সারাদিন শুধু ঘুম আর ঘুম! বিড়াল কেন এত বেশি ঘুমায়? জানুন ৫টি অবাক করা বৈজ্ঞানিক কারণ

বিড়ালকে আমরা সাধারণত আমাদের আশপাশে, সোফায় বা রোদেলা বারান্দায় কুণ্ডলী পাকিয়ে ঘুমাতেই বেশি দেখি। বিড়ালের এই অতিরিক্ত ঘুম দেখে অনেক মালিকই চিন্তায় পড়ে যান বা ভাবেন তাদের পোষ্যটি হয়তো বড্ড…

Debolina Roy

 

বিড়ালকে আমরা সাধারণত আমাদের আশপাশে, সোফায় বা রোদেলা বারান্দায় কুণ্ডলী পাকিয়ে ঘুমাতেই বেশি দেখি। বিড়ালের এই অতিরিক্ত ঘুম দেখে অনেক মালিকই চিন্তায় পড়ে যান বা ভাবেন তাদের পোষ্যটি হয়তো বড্ড অলস। কিন্তু প্রাণিবিজ্ঞান বলছে সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা। একজন প্রাপ্তবয়স্ক বিড়াল দিনে গড়ে ১২ থেকে ১৬ ঘণ্টা পর্যন্ত ঘুমায়, এবং বয়স্ক বা বিড়ালছানাদের ক্ষেত্রে এই সময়টি ২০ ঘণ্টা পর্যন্তও হতে পারে। এটি কোনো আলস্য নয়, বরং এটি তাদের জিনগত বৈশিষ্ট্য এবং বিবর্তনের ফলাফল। [Sleep Foundation]-এর তথ্যমতে, বিড়ালের ঘুমের এই ধরণ তাদের শিকারি সত্তা এবং শক্তির সংরক্ষণের সাথে সরাসরি যুক্ত। আজকের এই আর্টিকেলে আমরা বিড়ালের ঘুমের আদ্যপান্ত এবং এর পেছনের ৫টি প্রধান বৈজ্ঞানিক কারণ গভীরভাবে বিশ্লেষণ করব।

বিড়ালের ঘুমের ধরণ: একটি সামগ্রিক পর্যবেক্ষণ

বিড়ালের ঘুমের জগতটি মানুষের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। আমরা যেমন রাতে একটানা ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমাই, বিড়ালেরা তেমনটা করে না। তাদের ঘুমকে মূলত ‘Cat Naps’ বা ছোট ছোট ঘুমের বিরতি বলা যেতে পারে। জীববিজ্ঞানীদের মতে, বিড়ালের ঘুমের প্রায় ৭৫% হলো ‘হালকা ঘুম’ বা Light Sleep এবং মাত্র ২৫% হলো ‘গভীর ঘুম’ বা Deep Sleep।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: বিড়াল যখন হালকা ঘুমে থাকে, তখন তাদের কান এবং ঘ্রাণশক্তি সজাগ থাকে। সামান্য শব্দেই তারা মুহূর্তের মধ্যে জেগে উঠতে পারে। এটি তাদের বন্য পূর্বপুরুষদের থেকে পাওয়া একটি আত্মরক্ষার কৌশল।

বিড়ালের এই ঘুমের ধরণ বা ‘পলকফেলার অভ্যাস’ (Snoozing) তাদের শরীরে শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। ন্যাশনাল স্লিপ ফাউন্ডেশনের (National Sleep Foundation) গবেষণা অনুযায়ী, বিড়ালরা স্তন্যপায়ী প্রাণীদের মধ্যে অন্যতম যারা সবচেয়ে বেশি সময় ঘুমের মধ্যে ব্যয় করে। কিন্তু কেন? চলুন, এর গভীরে প্রবেশ করা যাক।

১. বিবর্তনের ইতিহাস এবং শিকারি প্রবৃত্তি (Evolutionary Instinct)

