পরিবারের ‘হেলথ বাজেট’ না করলে দারিদ্র্যের ছায়া! জানুন কেন এটি আজকের অপরিহার্য অস্ত্র

পরিবারের স্বাস্থ্য বাজেট বলতে আমরা বুঝি একটি পরিকল্পিত আর্থিক ব্যবস্থা, যা চিকিত্সা খরচ, ওষুধ, হাসপাতালের ফি এবং প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার জন্য আগাম নির্ধারিত অর্থের বরাদ্দ। ভারতে, যেখানে স্বাস্থ্য খরচের ৫১% আউট-অফ-পকেট…

Avatar

 

পরিবারের স্বাস্থ্য বাজেট বলতে আমরা বুঝি একটি পরিকল্পিত আর্থিক ব্যবস্থা, যা চিকিত্সা খরচ, ওষুধ, হাসপাতালের ফি এবং প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার জন্য আগাম নির্ধারিত অর্থের বরাদ্দ। ভারতে, যেখানে স্বাস্থ্য খরচের ৫১% আউট-অফ-পকেট (OOP) খরচের মাধ্যমে পরিচালিত হয়, এই বাজেটটি পরিবারকে আকস্মিক স্বাস্থ্য সংকট থেকে রক্ষা করে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এর তথ্য অনুসারে, ২০২১ সালে ভারতের মোট স্বাস্থ্য খরচ জিডিপির ৩.২৮% ছিল, কিন্তু সরকারি ব্যয় মাত্র ১.৯%। এই ফাঁকের কারণে লক্ষ লক্ষ পরিবার দারিদ্র্যের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যায়। উদাহরণস্বরূপ, ২০২৪ সালে ৪৬ মিলিয়ন পরিবার স্বাস্থ্য খরচের কারণে আর্থিক সংকটের মুখোমুখি হয়েছে। এই নিবন্ধে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করব কেন প্রত্যেক পরিবারের জন্য এই বাজেট অত্যাবশ্যক, এর উপকারিতা এবং কীভাবে তৈরি করবেন—সবকিছু যাচাইকৃত তথ্যের ভিত্তিতে।

স্বাস্থ্য বাজেটের মূল ধারণা: পরিবারের সুরক্ষাকবচ কেন?

স্বাস্থ্য বাজেট শুধু অর্থের হিসাব নয়, এটি পরিবারের ভবিষ্যতের জন্য একটি কৌশলগত পরিকল্পনা। ভারতের মতো উন্নয়নশীল দেশে, যেখানে মেডিকেল ইনফ্লেশন ২০২৪ সালে ১৪% ছিল, এই পরিকল্পনা ছাড়া কোনো পরিবার স্বাস্থ্য সংকটের সামনে দাঁড়াতে পারে না। এটি অন্তর্ভুক্ত করে নিয়মিত চেকআপ, ওষুধ ক্রয়, ইন্স্যুরেন্স প্রিমিয়াম এবং জরুরি তহবিল।

যদি আমরা ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখি, তাহলে ২০১৪-১৫ সালে স্বাস্থ্য খরচ জিডিপির ৩.৮৯% ছিল, যা ২০২১-২২ সালে কমে ৩.৮৩%-এ নেমে এসেছে। কিন্তু এর মধ্যে OOP খরচের অংশ এখনও প্রায় ৫১%, যা পরিবারের মাসিক আয়ের উল্লেখযোগ্য অংশ গ্রাস করে। একটি গড় পরিবারের জন্য হাসপাতালে ভর্তির গড় খরচ ২১০৭ টাকা (প্রায় ২৫ ডলার), কিন্তু শহুরে এলাকায় মধ্যম খরচ ১০,৮০০ টাকা। এই চিত্র দেখলে স্পষ্ট হয় যে, বাজেট ছাড়া স্বাস্থ্যসেবা একটি অপ্রত্যাশিত বোঝা হয়ে ওঠে।

ভারতে স্বাস্থ্য খরচের বর্তমান পরিস্থিতি: সংখ্যাগুলো বলে কী?

ভারতের স্বাস্থ্য খরচের চিত্র উদ্বেগজনক। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের বাজেট ৯৯,৮৫৯ কোটি টাকা, যার ৯৬% জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনে যাবে। তবু, সরকারি খরচ জিডিপির মাত্র ১.৮৪% (২০২১-২২), যা জাতীয় স্বাস্থ্য নীতির ২.৫% লক্ষ্য থেকে দূরে। নিচের টেবিলে কয়েক বছরের তুলনামূলক তথ্য দেওয়া হলো:

বছর সরকারি স্বাস্থ্য খরচ (কোটি টাকা) জিডিপির % OOP খরচের %
২০১৭-১৮ ২৩,১১০ ১.১৩ ৬২
২০১৯-২০ ২৭,১৫৪ ১.২৮ ৫৮
২০২০-২১ ৩১,৬৫৫ ১.৬৫ ৫৫
২০২১-২২ ১.৮৪ ৫১
২০২৫-২৬ (আনুমানিক) ৯৯,৮৫৯ (মন্ত্রণালয়) ২.১ ৪৮ (প্রজেকশন)

উৎস: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং ওয়ার্ল্ড ব্যাঙ্ক ডেটা.

