অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কেন্দ্রের কঠোর অবস্থান: দেশজুড়ে ডিটেনশন ক্যাম্প স্থাপনের নির্দেশ

ভারতে অনুপ্রবেশকারীদের বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কঠোর নীতি নতুন মাত্রা পেয়েছে। সম্প্রতি গৃহ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিশেষ আটকাদার কেন্দ্র বা ডিটেনশন ক্যাম্প স্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যারা…

Srijita Ghosh

 

ভারতে অনুপ্রবেশকারীদের বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কঠোর নীতি নতুন মাত্রা পেয়েছে। সম্প্রতি গৃহ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিশেষ আটকাদার কেন্দ্র বা ডিটেনশন ক্যাম্প স্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যারা বৈধ পাসপোর্ট বা ভিসা ছাড়া ভারতে থাকবেন, তাদের এই ক্যাম্পে রাখা হবে। তবে এই নতুন নিয়ম থেকে হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, পার্সি ও জৈন ধর্মাবলম্বীদের বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছে।

গত সেপ্টেম্বর ১ তারিখ থেকে নতুন ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ফরেনার্স অ্যাক্ট ২০২৫ কার্যকর হয়েছে। এই আইনের আওতায় যে কেউ জাল পাসপোর্ট বা ভিসা নিয়ে ভারতে প্রবেশ করলে তার সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। বৈধ কাগজপত্র ছাড়া প্রবেশ করলেও পাঁচ বছরের জেল ও পাঁচ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে।

বিদেশি ট্রাইব্যুনালের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে সম্প্রতি আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এখন থেকে এই আদালত সরাসরি সন্দেহভাজন অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠানোর আদেশ দিতে পারবে। এর আগে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে নিতে হতো। বর্তমানে আসামে প্রায় ১০০টি বিদেশি ট্রাইব্যুনাল কাজ করছে।

দেশব্যাপী এই অভিযানের ফলে ইতিমধ্যে হাজার হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার ও ডিপোর্ট করা হয়েছে। মে মাস থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত প্রায় ২৫০০ জনকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে রিপোর্টে উঠে এসেছে। এর মধ্যে গুজরাট, দিল্লি, হরিয়ানা, আসাম, মহারাষ্ট্র, রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ ও গোয়া থেকে বেশি সংখ্যক লোককে চিহ্নিত করা হয়েছে।

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ) গত তিন বছরে ৫০০০ এরও বেশি বাংলাদেশি নাগরিককে ফেরত পাঠিয়েছে। কেবল পশ্চিমবঙ্গ থেকেই ২৬৮৮ জনকে আটক করে ফেরত পাঠানো হয়েছে। মিজোরাম থেকে ১৬৭৯ জন, ত্রিপুরা থেকে ৭৭১ জন এবং আসাম থেকে ৫১ জনকে বিতাড়িত করা হয়েছে।

এই কঠোর পদক্ষেপের প্রেক্ষাপটে রয়েছে গত এপ্রিল মাসে পহলগামে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা। ভারতীয় কর্মকর্তারা দাবি করেন যে এই হামলার সঙ্গে পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি গ্রুপের সংযোগ ছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত মে মাসে ‘অপারেশন সিন্দুর’ চালু করা হয়। এই অভিযানের আওতায় সারা দেশে কথিত অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিতকরণ ও বিতাড়নের কাজ তীব্র করা হয়েছে।

সিটিজেনশিপ অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট (সিএএ) এর সঙ্গে এই নতুন নীতির গভীর সম্পর্ক রয়েছে। ২০১৯ সালে পাশ হওয়া এই আইনে আফগানিস্তান, বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থেকে আসা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি ও খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের ভারতীয় নাগরিকত্বের দ্রুততম পথ প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু মুসলমানদের এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত রাখা হয়েছে।

গত সেপ্টেম্বরে গৃহ মন্ত্রণালয়ের নতুন আদেশে এই সুবিধা আরও বিস্তৃত করা হয়েছে। এখন ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে আসা ধর্মীয় সংখ্যালগুরা বিনা পাসপোর্ট বা ভিসায় ভারতে থাকতে পারবেন। আগে এই সুবিধা ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সীমাবদ্ধ ছিল।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই নীতির তীব্র সমালোচনা করেছে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ও অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মতো সংস্থাগুলো বলেছে যে এই নীতি ধর্মের ভিত্তিতে বৈষম্যমূলক এবং ভারতের সাংবিধানিক মূল্যবোধের পরিপন্থী। তারা দাবি করেছে যে এই অভিযানে প্রধানত বাঙালি মুসলমানদের টার্গেট করা হচ্ছে, এমনকি যারা বৈধ কাগজপত্রের অধিকারী তাদেরও।

