জিমে কেন হার্ট অ্যাটাক হয়? কারণ, পরিসংখ্যান এবং প্রতিরোধের উপায়

Why Heart Attacks Occur in Gyms: সাম্প্রতিক সময়ে জিমে শরীরচর্চা করার সময় তরুণদের মধ্যে আকস্মিক হৃদরোগ বা হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। একসময় হার্ট অ্যাটাককে মূলত বয়স্কদের…

Debolina Roy

 

Why Heart Attacks Occur in Gyms: সাম্প্রতিক সময়ে জিমে শরীরচর্চা করার সময় তরুণদের মধ্যে আকস্মিক হৃদরোগ বা হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। একসময় হার্ট অ্যাটাককে মূলত বয়স্কদের রোগ বলে মনে করা হলেও, এখন ৩০ থেকে ৪০ বছর বয়সী, এমনকি তার চেয়েও কম বয়সী ফিটনেস উৎসাহীরাও এর শিকার হচ্ছেন। যে স্থানটি সুস্বাস্থ্যের পীঠস্থান হওয়ার কথা, সেই জিমেই কেন এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটছে? এর পেছনে লুকিয়ে আছে একাধিক শারীরিক, জীবনযাত্রা এবং পরিবেশগত কারণ। এই নিবন্ধে, আমরা জিমে হার্ট অ্যাটাকের (Heart Attack in Gym) মূল কারণ, সর্বশেষ পরিসংখ্যান, বিশেষজ্ঞের মতামত এবং এটি প্রতিরোধের উপায় নিয়ে গভীরভাবে আলোচনা করব।

ইন্ডিয়া টুডে-র একটি প্রতিবেদন অনুসারে, ভারতে কার্ডিওভাসকুলার রোগের কারণে প্রায় ২৭% মৃত্যু হয় এবং ২০২১ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যুর হার ১২.৫% বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে, প্রথম আলোর তথ্যমতে, বাংলাদেশেও হৃদরোগে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে, যা মোট মৃত্যুর একটি বড় অংশ। যদিও জিম-কেন্দ্রিক নির্দিষ্ট কোনো সরকারি পরিসংখ্যান নেই, তবে চিকিৎসকরা এই ক্রমবর্ধমান প্রবণতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

জিমে হার্ট অ্যাটাকের নেপথ্যে থাকা মূল কারণগুলো

শরীরচর্চা হৃৎপিণ্ডের জন্য উপকারী হলেও, কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে এটিই জীবননাশের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। জিমে হার্ট অ্যাটাকের (Heart Attack in Gym) ঘটনাগুলো বিচ্ছিন্ন নয়, বরং এর পেছনে নির্দিষ্ট কিছু কারণ দায়ী।

১. অনাবিষ্কৃত বা সুপ্ত হৃদরোগ (Undiagnosed Heart Conditions)

অনেক তরুণের ক্ষেত্রেই দেখা যায়, তাদের হৃৎপিণ্ডে জন্মগত বা জিনগত সমস্যা থাকে যা কখনো নির্ণয় করা হয়নি। এর মধ্যে দুটি প্রধান সমস্যা হলো:

  • হাইপারট্রফিক কার্ডিওমায়োপ্যাথি (HCM): এটি একটি জিনগত অবস্থা যেখানে হৃৎপিণ্ডের পেশী অস্বাভাবিকভাবে পুরু হয়ে যায়। অতিরিক্ত ব্যায়ামের সময় এই পুরু পেশী রক্ত চলাচলে বাধা সৃষ্টি করতে পারে এবং মারাত্মক অ্যারিথমিয়া (হৃৎপিণ্ডের ছন্দের অস্বাভাবিকতা) তৈরি করে, যা আকস্মিক মৃত্যুর কারণ হতে পারে।
  • করোনারি আর্টারি ডিজিজ (CAD): সাধারণত, বয়স বাড়ার সাথে সাথে ধমনীর ভেতরের দেয়ালে কোলেস্টেরল বা প্লাক জমে, যাকে অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস বলা হয়। তবে আজকাল অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার কারণে তরুণদের মধ্যেও এটি দেখা যাচ্ছে। কঠোর ব্যায়ামের সময় হৃৎপিণ্ডের অক্সিজেনের চাহিদা বেড়ে যায়। প্লাকের কারণে সংকুচিত ধমনী সেই চাহিদা মেটাতে না পারলে বা প্লাক ফেটে রক্ত জমাট বেঁধে গেলে হার্ট অ্যাটাক হয়।

