বাড়ির আশেপাশে কুকুর ডাকাডাকি করলে করণীয় কী? একটি বিস্তারিত নির্দেশিকা

রাত বাড়ার সাথে সাথে যখন চারপাশ নিস্তব্ধ হয়ে আসে, তখন হঠাৎ করেই পাড়ার কুকুরদের দলবদ্ধ চিৎকারে অনেকেরই ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। এই সমস্যাটি শহুরে এবং গ্রামীামীণ উভয় এলাকাতেই বেশ সাধারণ। কুকুরের…

Avatar

 

রাত বাড়ার সাথে সাথে যখন চারপাশ নিস্তব্ধ হয়ে আসে, তখন হঠাৎ করেই পাড়ার কুকুরদের দলবদ্ধ চিৎকারে অনেকেরই ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। এই সমস্যাটি শহুরে এবং গ্রামীামীণ উভয় এলাকাতেই বেশ সাধারণ। কুকুরের এই ডাকাডাকি কেবল বিরক্তিকরই নয়, অনেক সময় তা ভয় ও আতঙ্কেরও কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু কেন কুকুরেরা এমন আচরণ করে? আর এই পরিস্থিতিতে আমাদেরই বা কী করণীয়? এই প্রতিবেদনে আমরা কুকুরের ডাকাডাকির পেছনের বৈজ্ঞানিক কারণ, আইনগত দিক এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের উপায়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব, সঙ্গে থাকবে সর্বশেষ তথ্য ও বিশেষজ্ঞের মতামত। What to do about dog barking in the neighborhood? – এই প্রশ্নটির উত্তর খোঁজা আজ ভীষণ জরুরি।

কুকুরের চিৎকারের কারণ: শুধু কি স্বভাব?

কুকুর সামাজিক জীব এবং ঘেউ ঘেউ করা তাদের যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। আমাদের কাছে যা কেবলই কোলাহল, তাদের জন্য তা ভাব প্রকাশের ভঙ্গি। প্রধানত যে কারণগুলোর জন্য কুকুরেরা, বিশেষ করে পথকুকুরেরা দলবদ্ধভাবে চিৎকার করে, সেগুলো হলো:

  • এলাকা নির্ধারণ ও রক্ষা (Territorial Defense): কুকুর অত্যন্ত এলাকাকেন্দ্রিক প্রাণী। তারা নিজেদের একটি নির্দিষ্ট এলাকা তৈরি করে এবং অন্য কুকুর বা অপরিচিত কোনো প্রাণী বা মানুষকে দেখলে চিৎকার করে বাকিদের সতর্ক করে দেয়। এটি তাদের এলাকা রক্ষার একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।
  • যোগাযোগ ও সামাজিকীকরণ (Communication and Social Interaction): কুকুরেরা ঘেউ ঘেউ করে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করে। দূরে থাকা দলের অন্য সদস্যদের কোনো বার্তা দেওয়া, সঙ্গীকে ডাকা বা নিজেদের অবস্থান জানানোর জন্য তারা চিৎকার করে।
  • সতর্কীকরণ (Alert System): কোনো অস্বাভাবিক শব্দ, যেমন – অপরিচিত গাড়ির আওয়াজ, অচেনা মানুষের আনাগোনা বা অন্য কোনো বিপদজনক পরিস্থিতি আঁচ করতে পারলে কুকুরেরা ডেকে ওঠে। প্রাচীনকাল থেকেই মানুষের পাহারাদার হিসেবে কুকুরের এই স্বভাব প্রশংসিত হয়ে আসছে।
  • একাকীত্ব, ভয় বা উদ্বেগ (Loneliness, Fear, or Anxiety): অনেক সময় কুকুর ভয় পেলে, অসুস্থ হলে বা কোনো কারণে 불안 বোধ করলে চিৎকার করে সাহায্য চায়। কোনো কুকুর আঘাত পেলে বা অসুস্থ হয়ে পড়লেও তার আর্তনাদ অন্য কুকুরদের মধ্যে চেইন রিঅ্যাকশন তৈরি করতে পারে।
  • পরিবেশগত উদ্দীপনা (Environmental Triggers): অ্যাম্বুলেন্সের সাইরেন, পটকার শব্দ বা অন্য কোনো তীব্র আওয়াজ কুকুরদের উত্তেজিত করে তুলতে পারে, যার ফলে তারা ডাকতে শুরু করে।

বর্তমান পরিস্থিতি: পরিসংখ্যান কী বলছে?

