District Wise Central Force Deployment Bengal 2026

ভোট না যুদ্ধের প্রস্তুতি? প্রথম দফায় বঙ্গে 2407 কোম্পানি বাহিনী, জেলা ধরে হিসেব দেখুন

District Wise Central Force Deployment Bengal 2026: ভোটের আগে রাজনীতির উত্তাপ তো থাকেই, কিন্তু এ বার নিরাপত্তার ছবিটা আলাদা। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফা ঘিরে Election Commission (নির্বাচন কমিশন) যে পরিমাণ Central Forces (কেন্দ্রীয় বাহিনী) নামানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা স্পষ্ট…

avatar
Written By : Chanchal Sen
Updated Now: April 15, 2026 5:05 PM
বিজ্ঞাপন

District Wise Central Force Deployment Bengal 2026: ভোটের আগে রাজনীতির উত্তাপ তো থাকেই, কিন্তু এ বার নিরাপত্তার ছবিটা আলাদা। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফা ঘিরে Election Commission (নির্বাচন কমিশন) যে পরিমাণ Central Forces (কেন্দ্রীয় বাহিনী) নামানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা স্পষ্ট করে দিচ্ছে—কমিশন কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না। শুধু মোট সংখ্যা বড় বলেই নয়, কোন জেলায় কত বাহিনী যাচ্ছে সেই হিসেব দেখলেই বোঝা যাচ্ছে কোথায় কমিশনের নজর সবচেয়ে বেশি।

উপলব্ধ রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রথম দফার ভোটের জন্য মোট ২,৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় ভোট, ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফা, আর গণনা ৪ মে। প্রথম দফায় ১৫২ আসনে ভোট হবে, আর ভোটার সংখ্যা ৩.৬ কোটিরও বেশি বলে জানানো হয়েছে। জেলা-ভিত্তিক নিরাপত্তা বণ্টনে মুর্শিদাবাদ সবচেয়ে উপরে, তার পরেই পূর্ব মেদিনীপুর ও পশ্চিম মেদিনীপুর।

এই রিপোর্টে আমরা শুধু “কোথায় কত” বলেই থামছি না। কেন সেই জেলাগুলি বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে, কমিশনের নিরাপত্তা কৌশল কী, আর সাধারণ ভোটারের জন্য এই বড় বাহিনী মোতায়েনের বাস্তব অর্থ কী—সবটাই সহজ বাংলায় তুলে ধরা হল। ভোটের পূর্ণ দফাওয়ারি সূচি জানতে চাইলে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এর দফাওয়ারি সময়সূচি দেখে নিতে পারেন।

 কত বাহিনী নামছে?

প্রথম দফার ভোটে মোট ২,৪০৭ কোম্পানি Central Armed Police Forces (কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী) মোতায়েনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। সাধারণভাবে এক একটি কোম্পানিতে প্রায় ১০০ জনের মতো জওয়ান থাকে, যদিও বাহিনীভেদে সংখ্যা কিছুটা ওঠানামা করতে পারে। অর্থাৎ মোট নিরাপত্তা উপস্থিতি যে বিশাল আকারের, তা বলাই যায়।

কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী, এই বণ্টন করা হয়েছে Vulnerability Assessment (স্পর্শকাতরতা মূল্যায়ন) দেখে। কোথায় অতীতে গোলমাল হয়েছে, কোথায় রাজনৈতিক লড়াই বেশি তীব্র, কোথায় ভোটারদের মধ্যে আস্থা বাড়ানো দরকার—এসব বিচার করেই বাহিনী পাঠানো হচ্ছে।

কোন জেলায় কত Central Forces? এক নজরে তালিকা

জেলা / পুলিশ ইউনিটকোম্পানির সংখ্যা
মুর্শিদাবাদ240
জঙ্গিপুর পুলিশ জেলা76
মোট মুর্শিদাবাদ অঞ্চল316
পূর্ব মেদিনীপুর273
পশ্চিম মেদিনীপুর271
বাঁকুড়া193
বীরভূম176
মালদা172
পুরুলিয়া151
কোচবিহার146
উত্তর দিনাজপুর – ইসলামপুর61
উত্তর দিনাজপুর – রায়গঞ্জ71
মোট উত্তর দিনাজপুর132
আসানসোল-দুর্গাপুর Police Commissionerate (পুলিশ কমিশনারেট)125
জলপাইগুড়ি92
দক্ষিণ দিনাজপুর83
আলিপুরদুয়ার77
ঝাড়গ্রাম74
দার্জিলিং61
শিলিগুড়ি Police Commissionerate (পুলিশ কমিশনারেট)44
কালিম্পং21

জেলা-ভিত্তিক এই তালিকা থেকে পরিষ্কার, সব জায়গায় এক মাপের নিরাপত্তা নয়। বরং কমিশন অঞ্চলভেদে আলাদা ঝুঁকি, অতীতের অভিজ্ঞতা এবং ভোটের সংবেদনশীলতা মাথায় রেখে বাহিনী ভাগ করেছে।

সবচেয়ে বেশি বাহিনী মুর্শিদাবাদে কেন?