২. অতিরিক্ত এবং ভুল পদ্ধতিতে ব্যায়াম (Over-exertion and Improper Training)

ফিটনেস নিয়ে অতিরিক্ত আবেগ বা দ্রুত ফলাফল পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা অনেক সময় বিপদ ডেকে আনে।

  • সীমার বাইরে যাওয়া: নিজের শারীরিক ক্ষমতার বাইরে গিয়ে অতিরিক্ত ভারী ওজন তোলা বা উচ্চ-তীব্রতার (High-Intensity) ওয়ার্কআউট হৃৎপিণ্ডের ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করে।
  • ওয়ার্ম-আপ ও কুল-ডাউনের অভাব: সঠিক ওয়ার্ম-আপ ছাড়া ব্যায়াম শুরু করলে হৃৎপিণ্ড এবং রক্তনালীগুলো হঠাৎ চাপের জন্য প্রস্তুত থাকে না। একইভাবে, ব্যায়ামের পর কুল-ডাউন না করলে হৃৎস্পন্দন এবং রক্তচাপ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে পারে না, যা অ্যারিথমিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়।

৩. পারফরম্যান্স-এনহ্যান্সিং ড্রাগস এবং সাপ্লিমেন্টস (Performance-Enhancing Drugs & Supplements)

দ্রুত পেশী গঠন এবং শক্তি বাড়ানোর জন্য অনেকেই বিভিন্ন সাপ্লিমেন্টস এবং নিষিদ্ধ অ্যানাবলিক স্টেরয়েডের আশ্রয় নেন, যা হৃৎপিণ্ডের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।

  • প্রি-ওয়ার্কআউট সাপ্লিমেন্টস: এগুলোতে উচ্চ মাত্রায় ক্যাফেইন এবং অন্যান্য উদ্দীপক থাকে যা রক্তচাপ এবং হৃৎস্পন্দনকে বিপজ্জনক স্তরে বাড়িয়ে তুলতে পারে। এনডিটিভি-র একটি প্রতিবেদনে কার্ডিওলজিস্টরা এই ধরনের সাপ্লিমেন্টের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের বিরুদ্ধে সতর্ক করেছেন।
  • অ্যানাবলিক স্টেরয়েড: এই সিন্থেটিক হরমোনগুলো কোলেস্টেরলের মাত্রা নষ্ট করে, রক্তচাপ বাড়ায় এবং হৃৎপিণ্ডের পেশীকে দুর্বল করে দেয়, যা দীর্ঘমেয়াদে হার্ট ফেইলিওর বা আকস্মিক কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের ঝুঁকি বাড়ায়।

৪. অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা এবং মানসিক চাপ

আপনি জিমে কতটা সময় কাটাচ্ছেন তার পাশাপাশি জিমের বাইরে আপনার জীবনযাত্রাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

  • খাদ্যাভ্যাস: অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার, প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং চিনিযুক্ত পানীয় ধমনীতে প্লাক জমার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে।
  • অপর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক চাপ: দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ এবং ঘুমের অভাব শরীরে কর্টিসল হরমোনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, যা রক্তচাপ এবং প্রদাহ বাড়িয়ে হৃৎপিণ্ডের ক্ষতি করে।
  • ধূমপান ও অ্যালকোহল: ধূমপান সরাসরি রক্তনালীর ক্ষতি করে এবং রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি বাড়ায়, যা হার্ট অ্যাটাকের অন্যতম প্রধান কারণ।

৫. ডিহাইড্রেশন এবং ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা

ব্যায়ামের সময় প্রচুর ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে জল এবং প্রয়োজনীয় খনিজ (ইলেক্ট্রোলাইট) যেমন পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম বেরিয়ে যায়। এই খনিজগুলো হৃৎপিণ্ডের বৈদ্যুতিক সংকেত এবং স্বাভাবিক ছন্দ বজায় রাখার জন্য অপরিহার্য। এর অভাবে অ্যারিথমিয়া হতে পারে।

বিশেষজ্ঞের মতামত: কী বলছেন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞরা?