মানুষ ও পথকুকুরদের সহাবস্থান বিশ্বজুড়েই একটি জটিল বিষয়। ভারতে, বিশেষ করে কলকাতাতে, এই সমস্যাটি বেশ প্রকট। দ্য টেলিগ্রাফের একটি আগস্ট ২০২৫-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, শহরে পথকুকুরদের নিয়ে সমস্যা এতটাই বেড়েছে যে তা কলকাতা হাইকোর্ট পর্যন্ত গড়িয়েছে। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, পশ্চিমবঙ্গে ২০২২ সালে যেখানে ২৩,০০০ কুকুরের কামড়ের ঘটনা ঘটেছিল, সেখানে ২০২৪ সালে তা বেড়ে ৭৬,০০০-এ দাঁড়িয়েছে।

অন্যদিকে, কলকাতা পৌরসংস্থার (KMC) অ্যানিম্যাল বার্থ কন্ট্রোল (ABC) বা নির্বীজকরণ কর্মসূচিও ধীর গতিতে চলছে। টাইমস অফ ইন্ডিয়ার একটি প্রতিবেদন অনুসারে, ৮৪,০০০ পথকুকুরের মধ্যে মাত্র ১০% এই কর্মসূচির আওতায় এসেছে, যা পরিস্থিতির উন্নতিতে বড় বাধা।

বাংলাদেশেও পরিস্থিতি প্রায় একই। অফিসিয়াল পরিসংখ্যান সহজলভ্য না হলেও, বিভিন্ন গবেষণা অনুযায়ী ঢাকায় কুকুরের ঘনত্ব এবং কামড়ের ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। একটি গবেষণাপত্র থেকে জানা যায় যে, প্রতি বছর বাংলাদেশে প্রায় ২-৩ লক্ষ মানুষ কুকুরের কামড়ের শিকার হন।

আইন কী বলছে? (Legal Framework for Dog Barking)

কুকুরের প্রতি নিষ্ঠুরতা প্রদর্শন বা তাদের স্থানান্তর করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এই বিষয়ে ভারত এবং বাংলাদেশ উভয়েরই নির্দিষ্ট আইন রয়েছে।

ভারতীয় আইন:

  • প্রিভেনশন অফ ক্রুয়েলটি টু অ্যানিম্যালস অ্যাক্ট, ১৯৬০ (Prevention of Cruelty to Animals Act, 1960): এই আইন অনুযায়ী, কোনো প্রাণীকে মারা, বিষ দেওয়া বা তার প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
  • অ্যানিম্যাল বার্থ কন্ট্রোল (ডগস) রুলস, ২০২৩: এই নতুন নিয়ম অনুযায়ী, পথকুকুরদের হত্যা বা স্থানান্তর করা যাবে না। তাদের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণের একমাত্র মানবিক ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি হলো নির্বীজকরণ ( বন্ধ্যা), টিকা দেওয়া এবং পুনরায় তাদের নিজের এলাকায় ছেড়ে দেওয়া। সর্বোচ্চ কোর্টও একাধিক রায়ে এই পদ্ধতির পক্ষেই মত দিয়েছে।
  • ভারতীয় দণ্ডবিধি (IPC): ধারা ৪২৮ এবং ৪২৯ অনুযায়ী, কোনো পথকুকুরকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা বা আহত করা একটি ফৌজদারি অপরাধ।

বাংলাদেশী আইন:

  • প্রাণী কল্যাণ আইন, ২০১৯ (Animal Welfare Act, 2019): এই আইন অনুযায়ী, কোনো প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ করলে, তাকে হত্যা করলে বা অপ্রয়োজনীয় ক্ষতি করলে ছয় মাসের জেল এবং ১০,০০০ টাকা জরিমানা হতে পারে। যদিও এই আইনের প্রয়োগ নিয়ে অনেক প্রশ্ন রয়েছে।

সুতরাং, কুকুরের চিৎকারে বিরক্ত হয়ে তাদের উপর হামলা করা বা এলাকা থেকে তাড়িয়ে দেওয়া কোনো সমাধান নয়, বরং এটি একটি বেআইনি কাজ। What to do about dog barking in the neighborhood? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হবে মানবিক এবং আইনসম্মত উপায়ে।

