বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ৫ মহিলা ক্রিকেটারের তালিকায় শীর্ষে তিন ভারতীয়! এই তিন তারকা কীভাবে গড়লেন কোটির পর কোটি?

২০২৫ সালের আইসিসি মহিলা ক্রিকেট বিশ্বকাপে ভারতের ঐতিহাসিক জয়ের পর মহিলা ক্রিকেটের জগতে এক নতুন যুগের সূচনা হয়েছে। এই জয় শুধু মাঠের সাফল্য নয়, বরং অর্থনৈতিকভাবেও এক বিপ্লব। সাম্প্রতিক তথ্য…

Ani Roy

 

২০২৫ সালের আইসিসি মহিলা ক্রিকেট বিশ্বকাপে ভারতের ঐতিহাসিক জয়ের পর মহিলা ক্রিকেটের জগতে এক নতুন যুগের সূচনা হয়েছে। এই জয় শুধু মাঠের সাফল্য নয়, বরং অর্থনৈতিকভাবেও এক বিপ্লব। সাম্প্রতিক তথ্য অনুসারে, বিশ্বের সবচেয়ে ধনী পাঁচ মহিলা ক্রিকেটারের তালিকায় তিনজন ভারতীয় খেলোয়াড় শীর্ষস্থান দখল করেছে। অস্ট্রেলিয়ার এলিস পেরি এবং মেগ ল্যানিংয়ের পরেই মিথালি রাজ (৪৩ কোটি টাকা), স্মৃতি মন্ধনা (৩৫ কোটি টাকা) এবং হর্মানপ্রীত কৌর (২৬ কোটি টাকা) এই তালিকায় স্থান পেয়েছে। এই তথ্যগুলো ক্রিকেট ব্যুরো এবং গাল্ফ নিউজ-এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদন থেকে সংগৃহীত, যা ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসের তথ্যের উপর ভিত্তি করে। এই নিবন্ধে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করব এই খেলোয়াড়দের উত্থান, তাদের সম্পদের উৎস এবং মহিলা ক্রিকেটের অর্থনৈতিক দিকনির্দেশনা।

বিশ্বের সবচেয়ে ধনী মহিলা ক্রিকেটারদের সম্পূর্ণ তালিকা

মহিলা ক্রিকেটে সম্পদের এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে খেলোয়াড়দের বার্ষিক চুক্তি, এন্ডোর্সমেন্ট, লিগ অংশগ্রহণ এবং অন্যান্য ব্যবসায়িক কার্যকলাপের উপর ভিত্তি করে। ২০২৫ সালে আইসিসি মহিলা বিশ্বকাপের পুরস্কার টাকা ১৩.৮ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ১১৫ কোটি টাকা) হয়েছে, যার মধ্যে বিজয়ী দল পেয়েছে ৭ মিলিয়ন ডলার। এই ঘটনা খেলোয়াড়দের আয়কে আরও বাড়িয়েছে। নীচে দেওয়া টেবিলে শীর্ষ পাঁচজনের বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হলো, যা ক্রিকেট ব্যুরোর প্রতিবেদন থেকে নেওয়া।

র‍্যাঙ্ক খেলোয়াড়ের নাম দেশ অনুমানিত নেট ওয়ার্থ (কোটি টাকা) প্রধান আয়ের উৎস
এলিস পেরি অস্ট্রেলিয়া ১২০ ডব্লিউবিবিএল চুক্তি, অ্যাডিডাস এন্ডোর্সমেন্ট, কমেন্ট্রি
মেগ ল্যানিং অস্ট্রেলিয়া ৭৫ দ্য হান্ড্রেড লিগ, নাইকি স্পনসরশিপ, কোচিং
মিথালি রাজ ভারত ৪৩ বিসিসিআই চুক্তি, এন্ডোর্সমেন্ট, ফিল্ম রয়্যালটি
স্মৃতি মন্ধনা ভারত ৩৫ ডব্লিউপিএল (৩.৪ কোটি বেতন), পুমা স্পনসরশিপ
হর্মানপ্রীত কৌর ভারত ২৬ মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ক্যাপ্টেন্সি, সিইএটি টায়ার এন্ডোর্স

এই তালিকা দেখিয়ে দেয় যে অস্ট্রেলিয়ান খেলোয়াড়রা এখনও শীর্ষে, কিন্তু ভারতীয়দের দ্রুত উত্থান চোখে পড়ার মতো। উদাহরণস্বরূপ, মিথালি রাজের সম্পদ ২০২৪ সালের তুলনায় ১৫% বেড়েছে, যা বিশ্বকাপ জয়ের ফলে এন্ডোর্সমেন্ট চুক্তির সংখ্যা বাড়ার কারণে।

সরকার মহিলাদের জন্য ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত সুদমুক্ত ঋণ দিচ্ছে – জানুন কীভাবে পাবেন এই সুযোগ

ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটারদের অর্থনৈতিক সাফল্যের পটভূমি

ভারতে মহিলা ক্রিকেটের যাত্রা শুরু হয়েছে ১৯৭০-এর দশক থেকে, কিন্তু সত্যিকারের বিকাশ ঘটেছে ২০১৭ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে পরাজয়ের পর। সেই সময় থেকে বিসিসিআই মহিলা প্রিমিয়ার লিগ (ডব্লিউপিএল) চালু করে, যা ২০২৩ সালে শুরু হয়ে এখন ২০২৫ সালে ৬০ কোটি টাকার অ্যাকশন দেখিয়েছে। এই লিগের ফলে খেলোয়াড়দের গড় আয় ৩০% বেড়েছে, যা আইসিসি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে যাচাই করা যায়।

২০২৫ সালের বিশ্বকাপ, যা ভারত এবং শ্রীলঙ্কায় যৌথভাবে আয়োজিত হয়েছে, একটি টার্নিং পয়েন্ট। ফাইনাল ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১০০ রানে হারিয়ে ভারত প্রথমবারের মতো শিরোপা জিতেছে। ক্যাপ্টেন হর্মানপ্রীত কৌরের অপরাজেয় ব্যাটিং (টুর্নামেন্টে ৪৫০ রান, গড় ৫৬.২৫) এবং স্মৃতি মন্ধনার ৩ শতক এই জয়ের নায়ক। এই সাফল্যের ফলে ভারতীয় খেলোয়াড়দের এন্ডোর্সমেন্ট মূল্য ২০-২৫% বেড়েছে, যা গ্লোবাল মার্কেট রিসার্চ ফার্ম নিলসেনের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখিত।

এই উত্থান শুধু অর্থের নয়, বরং সামাজিক। ভারতে মহিলা ক্রিকেটাররা এখন স্কুল থেকে শুরু করে গ্রামীণ এলাকায় অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করছে। উদাহরণস্বরূপ, ২০২৫ সালে ডব্লিউপিএল-এর দর্শক সংখ্যা ১৫০ মিলিয়ন ছাড়িয়েছে, যা পুরুষ আইপিএল-এর ৩০%। এই পরিবর্তন ভারতীয় খেলোয়াড়দের সম্পদ বাড়াতে সাহায্য করেছে।

মিথালি রাজ: ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটের রানী এবং ধনের রাজিকী

মিথালি রাজ, জন্ম ১৯৮২ সালে জয়পুরে, ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটের আইকন। তাঁর ক্যারিয়ার শুরু হয় ১৯৯৯ সালে, এবং ২০০২ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওডিআই ডেবিউ। তিনি ভারতের সবচেয়ে বেশি রানস্কোরার (৭০০০+ ওডিআই রান), এবং বিশ্বের দ্বিতীয় সবচেয়ে বেশি (১২টি শতক)। ২০২২ সালে অবসর নেওয়ার পর তিনি গুজরাট জায়ান্টসের মেন্টর হিসেবে যোগ দেন।

তাঁর সম্পদের উৎস বৈচিত্র্যময়। বিসিসিআই-এর সেন্ট্রাল কনট্রাক্ট থেকে বার্ষিক ৫ কোটি টাকা, এন্ডোর্সমেন্ট থেকে ১৫ কোটি (হিরো মোটোকর্প, অ্যাডিডাস), এবং ‘শাবাশ মিথু’ ফিল্ম থেকে রয়্যালটি। ২০২৫ বিশ্বকাপের পর তাঁর কমেন্ট্রি চুক্তি স্টার স্পোর্টসের সাথে ২ কোটি টাকা বেড়েছে। গাল্ফ নিউজের প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে যে, তাঁর নেট ওয়ার্থ ৫.২ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৪৩ কোটি টাকা), যা ২০২৪-এর তুলনায় ১৮% বৃদ্ধি।

মিথালির জীবনী শুধু খেলা নয়, ব্যবসা। তিনি একটি ক্রিকেট একাডেমি চালান, যাতে ৫০০+ ছাত্রী আছে, এবং এটি বার্ষিক ৩ কোটি আয় করে। তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া ফলোয়ার ২ মিলিয়ন ছাড়িয়েছে, যা স্পনসরড পোস্ট থেকে অতিরিক্ত আয়। এই সাফল্য অনেক তরুণ মেয়েদের অনুপ্রাণিত করেছে, বিশেষ করে গ্রামীণ ভারতে যেখানে ক্রিকেট ছিল পুরুষের খেলা।