মুম্বাইয়ের প্রখ্যাত কার্ডিওলজিস্ট ডঃ কৌশল ছত্রপতি এবং দিল্লির মেট্রো হসপিটালের ডিরেক্টর ডঃ সমীর গুপ্তার মতো বিশেষজ্ঞরা জিমে যাওয়ার আগে প্রত্যেকের, বিশেষ করে ৩০ বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তিদের জন্য একটি প্রি-জিম স্ক্রিনিংয়ের ওপর জোর দিয়েছেন। তাদের মতে, নিয়মিত জিমে যাওয়া ব্যক্তিদের নিম্নলিখিত পরীক্ষাগুলো করানো উচিত:

  • ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম (ECG): হৃৎপিণ্ডের বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ পরীক্ষা করার জন্য।
  • ইকোকার্ডিওগ্রাম (2D Echo): হৃৎপিণ্ডের গঠন এবং পাম্পিং ক্ষমতা দেখার জন্য।
  • ট্রেডমিল টেস্ট (TMT): শারীরিক চাপের সময় হৃৎপিণ্ড কেমন কাজ করে তা নিরীক্ষণ করার জন্য।
  • লিপিড প্রোফাইল: রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা জানার জন্য।

টাইমস অফ ইন্ডিয়ার একটি প্রতিবেদনে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন যে, পারিবারিক ইতিহাসে হৃদরোগ থাকলে বা ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যা থাকলে আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।

প্রতিরোধের উপায়: জিমে নিজেকে সুরক্ষিত রাখবেন কীভাবে?

জিমে শরীরচর্চা করার সময় হার্ট অ্যাটাক (Heart Attack in Gym) একটি প্রতিরোধযোগ্য ঘটনা। কিছু সতর্কতা অবলম্বন করলেই এই ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

  1. ডাক্তারের পরামর্শ নিন: জিমে যোগ দেওয়ার আগে, বিশেষ করে যদি আপনার বয়স ৩০-এর বেশি হয় বা পরিবারে হৃদরোগের ইতিহাস থাকে, তবে অবশ্যই একজন চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করান।
  2. ধীরে শুরু করুন: প্রথম দিনেই অতিরিক্ত উৎসাহী হয়ে ভারী ব্যায়াম শুরু করবেন না। শরীরকে অভ্যস্ত হওয়ার জন্য সময় দিন। ধীরে ধীরে ব্যায়ামের তীব্রতা এবং সময় বাড়ান।
  3. সঠিক ওয়ার্ম-আপ এবং কুল-ডাউন: প্রতিটি ওয়ার্কআউট সেশনের আগে কমপক্ষে ১০-১৫ মিনিট হালকা কার্ডিও এবং স্ট্রেচিং করুন। সেশন শেষে ৫-১০ মিনিট কুল-ডাউন করে শরীরকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনুন।
  4. সাপ্লিমেন্টের বিষয়ে সতর্ক থাকুন: কোনো ধরনের পারফরম্যান্স-এনহ্যান্সিং সাপ্লিমেন্ট বা স্টেরয়েড ব্যবহার করার আগে এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জানুন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। প্রাকৃতিক এবং স্বাস্থ্যকর খাবারের ওপর জোর দিন।
  5. শরীরকে শুনুন: ব্যায়ামের সময় বুকে ব্যথা, অস্বাভাবিক শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরা, বা অতিরিক্ত ক্লান্তি অনুভব করলে তৎক্ষণাৎ ব্যায়াম বন্ধ করুন। এই লক্ষণগুলোকে কখনই উপেক্ষা করবেন না এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের সহায়তা নিন।
  6. হাইড্রেটেড থাকুন: ব্যায়ামের আগে, চলাকালীন এবং পরে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করুন। প্রয়োজনে ইলেক্ট্রোলাইট সমৃদ্ধ পানীয় পান করতে পারেন।
  7. স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন: সুষম খাদ্য গ্রহণ করুন, পর্যাপ্ত ঘুমান (প্রতি রাতে ৭-৮ ঘণ্টা), মানসিক চাপমুক্ত থাকার চেষ্টা করুন এবং ধূমপান ও মদ্যপান ত্যাগ করুন।