মুর্শিদাবাদে মোট ৩১৬ কোম্পানি বাহিনী রাখার পরিকল্পনা হয়েছে, যা এই দফায় সর্বোচ্চ। এর মধ্যে ২৪০ কোম্পানি মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলায় এবং ৭৬ কোম্পানি জঙ্গিপুরে। কমিশন-ঘনিষ্ঠ সূত্রের বক্তব্য, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে এই এলাকায় একাধিক অশান্তির ঘটনা ঘটেছে, তাই এখানে বাড়তি নজর দেওয়া হয়েছে।

আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল ভোটারের সংখ্যা। প্রথম দফার ভোটার তালিকায় মুর্শিদাবাদেই ভোটার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি—প্রায় ৫০.২৬ লাখ। ভোটার বেশি, আসন বেশি, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতাও তীব্র—এই তিনের যোগফল নিরাপত্তা বাড়ানোর পক্ষে বড় কারণ।

সোজা কথায়, মুর্শিদাবাদে বেশি বাহিনী মানে শুধু “গণ্ডগোলের ভয়” নয়; এটা Preventive Deployment (প্রতিরোধমূলক মোতায়েন)ও বটে। আগেভাগে বাহিনী নামিয়ে কমিশন বোঝাতে চাইছে, ভোটার যাতে ভয় ছাড়া বুথে যেতে পারেন।

পূর্ব মেদিনীপুরে ২৭৩ কোম্পানি: নন্দীগ্রামের কারণ কতটা বড়?

পূর্ব মেদিনীপুর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বাহিনী পাচ্ছে—২৭৩ কোম্পানি। এই জেলার গুরুত্ব নিয়ে আলাদা করে বলার কিছু নেই। নন্দীগ্রাম শুধু একটি আসন নয়, বাংলার রাজনীতিতে এটি প্রতীকী ও উচ্চ-তাপমাত্রার কেন্দ্র। সেই কারণেই পূর্ব মেদিনীপুরে অতিরিক্ত নজর থাকাটা খুব অস্বাভাবিক নয়।

এখানেও ভোটার সংখ্যা বড়—প্রায় ৪১.৬০ লাখ। অর্থাৎ প্রশাসনিকভাবে এটি এমন এক জেলা, যেখানে ভোট পরিচালনা, আইনশৃঙ্খলা, রুট মার্চ, স্ট্রংরুম পাহারা—সব মিলিয়ে বড় পরিকাঠামো লাগে।

অনেক পাঠক ভাবেন, বেশি বাহিনী মানেই বুঝি নিশ্চিত অশান্তি। বাস্তবে তা নয়। অনেক সময় রাজনৈতিক গুরুত্বও বড় কারণ হয়। যেখানে জাতীয় স্তরেও নজর থাকে, সেখানে কমিশন কোনও আলগা ব্যবস্থা রাখতে চায় না।

পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম—জঙ্গলমহলে কড়া নজর কেন?

প্রথম দফার নিরাপত্তা মানচিত্রে জঙ্গলমহল অঞ্চলের গুরুত্ব স্পষ্ট। পশ্চিম মেদিনীপুরে ২৭১, বাঁকুড়ায় ১৯৩, পুরুলিয়ায় ১৫১ এবং ঝাড়গ্রামে ৭৪ কোম্পানি বাহিনী রাখা হচ্ছে। এই পুরো অঞ্চল ঐতিহাসিকভাবে কঠিন ভূপ্রকৃতি, বিস্তীর্ণ গ্রামীণ এলাকা, এবং কিছু ক্ষেত্রে অতীতের নিরাপত্তা-চ্যালেঞ্জের জন্য আলাদা মনোযোগ পায়।

কমিশন সাধারণত এমন এলাকায় Area Domination (এলাকা নিয়ন্ত্রণমূলক টহল), রুট মার্চ, এবং বুথে পৌঁছনোর আগে দৃশ্যমান নিরাপত্তা বাড়ায়। এতে একদিকে ভোটার আস্থা বাড়ে, অন্যদিকে সম্ভাব্য গোলমালকারীদেরও বার্তা যায়। এই কারণেই জঙ্গলমহল অঞ্চলে সংখ্যাটা কম নয়।

উত্তরবঙ্গে এত বড় নিরাপত্তা বলয়—কারণ কী?

দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা—উত্তরবঙ্গের সব জেলাই প্রথম দফায় রয়েছে। কমিশনের হিসেবে এই অংশে ব্যাপক ভৌগোলিক বিস্তার, সীমান্ত-ঘেঁষা এলাকা, বহু আসন, আর বিচ্ছিন্নভাবে সংবেদনশীল পকেট—এসব মিলিয়ে বাহিনী ছড়িয়ে দিতে হয়েছে বড় পরিসরে।

কোচবিহারে ১৪৬, মালদায় ১৭২, উত্তর দিনাজপুরে মোট ১৩২, জলপাইগুড়িতে ৯২, দক্ষিণ দিনাজপুরে ৮৩, আলিপুরদুয়ারে ৭৭, দার্জিলিংয়ে ৬১, কালিম্পংয়ে ২১ কোম্পানি রাখা হয়েছে। এর বাইরে শিলিগুড়ি কমিশনারেটেও ৪৪ কোম্পানি থাকবে। অর্থাৎ উত্তরবঙ্গকে আলাদা নিরাপত্তা থিয়েটার হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

এখানে একটা বিষয় মাথায় রাখা দরকার—সব জায়গায় সমান ভোটার সংখ্যা নেই। উদাহরণ হিসেবে কালিম্পংয়ে ভোটার কম, তাই বাহিনীর সংখ্যাও তুলনামূলকভাবে কম। আবার কোচবিহার বা মালদার মতো জায়গায় সংখ্যা বেশি। ভোটার ঘনত্ব, বুথ সংখ্যা, দূরত্ব—সব মিলিয়ে চিত্র বদলে যায়।

১৫ জেলা না ১৬ জেলা—এই বিভ্রান্তি কোথা থেকে?

একাধিক রিপোর্টে ছোট্ট একটি পার্থক্য চোখে পড়ছে। ভোটার-সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী প্রথম দফায় ১৬ জেলায় ভোটার রয়েছে, কিন্তু বাহিনী মোতায়েনের রিপোর্টে ১৫ জেলা বলা হয়েছে, সঙ্গে কিছু Police Commissionerate (পুলিশ কমিশনারেট) আলাদা করে ধরা হয়েছে।

এই অমিলের কারণ সাধারণত প্রশাসনিক গণনাপদ্ধতি। কোথাও জেলা ধরে হিসেব হয়েছে, কোথাও আবার পুলিশ জেলা বা কমিশনারেট আলাদা ইউনিট হিসেবে ধরা হয়েছে। তাই পাঠকের জন্য সবচেয়ে জরুরি কথা হল—এই সংখ্যাগুলি “জেলা/পুলিশ ইউনিটভিত্তিক নিরাপত্তা বণ্টন” হিসেবে দেখা ভালো। এতে বিভ্রান্তি কমে।

এই বিশাল বাহিনী মোতায়েন ভোটারদের জন্য কী বার্তা দিচ্ছে?

প্রথম এবং সবচেয়ে বড় বার্তা হল—কমিশন দৃশ্যমান নিরাপত্তার মাধ্যমে ভোটারদের বুথমুখী করতে চাইছে। গ্রামীণ বা স্পর্শকাতর এলাকায় অনেক সময় ভোটারের প্রধান প্রশ্ন থাকে, “শান্তিতে ভোট দিতে পারব তো?” বেশি বাহিনী থাকলে সেই আশ্বাস কিছুটা হলেও বাড়ে।

দ্বিতীয়ত, বাহিনীর কাজ শুধু বুথ পাহারা নয়। তারা Confidence Building (আস্থা তৈরির পদক্ষেপ), রুট মার্চ, এলাকায় টহল, প্রয়োজনে দ্রুত প্রতিক্রিয়া, এবং ভোট-পরবর্তী সংরক্ষিত সামগ্রী পাহারার মতো নানা দায়িত্বেও থাকে। আগেই রাজ্যে ৪৮০ কোম্পানি পৌঁছে গিয়েছিল এবং এলাকায় টহল শুরু হয়েছিল বলেও রিপোর্টে উঠে এসেছে।

তৃতীয়ত, কমিশন স্পষ্ট করেছে—অবাধ, শান্তিপূর্ণ এবং ভয়মুক্ত ভোটই লক্ষ্য। এই ভাষাটা শুধু আনুষ্ঠানিক নয়; এর অর্থ হল, ভোটের দিন কোনও স্থানীয় প্রভাব যেন বুথের ভিতরে বা বাইরে ভোটারের উপর কাজ না করে।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

প্রথম দফার ভোটে মোট কত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন হচ্ছে?