বিড়ালের অতিরিক্ত ঘুমের প্রধান এবং প্রথম কারণ হলো তাদের বিবর্তন। আমাদের গৃহপালিত বিড়াল বা Felis catus-এর ডিএনএ-তে তাদের বন্য পূর্বপুরুষ সিংহ, বাঘ বা চিতাবাঘের ছাপ স্পষ্ট। বন্য পরিবেশে শিকার করা অত্যন্ত পরিশ্রমের কাজ।

একটি শিকার ধরার জন্য বাঘ বা সিংহকে প্রচুর ধৈর্য ধরতে হয় এবং শেষ মুহূর্তে প্রচণ্ড গতিতে দৌড়াতে হয়। এই ‘বার্স্ট অফ এনার্জি’ (Burst of Energy) বা শক্তির বিস্ফোরণের জন্য তাদের শরীরে প্রচুর এনার্জি জমা রাখা প্রয়োজন। যদিও আপনার পোষা বিড়ালটিকে খাবার জন্য শিকার করতে হয় না এবং আপনি তাকে বাটিতে খাবার দিচ্ছেন, তবুও তার মস্তিষ্ক এবং শরীর সেই হাজার বছরের পুরনো শিকারি ইনস্টিংক্ট বা প্রবৃত্তি মেনেই কাজ করে।

  • শক্তির সংরক্ষণ: শিকারের জন্য প্রস্তুত থাকার অর্থ হলো বাকি সময়টা সম্পূর্ণ বিশ্রাম নেওয়া। বিড়াল মনে করে, তাকে যে কোনো মুহূর্তে শিকারের জন্য প্রস্তুত হতে হবে, তাই সে ঘুমিয়ে শক্তি সঞ্চয় করে।

  • জিনগত প্রভাব: বন্য বিড়ালরা তাদের শক্তির ৯০% পর্যন্ত ঘুমের মাধ্যমে সংরক্ষণ করে যাতে শিকারের সময় ১০০% ইফোর্ট দিতে পারে। গৃহপালিত বিড়ালরাও এই একই প্যাটার্ন অনুসরণ করে।

মাছের ঘুমের রহস্য: জলের নীচে কীভাবে বিশ্রাম নেয় এই প্রাণী?

২. ক্রেপাসকুলার স্বভাব (Crepuscular Nature)

অনেকেরই একটি ভুল ধারণা আছে যে বিড়াল নিশাচর বা ‘Nocturnal’ প্রাণী। কিন্তু বৈজ্ঞানিকভাবে বিড়াল হলো ‘Crepuscular’ বা গোধূলিচারী প্রাণী। এর অর্থ হলো, বিড়াল দিনের বেলা বা গভীর রাতের চেয়ে ভোরবেলা (Dawn) এবং সন্ধ্যাবেলা (Dusk) সবচেয়ে বেশি সক্রিয় থাকে।

এর কারণ হলো, প্রকৃতিতে বিড়ালের শিকার (যেমন ইঁদুর বা ছোট পাখি) সাধারণত এই সময়েই বেশি বের হয়। তাই বিড়াল দিনের চড়া রোদে এবং গভীর রাতে বিশ্রাম নেয় বা ঘুমায়, যাতে ভোর এবং সন্ধ্যায় তারা তাদের সর্বোচ্চ শক্তি ব্যবহার করতে পারে।

বিড়ালের সক্রিয়তার সময়সূচী:

সময় বিড়ালের অবস্থা কারণ
সকাল (১০টা – ৪টা) গভীর বা হালকা ঘুম দিনের আলোতে শিকার কম থাকে, শক্তি সঞ্চয়ের সময়।
সন্ধ্যা (৫টা – ৯টা) অত্যন্ত সক্রিয় (Hyperactive) ‘জুমিস’ (Zoomies) বা দৌড়াদৌড়ি করার সময়। শিকারের প্রবৃত্তি জাগে।
গভীর রাত বিশ্রাম বা হালকা ঘুম মানুষের ঘুমের সাথে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা বা বিশ্রাম।
ভোর (৪টা – ৭টা) সক্রিয় ছোট প্রাণী শিকারের বা খাবারের জন্য ডাকার উপযুক্ত সময়।