এই টেবিল থেকে দেখা যায়, OOP খরচ কমলেও এখনও প্রধান ভূমিকা পালন করে। ২০২৫ সালে মেডিকেল খরচ ১৩.২% বাড়বে বলে অনুমান, যা পরিবারের বাজেটকে চাপের মুখে ফেলবে। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজ্যে, যেখানে গ্রামীণ পরিবারের মধ্যম খরচ ১০,৮০০ টাকার বেশি, এই বাড়তি খরচ একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

মাসের শেষে আর খালি থাকবেন না পকেট! এই ৭টি ট্রিক আপনার ওয়ালেট ভরে দেবে!

পরিবারের স্বাস্থ্য বাজেটের উপকারিতা: আর্থিক এবং মানসিক শান্তি

একটি সুনির্দিষ্ট স্বাস্থ্য বাজেট পরিবারকে শুধু অর্থনৈতিকভাবে সুরক্ষিত করে না, এটি মানসিক চাপও কমায়। PN B MetLife-এর একটি প্রতিবেদন অনুসারে, পরিবারের স্বাস্থ্য ইন্স্যুরেন্স প্ল্যান অতিরিক্ত খরচ ৩০-৪০% কমাতে পারে। এটি কীভাবে কাজ করে? প্রথমত, এটি আকস্মিক খরচের জন্য তহবিল তৈরি করে। দ্বিতীয়ত, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা নিশ্চিত করে, যা রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে ধরতে সাহায্য করে।

উদাহরণ দিয়ে বলা যাক, একটি গড় ভারতীয় পরিবারের বার্ষিক আয় ২-৩ লক্ষ টাকা হলে, স্বাস্থ্যের জন্য ৫-১০% বরাদ্দ করা উচিত। এতে OOP খরচের প্রভাব কমে, এবং পরিবারের অন্যান্য লক্ষ্য—যেমন শিক্ষা বা বাড়ি—বজায় থাকে। HDFC-এর আর্থিক পরিকল্পনা গাইড অনুসারে, এই বাজেট জরুরি অবস্থায় পরিবারকে প্রস্তুত করে।

আর্থিক নিরাপত্তা: দারিদ্র্যের ঝুঁকি কমানো

স্বাস্থ্য খরচের কারণে দারিদ্র্যের ঝুঁকি ভারতে অত্যন্ত উচ্চ। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ৫৫ মিলিয়ন মানুষ স্বাস্থ্য খরচের কারণে দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যায়। এর মধ্যে ২৯ মিলিয়ন পরিবার আর্থিক কষ্টের মুখে পড়ে। স্বাস্থ্য বাজেট এই ঝুঁকি কমায়, কারণ এটি ইন্স্যুরেন্স এবং সেভিংসের মাধ্যমে OOP-কে নিয়ন্ত্রণ করে।

যদি পরিবারে কোনো সদস্যের হাসপাতালে ভর্তি হয়, তাহলে গড় খরচ ১১% মাসিক আয়ের হয়ে যায়। কিন্তু বাজেট থাকলে এটি ২০-৩০% কমে যায়। এছাড়া, অ-সংক্রামক রোগ (NCD) যেমন ডায়াবেটিস বা হার্ট ডিজিজের খরচ দ্বিগুণ, যা পরিবারের ১৩,১৭০ টাকা গড় খরচ করে। বাজেট এই খরচকে ছড়িয়ে দেয়, যাতে এককালীন চাপ না পড়ে।

“পরিবারের মাসিক খরচ কমানোর ১০১টি সহজ উপায় – আপনার অর্থ বাঁচান!”