স্মৃতি মন্ধনা: স্টাইলিশ ব্যাটার এবং ব্র্যান্ডের প্রিয়

স্মৃতি মন্ধনা, ১৯৯৬ সালে জন্মগ্রহণকারী, ভারতের লেফট-হ্যান্ড ব্যাটার যিনি ‘লিল মাস্টার’ বলে পরিচিত। তাঁর ডেবিউ ২০১৩ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। ২০২৫ বিশ্বকাপে তিনি ৩ শতক করে রেকর্ড গড়েন, মোট ৬৫০ রান স্কোর করে (গড় ৬৮.৪)। এই পারফরম্যান্স তাঁকে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর সবচেয়ে দামি খেলোয়াড় করে (৩.৪ কোটি টাকা বেতন)।

তাঁর সম্পদ ৩৫ কোটি টাকা, যার মধ্যে ৪০% এন্ডোর্সমেন্ট থেকে। পুমা, রেড বুল, গাল্ফ অয়েলের সাথে চুক্তি তাঁকে বছরে ১০ কোটি আয় করে। ক্রিকেট ব্যুরোর তথ্য অনুসারে, তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া থেকে ২ কোটি টাকা আসে। ২০২৫ সালে তিনি একটি ফ্যাশন লাইন লঞ্চ করেন, যা প্রথম মাসেই ৫০ লক্ষ বিক্রি করে। স্মৃতির স্টাইলিশ লুক তাঁকে ব্র্যান্ডের প্রিয় করে তুলেছে, এবং তিনি নারী ক্ষমতায়নের জন্য কাজ করেন।

হর্মানপ্রীত কৌর: ক্যাপ্টেন কুল এবং লিডারশিপের প্রতীক

হর্মানপ্রীত কৌর, ১৯৮৯ সালে জন্ম, ভারতের বর্তমান ক্যাপ্টেন যিনি ২০১৮ সাল থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তাঁর ডেবিউ ২০০৯ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। বিখ্যাত ‘সিক্সার কুইন’ হিসেবে পরিচিত, তিনি ২০১৭ বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে ১৭১ রানের ইনিংস খেলে ইতিহাস গড়েন। ২০২৫ বিশ্বকাপ ফাইনালে তাঁর ৮০ রানের ইনিংস দলকে জয় এনে দেয়।

তাঁর নেট ওয়ার্থ ২৬ কোটি টাকা, যার ৫০% মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের ক্যাপ্টেন্সি থেকে (২ কোটি বেতন)। সিইএটি টায়ার, পুমার সাথে চুক্তি বছরে ৮ কোটি আয় করে। গাল্ফ নিউজে উল্লেখ আছে যে, বিশ্বকাপ জয়ের পর তাঁর এন্ডোর্সমেন্ট ৩০% বেড়েছে। হর্মানপ্রীত সিডনি থান্ডারে খেলে প্রথম ভারতীয় হন, এবং তিনি একটি ফাউন্ডেশন চালান যা গ্রামীণ মেয়েদের ক্রিকেট প্রশিক্ষণ দেয়। তাঁর নেতৃত্বে ভারতের জয়ের হার ৬৫%।

অস্ট্রেলিয়ান তারকাদের আধিপত্য এবং তাদের গল্প

যদিও ভারতীয়রা শীর্ষে উঠছে, অস্ট্রেলিয়ান খেলোয়াড়রা এখনও মহিলা ক্রিকেটের অর্থনৈতিক শক্তি। এলিস পেরি, ১৯৮৬ সালে জন্ম, অলরাউন্ডার যিনি ৩০০+ ওডিআই উইকেট এবং ৫০০০+ রান স্কোর করেছেন। তাঁর সম্পদ ১২০ কোটি টাকা, যার বেশিরভাগ ডব্লিউবিবিএল এবং রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু থেকে। অ্যাডিডাসের সাথে গ্লোবাল চুক্তি তাঁকে বছরে ২০ কোটি আয় করে। ২০২৫ সালে তিনি কোচিং রোলে যোগ দেন, যা অতিরিক্ত ৫ কোটি যোগ করে।

মেগ ল্যানিং, ১৯৯২ সালে জন্ম, অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ক্যাপ্টেন যিনি ২০১৩-২০২৩ সাল পর্যন্ত নেতৃত্ব দেন। তাঁর ২০+ ওডিআই শতক বিশ্ব রেকর্ড। সম্পদ ৭৫ কোটি টাকা, নাইকি এবং এসিক্সের স্পনসরশিপ থেকে। তিনি দ্য হান্ড্রেডে খেলে এবং কনসালটিং করে আয় বাড়ান। অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় চুক্তি তাঁকে স্থিতিশীল করে। এই দুজনের সাফল্য দেখায় যে দীর্ঘমেয়াদী ক্যারিয়ার এবং ব্র্যান্ডিং কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

IND vs PAK Highlights: ঐতিহাসিক জয়ের পর এশিয়া কাপে নতুন রেকর্ড গড়লেন হরমনপ্রীতরা

