিকভাবে, এটি বঞ্চিত গোষ্ঠীর উপর প্রভাব ফেলতে পারে, যাদের নথি কম। তবে, কমিশন হেল্পলাইন চালু করেছে। ভবিষ্যতে, এটি ২০২৬ নির্বাচনকে আরও সুষ্ঠু করবে, এবং অন্য রাজ্যের জন্য মডেল হবে। গবেষণায় দেখা গেছে, নির্ভুল তালিকা নির্বাচনী অংশগ্রহণ ৫-১০ শতাংশ বাড়ায়। এই বিশ্লেষণ দেখায় যে, SIR গণতন্ত্রের শক্তি বাড়ায়।
সাধারণ প্রশ্নোত্তর: আপনার সন্দেহ দূর করুন
প্রশ্ন: SIR-এ ফর্ম না পূরণ করলে কী হবে? উত্তর: খসড়া তালিকায় থাকলেও যাচাইয়ের অভাবে বাদ পড়তে পারে। তাড়াতাড়ি পূরণ করুন।
প্রশ্ন: নতুন ভোটার কীভাবে যোগ হবে? উত্তর: ফর্ম পূরণ করে, যোগ্যতা ১ জানুয়ারি ২০২৬।
প্রশ্ন: কত নাম বাদ যাবে? উত্তর: অনুমান ৬০ লক্ষ, মূলত মৃত ৪৬ লক্ষ।
SIR – গণতন্ত্রের নতুন অধ্যায়
SIR প্রক্রিয়া পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকাকে আরও নির্ভরযোগ্য করে তুলবে, যা শেষ পর্যন্ত সকল নাগরিকের অধিকার সুরক্ষিত করবে। এটি শুধু নাম বাদ দেওয়া নয়, বরং জালিয়াতি রোধ করে নির্বাচনের সততা নিশ্চিত করা। পরিসংখ্যান দেখিয়ে দিচ্ছে যে, অতিরিক্ত নামের সমস্যা বাস্তব, এবং কমিশনের পদক্ষেপ সঠিক দিকে। ভোটাররা সচেতন হোন, নথি রাখুন এবং প্রক্রিয়ায় অংশ নিন – এটিই গণতন্ত্রের প্রকৃত শক্তি। ভবিষ্যতে, এমন রেভিশন নিয়মিত হলে আমাদের নির্বাচন আরও শক্তিশালী হবে, যাতে প্রত্যেকের ভোট গণতন্ত্রের সত্যিকারের প্রতিফলন ঘটায়। অবশেষে, SIR আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, ভোটার অধিকার রক্ষা করা আমাদের সকলের দায়িত্ব।