শান্তিপূর্ণ ও কার্যকর সমাধান: আপনার করণীয়

কুকুরের ডাকাডাকি সমস্যা সমাধানের জন্য হিংসাত্মক পথ না নিয়ে, একটি গঠনমূলক ও সহানুভূতিশীল মনোভাব গ্রহণ করা প্রয়োজন। নিচে কিছু কার্যকর পদক্ষেপ উল্লেখ করা হলো:

১. কারণ খুঁজে বের করুন

প্রথমেই বোঝার চেষ্টা করুন কুকুরগুলো ঠিক কী কারণে চিৎকার করছে।

  • তারা কি ক্ষুধার্ত বা তৃষ্ণার্ত? অনেক সময় hambre বা জলের অভাবে কুকুরেরা ছটফট করে এবং ডাকাডাকি করে। নির্দিষ্ট জায়গায় তাদের জন্য জল ও খাবার রাখার ব্যবস্থা করলে এই সমস্যা অনেকটাই কমে আসে।
  • এলাকায় কি নতুন কোনো কুকুর এসেছে? নতুন কুকুরের আগমনে পুরনোরা নিজেদের এলাকা বাঁচানোর জন্য চিৎকার করতে পারে। কিছুদিন পর মানিয়ে নিলে এই ডাকাডাকি কমে যায়।
  • কোনো কুকুর কি অসুস্থ বা আহত? খেয়াল করে দেখুন কোনো কুকুর খুঁড়িয়ে হাঁটছে কিনা বা তার শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন আছে কিনা। এমনটা হলে দ্রুত কোনো পশুপ্রেমী সংস্থা বা পশু চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন।

২. অ্যানিম্যাল বার্থ কন্ট্রোল (ABC) কর্মসূচিতে সাহায্য করুন

পথকুকুরদের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে কার্যকর এবং মানবিক উপায় হলো ABC (Animal Birth Control) বা বন্ধ্যাকরণ।

  • স্থানীয় পৌরসভা বা এনজিও-র সাথে যোগাযোগ: আপনার এলাকার পৌরসভা বা কোনো পশুপ্রেমী এনজিও’র (NGO) সাথে যোগাযোগ করে কুকুরদের বন্ধ্যাকরণের ব্যবস্থা করুন। যেমন কলকাতায় Animal Rescue & Care (ARC) বা অন্যান্য সংস্থা এই কাজ করে থাকে।
  • সচেতনতা বৃদ্ধি: বন্ধ্যাকরণ যে কুকুরদের আগ্রাসী মনোভাব কমাতে সাহায্য করে, এই বিষয়ে প্রতিবেশীদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করুন। বন্ধ্যাকরণের পর কুকুরদের আবার তাদের এলাকাতেই ছেড়ে দেওয়া হয়, যা আইনসম্মত।

৩. প্রতিবেশীদের সাথে আলোচনা করুন

এই সমস্যাটি কোনো একক ব্যক্তির নয়, বরং এটি একটি সামাজিক সমস্যা।

  • একসাথে সমাধান খুঁজুন: প্রতিবেশীদের সাথে কথা বলুন। সবাই মিলে কুকুরদের জন্য খাবার ও জলের ব্যবস্থা করা, বন্ধ্যাকরণের জন্য চাঁদা তোলা বা একসাথে পৌরসভায় আবেদন করার মতো পদক্ষেপ নিতে পারেন।
  • শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান: মনে রাখতে হবে, এই পরিবেশের উপর কুকুরদেরও সমান অধিকার রয়েছে। তাদের ভয় না পেয়ে বা ঘৃণা না করে, কীভাবে একসাথে শান্তিতে থাকা যায়, সেই পথ বের করতে হবে।

৪. কুকুরদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি করুন

পথকুকুরদের শত্রু না ভেবে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করলে অনেক সমস্যারই সমাধান হয়।

  • বিশ্বাস অর্জন করুন: তাদের নিয়মিত খাবার দিন, কিন্তু দূরত্ব বজায় রেখে। ধীরে ধীরে তারা আপনাকে বিশ্বাস করতে শুরু করবে এবং আপনার উপস্থিতি দেখলে শান্ত থাকবে।
  • অহেতুক ভয় দেখাবেন না: কুকুরদের দিকে ঢিল ছোঁড়া বা তাদের লাঠি নিয়ে তাড়া করা থেকে বিরত থাকুন। এতে তারা আরও বেশি হিংস্র হয়ে উঠতে পারে।