প্রতিরোধমূলক যত্ন: রোগের আগেই লড়াই

প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা স্বাস্থ্য বাজেটের মূল অংশ। এতে ভ্যাকসিন, স্ক্রিনিং এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্য অন্তর্ভুক্ত। WHO-এর মতে, প্রতিরোধমূলক ব্যয় ১ টাকা লাগলে ৭ টাকা সাশ্রয় হয়। ভারতে, যেখানে NCD-এর কারণে ৬০% মৃত্যু হয়, এই যত্ন অপরিহার্য।

পরিবারের বাজেটে ২০% এই অংশে বরাদ্দ করলে, রোগের তীব্রতা কমে এবং চিকিত্সা খরচ ৪০% কমে। উদাহরণস্বরূপ, নিয়মিত চেকআপ ডায়াবেটিস ধরে ফেললে বার্ষিক খরচ ৫০,০০০ টাকা থেকে ১০,০০০ টাকায় নেমে আসে। এটি শুধু অর্থ সাশ্রয় করে না, পরিবারের উৎপাদনশীলতাও বাড়ায়।

ভারতে স্বাস্থ্য খরচ বাড়ার কারণসমূহ: একটি গভীর বিশ্লেষণ

স্বাস্থ্য খরচ বাড়ার পিছনে একাধিক কারণ রয়েছে, যা পরিবারের বাজেটকে চ্যালেঞ্জ করে। প্রথমত, মেডিকেল ইনফ্লেশন: ২০২৪-এ ১২.৫% এবং ২০২৫-এ ১৩.২% বাড়বে। এর ফলে ওষুধ এবং চিকিত্সা খরচ দ্রুত বাড়ছে। দ্বিতীয়ত, জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং বয়স্ক জনগোষ্ঠী: ২০৩০ নাগাদ ২০% ভারতীয় ৬০-এর উপরে হবে, যাদের স্বাস্থ্য খরচ দ্বিগুণ।

তৃতীয়ত, অ-সরকারি খাতের আধিপত্য। সরকারি হাসপাতালের অভাবে বেসরকারি সেক্টরে খরচ ২০% বেশি। Care Ratings-এর প্রতিবেদন অনুসারে, ২০৩০-এ স্বাস্থ্য খরচ জিডিপির ৫% হবে। এছাড়া, কোভিড-পরবর্তী সময়ে মানসিক স্বাস্থ্য এবং ক্রনিক রোগের বৃদ্ধি খরচ বাড়িয়েছে।

এই কারণগুলোর ফলে ৪৯% পরিবার হাসপাতালে ভর্তির সময় বিপর্যয়কর খরচ (CHE) এর মুখোমুখি হয়, যা ১৫% পরিবারকে দারিদ্র্যের দিকে ঠেলে দেয়। পশ্চিমবঙ্গে এই হার আরও উচ্চ, কারণ গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবার অভাব। এখানে সরকারি ব্যয় বাড়ানোর পাশাপাশি পরিবারীয় বাজেট অপরিহার্য।

অর্থনৈতিক প্রভাব: পরিবার থেকে জাতীয় পর্যায়ে

স্বাস্থ্য খরচের বাড়তি দারিদ্র্যের মাধ্যমে অর্থনীতিকে প্রভাবিত করে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, OOP খরচের কারণে ২১.৯% ভারতীয় দারিদ্র্যসীমার নিচে। এটি শুধু পরিবার নয়, জাতীয় GDP-কে ১-২% কমায়, কারণ অসুস্থতায় উৎপাদনশীলতা হ্রাস পায়। NITI Aayog-এর ফিসকাল হেলথ ইনডেক্স ২০২৫ অনুসারে, রাজ্যগুলোর স্বাস্থ্য বাজেট ৮% ছাড়িয়ে যাওয়া উচিত।

যদি পরিবারগুলো বাজেট করে, তাহলে এই প্রভাব কমে। উদাহরণস্বরূপ, আয়ুর্নিভেশ যেমন স্কিমগুলো OOP ৪৮% কমিয়েছে, কিন্তু কভারেজ মাত্র ৫০%। তাই, ব্যক্তিগত বাজেট এখানে পূরক ভূমিকা পালন করে।

স্বাস্থ্য বাজেট তৈরির সহজ পদক্ষেপ: বাস্তবায়নের গাইড

স্বাস্থ্য বাজেট তৈরি করা সহজ, যদি ধাপে ধাপে এগোন। প্রথম ধাপ: পরিবারের মোট আয় বিশ্লেষণ করুন। গড় ভারতীয় পরিবারের জন্য ৫-১০% স্বাস্থ্যে বরাদ্দ উচিত। দ্বিতীয়: ঝুঁকি মূল্যায়ন—বয়স, রোগের ইতিহাস বিবেচনা করুন।

তৃতীয়: ইন্স্যুরেন্স কিনুন। পরিবার ফ্লোটার পলিসি ৫-১০ লক্ষ কভার নিন, প্রিমিয়াম ১০,০০০-২০,০০০ টাকা বছরে। চতুর্থ: সেভিংস অ্যাকাউন্ট খুলুন, যেমন হেলথ সেভিংস ফান্ড।