শরীরচর্চা এবং জিম সুস্বাস্থ্যের চাবিকাঠি, কিন্তু তা অবশ্যই সঠিক নিয়ম ও সতর্কতা মেনে করা উচিত। জিমে হার্ট অ্যাটাকের (Heart Attack in Gym) ঘটনাগুলো আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় যে, কেবল বাহ্যিক ফিটনেসই শেষ কথা নয়; অভ্যন্তরীণ স্বাস্থ্য, বিশেষ করে হৃৎপিণ্ডের সুস্থতা তার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। নিজের শরীরের সীমা বোঝা, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া এবং একটি সামগ্রিক স্বাস্থ্যকর জীবনধারা অনুসরণ করার মাধ্যমেই আমরা জিমকে একটি নিরাপদ এবং উপকারী স্থান হিসেবে গড়ে তুলতে পারি। মনে রাখবেন, ফিটনেস একটি দীর্ঘ যাত্রা, কোনো দৌড় প্রতিযোগিতা নয়।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

১. কম বয়সে জিমে হার্ট অ্যাটাক কেন হয়?

মূলত অনাবিষ্কৃত জিনগত হৃদরোগ (যেমন HCM), অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা, অতিরিক্ত মানসিক চাপ, এবং পারফরম্যান্স বাড়ানোর জন্য ক্ষতিকর সাপ্লিমেন্টস বা স্টেরয়েডের ব্যবহার কম বয়সে জিমে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

২. প্রি-ওয়ার্কআউট সাপ্লিমেন্ট কি হার্ট অ্যাটাকের কারণ হতে পারে?

হ্যাঁ, পারে। অনেক প্রি-ওয়ার্কআউট সাপ্লিমেন্টে উচ্চ মাত্রায় ক্যাফেইন ও অন্যান্য উদ্দীপক থাকে, যা হৃৎস্পন্দন এবং রক্তচাপকে অনিরাপদ স্তরে বাড়িয়ে তুলতে পারে। যাদের আগে থেকে হৃৎপিণ্ডের সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক হতে পারে।

৩. বডি বিল্ডারদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেশি কেন?

বডি বিল্ডারদের মধ্যে অ্যানাবলিক স্টেরয়েড এবং অন্যান্য হরমোনের ব্যবহার বেশি দেখা যায়, যা হৃৎপিণ্ডের গঠন এবং কার্যকারিতার ক্ষতি করে। এছাড়া, চরম খাদ্যাভ্যাস এবং ডিহাইড্রেশনও তাদের ঝুঁকি বাড়ায়।

৪. জিমে ব্যায়াম করার সময় হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণগুলো কী কী?

বুকের মাঝখানে তীব্র চাপ বা ব্যথা, ব্যথা বাম হাত, কাঁধ বা চোয়ালে ছড়িয়ে পড়া, شدید শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরা, ঠান্ডা ঘাম হওয়া এবং বমি বমি ভাব—এইগুলো হার্ট অ্যাটাকের প্রধান লক্ষণ।

৫. জিমে হার্ট অ্যাটাক এড়াতে কী কী মেডিকেল পরীক্ষা করা উচিত?

জিমে যোগ দেওয়ার আগে ECG, 2D Echo, ট্রেডমিল টেস্ট (TMT) এবং রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা (Lipid Profile) পরীক্ষা করানো উচিত, বিশেষ করে যদি আপনার বয়স ৩০ বছরের বেশি হয় বা আপনার পারিবারিক ইতিহাসে হৃদরোগ থাকে।

About Author
Debolina Roy

দেবলীনা রায় একজন চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্য বিষয়ক লেখক, যিনি স্বাস্থ্য সচেতনতা এবং চিকিৎসা বিজ্ঞান সম্পর্কে পাঠকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য নিবেদিত। ডাক্তারি নিয়ে পড়াশোনা করা দেবলীনা তার লেখায় চিকিৎসা বিষয়ক জটিল তথ্যগুলি সহজ ভাষায় উপস্থাপন করেন, যা সাধারণ পাঠকদের জন্য সহজবোধ্য এবং উপকারী। স্বাস্থ্য, পুষ্টি, এবং রোগ প্রতিরোধের বিষয়ে তার গভীর জ্ঞান এবং প্রাঞ্জল লেখনী পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। দেবলীনা রায়ের লক্ষ্য হল সঠিক ও তথ্যনির্ভর স্বাস্থ্যবিধি প্রচার করা এবং মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা।

আরও পড়ুন