৩. আবহাওয়া এবং তাপমাত্রার প্রভাব

আপনি কি লক্ষ্য করেছেন বৃষ্টির দিনে আপনার বিড়ালটি অন্যদিনের চেয়ে বেশি ঘুমায়? এটি কেবল কাকতালীয় নয়। বিড়ালের ঘুমের ওপর আবহাওয়ার বিশাল প্রভাব রয়েছে। বিড়ালের শরীরের তাপমাত্রা মানুষের চেয়ে কিছুটা বেশি (প্রায় ১০১-১০২.৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট)। তারা উষ্ণতা পছন্দ করে।

  • শীতল বা বর্ষার দিন: ঠান্ডা বা বৃষ্টির দিনে বিড়ালরা তাদের শরীরের তাপ ধরে রাখতে কুণ্ডলী পাকিয়ে বেশি সময় ঘুমায়। এটি তাদের মেটাবলিজম রেট ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

  • গরমের দিন: অতিরিক্ত গরমেও বিড়ালরা ছায়ায় শুয়ে থাকে যাতে তাদের শরীর অতিরিক্ত গরম না হয়ে যায়। তবে রোদেলা দিনে জানালার পাশে রোদ পোহাতে পোহাতে ঘুমানো তাদের অন্যতম প্রিয় কাজ। সূর্যের তাপ তাদের শরীরে ভিটামিন ডি তৈরিতে খুব একটা সাহায্য না করলেও, এটি তাদের আরাম দেয় এবং জীবাণু ধ্বংস করতে সাহায্য করে।

৪. খাদ্যাভ্যাস এবং প্রোটিন মেটাবলিজম

বিড়াল হলো ‘অব্লিগেট কার্নিভোর’ (Obligate Carnivore) বা মাংসাশী প্রাণী। তাদের খাদ্যের প্রধান উৎস হলো প্রোটিন। প্রোটিন হজম করা কার্বোহাইড্রেটের তুলনায় অনেক বেশি জটিল এবং এর জন্য শরীরের প্রচুর শক্তির প্রয়োজন হয়।

যখন একটি বিড়াল প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খায়, তখন তার শরীর সেই খাবার হজম করে পুষ্টি আহরণের জন্য বিশ্রামের মোডে চলে যায়। মানুষের ক্ষেত্রে যেমন ভারী খাবার খাওয়ার পর ঘুম পায় (Food Coma), বিড়ালের ক্ষেত্রেও ব্যপারটি অনেকটা সেরকম। তবে তাদের ক্ষেত্রে এটি একটি জৈবিক প্রয়োজনীয়তা। খাবার হজমের সময় তাদের শরীর বিশ্রামে থাকলে মেটাবলিজম সবচেয়ে ভালো কাজ করে।

৫. বয়স এবং মানসিক অবস্থা (একঘেয়েমি বা বিষণ্নতা)

বিড়ালের ঘুমের পরিমাণ তাদের বয়সের সাথে সাথে পরিবর্তিত হয়। একেক বয়সে ঘুমের চাহিদা একেক রকম হয়।

ক. বয়সের প্রভাব

  • বিড়ালছানা (Kittens): জন্মের পর থেকে কয়েক মাস পর্যন্ত বিড়ালছানারা দিনে ১৮-২০ ঘণ্টা ঘুমায়। মানুষের শিশুদের মতোই ঘুমের মধ্যে তাদের গ্রোথ হরমোন নিঃসৃত হয় যা তাদের দ্রুত বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

  • বয়স্ক বিড়াল (Senior Cats): ৭-১০ বছরের বেশি বয়সী বিড়ালদের মেটাবলিজম ধীর হয়ে যায় এবং তারা দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তাই তারাও বিড়ালছানাদের মতো দিনে ১৮-২০ ঘণ্টা ঘুমাতে পারে।

  • প্রাপ্তবয়স্ক বিড়াল (Adult Cats): এরা সাধারণত ১২-১৫ ঘণ্টা ঘুমায় এবং বাকি সময়টা খেলাধুলার জন্য ব্যয় করে।

খ. একঘেয়েমি (Boredom)