মহিলা ক্রিকেটে অর্থনৈতিক বিপ্লব: পরিসংখ্যান এবং প্রভাব

মহিলা ক্রিকেটের অর্থনীতি দ্রুত বাড়ছে। ২০১০ সালে বিশ্বকাপের পুরস্কার ছিল ১ মিলিয়ন ডলার, কিন্তু ২০২৫-এ ১৩.৮ মিলিয়ন। ডব্লিউপিএল-এর মিডিয়া রাইটস ৪০০ কোটি টাকা, যা পুরুষ লিগের ১০%। ভারতে মহিলা খেলোয়াড়দের গড় বেতন ২০২৫-এ ১.৫ কোটি, যা ২০২০-এর তুলনায় ১০০% বেড়েছে।

এন্ডোর্সমেন্টে ভারতীয় খেলোয়াড়রা ৬০% মার্কেট দখল করে, কারণ দেশের ১.৪ বিলিয়ন জনসংখ্যা। নিলসেনের রিপোর্ট অনুসারে, বিশ্বকাপ জয়ের পর ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটের ব্র্যান্ড ভ্যালু ৫০০ কোটি টাকা বেড়েছে। এই পরিবর্তন নারী ক্রিকেটকে পুরুষের সমান করে তুলছে, এবং ভবিষ্যতে আরও বিনিয়োগ আসবে।

একটি আকর্ষণীয় তথ্য: ২০২৫ সালে মহিলা ক্রিকেটের গ্লোবাল রেভিনিউ ২ বিলিয়ন ডলার, যার ৩০% এশিয়া থেকে। এটি দেখায় যে ভারতের উত্থান গ্লোবাল ট্রেন্ড সেট করছে।

ভবিষ্যতের সম্ভাবনা: পরবর্তী প্রজন্মের জন্য পথ প্রশস্ত

২০২৫ বিশ্বকাপের পর মহিলা ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল। শাফালি বর্মা (৯ লক্ষ ডলার নেট ওয়ার্থ) এবং দীপ্তি শর্মা (১৫ কোটি টাকা) এমন নতুন তারকা যারা শীর্ষে উঠতে পারে। ডব্লিউপিএল ২০২৬-এ অ্যাকশন ১০০ কোটি ছাড়াবে বলে অনুমান। আইসিসির পরিকল্পনায় ২০৩০ সালের মধ্যে মহিলা ক্রিকেটের রেভিনিউ ৫ বিলিয়ন ডলার হবে।

ভারতীয় খেলোয়াড়দের জন্য চ্যালেঞ্জ আছে, যেমন ইনফ্রাস্ট্রাকচার এবং মেন্টাল হেলথ সাপোর্ট। কিন্তু সাফল্যের গল্প অনুপ্রেরণা দেয়। মিথালি রাজ বলেছেন, “ক্রিকেট আমাকে শিখিয়েছে স্বপ্ন দেখতে, এবং এখন আমি অন্যদের স্বপ্ন গড়তে সাহায্য করছি।” এই কথা ভবিষ্যতের দিকনির্দেশ করে।

 সম্পদের পাশাপাশি উত্তরণ

বিশ্বের সবচেয়ে ধনী মহিলা ক্রিকেটারদের তালিকা শুধু অঙ্ক নয়, এটি কঠোর পরিশ্রম, নেতৃত্ব এবং পরিবর্তনের গল্প। তিন ভারতীয় খেলোয়াড়ের শীর্ষস্থান দখল ভারতের মহিলা ক্রিকেটের শক্তি প্রমাণ করে। এই যাত্রা চলবে, এবং আরও অনেক গল্প লেখা হবে। আরও জানতে বিসিসিআই ওয়েবসাইট দেখুন।

About Author
Ani Roy

অনি বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এডুকেশনে স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন। শিক্ষার প্রতি গভীর অনুরাগ এবং আজীবন শেখার প্রতি প্রতিশ্রুতি নিয়ে অনি নতুন শিক্ষামূলক পদ্ধতি ও প্র্যাকটিসগুলি অন্বেষণ করতে নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। তার একাডেমিক যাত্রা তাকে শিক্ষার তত্ত্ব এবং ব্যবহারিক শিক্ষণ কৌশলগুলিতে দৃঢ় ভিত্তি প্রদান করেছে। অনি অন্তর্দৃষ্টি এবং দক্ষতা তার চিন্তাশীল লেখাগুলিতে প্রতিফলিত হয়, যা শিক্ষাবিদ এবং শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত ও তথ্যপূর্ণ করার উদ্দেশ্যে লেখা। তিনি তার আকর্ষণীয় এবং প্রভাবশালী কাজের মাধ্যমে শিক্ষা ক্ষেত্রে অবদান রাখতে থাকেন।