উপলব্ধ রিপোর্ট অনুযায়ী প্রথম দফার জন্য মোট ২,৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা হয়েছে। এই সংখ্যা পশ্চিমবঙ্গের ১৫২ আসনজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য ব্যবহার করা হবে। বাহিনী বণ্টন করা হয়েছে অঞ্চলভিত্তিক স্পর্শকাতরতা এবং প্রশাসনিক প্রয়োজন বিচার করে।

সবচেয়ে বেশি বাহিনী কোন জেলায় যাচ্ছে?

সবচেয়ে বেশি বাহিনী যাচ্ছে মুর্শিদাবাদ অঞ্চলে। মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলা ও জঙ্গিপুর মিলিয়ে মোট ৩১৬ কোম্পানি রাখা হচ্ছে বলে জানা গেছে। সাম্প্রতিক অশান্তির ইতিহাস, ভোটের আকার, এবং সংবেদনশীলতার কারণেই এই বাড়তি গুরুত্ব।

পূর্ব মেদিনীপুরে এত বেশি বাহিনী কেন?

পূর্ব মেদিনীপুরে ২৭৩ কোম্পানি বাহিনী পাঠানোর পরিকল্পনা হয়েছে। নন্দীগ্রামের মতো হাই-প্রোফাইল কেন্দ্র এই জেলার মধ্যে পড়ায় রাজনৈতিক গুরুত্বও অনেক বেশি। তার সঙ্গে ভোটার সংখ্যাও বড় হওয়ায় কমিশন এখানে শক্ত নিরাপত্তা বলয় রাখতে চাইছে।

প্রথম দফায় কত জেলায় ভোট হচ্ছে?

ভোটার-তথ্য অনুযায়ী প্রথম দফা ১৬ জেলায় বিস্তৃত। তবে বাহিনী মোতায়েন সংক্রান্ত কিছু রিপোর্টে ১৫ জেলা বলা হয়েছে, কারণ সেখানে কিছু কমিশনারেট ও পুলিশ ইউনিট আলাদা করে ধরা হয়েছে। তাই দুই তথ্যের মধ্যে আক্ষরিক অমিল থাকলেও প্রশাসনিকভাবে তা ব্যাখ্যা করা যায়।

এই বাহিনী কি শুধু ভোটের দিন বুথে থাকবে?

না, কেন্দ্রীয় বাহিনীর কাজ শুধু ভোটের দিন বুথ পাহারা নয়। তারা আগাম রুট মার্চ, এলাকা টহল, ভোটারদের মধ্যে আস্থা তৈরি, স্পর্শকাতর জায়গায় নজরদারি, এবং ভোট-পরবর্তী কিছু নিরাপত্তা দায়িত্বও পালন করে। অর্থাৎ এটি এক দিনের ব্যবস্থা নয়, বরং পুরো ভোট-পর্বকে ঘিরে তৈরি করা নিরাপত্তা কাঠামো।

উপসংহার

বঙ্গের প্রথম দফার ভোটে যে মাত্রায় কেন্দ্রীয় বাহিনী নামানো হচ্ছে, তা নিছক সংখ্যা নয়—এটি কমিশনের অগ্রাধিকারের মানচিত্র। মুর্শিদাবাদ, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ অংশ—সব মিলিয়ে স্পষ্ট, কমিশন এ বার দৃশ্যমান নিরাপত্তাকে ভোট ব্যবস্থাপনার কেন্দ্রে রাখতে চাইছে।

পাঠকের দৃষ্টিতে সবচেয়ে জরুরি কথা হল, এই বাহিনী মোতায়েনের লক্ষ্য হওয়া উচিত ভয়মুক্ত ভোট। কে কত আসন জিতবে, সেটা পরে দেখা যাবে; কিন্তু ভোটার যেন নিশ্চিন্তে বুথে যেতে পারেন, সেটাই আগে। আর সেই কারণেই “কোন জেলায় কত বাহিনী” তথ্যটা শুধু রাজনৈতিক কৌতূহল নয়, গণতান্ত্রিক পরিবেশ বোঝারও গুরুত্বপূর্ণ চাবিকাঠি।