বিশেষজ্ঞের মতামত

পশু আচরণ বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, কুকুরদের তাড়িয়ে দেওয়া বা মেরে ফেলা কোনো সমাধান নয়। এর ফলে অন্য এলাকা থেকে নতুন কুকুর এসে জায়গাটি দখল করে এবং সমস্যাটি থেকেই যায়। বরং, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-এর নির্দেশিকা অনুযায়ী, জলাতঙ্ক নিয়ন্ত্রণ এবং কুকুর-মানুষের সংঘাত কমানোর শ্রেষ্ঠ উপায় হলো গণহারে টিকাকরণ ও বন্ধ্যাকরণ। একটি সুস্থ ও নির্বীজকৃত কুকুর সাধারণত শান্ত স্বভাবের হয় এবং মানুষের সাথে ভালোভাবে থাকতে অভ্যস্ত হয়ে ওঠে।

What to do about dog barking in the neighborhood? – এই প্রশ্নের সহজ কোনো উত্তর নেই। এর জন্য প্রয়োজন ধৈর্য, সহানুভূতি এবং একটি বিজ্ঞানসম্মত দৃষ্টিভঙ্গি। কুকুরের ডাকাডাকি একটি স্বাভাবিক আচরণ, যাকে হিংসা দিয়ে নয়, বরং বুদ্ধিমত্তা ও মানবিকতা দিয়ে মোকাবেলা করতে হবে। আইনকে সম্মান জানিয়ে, স্থানীয় প্রশাসন ও পশুপ্রেমী সংস্থাগুলোর সাহায্যে এবং প্রতিবেশীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব। মনে রাখতে হবে, এই পৃথিবীটা শুধু মানুষের জন্য নয়, প্রতিটি জীবেরই এখানে শান্তিতে বাঁচার অধিকার আছে।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQ)

১. রাতে কুকুর ডাকলে কি কোনো অশুভ সংকেত?

না, এটি একটি সম্পূর্ণ কুসংস্কার। কুকুরেরা রাতে বেশি ডাকে কারণ তখন পরিবেশ শান্ত থাকে এবং ছোটখাটো শব্দ বা নড়াচড়াও তাদের নজরে আসে। এর পেছনে কোনো অশুভ বা ভৌতিক কারণ নেই।

২. কুকুরকে খাবার দেওয়া কি ঠিক?

হ্যাঁ, অবশ্যই। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা অনুযায়ী, কলোনি বা অ্যাপার্টমেন্টের বাসিন্দারা পথকুকুরদের জন্য নির্দিষ্ট স্থানে খাবার রাখতে পারেন। এটি তাদের প্রতি মানবিক আচরণ এবং এর ফলে তারা শান্ত থাকে।

৩. কুকুর তাড়া করলে কী করব?

দৌড়ে পালাবেন না। দৌড়ালে কুকুরের শিকারি সত্তা জেগে ওঠে এবং সে আরও বেশি তাড়া করে। স্থির হয়ে দাঁড়ান, সরাসরি চোখের দিকে তাকাবেন না এবং ধীরে ধীরে পিছিয়ে আসুন।

৪. কুকুরের কামড় থেকে বাঁচতে কী কী করণীয়?

অচেনা কুকুরের খুব কাছে যাবেন না, বিশেষ করে যখন সে খাচ্ছে বা ঘুমাচ্ছে। কোনো কুকুরকে বিরক্ত বা উত্তেজিত করবেন না। শিশুদের এই বিষয়ে বিশেষভাবে সচেতন করুন।

৫. পথকুকুরদের বন্ধ্যাকরণের জন্য কোথায় যোগাযোগ করব?

আপনার এলাকার পৌরসভা (যেমন KMC বা ঢাকা উত্তর/দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন) বা স্থানীয় পশু কল্যাণকারী সংস্থার (Animal Welfare NGO) সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

About Author
Avatar

আমাদের স্টাফ রিপোর্টারগণ সর্বদা নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যাচ্ছেন যাতে আপনি বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের সর্বশেষ ও গুরুত্বপূর্ণ খবর পেতে পারেন। তাঁদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও প্রতিশ্রুতি আমাদের ওয়েবসাইটকে একটি বিশ্বস্ত তথ্যের উৎস হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।তারা নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ রিপোর্টিংয়ে বিশ্বাসী, দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক প্রতিবেদন তৈরিতে সক্ষম