বন্য বিড়ালেরা শিকার খুঁজে বের করার জন্য অনেকটা সময় ব্যয় করে। কিন্তু ইনডোর বা ঘরের বিড়ালদের খাবার রেডিমেড পাওয়া যায়। তাদের কোনো কাজ থাকে না। এই ‘বেকারত্ব’ বা একঘেয়েমি (Boredom) থেকে মুক্তি পেতে তারা ঘুমকে বেছে নেয়। যদি আপনার বিড়াল অতিরিক্ত ঘুমায় এবং খেলার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলে, তবে এটি একঘেয়েমির লক্ষণ হতে পারে।

বিড়াল ও কুকুরের ডায়াবেটিস: লক্ষণ, চিকিৎসা এবং সুস্থ রাখার উপায়

বিড়ালের ঘুমের চক্র: REM বনাম Non-REM

মানুষের মতো বিড়ালের ঘুমেরও বিভিন্ন স্তর রয়েছে। তাদের ঘুমের চক্রটি মূলত দুটি ভাগে বিভক্ত:

১. র্যাপিড আই মুভমেন্ট (REM) স্লিপ

এটি হলো গভীর ঘুমের স্তর। এই সময় বিড়াল স্বপ্ন দেখে। আপনি হয়তো দেখেছেন ঘুমের মধ্যে আপনার বিড়ালের গোঁফ কাঁপছে, পা নাড়াচ্ছে বা মুখ দিয়ে ছোট শব্দ করছে—এগুলো সব REM স্লিপের লক্ষণ।

  • পুরো ঘুমের প্রায় ২৫-৩০% সময় তারা REM স্লিপে থাকে।

  • এই সময় তাদের মস্তিষ্ক সারাদিনের তথ্য প্রসেস করে।

২. নন-র্যাপিড আই মুভমেন্ট (Non-REM) স্লিপ

এটি হলো হালকা ঘুমের স্তর। এই সময় তাদের শরীর শিথিল থাকে কিন্তু মস্তিষ্ক আংশিক সজাগ থাকে।

  • বিড়ালের ঘুমের প্রায় ৭০-৭৫% হলো এই হালকা ঘুম।

  • এই অবস্থায় তাদের কানের পেশিগুলো সচল থাকে এবং তারা রাডারের মতো চারপাশের শব্দ স্ক্যান করতে থাকে।

কখন ঘুম অসুস্থতার লক্ষণ হতে পারে?

বিড়াল বেশি ঘুমাবে এটাই স্বাভাবিক, কিন্তু অতিরিক্ত বা অস্বাভাবিক ঘুম কখনো কখনো অসুস্থতার ইঙ্গিত দিতে পারে। একজন সচেতন মালিক হিসেবে আপনাকে কিছু লক্ষণের দিকে নজর রাখতে হবে। [Cornell Feline Health Center]-এর মতে, নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে দ্রুত ভেটেরিনারি চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত:

১. হঠাৎ ঘুমের ধরণ পরিবর্তন: যদি আপনার বিড়ালটি খুব চঞ্চল হয় কিন্তু হঠাৎ করে সারাদিন শুয়ে থাকছে, তবে এটি ব্যথার লক্ষণ হতে পারে।

২. খাবার ও পানের প্রতি অরুচি: বেশি ঘুমানোর সাথে সাথে যদি সে খাবার বা জল পান করা কমিয়ে দেয়।

৩. লুকিয়ে ঘুমানো: বিড়াল যদি সচরাচর যেখানে ঘুমায় সেখানে না ঘুমিয়ে খাটের নিচে বা অন্ধকার কোণে লুকিয়ে ঘুমায়, তবে বুঝতে হবে সে অসুস্থ বা স্ট্রেসে আছে।

৪. শ্বাসকষ্ট বা নাক ডাকা: হালকা নাক ডাকা স্বাভাবিক, কিন্তু ঘুমের মধ্যে শ্বাস নিতে কষ্ট হলে বা জোরে শব্দ হলে এটি শ্বাসতন্ত্রের সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।

যেসব রোগের কারণে ঘুম বাড়তে পারে:

  • কিডনি রোগ (Kidney Disease)

  • ডায়াবেটিস (Diabetes)

  • হাইপোথাইরয়েডিজম (Hypothyroidism)

  • আর্থ্রাইটিস (বয়স্ক বিড়ালদের ক্ষেত্রে নড়াচড়া করতে ব্যথা লাগায় তারা বেশি ঘুমায়)।

আপনার বিড়ালকে সুস্থ রাখতে করণীয়

বিড়াল স্বভাবতই ঘুমকাতুরে হলেও, তাকে সুস্থ ও সচল রাখতে মালিক হিসেবে আপনার কিছু দায়িত্ব রয়েছে। অতিরিক্ত ঘুম বা একঘেয়েমি কাটাতে নিচের পদক্ষেপগুলো নিতে পারেন:

  • ইন্টারঅ্যাক্টিভ খেলনা: বিড়ালকে লেজার লাইট, পালকযুক্ত খেলনা বা বল দিয়ে দিনে অন্তত ১৫-২০ মিনিট খেলান। এতে তাদের শরীরচর্চা হবে এবং মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।

  • খাবার লুকানো: খাবার বাটিতে না দিয়ে ‘পাজল ফিডার’ (Puzzle Feeder)-এ দিন। এতে তাদের শিকারি সত্তা তৃপ্ত হবে এবং মস্তিষ্কের ব্যায়াম হবে।

  • ভার্টিক্যাল স্পেস: বিড়ালরা উঁচুতে থাকতে পছন্দ করে। তাদের জন্য ক্যাট ট্রি (Cat Tree) বা জানালার পাশে বসার ব্যবস্থা করে দিন যাতে তারা বাইরের জগত দেখতে পারে। এটি ‘ক্যাট টিভি’ হিসেবে কাজ করে এবং তাদের একঘেয়েমি কমায়।

বিড়ালের ঘুমের এই দীর্ঘ সময়কাল কোনো অস্বাভাবিক ঘটনা নয়, বরং এটি প্রকৃতির এক বিস্ময়কর বিন্যাস। ১২ থেকে ১৬ ঘণ্টার এই ঘুম তাদের শিকারি ডিএনএ, শরীরের শক্তি সংরক্ষণ এবং সুস্থ থাকার জন্য অপরিহার্য। আবহাওয়া, বয়স এবং খাদ্যাভ্যাস তাদের ঘুমের সময়কে প্রভাবিত করে।

তবে, আপনার প্রিয় পোষ্যটির ঘুমের অভ্যাসে যদি হঠাৎ কোনো বড় পরিবর্তন দেখেন, তবে অবহেলা না করে অবশ্যই ভেটেরিনারি ডাক্তারের পরামর্শ নিন। মনে রাখবেন, একটি সুস্থ বিড়াল মানেই একটি সুখী বাড়ি। বিড়ালের এই ‘স্লিপিং বিউটি’ স্বভাবকে মেনে নিয়ে তাদের সাথে সুন্দর মুহূর্তগুলো উপভোগ করাই হলো প্রকৃত বিড়ালপ্রেমীর কাজ।

About Author
Debolina Roy

দেবলীনা রায় একজন চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্য বিষয়ক লেখক, যিনি স্বাস্থ্য সচেতনতা এবং চিকিৎসা বিজ্ঞান সম্পর্কে পাঠকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য নিবেদিত। ডাক্তারি নিয়ে পড়াশোনা করা দেবলীনা তার লেখায় চিকিৎসা বিষয়ক জটিল তথ্যগুলি সহজ ভাষায় উপস্থাপন করেন, যা সাধারণ পাঠকদের জন্য সহজবোধ্য এবং উপকারী। স্বাস্থ্য, পুষ্টি, এবং রোগ প্রতিরোধের বিষয়ে তার গভীর জ্ঞান এবং প্রাঞ্জল লেখনী পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। দেবলীনা রায়ের লক্ষ্য হল সঠিক ও তথ্যনির্ভর স্বাস্থ্যবিধি প্রচার করা এবং মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা।

আরও পড়ুন