নিচের টেবিলে একটি নমুনা বাজেট দেওয়া হলো (৩ লক্ষ টাকা বার্ষিক আয়ের পরিবারের জন্য):

বিভাগ বার্ষিক বরাদ্দ (টাকা) % মোট আয়ের উদাহরণ
ইন্স্যুরেন্স প্রিমিয়াম ১৫,০০০ ৫% ফ্লোটার পলিসি
নিয়মিত চেকআপ ৫,০০০ ১.৭% বছরে ২ বার
ওষুধ/জরুরি তহবিল ১০,০০০ ৩.৩% সেভিংস
প্রতিরোধমূলক যত্ন ৭,৫০০ ২.৫% ভ্যাকসিন, জিম
মোট ৩৭,৫০০ ১২.৫%

উৎস: HDFC ফাইন্যান্সিয়াল প্ল্যানিং গাইড এবং সাধারণ অনুমান।

এই বাজেট মাসিক ৩,১২৫ টাকা সেট অ্যাসাইড করে। বছর শেষে অব্যবহৃত অর্থ পরবর্তী বছরে যোগ করুন। অ্যাপ যেমন Money Manager ব্যবহার করে ট্র্যাক করুন।

সাধারণ ভুল এবং কীভাবে এড়াবেন

অনেক পরিবার বাজেটে ইন্স্যুরেন্সকে উপেক্ষা করে, কিন্তু এটি OOP ৫০% কভার করে। আরেকটি ভুল: শুধু জরুরি তহবিল, প্রতিরোধকে ভুলে যাওয়া। এড়াতে বছরে একবার রিভিউ করুন। NITI Aayog-এর পরামর্শ: রাজ্য-ভিত্তিক ঝুঁকি বিবেচনা করুন।

সরকারি উদ্যোগ এবং পরিবারের ভূমিকা: একসাথে এগোনো

ভারত সরকার স্বাস্থ্য খরচ কমাতে বিভিন্ন স্কিম চালু করেছে। আয়ুষ্মান ভারত-পিএম জয়: ৫০ কোটি মানুষকে ৫ লক্ষ টাকা কভার। ২০২৫-এ এর কভারেজ ৬০% ছাড়িয়েছে। হেলথ অ্যান্ড ওয়েলনেস সেন্টার (HWCs) ১.৫ লক্ষ গ্রামে প্রতিরোধমূলক যত্ন দেয়।

কিন্তু এগুলো পূরক; পরিবারের বাজেট মূল। WHO-এর ২০২৫ প্রতিবেদন অনুসারে, বৈশ্বিক স্বাস্থ্য ফান্ডিং ৩০% কমেছে, তাই ব্যক্তিগত পরিকল্পনা জরুরি। পশ্চিমবঙ্গে স্বাস্থ্য মিশনের অধীনে ফ্রি চেকআপ নিন, কিন্তু বাজেটে বেসরকারি অপশন রাখুন।

ভবিষ্যত প্রজেকশন: ২০৩৫ পর্যন্ত

২০৩৫-এ ভারতের স্বাস্থ্য খরচ ৮৩.৭১ বিলিয়ন ডলার OOP হবে। এতে পরিবারের বাজেট ১৫% আয়ের হতে হবে। ডিজিটাল হেলথ অ্যাপস এবং টেলিমেডিসিন খরচ ২০% কমাবে। তাই, আজ থেকে শুরু করুন।

স্বাস্থ্য বাজেট—পরিবারের ভবিষ্যতের চাবিকাঠি

পরিবারের স্বাস্থ্য বাজেট শুধু অর্থের ব্যাপার নয়, এটি ভালোবাসা এবং দায়িত্বের প্রকাশ। যখন OOP খরচ ৫১% এবং মেডিকেল ইনফ্লেশন ১৩%, তখন এই পরিকল্পনা দারিদ্র্য এবং সংকট থেকে রক্ষা করে। সরকারি স্কিমের সাথে মিলে এটি ব্যবহার করলে, প্রত্যেক পরিবার সুস্থ এবং সমৃদ্ধ হবে। আজই শুরু করুন—আপনার পরিবারের জন্য। আরও তথ্যের জন্য WHO ভারত দেখুন।

About Author
Avatar

আমাদের স্টাফ রিপোর্টারগণ সর্বদা নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যাচ্ছেন যাতে আপনি বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের সর্বশেষ ও গুরুত্বপূর্ণ খবর পেতে পারেন। তাঁদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও প্রতিশ্রুতি আমাদের ওয়েবসাইটকে একটি বিশ্বস্ত তথ্যের উৎস হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।তারা নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ রিপোর্টিংয়ে বিশ্বাসী, দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক প্রতিবেদন তৈরিতে সক্ষম