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ওপরও এই অভিযানের প্রভাব পড়েছে। গত মে মাস থেকে কমপক্ষে ১৯২ জন রোহিঙ্গা শরণার্থীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে, যাদের মধ্যে অনেকেই জাতিসংঘের উদ্বাস্তু সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) কাছে নিবন্ধিত ছিল। এছাড়া ৪০ জন রোহিঙ্গাকে জাহাজে করে মিয়ানমারের উপকূলে নিয়ে গিয়ে সাঁতরে তীরে যেতে বাধ্য করা হয়েছে।

বর্তমানে ভারতে ছয়টি প্রধান ডিটেনশন সেন্টার রয়েছে আসামে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড়টি হলো গোয়ালপাড়ার মাটিয়ায় অবস্থিত ট্রানজিট ক্যাম্প, যা ৩০০০ জন পর্যন্ত আটক রাখতে পারে। এছাড়াও দিল্লি, পাঞ্জাব, রাজস্থান, গুজরাট, গোয়া, তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও কর্ণাটকেও বিভিন্ন ধরনের আটকাদার কেন্দ্র রয়েছে।

২০১৯ সালের তথ্য অনুযায়ী, ভারতে প্রায় ৯৮৮ জন ঘোষিত বিদেশিকে বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক রাখা হয়েছিল। বর্তমানে এই সংখ্যা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। শুধু আসামের মাটিয়া ট্রানজিট ক্যাম্পেই প্রায় ১০৩ জন রোহিঙ্গা এবং ১৭১ জন বাংলাদেশি বা ভারতীয় নাগরিক হিসেবে ঘোষিত বিদেশি আটক রয়েছে।

সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয়ে কয়েকবার হস্তক্ষেপ করেছে। গত বছর আদালত আসাম সরকারকে ১৭ জন ঘোষিত বিদেশিকে দ্রুত ডিপোর্ট করার নির্দেশ দিয়েছিল, যারা দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে ডিটেনশন সেন্টারে আটক ছিল। এ বছর জানুয়ারিতে আদালত মাটিয়া ক্যাম্পে আটক ২৭০ জন বিদেশির বিষয়ে আসাম সরকারের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে।

কেন্দ্রীয় গৃহমন্ত্রী অমিত শাহ এই নীতির যৌক্তিকতা তুলে ধরে বলেছেন যে ভারত তার ঐতিহ্যবাহী মানবিক দায়বদ্ধতা পালন করছে। তিনি ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’ (বিশ্ব একটি পরিবার) এর দর্শনের কথা উল্লেখ করে বলেছেন যে নিপীড়িত সংখ্যালঘুদের আশ্রয় দেওয়া ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য।

এই নতুন আইনের আওতায় হোটেল, বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকে বিদেশিদের তথ্য নিয়মিত কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতে হবে। আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনস ও জাহাজ কোম্পানিগুলোকেও যাত্রী ও ক্রুদের বিস্তারিত তথ্য সরবরাহ করতে হবে। এই ব্যবস্থা অবৈধ অবস্থানকারী বিদেশিদের খোঁজ রাখার জন্য করা হয়েছে।

বিরোধী দল ও মানবাধিকার কর্মীরা অভিযোগ করেছেন যে এই অভিযানে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে না। অনেক ক্ষেত্রে আদালতের আদেশ ছাড়াই মানুষকে ডিপোর্ট করা হচ্ছে। এমনকি কিছু ভারতীয় নাগরিককেও ভুল করে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে, যার ফলে পরে তাদের ফিরিয়ে আনতে হয়েছে।

বাংলাদেশ সরকার এই একতরফা ডিপোর্টেশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে। ঢাকা এই ‘পুশব্যাক’ নীতিকে অগ্রহণযোগ্য বলে আখ্যা দিয়েছে এবং ভারতকে এই অভিযান বন্ধ করতে বলেছে। বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজিম-উদ-দৌলা এক সংবাদ সম্মেলনে এই ডিপোর্টেশনকে অগ্রহণযোগ্য ‘পুশ-ইন’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।

জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনারের কার্যালয় এই আইনকে ‘মৌলিকভাবে বৈষম্যমূলক’ বলে অভিহিত করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা কমিশন (ইউএসসিআইআরএফ) এই নীতির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার কথাও বলেছে। তারা বলেছে যে এই আইন যুক্তরাষ্ট্রের গৃহমন্ত্রী ও অন্যান্য শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা বিবেচনা করার কারণ।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে এই নীতি জাতীয় নাগরিক পঞ্জি (এনআরসি) এর সঙ্গে মিলে একটি ‘বিষাক্ত মিশ্রণ’ তৈরি করতে পারে। আসামে ২০১৯ সালে প্রকাশিত এনআরসিতে ১৯ লাখেরও বেশি মানুষের নাম বাদ পড়েছিল। এদের মধ্যে যারা সিএএর আওতায় আসবেন না, তাদের রাষ্ট্রহীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ডিটেনশন সেন্টারগুলোর অবস্থা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের (এনএইচআরসি) এক প্রতিবেদনে আসামের ডিটেনশন সেন্টারের দুর্দশার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। এই কেন্দ্রগুলোতে শিশুদের অবস্থা বিশেষভাবে উদ্বেগজনক। ২০১৮ সালে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে ৩১ জন শিশুকে বিদেশি ঘোষণা করা হয়েছে এবং তাদের মধ্যে কেউ কেউ খুব অল্প বয়সেই এই বন্দিত্বের শিকার হয়েছে।

বর্তমানে দিল্লিতে তিনটি পরিচিত স্থানে অভিবাসীদের আটক রাখা হয়। এর মধ্যে দুটি দিল্লি সরকারের সমাজকল্যাণ বিভাগ এবং একটি বিদেশি আঞ্চলিক নিবন্ধন কার্যালয়ের (এফআরআরও) তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। পশ্চিম দিল্লির নির্মল ছায়ায় মহিলা অভিবাসীদের এবং উত্তর দিল্লির লামপুর কমপ্লেক্সে পুরুষ অভিবাসীদের রাখা হয়।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে দিল্লি পুলিশ প্রায় ৭০০ জন সন্দেহভাজন অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করে সীমান্তবর্তী রাজ্যে পাঠিয়েছে। শুধু গত এক মাসে ৪৭০ জন বাংলাদেশি নাগরিক ও ৫০ জন বিদেশি ওভারস্টেয়ারকে চিহ্নিত করে হিন্ডন থেকে ত্রিপুরায় বিমানে পাঠানো হয়েছে।

গুরগ্রামেও একই ধরনের অভিযান চালানো হয়েছে। সেখানে ২৫০ জনকে আটক করা হয়, যার মধ্যে ১০ জনকে অবৈধ অভিবাসী হিসেবে চিহ্নিত করে ডিপোর্টেশনের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। বাকিদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে। তবে এই অভিযানের ফলে শহরের পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, কারণ অনেক পরিচ্ছন্নতাকর্মী কাজ ছেড়ে দিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে এই নীতি দীর্ঘমেয়াদে ভারতের অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ অনেক অভিবাসী শ্রমিক নির্মাণ, পরিচ্ছন্নতা ও গৃহস্থালির কাজে নিয়োজিত থাকেন। তাদের অনুপস্থিতিতে এই খাতগুলোতে শ্রমিক সংকট দেখা দিতে পারে।

আইনি বিশেষজ্ঞরা এই নীতির সাংবিধানিক বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তারা বলছেন যে ধর্মের ভিত্তিতে নাগরিকত্ব প্রদান ভারতের সংবিধানের ১৪ অনুচ্ছেদে (আইনের দৃষ্টিতে সমতা) ও ১৫ অনুচ্ছেদে (ধর্মের ভিত্তিতে বৈষম্য নিষেধ) উল্লিখিত মূলনীতির পরিপন্থী।

আন্তর্জাতিক পর্যায়েও এই নীতি সমালোচনার মুখে পড়েছে। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেশ ভারতে ধর্মীয় সংখ্যালগুদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন যে রাষ্ট্রহীনতার ঝুঁকি রয়েছে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে বাঙালি মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই রাতে কাগজপত্র সঙ্গে নিয়ে ঘুমাচ্ছেন যাতে হঠাৎ পুলিশের অভিযানের সময় প্রমাণ দেখাতে পারেন। দিল্লির জয়হিন্দ ক্যাম্পের মতো বস্তি এলাকার বাসিন্দারা বলছেন যে তারা ইতিমধ্যেই কঠিন জীবনযাত্রার সঙ্গে লড়াই করছেন, এর ওপর এই নতুন সমস্যা তাদের আরও কোণঠাসা করে দিয়েছে।

কেন্দ্রীয় সরকারের এই নীতি নিয়ে রাজ্যগুলোর মধ্যেও মতপার্থক্য দেখা যাচ্ছে। কেরালা, পাঞ্জাব ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীরা এই আইন বাস্তবায়ন করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। কেরালা সরকার সুপ্রিম কোর্টে এই আইনের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জও করেছে।

শেষ পর্যন্ত, এই নীতির ফলাফল কেমন হবে তা সময়ই বলে দেবে। তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলো ও বিরোধী দলের মতে এই নীতি ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্র ও সাংবিধানিক মূল্যবোধের জন্য হুমকি। অন্যদিকে সরকার দাবি করছে যে এটি জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা ও নিপীড়িত ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয়।

About Author